আওয়ার ইসলাম: তুরস্কের টিভিতে প্রথমবারের মতো লাইভে এসে খাশোগির বাগদত্তা খাদিজা সেঙ্গিজ জানান, খাশোগি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছিলেন, কিন্তু তা এখনো গৃহীত হয়নি। তিনি ছিলেন সৌদি নাগরিক। রিয়াদে তার বন্ধুরা কারাগারে আটক থাকায় সম্প্রতি ব্যাপক নিঃসঙ্গতা বোধ করছিলেন।
‘এই নিঃসঙ্গতার কারণে পরিচিত হওয়ার পরপরই তার সঙ্গে একটি আবেগময় সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ি।’
গত ২ অক্টোবর খাশোগি ইস্তানম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে ঢুকে নিখোঁজ হওয়ার পর সৌদি আরব প্রথমে তার ব্যাপারে কিছু জানা থাকার কথা অস্বীকার করেছিল।
২৮ অক্টোবর রবিবার হিজামা সুন্নাহর প্রথম দিন
পরবর্তীতে তারা ওই কনস্যুলেটেই খাশোগি খুন হওয়ার কথা স্বীকার করে এবং হতাহতিতে তিনি মারা যান বলে জানায়। এই ঘটনার পর তা প্রথম প্রকাশ্যে নিয়ে আসেন খাদিজা।
তিনি বলেন, সৌদি আরবে তার পরিবার সম্পর্কে আমার কাছে খুব বেশি তথ্য ছিল না। তিনি আমাকে বলেছিলেন, রাজনৈতিক কারণে তার আগের বিয়ে ভেঙে গেছে। তিনি খুবই হতাশাগ্রস্ত ও কষ্টে ছিলেন।
‘সৌদি আরবে তার বন্ধুদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা তিনি জানতেন না বলে খাশোগি আক্ষেপ করতেন।’ যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান কয়েকশ ভিন্ন মতাবলম্বীকে আটক রেখেছেন। যাদের মধ্যে খাশোগির বন্ধুরা আছেন।
খাদিজা বলেন, জামাল খাশোগিকে সৌদি ভিন্নমতাবলম্বী বলা ঠিক হবে কি-না, তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। কারণ এক ধরনের রূপান্তর প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে দেশটি। সৌদি আরবে অবস্থান করা তার বন্ধুরা লিখতে পারছিলেন না। খাশোগি এ জন্য লেখালেখি করাকে নিজের দায়িত্ব হিসেবে নিয়েছিলেন।
আরো পড়ুন- ৩৩ সদস্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন আওয়ামী লীগের