তাবলিগ জামাত খালেস দীনি জামাত হিসেবে বিশ্বে প্রসিদ্ধ। এতে যুক্ত হয়ে মানুষ আত্মশুদ্ধি লাভ করেন সহজে। দীনের এ মেহনতে সঙ্কট মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তাই ধর্মপ্রাণ সব মানুষের প্রত্যাশা তাবলিগ জামাতে চলমান সমস্যা দ্রুত নিরসন হোক।
চলমান এ সঙ্কট দীর্ঘ দিনের ধরে সৃষ্টি হলেও তা নিসরন করা যায়নি। বরং দিন দিন আরও বিস্তৃত হয়েছে। সামান্য ‘রুজু’তে আটকে থাকা বিষয়টি সৃষ্টি করেছে বড় ধরনের ফাটল। বর্তমানে দুই পক্ষের দাবি ও বক্তব্য কী সে বিষয়ে দুই পক্ষের দুইজনের সঙ্গে কথা বলেছেন আওয়ার ইসলামের প্রতিবেদক কাউসার লাবীব।
উল্লেখ্য, এ দুজনই তাবলিগের চলমান এ সমস্যা নিয়ে দিল্লি সফর করেছেন। এদেরই একজন বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের (বেফাক) যুগ্ম মহাসচিব ও জামিয়া রাহমানিয়া মুহাম্মাদপুরের প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহফুজুল হক।
আওয়ার ইসলামকে তিনি বলেন, বাংলাদেশের তাবলিগ জামাতের প্রধান সমস্যা দিল্লির নিজামুদ্দীন মারকাজকে মানা বা তাদের নির্দেশ পালন করা।
আমি মনে করি সঙ্কটময় এই সময়ে বাংলাদেশের ওলামায়ে কেরাম, বুজুর্গানে দীন এবং তাবলিগের মুরব্বিদের নির্দেশে দাওয়াতের এ কাজ চললে সমস্যা থাকবে না।
তাছাড়া বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে অনেক মুরব্বি, আলেম-ওলামা নিজেদের তাবলিগের অন্যতম ব্যক্তিত্বে তৈরি করেছেন, যাদের সামনে তাবলিগের কাজের পুরো নকশা, পরিকল্পনা ও বিষয়াদি শতভাগ বিদ্যমান আছে। সুতারাং দিল্লির নিজামুদ্দীন ব্যতিত আমাদের দেশের তাবলিগকে আমাদের মুরব্বি ওলামায়ে কেরাম সুন্দর ও সুষ্ঠভাবে পরিচালনা এবং নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
হঠাৎ তাবলিগের প্রধান মারকাজ নিজামুদ্দীনকে না মানার পরামর্শ কেন দিচ্ছেন? এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তাবলিগের কেন্দ্রীয় মারকাজ দিল্লির নিজামুদ্দীনের মুরব্বিদের মাঝে বিভক্তি দেখা দিয়েছে। এ বিভক্তি নিরসন না হওয়া পর্যন্ত নিজামুদ্দীনের কোনো নির্দেশ মানা ঠিক হবে না।তাছাড়া নিজামুদ্দীনের বাইরে অবস্থানরত অনেক মুরব্বিকেও তো নিজামুদ্দীনকে মানা দাবিদাররা অনুসরণ করছে না।
তাছাড়া, নিজামুদ্দীন মারকাজের প্রধানতম ব্যক্তি মাওলানা সাদ কান্ধলভী কুরআন সুন্নাহর দৃষ্টিতে নানা সময়ে চরম আপত্তিকর মতামত দিয়েছেন। তার মতামত প্রত্যাহার এবং ভুলত্রুটির বিষয়ে ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ একধিকবার তাকে সতর্ক করেছে কিন্তু তিনি তার মতামত থেকে মোটেও ফিরে আসেননি।
দেওবন্দ তার ব্যাপারে বর্তমানে মোটেও আস্থাশীল নয়। বরং আগামী দিনেও বারবার তিনি এই আপত্তিকর বক্তব্য দিয়েই যাচ