রোকন রাইয়ান
নির্বাহী সম্পাদক, আওয়ার ইসলাম
কওমি সনদের স্বীকৃতি। গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎ করেই তুমুল আলোচনায় এসেছিল। তারপর বছরের শেষে এসে থমকে গেছে। থেমে গেছে সব রকম দেন দরবার। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারির পুরোটা জুড়ে এ নিয়ে কোনো আলোচনা বা বক্তৃতা বিবৃতি কিছুই হয়নি। ফলে বহুসংখ্যক ছাত্রকে আশান্বিত করা বিষয়টি আবারও আশাভঙ্গে পরিণত করেছে। অথচ ওই সময় সবগুলো পত্রিকায় নিউজ হযেছিল স্বীকৃতি হচ্ছে চলতি বছরেই।
যদিও আশাহত হওয়ার বিষয়টি নতুন নয়। গত এক যুগ ধরেই এমনটা হয়ে আসছে। স্বীকৃতির আলোচনা উঠলেই নানারকম কথা চারপাশ থেকে উঠতে থাকে। আবার দপ করে নিভেও যায়। একপক্ষ আলোচনা তুললে আরেকপক্ষ শুরু করে বিরোধিতা। আবার আলোচনা শুরুকারীরা থেমে গেলে বিরোধী পক্ষও থেমে যায়। ফলে সাপলুডুর মতো এই আলোচনা ওঠানামাতেই সীমাবদ্ধ থাকে।
কওমি স্বীকৃতির চলতি আলোচনা শুরু হয়েছিল গত বছরের আগস্টে। মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ সংগৃহিত লক্ষ আলেমের ফতোয়া প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তরের এক অনুষ্ঠান থেকে। সে অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন আপনারা এক হয়ে আসুন, কওমি মাদরাসার স্বীকৃতি হবে।
মূলত প্রধানমন্ত্রীর সে আহ্বানের পর পরই বিষয়টি নিয়ে কাজ করতে শুরু করেন মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ। বিষয়টি একসময় সবার দাবি হয়ে ওঠায় বেফাকুল মাদারিস ও দেশের শীর্ষ পর্যায়ের আলেমদের সম্পৃক্ততা জরুরি হয়ে পড়ে। এর মধ্যে হয়ে গেছে নানান আলোচনা, চিন্তা ফিকির।
দেশের অধিকাংশ কওমি মাদরাসা ও আলেমের দাবি ছিল স্বীকৃতির এ নেতৃত্ব থাকুক বেফাকের চেয়ারম্যান সর্বজন শ্রদ্ধেয় আল্লামা শাহ আহমদ শফীর হাতে। বিষয়টি নিয়ে মাঝখানে অনেক জলঘোলা হলেও শেষ পর্যন্ত ১০ ডিসেম্বর একটি সর্বদলীয় বৈঠক হয় দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসায়। আল্লামা আহমদ শফীর নেতৃত্বে সে বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসেন সবাই। বৈঠকে দুটি কমিটিও হয়েছিল স্বীকৃতির আন্দোলনকে নিষ্কণ্টকভাবে এগিয়ে নিতে। স্বীকৃতির জন্য ঐক্যবদ্ধ এগিয়ে যাওয়াকে স্বাগত জানায় কওমি মাদরাসা শিক্ষার্থীরা।
বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি সিদ্ধান্ত হয়। এগুলো হলো- ১. কওমি মাদরাসার স্বীকৃতি দারুল উলুম দেওবন্দের আদলে শুধুমাত্র দাওরায়ে হাদিসকে এমএ’র মান নেয়া। ২. সম্মিলিত কাজ ও স্বীকৃতির জন্য ‘কওমি মাদরাসার সনদের à¦