আতাউর রহমান খসরু : তাবলীগ জামাতের মুরব্বি মাওলানা আবদুল্লাহ মনসুর ভুল স্বীকার ও তওবা সংক্রান্ত মোট ৪টি নথি এসেছে আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের হাতে। এর মধ্যে দুটি আরবি, একটি উর্দু ও একটি বাংলা। আরবি নথি দু্টির একটিতে তিনি তার ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। এ নথিতে খুলনা দারুল উলুমের মুফতি গোলাম রহমানের সুপারিশ, তার অভিভাবকত্ব গ্রহণের ঘোষণাসহ তার স্বাক্ষর ও মাদরাসার সিল রয়েছে।
পরবর্তীতে এ নথিতে আরও স্বাক্ষর করেন বাইতুল উলুম ঢালকানগরের মুহতামিম মুফতি জাফর আহমদ, খিলগাঁও মাখজানুল উলুম মাদরাসার মুফতি নূরুল ইসলাম, মুফতি আরেফ বিল্লাহ ও জামেয়া আরাবিয়া রামপুরার মুফতি রেজাউল করিম প্রমুখের।
২য় নথিতে তিনি তার বই ‘আল ইমারা হিয়াস সুন্নাহ’ এ করা ভুল ও বিকৃতি সম্পর্কে সরল স্বীকারুক্তি দিয়েছেন।

উর্দু নথির শুরু ভাগে কাকরাইল শুরার পক্ষ থেকে মাওলানা মুহাম্মদ যোবায়ের উলামায়ে কেরামের চিঠির উত্তরে বলেছেন, ‘আপনাদের চিঠি পেয়ে আমাদের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সতর্ক করার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।’
এরপর তিনি বলেন, ‘আমরা তাকে (মাওলানা আবদুল্লাহ) এ বই লেখার পরামর্শ দেইনি, আমাদের পরামর্শে তা ছাপাও হয় নি। বরং আমরা বিষয়টি জানতে পেরে তা প্রকাশ করতে নিষেধ করেছি।’
মাওলানা যোবায়ের আরও লিখেছেন, ‘বারিধারা মাদরাসার মুফতি ওবায়দুল্লাহ ফারুক চিঠি পাঠালে আমরা লেখককে তার কাছে পাঠাই যেনো তার ভুল বুঝতে পারে এবং তা স্বীকার করে নেয়। এখন আবার আপনাদের কাছে পাঠালাম।’
উর্দু নথির দ্বিতীয়ভাগে মাওলানা আবদুল্লাহ মনসুর তার ভুলের বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে মেনে নিয়ে তওবা করেন। এখানে তিনি তার বইয়ের যেসব জায়গায় ভুল হয়েছে তার কয়েকটি উদ্ধৃতও করেছেন এবং ভবিষ্যতে এ বই প্রকাশ, প্রচার ও ছাপানো থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেছেন।
উর্দু নথিতে শেষে ৩ জন শীর্ষ আলেমের স্বাক্ষর রয়েছে, যাদের তিনি সাক্ষী রেখে তওবা করেছেন। তারা হলেন, মারকাজুদ দাওয়াহর মুদীর মুফতি আবদুল মালেক, প্রবীন আলেম ও শাইখুল হাদিস মুফতি মোহাম্মদ ওয়াক্বাস, জামিয়া ইমদাদিয়া ফরিদাবাদের মুহতামিম মাওলানা আবদুল কুদ্দুস।
বাংলা নথিতে তিনি কোনো প্রকার স্বাক্ষর ব্যতীত আরবি দুটি নথির সারকথা তুলে ধরে ঘোষণা করেন, তিনি মুফতি গোলাম রহমানকে মুরব্বি হিসেবে গ্রহণ করেছেন এবং তার পরামর্শে তিনি চলবেন। বাংলা নথিটি à