বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬ ।। ১১ চৈত্র ১৪৩২ ।। ৭ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
বেফাকে সানাবিয়ার ২৭ মেধাস্থানের ২৩টিই জামিআ রাব্বানিয়ায়, সাফল্যের রহস্য কী? জামিয়াতুল উস্তায শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী রাহি. ঢাকায় ভর্তি ৭ ও ৮ শাওয়াল ‘নদওয়াতুল উলূম আশ-শরইয়্যাহ’য় ভর্তি শুরু আগামীকাল ‘স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার জন্য রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরী’ আল-হাইয়াতুল উলইয়া ও বেফাকে শীর্ষস্থান অর্জনকারী ‘ঢালকানগর মাদরাসা’র ভর্তি আগামীকাল ঢালকানগর মাদরাসার শাখা ‘জামিয়া আশরাফুল মাদারিস কমপ্লেক্স’-এ ভর্তি আগামীকাল মাদরাসাতুল মাদীনাহ বারিধারায় ভর্তি চলছে মাইজগাঁও দারুল উলূম ইসলামিয়া মাদরাসায় ভর্তি শনিবার, বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ দৌলতদিয়ায় বাসডুবি, ৪০ জনের মতো প্রাণহানীর আশঙ্কা ‘স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও জনগণ বঞ্চিত, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন’

‘১৩ সেনা-পুলিশ রোহিঙ্গা গণহত্যার মূল ভূমিকায়’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর জাতিগত নির্মূল অভিযানে মূল ভূমিকা রাখা মিয়ানমারের ১৩ সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তাকে শনাক্ত করেছে লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

বুধবার প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের চুক্তি কিংবা রোম সংবিধি অনুসারে ১১ কর্মকর্তার মধ্যে ৯ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রমাণ হাতে পেয়েছে অ্যামনেস্টি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের আগস্টে শুরু হওয়া রোহিঙ্গাবিরোধী নিধনযজ্ঞে এসব কর্মকর্তা হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে।

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে ৯ মাসের বেশি গবেষণা করে ১৯০ পাতার প্রতিবেদনটি তৈরি করতে ৪০০ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। গত বছরের ২৫ আগস্ট ভোরে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) হামলার অভিযোগ এনে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সাধারণ রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নিধন অভিযান শুরু করে।

তাদের অত্যাচার থেকে বাঁচতে ৭ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাখাইনে হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন, ঘরবাড়ি পুড়িয়ে ভস্মীভূত করে দেয়া ও জবরদস্তিমূলক খাবার বঞ্চিতসহ সহিংসতার বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।

মানবাধিকার সংস্থাটি আরও জানায়, এসব কেবল দুর্বৃত্ত সেনা কিংবা ইউনিটসেরই কার্যক্রম ছিল না, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে এটি ছিল উচ্চপর্যায়ের সুসংগঠিত ও পরিকল্পিত হামলা।

প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়েছে, ‘অত্যন্ত নিষ্ঠুরতার সঙ্গে সুপরিকল্পতভাবে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নির্মূলে এ দমন অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা আইনবহির্ভূতভাবে শিশুসহ কয়েক হাজার রোহিঙ্গাকে হত্যা করেছে।’

তবে সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে নোবেলজয়ী অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন মিয়ানমার সরকার বর্বরতার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

গাজীপুর সিটি নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