Tag Archives: আওয়ামী লীগ

৩৩ সদস্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন আওয়ামী লীগের

আওয়ার ইসলাম: ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য ৩৩ সদস্যের মূল (কোর) কমিটি গঠন করেছে।

দলীয় ফোরামে এই প্রথম যুক্ত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

শুক্রবার (২৬ অক্টোবর) রাতে গণভবনে এক সভায় ৩৩ সদস্যের ‘জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা (মূল) কমিটি’ গঠন করা হয়।

নির্বাচনী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

কমিটি’র কো-চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এইচ টি ইমাম এবং সদস্য সচিব আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। কমিটিতে সজীব ওয়াজেদ জয় রয়েছেন সদস্য হিসেবে।

অন্য সদস্যরা হলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাজেদা চৌধুরী, উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, ড. মশিউর রহমান, রাশিদুল আলম, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফর উল্ল্যাহ, মোহাম্মদ নাসিম, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুর রাজ্জাক, কর্নেল (অব.) ফারুক খান, সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন, কোষাধক্ষ্য এইচ এন আশিকুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, ডা. দিপুমনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সাধারণ সম্পাদক নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল, দফতর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য আখতারুজ্জামান, দীপংকর তালুকদার, অ্যাডভোকেট এবিএম রিয়াজুল কবির কাওছার এবং উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

‘জামায়াতের কেউ যেন নির্বাচনে না আসতে পারে’

-আরআর

চীন সফরে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের ১৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল

আওয়ার ইসলাম: পাঁচ দিনের সফরে চীন যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের  ১৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।২৮  অক্টোবর এ প্রতিনিধি দল চীনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন বলে জানা গেছে।

চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে তারা দেশটিতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। এ সফরে দেশের বিভিন্ন বিষয়েও আলোচনা হতে পারে। চলমান রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

এই সফরে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক আব্দুস সবুর, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় সদস্য গোলাম রাব্বানী চিনু, এবিএম রিয়াজুল কবির কাওছার, পারভীন জাহান কল্পনা, আনোয়ার হোসেন, ইকবাল হোসেন অপু, মেরিনা জাহান, রেমন্ড আরেং এবং আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক উপ-কমিটির সদস্য তরুণ কান্তি দাশ।

প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ বার্তা পৌঁছাবেন সেখানে।

গতবছরের ১৯ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চীন সফরে গিয়েছিল আওয়ামী লীগের ১৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। একইভাবে আওয়ামী লীগের আমন্ত্রণেও চীনের ক্ষমতাসীন দলের উচ্চপদস্থদের প্রতিনিধি দল কয়েকবার ঢাকা সফর করেছেন।

১ বছর চিকিৎসাধীন থাকার পর চলে গেলেন লেখক মুহাম্মদ রাশিদুল হক

-আরআর

‘প্রত্যেকের আমলনামা শেখ হাসিনার কাছে আছে’

আওয়ার ইসলাম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রত্যেকের আমলনামা শেখ হাসিনার কাছে আছে। ছয় মাস পরপর রিপোর্ট জমা হচ্ছে। একটা নয়, পাঁচটা করে রিপোর্ট জমা হচ্ছে।

আজ শনিবার নির্বাচন সামনে রেখে উত্তরবঙ্গ সফরে যাওয়ার পথে নাটোর স্টেশনে আয়োজিত পথসভায় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, জনগণ যাকে ভালোবাসে, যার পক্ষে জনগণের রায় আছে তাকেই নমিনেশন দেয়া হবে। শুধু স্লোগান দিয়ে নমিনেশন পাওয়া যাবে না।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের এক বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, ফখরুল সাহেব বলেছেন, আওয়ামী লীগের নাকি ভোট কমে গেছে। শেখ হাসিনা ইতিবাচক রাজনীতি করেন, সে কারণে আওয়ামী লীগের ভোট কমেনি। জনগণ আমাদের আগের মতোই ভালোবাসে।

নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাংসদ আবদুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে এ পথসভায় সংসদ সদস্য ছাড়াও জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, আজ সকালে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল নীলফামারীগামী ‘নীলসাগর এক্সপ্রেস’ ট্রেনে উত্তরবঙ্গ সফরে রওনা করে। এতে আওয়ামী লীগের সাতজন কেন্দ্রীয় নেতার সঙ্গে রয়েছেন ২৬ জন গণমাধ্যমকর্মী।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের এই যাত্রা অব্যাহত থাকবে। আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর লঞ্চযোগে নির্বাচনী সফর করব আমরা। এরপর সড়ক পথে আমাদের চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ যাওয়ার কথা রয়েছে।

