প্রধান মুফতির পদ যেভাবে এলো: সৌদি আরবের প্রধান মুফতির পদটি দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় কর্তৃত্বধারী। স্বয়ং বাদশাহ উক্ত পদে একজনকে নিয়োগ প্রদান করেন। পদাধিকার বলে প্রধান মুফতি দেশের ইলমী গবেষণা ও ফতোয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটির স্থায়ী সদস্য হন।
প্রধান মুফতি সৌদি আরবের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ। তার প্রধান কাজ হলো বিভিন্ন আইনি ও সামাজিক বিষয়ে ফতোয়া প্রদান করা। সৌদি আরবের আদালত ব্যবস্থা তার এই ফতোয়ার দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত।
১৯৫৩ সালে বাদশাহ আব্দুল আজিজ সৌদি আরবের জন্য প্রধান মুফতির পদ সৃষ্টি করেন। তিনি মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আশ-শেখ কে এ পদে নিয়োগ দেন। তিনিই প্রথম প্রধান মুফতি।
সাধারণত আশ-শেখ বংশ থেকেই প্রধান মুফতি নির্বাচিত হয়ে থাকে। এ বংশটিতেই মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহাব জন্ম গ্রহণ করেছিলেন।
তবে ইবনে বায এ বংশের সদস্য না হয়েও প্রধান মুফতি হয়েছিলেন। ১৯৬৯ সালে বাদশাহ ফয়সাল প্রধান মুফতির পদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেন এবং এর পরিবর্তে বিচারপতি মন্ত্রক চালু করেন।
এরপর ১৯৯৩ সালে ইবনে বাযকে প্রধান মুফতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে আবার পদটি চালু হয়।
ইবনে বাযের মৃত্যুর পর বাদশাহ ফাহাদ বর্তমান মুফতি আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আল শাইখকে নিযুক্ত করেন।
এ পর্যন্ত যারা এ সম্মানিত পদে ছিলেন
মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আশ-শেখঃ ১৯৫৩ থেকে ১৯৬৯ পর্যন্ত। ১৯৬৯ থেকে ১৯৯৩ পর্যন্ত কেউ এ পদে ছিলো না।
আবদুল আজিজ ইবন আবদুল্লাহ ইবন বায: ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৯। আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আল শাইখ ১৯৯৯-চলমান প্রধান মুফতির দায়িত্ব পালন করছেন।
আবদুল আজিজ বিন আবদুল্লাহ আল শাইখের পরিচয়
'আবদুল্লাহ্ 'আযীয ইবনে' আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে 'আবদুল্লাহ আশ-শেখ।
জন্ম ৩০ নভেম্বর ১৯৪৩। একজন মুসলিম পণ্ডিত ও ইসলামিক আইন বিশারদ।
বর্তমান সৌদি আরবের প্রধান মুফতি।গ্র্যান্ড মুফতি হিসাবে তিনি ইসলামি গবেষণা এবং ইস্যুতে ফতোয়া জন্য স্থায়ী কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রাথমিক জীবন
আবদুল আজিজ আল শেখ সৌদি আরবের আশ-শেখ পরিবারের সদস্য। ১৯৯৯ সালের জুন মাসে তিনি আবদুল আজিজ ইবনে বাযের নেতৃত্বে রাজা ফাহাদের আদেশে সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি নিযুক্ত হন।
এ পর্যন্ত যেসব ঐতিহাসিক ফতোয়া দিয়েছেন তিনি
গ্র্যান্ড মুফতি ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৩