শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬ ।। ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শরিয়া রাষ্ট্র প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুলের মন্তব্য ও কিছু কথা গাজীপুর সিটি নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী ঘোষণা গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে আড়াই বছর পর ফিলিস্তিনি নারীর লাশ উদ্ধার রামুতে বাস-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ ভেনেজুয়েলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ৬৪৫ আজমতে সাহাবার মহাসচিব পদ থেকে আলী হাসান উসামাকে অব্যাহতি উত্তরাখণ্ডের পর ছত্তিশগড়েও বিলুপ্ত হচ্ছে মাদরাসা বোর্ড ‘আদর্শভিত্তিক সংগঠনে প্রশিক্ষিত কর্মী বাহিনীর বিকল্প নেই’ ২৩ বছরের মুয়াজ্জিনকে শত মোটরসাইকেলের শোভাযাত্রায় বিদায়

কওমির ১৪ লাখ শিক্ষার্থীকে ফেলে রেখে আমরা এগুতে পারি না

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

‘কওমি মাদরাসার ১৪ লাখ শিক্ষার্থীকে ফেলে রেখে সরকার উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারে না’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  তিনি বলেন, ‘তাদের জীবন আমরা এমনিতে ভাসিয়ে দিতে পারি না?’

সোমবার সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভা শেষে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কওমি শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেটের কোনো মূল্য নেই। তারা কোথাও কাজ পায় না, চাকরি পায় না। না দেশে পায়। কোনো কিছু করে খেতে পারে না। তাদের জীবনটা কি আমরা ভাসিয়ে দেব? তারা কি এ দেশের নাগরিক না? তারা কি এ দেশের মানুষ না? তাদের জীবনের কি কোনো মূল্য নাই? তাদের কি মূল স্রোতে নিয়ে আসব না?’

বৈঠকে সুপ্রিম কোর্টের সামনে গ্রিকদেবীর ভাস্কর্য নিয়েও কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গ্রিক গডেস অব জাস্টিস, থেমিস। তাঁর স্ট্যাচু। কিন্তু গ্রিক স্ট্যাচুকে যখন শাড়ি পরিয়ে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হলো, আমি সেটাই চিফ জাস্টিসকে বলেছিলাম যে এ গ্রিক স্ট্যাচুতে আপনি শাড়ি পরাতে গেলেন কিসের জন্য।’

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘ওটা সরাতে হলো কেন সেটা নিয়ে সবার চিৎকার। সরাতে হবে না কেন? যারা এ কথাটা বলছেন, তাঁরা দেখতে পাচ্ছেন না গ্রিক এখন আর গ্রিক নাই সেটা বঙ্গগ্রিক হয়ে গেছে। এটা কি ওনাদের চোখে পড়েনি?’

বৈষম্য দূর করতে কওমি ও আলীয়াকে একই ছায়াতলে আনতে হবে’

মানুষের চিন্তা পড়তে চায় ফেসবুক!

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