বিসফটি – বিস্তারিত জানুন

-আরআর

‘একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন’

আওয়ার ইসলাম: একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। বলে মন্তব্য করেছন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।

তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন শুধু বিএনপির জন্য নয়, এদেশের ১৬ কোটি মানুষের জন্য নয়, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আওয়ামী লীগের। কিন্তু তারা আজকে নার্ভাস হয়ে গিয়েছে। তাই তারা আবোলতাবোল বলছে।

শনিবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে যুব জাগপা’র কেন্দ্রীয় সম্মেলনে আবদুল মঈন খান এসব কথা বলেন।

সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে তার সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে। তাঁর মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে।

দেশের জনগণ মনে করে, খালেদা জিয়ার মুক্তিই রাজনৈতিক সব সংকটের সমাধানের সূত্র।

তিনি বলেন, সরকার যদি এই আতঙ্কদশা থেকে বেরিয়ে আসতে চায়, যদি বাংলাদেশের রাজনীতিতে অধিষ্ঠ থাকতে চায়, যদি এদেশের মানুষের সত্যিকার কল্যাণ চায় তাহলে তার একমাত্র উপায় হলো একটি সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটানো।’

সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, যুব জাগপার সহ-সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান ও সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান প্রমুখ।

শায়েখ আরেফির জুমআর খুতবা ও দাওয়াতি কাজে বাধা

-আরআর

কাল উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন আ’লীগের প্রতিনিধি দল

আওয়ার ইসলাম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে শনিবার রেলযোগে উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এ সফর বলে জানা গেছে।

শনিবার সকাল ৮টায় কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে নীলসাগর আন্তঃনগর রেলযোগে তারা সফরে যাবেন বলে জানা গেছে।

জানা যায়, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ৮ সেপ্টেম্বর (শনিবার) সকাল ৮টায় কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে নীলসাগর ট্রেনে করে নীলফামারীর উদ্দেশে রেলযাত্রা কর্মসূচি শুরু করবেন।

যাত্রাপথে তিনি টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, নাটোর, বগুড়া, জয়পুরহাট, দিনাজপুর ও নীলফামারী জেলার অন্তর্ভুক্ত রেলস্টেশনগুলোতে পথসভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেবেন।

আওয়ামী লীগের এই রেলযাত্রা কর্মসূচিতে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, বি এম মোজাম্মেল হক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, সদস্য আনোয়ার হোসেনসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা সাধারণ সম্পাদকের সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন।

চলতি বছরে সীমান্তে একজনেরও মৃত্যু হয়নি: বিএসএফ

-আরআর

আমাদের বাদ দিয়ে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া‌ হাস্যকর: কাদের

আওয়ার ইসলাম: বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ।আমাদের দল আওয়ামী লীগের মতো বড় ভোটার দলকে বাদ দিয়ে, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া‌ গঠন করা রাজনৈতিক অঙ্গনে হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার কখন ও কেমন হবে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া কেউ জানেন না।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে রাজশাহী আওয়ামী লীগের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্য নয়, সাম্প্রদায়িক ঐক‍্যের মেরুকরণ। আওয়ামী লীগ জনগণের ঐক্য বিশ্বস্ত, জাতীয় ঐক্যের নয়। প্রয়োজন হলে আওয়ামী লীগ জাতীয় ঐক্যের ডাক দিবে।

জনপ্রিয়তার ভিত্তেই নমিনেশন দেয়া হবে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, দলীয় ক্ষমতা বা মন্ত্রী এমপি দেখে নমিনেশন দেয়া হবে না। নমিনেশন দেয়া হবে যার যার এলাকার নিজেরিয়তার ভিত্তিতে। রাজনীতিতে ও গণতন্ত্রের জন্য প্রতিযোগিতা থাকা ভালো , তবে ক্ষমতার জন্য নিজের মধ্যে প্রতিযোগিতা না করার আহ্বান জানান।

দিনাজপুর ও বরগুনায় নিজ দলীয় দুই সংসদ সদস্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের একটি অংশ। এ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, এভাবে অবাঞ্ছিত করার এখতিয়ার কারো নেই।

তিনি বলেন, কারো অভিযোগ থাকলে সেটি কেন্দ্রে দায়িত্বশীল যুগ্ম সাধারণ সম্পাদককে জানাতে হবে। আর কোথাও জানিয়ে কাজ না হলে, আমাকে বলতে হবে। এটি কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সবুর প্রমূখ।

