বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১২ রবিউস সানি ১৪৪৮


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৬ বছর! প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ওয়ালি খান রাজু
ঢাবি প্রতিবেদক

মুসলিম অধ্যুষিত পূর্ব বাংলা তথা বর্তমান বাংলাদেশের জনগণের উচ্চশিক্ষার সবচেয়ে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষালয় হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

সঙ্কটময় মুহূর্তে দিশাহীন জাতিকে সঠিক পথ দেখিয়ে মুক্তির নেশায় উজ্জীবিত করতে এ বিশ্ববিদ্যালয় এর ভূমিকা অনস্বীকার্য , পূর্ববাংলা তথা আজকের বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়া মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে উচ্চ শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বহু ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে যাত্রা শুরু করে।

ইতিহাসের নানা অধ্যায়ে নিজের নাম উজ্জ্বল করে এ বিশ্ববিদ্যালয় তার প্রতিষ্ঠার গৌরবের ৯৬ বছর পেরিয়ে পা রাখতে যাচ্ছে ৯৭ বছরে।

নবাব স্যার সলিমুল্লাহ, নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকসহ ১৯ জন মুসলিম নেতার একটি প্রতিনিধিদল ১৯১২ সালের ৩১ জানুয়ারি গভর্নর জেনারেলের সঙ্গে দেখা করেন। বংগভংগ রদের প্রতিক্রিয়া জানাতে এসে তারা বংগভংগ রদের ক্ষতিপূরণ স্বরূপ কমপক্ষে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার দাবি করেন। জবাবে তাদের এই দাবির সাথে একমত জানিয়ে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন লর্ড হার্ডিঞ্জ।

শত বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে বাংলার মুসলমানরা তাদের ন্যায্য উচ্চ শিক্ষার দাবি আদায় করতে সক্ষম হয়।

১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। ২৮ জন কলা, ১৭ জন বিজ্ঞান,১৫ জন আইনের শিক্ষক, ৮৭৭ জন ছাত্র, তিনটি আবাসিক হল মুসলিম হল, জগন্নাথ হল,শহীদুল্লাহ হল তিনটি অনুষদ ও ইংরেজি, বাংলা, আরবি, ইসলামিক স্টাডিজ, ইতিহাস, অর্থনীতি, গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, আইন, দর্শন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ফার্সি-উর্দু মোট ১২ টি বিভাগ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জন্ম নেয় ।

বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৩৭ হাজার শিক্ষার্থী, দুই হাজার শিক্ষক, ১৯ টি আবাসিক হলসহ মোট ৩৭ হাজার ছাত্রছাত্রী রয়েছে। প্রতি বছর ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপিত হয়, এবারের বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের প্রতিপাদ্য হল "উদ্ভাবন ও উন্নয়নে উচ্চশিক্ষা"।

১৯২১ সাল থেকে শুরু করে হাটি হাটি পা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আজ ১০০ বছরের দ্বারপ্রান্তে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কি পেরেছে তাদের গৌরবান্বিত ইতিহাস ধরে রাখতে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কি পেরেছে ২০১৭ সালেও এসে বাঙ্গালির আশা ভরসার প্রতীক হয়ে জাতিকে পথ দেখাতে? নাকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিজেই নিজের উত্তরণের পথ চেনাতেই ব্যস্ত?

অতীতের সেই প্র