মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১১ রবিউস সানি ১৪৪৮


ইসি গঠনে সংলাপ; রাষ্ট্রপতির ডাকের অপেক্ষায় ইসলামি দলগুলো

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রোকন রাইয়ান

islami-dol2আগামী ফেব্রুয়ারিতে শেষ হচ্ছে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ। তার আগে নতুন ইসি গঠনে সংলাপের আয়োজন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। গত ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে শুরু হয়েছে এ পরামর্শ সভা। ধারাবাহিকভাবে জাতীয় পার্টি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, এলডিটি, জাসদসহ আরো বেশ কয়েকটি দলের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি সংলাপ করেছেন।

সংলাপে দুটি ইসলামি দলও অংশ নিয়েছেন। একটি ইসলামী ঐক্যজোট আরেকটি তরিকত ফেডারেশন। এর মধ্যে ইসলামী এক্যজোট গত ২৯ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপ করে ৮ দফা প্রস্তাব পেশ করেছে। তবে এর বাইরে আরো বেশ কয়েকটি ইসলামি দল রয়েছে যারা এখনো আমন্ত্রণ পাননি। এগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও খেলাফত মসলিস মজলিস উল্লেখযোগ্য।

এখনো আমন্ত্রণ না পাওয়া দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে তারা আশাবাদী রাষ্ট্রপতি সংলাপের জন্য তাদের আহ্বান করবেন। সে জন্য এখনো পর্যাপ্ত সময় রয়েছে। কেউ কেউ জোর দিয়ে বলেছেন, নিবন্ধিত সব দলের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সংলাপে বসা উচিত। যাতে করে সবার মতামতের ভিত্তিতে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও সবার পছন্দের নির্দলীয় ইসি গঠিত হয়।

ইসলামপন্থী দলের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বড় দল। তবে যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে দলটি এখন কোণঠাসা। সরকারের সঙ্গে রয়েছে বৈরিতাও। রাষ্ট্রপতির সংলাপে আমন্ত্রণ পায়নি দলটি। তবে দল থেকে এক বিবৃতিতে ইতোপূর্বে সংলাপের সুযোগ চাওয়া হয়েছে। ২০ ডিসেম্বর দলটির আমীর মকবুল আহমাদ এ সংক্রান্ত একটি চিঠি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়েছেন বলে জানা গেছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, দেশের একটি বৃহৎ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রক্রিয়ায় সংলাপকে অর্থবহ করে তোলার জন্য ওই সংলাপে জামায়াতে ইসলামীর অংশগ্রহণের সুযোগ থাকা বাঞ্ছনীয়। আশা করি দেশের জনগণের যথাযথ প্রতিনিধিত্বের স্বার্থে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে সংলাপে অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’

অবশ্য রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে এ চিঠির পর এখন পর্যন্ত কোনো গ্রিন সিগনাল পায়নি দলটি।

ইসলামি দলগুলোর মধ্যে ভোটের হিসাবে দ্বিতীয় সারিতে রাখা হয় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে। পীর সাহেব চরমোনাইয়ের নেতৃত্বে দলটি এককভাবে নির্বাচন করে