সিরিয়া সংকট সমাধানে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক ‘গুরুত্বপূর্ণ’ : এরদোগান

বিসফটি – বিস্তারিত জানুন

আরএম/

যুবলীগ নেতা হত্যায় ধর্মমন্ত্রীর ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

আওয়ার ইসলাম: ময়মনসিংহ মহানগর যুবলীগ সদস্য সাজ্জাদ আলম শেখ আজাদকে হত্যার ঘটনায় অবশেষে আদালতের নির্দেশে একমাস পর কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা হয়েছে।

মামলায় ধর্মমন্ত্রীর ছেলে ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহিতুর রহমান শান্তকে প্রধান আসামি করে ২৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহের আকুয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছিল।

শুক্রবার (৩১ আগস্ট) রাতে দিলরুবা আক্তার দিলু বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। তিনি আজাদ শেখের স্ত্রী।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মাহমুদুল ইসলাম জানান, মামলা নিতে গত বৃহস্পতিবার হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে। শুক্রবার রাতে ধর্মমন্ত্রীর ছেলে মোহিতুর রহমান শান্তকে প্রধান আসামি করে মামলা নেওয়া হয়।

মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছে, ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মন্তু বাবু, মহানগর আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল পাঠান, যুবলীগকর্মী শেখ ফরিদ, ফরহাদ, মিলন, ফারুকসহ ২৫ জন।

জানা যায়, আজাদ শেখ আগে শান্তর গ্রুপে রাজনীতি করতেন। কিন্তু শান্ত তাকে টেন্ডারবাজি ও মাদক ব্যবসা করতে বললে আজাদ গ্রুপ বদল করে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল এবং পৌর মেয়র ইকরামূল হক টিটু গ্রুপে যোগ দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শান্ত তাকে হত্যা পরিকল্পনা করেন এবং তার নির্দেশেই অনুগত সন্ত্রাসীরা এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়।

আজাদের স্ত্রী দিলরুবা বলেন, নিজ দলের নেতার নির্দেশেই আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। আজ মামলা করতে পেরে স্বস্তি পাচ্ছি। তবে নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় বোধ করেছেন দিলরুবা।

তবে ধর্মমন্ত্রীর ছেলে মোহিতুর রহমান শান্ত মিডিয়াকে বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যকাণ্ড ঘটেছে। কারা কী করেছে পুলিশ সব জানে। এ মামলায় আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।

আপনার ব্যবসা সহজ করবে বিসফটি – বিস্তারিত জানুন

রাজশাহীতে বেসরকারিভাবে খায়রুজ্জামান লিটন বিজয়ী

আওয়ার ইসলাম: রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বেসরকারিভাবে আওয়ামী লীগ প্রার্থী এইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বিজয়ী হয়েছেন।

জানা যায়, ১৩৮ কেন্দ্রের মধ্যে ১৩৫ কেন্দ্রের ফলাফলে সবশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন পেয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৫৮০ ভোট।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির মেয়রপ্রার্থী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল পান ৭৬ হাজার ২৭৪ ভোট।

রাসিক নির্বাচনে মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা ২১৭ জন। এর মধ্যে মেয়র পদে প্রার্থী রয়েছেন পাঁচজন। আর ৩০টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে আছেন ১৬০ জন প্রার্থী। এছাড়া ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর পদের প্রার্থী ৫২ জন।

এবার সিটি করপোরেশনের ভোটার সংখ্যা তিন লাখ ১৮ হাজার ১৩৮ জন। এর মধ্যে এক লাখ ৬২ হাজার ৫৩ জন নারী ভোটার এবং পুরুষ ভোটার এক লাখ ৫৬ হাজার ৮৫ জন।

কিছু অনিয়ম ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছেন: নুরুল হুদা

-আরআর

তিন সিটিতেই জয়ী হবে আওয়ামী লীগ: জয়

আওয়ার ইসলাম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, তিন সিটি করপোরেশনেই আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। জনসমর্থন তাদের দিকেই রয়েছে।

রোববার সকালে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ কথা জানান তিনি। রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (আরডিএস) এর জরিপের তথ্য জানিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সবচেয়ে বেশি এগিয়ে রাজশাহীতে, বরিশালেও বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে, আর সিলেটে এগিয়ে থাকলেও বিএনপির তুলনায় পার্থক্য তুলনামূলক কম।

