শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ৪ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
সর্বত্র বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে :পীর সাহেব চরমোনাই ফরজ গোসল না করে কি সেহরি খাওয়া যাবে? উলামা মাশায়েখ ও মাদরাসার ছাত্রদের সম্মানে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর ইফতার মাহফিল  খতমে নবুওয়াত বিরোধীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা : প্রধানমন্ত্রী ২ দিন বৃষ্টির আভাস জানিয়ে আবহাওয়া অফিসের বার্তা ১৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করল ভ্রাম্যমাণ আদালত শেয়ার বাজারসহ ব্যবসা-বাণিজ্যে বিনিয়োগ বাড়বে: অর্থমন্ত্রী রমজান উপলক্ষে ৮২৩ খাদ্যপণ্যে বিশেষ ছাড় আরব আমিরাতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের আটজনের দফতর বণ্টন কে কোন দফতরে?

শ্রমিকদের অধিকার দিন! শিল্প না থাকলে কি দিয়ে খাবেন? প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের সরকার যে হারে শ্রমিকদের বেতন বাড়িয়েছে, পৃথিবীর অন্য কোনও দেশের সরকার এই হারে শ্রমিকদের বেতন বাড়াতে পারেনি।’ সোমবার বিকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় তিনি এসব বলেন।

 প্রধানমন্ত্রী বিলেন, ‘মে দিবসের যে সংগ্রামী চেতনা, সেই চেতনা মাথায় রেখেই দেশকে আমরা ধীরে ধীরে শিল্পায়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। বাংলাদেশ উন্নত সমৃদ্ধ হবে। ২১ সালে সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করব। দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত দেশ হবে, সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।’
শ্রমিকদের বেতন বাড়ানো প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার দেশের শ্রমিকদের বেতন যে হারে বাড়িয়েছে, সেই হারে বিশ্বের অন্য কোনও দেশের সরকার শ্রমিকদের বেতন বাড়াতে পারেনি।’ তিনি আরও বলেন,  ‘১৯৯৬ সালে এসে দেখলাম শ্রমিকরা মাত্র ৮শ থেকে ৯শ টাকা ন্যূনতম মজুরি পেত। তখনই আমরা শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর ব্যবস্থা নেই। পরে শ্রমিকদের বেতন বাড়ানো হয়েছে। কাজে ঢুকলেই তাদের বেতন প্রথমে ৩ হাজার, পরে ৫ হাজার ৩শ টাকায় আনা হয়েছে। এটা কেউ ভাবতে পারেনি। আমাদের সরকার যে হারে শ্রমিকদের বেতন বাড়িয়েছে, পৃথিবীর অন্য কোনও দেশের সরকার এই হারে শ্রমিকদের বেতন বাড়াতে পারেনি।’
শ্রমিকদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ট্রেনিং কাম ডরমেটরির ব্যবস্থা করে দিয়েছি। তারা যেন ভালোভাবে বসবাস করতে পারে, কাজের পরিবেশ যেন তৈরি হয়, সেই ব্যবস্থা করে দিয়েছি। আওয়ামী লীগ সরকার শ্রমিকদের জন্য কাজ করেছে। আমি শ্রমিকদের জন্য কাজ করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘শ্রমিকদের অধিকার দিন! শিল্প যদি না থাকে, কী দিয়ে খাবেন? কী দিয়ে চলবেন? বিভিন্ন খাতে নিয়োজিত শ্রমিকের পাশাপাশি অপ্রাতিষ্ঠানি শ্রমিক রয়েছে, যাদের সুনির্দিষ্ট চাকরি নেই। তাদের কল্যাণের দিকটাও আমাদের চিন্তা করতে হবে। তাদের জন্য কল্যাণমুখী কিছু করার পদক্ষেপ নেব।’

কল-কারখানার মধ্যস্বত্বভোগীদের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই, আমাদের দেশে যারা শ্রম দেবে, যারা উৎপাদনে সহায়ক, তারা ভালো থাকুক। তাদের ভালো-মন্দ দেখার দায়িত্ব সরকার হিসেবে আমাদের আছে। কিন্তু আমি জানি না, কেথা থেকে যেন কিছু শ্রমিক নেতা জুটে যায়। তারা কোথাকার শ্রমিক, জানি না। কিন্তু তারা নেতা হয়ে যায়। দেশে খবর নাই, তারা বিদেশে খবর পাঠাতে থাকে। তারা কি ভাড়া খাটেন? এদের উস্কানিতে কেউ যদি কিছু করেন, চাকরি হারান, তখন কি তারা খাবার দিতে আসে? আহত হলে সাহায্য করে? করে না।’

-এআরকে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