বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


বেফাকে আবারও কর্মী ছাটাই! কর্মীদের করুণ চিঠি!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে দুইবার কর্মী ছাটাই করলো বাংলাদেশ কওমি মাদরসা শিক্ষাবোর্ড- বেফাক।

গতকাল সোমবার পরীক্ষা বিভাগের রফিকুল হককে সাময়িক বরখাস্ত এবং পরিদর্শন বিভাগের মাওলানা মুজ্জাম্মিলকে ৩ মাস সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

সাময়িক বরখাস্তেরর বিষয়টি আওয়ার ইসলামকে নিশ্চিত করেছেন বেফাকের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক, মাওলানা অধ্যাপক যুবায়ের আহমদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, রমজানে কর্মীদের নিয়ে আন্দোলন করেছে রফিকুল হক, তার  নেতৃত্বে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মুফতি আবু ইউসুফকে অবরুদ্ধ করে রাখেন কর্মীরা, ফলে অভিযোগের সততা পাওয়া যাওয়ায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

অধ্যাপক যুবায়ের আহমদ চৌধুরী আরও জানান, মাওলানা মুজ্জাম্মিলের শরীর ও মেজাজ পরিদর্শনের কাজের জন্য উপযুক্ত নয়! তাই ৩ মাসের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তিনি ভিন্ন চাকরির খোঁজ করবেন। আমিও তার চাকরির জন্য চেষ্টা করছি।

জানা যায় গত ৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার বেফাক অফিসে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা আবদুল কুদ্দুস, যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, ফরিদাবাদ মাদরাসার মাওলানা নুরুল আমিনসহ তদন্ত কমিটি নতুন পুরাতন কর্মীদের নানা বিষয়ে জরুরি জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

গত রমজানে কর্মীদের নিয়ে অভারটাইমের টাকা পাওয়ার জন্য আন্দোলন করেছে, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মুফতি আবু ইউসুফকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগের ভিত্তিতে এই তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে।

[আবদুল্লাহ জঙ্গি নয়, ছেড়েছে পুলিশ; আরশাদ মাদানি’র তীব্র নিন্দা]

যাদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ পাওয়া গেছে, তাদের কয়েকজনের কাছ থেকে লিখিত মুসলেকাও নিয়েছে তদন্ত কমিটি।

মুসলেকার বিষয়ে অধ্যাপক যুবায়ের আহমদ চৌধুরী বলেছেন, অফিসের নিয়ন্ত্রণের জন্য মুসলেকা নেওয়া হয়েছে। যে কোন অফিসই সেটা নিতে পারে।

এদিকে মাত্র ১৫ দিন আগে গত ২৪ জুলাই সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাওলানা আবদুল জলিলসহ ৪ জনকর্মীকে একই অভিযোগে বরখাস্ত করেছে বেফাক।

তবে রমজানে কর্মীদের অভারটাইমের টাকা চাওয়া এবং  পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মুফতি আবু ইউসুফকে রুমে আটকে রাখার বিষয়ে ছাটাই হওয়া কর্মীদের কাছ থেকে আওয়ার ইসলামকে লিখিত চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়েছে ভিন্ন কথা।

তাদের দাবি, গত ৩৯ বছরের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ঈদের আগে অভারটাইমের টাকার দাবিতে ৬০ থেকে ৭০ জন কর্মী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মুফতি আবু ইউসুফের কাছে যান। সেটাকেই  মুফতি আবু ইà¦