জরিপের ফলাফলে উল্লেখ করা হয়েছে- বরিশালে নৌকা প্রতীকের সেরনিয়াবাত সাকিদ আবদুল্লাহর পক্ষে ৪৪ শতাংশ মানুষ সমর্থক জানিয়েছেন। সেখানে ধানের শীষে বিএনপির মজিবর রহমান সরোয়ারের পক্ষে বলেছেন ১৩.১ শতাংশ মানুষ। আর ০.৮ শতাংশ ভোটার অন্যদের কথা বলেছেন যেখানে ২৩ শতাংশ ভোটার কারও সিদ্ধান্ত নেননি এখনও।

১৫.৯ শতাংশ ভোটার তাদের মত জানাতে রাজি হননি। বরিশালে মোট এক হাজার ২৪১ জন ভোটারের মধ্যে এই জরিপ চালানো হয়েছে।

জরিপ অনুযায়ী, রাজশাহীতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে ব্যবধান আরও বেশি। সেখানে নৌকা প্রতীকের এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের পক্ষে বলেছেন ৫৮ শতাংশ ভোটার। বিএনপির মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের পক্ষে বলেছেন ১৬.৪ শতাংশ। আর অন্যান্য প্রার্থীর কথা বলেছেন ০.৯ শতাংশ। ১২.৩ শতাংশ ভোটার এখনও সিদ্ধান্ত নেননি আর ৯.৬ শতাংশ তাদের মতামত জানাতে রাজি হননি। রাজশাহীতে জরিপটি চালানো হয়েছে মোট এক হাজার ২৯৪ জন ভোটারের মধ্যে।

সিলেটে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে সেখানে বলেছেন ৩৩ শতাংশ ভোটার। আর ধানের শীষে আরিফুল হক চৌধুরীর পক্ষে বলেছেন ২৮.১ শতাংশ। অন্য দলের প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন ১.৩ শতাংশ। আর সিদ্ধান্তহীনতায় ২৩ শতাংশ।

সিলেটে মোট এক হাজার ১৯৬ জন ভোটারের মধ্যে জরিপটি চালানো হয়েছে। এ সিটিতে মতামত জানাতে রাজি হননি ১২.৬ শতাংশ।

৩ সিটিতে ভোটগ্রহণ কাল, প্রস্তুত ইসি

-আরআর

বরিশালে ইসলামি দল ঠেকাতে বড় দলের সমঝোতা; গুঞ্জন না সত্যি?

আতাউর রহমান খসরু
চিফ রিপোর্টার

আসন্ন সিলেট, রাজশাহী ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইসলামি দলগুলোর মধ্যে তুলনামূলক শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। প্রচার-প্রচারণায় মিডিয়া ও সাধারণ ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে দলটি। বিশেষত ঘরের মাঠ বরিশালে জোর প্রচারণায় নেমেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

দলের দ্বিতীয় প্রধান ব্যক্তিত্ব ও মুফতী ফয়জুল করীম নিজে বিষয়টি তত্ত্বাবধান করছেন। তিনিসহ দলের প্রায় সব কেন্দ্রীয় নেতা অংশ নিচ্ছেন বরিশাল সিটি নির্বাচনের প্রচার কাজে। তাদের উপস্থিতি দলীয় নেতা-কর্মীদের দারুণভাবে উজ্জীবিত করছে।

কিন্তু এরই মধ্যে বরিশাল সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির অলিখিত সমঝোতার গুঞ্জন চলছে। এতে শঙ্কা তৈরি হয়েছে অন্যদের মধ্যে। তাদের ধারণা, ইসলামী দলের পক্ষে শুরু হওয়া গণজোয়ার ঠেকাতেই এ সমঝোতায় এসেছে দল দুটি।

তবে এ বিষয়ে ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য না আসলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া দেখাতেও দেখা যাচ্ছে দলটির কোনো কোনো কেন্দ্রীয় নেতাকে।

যেমন একজন লিখেছেন, ‘আল কুফরু মিল্লাতুন ওয়াহিদা, হাতপাখা ঠেকাতে বরিশালে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি।’ এমন আরও অনেক পোস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চোখে পড়ছে।

বরিশালের সিটিতে নির্বাচনে সমঝোতার গুঞ্জন চলছে বেশ কিছু দিন যাবত। তবে তা আলোচনায় আসে জাতীয় দৈনিক ভোরের কাগজ-এর একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর।

‘সাদিককে মেয়র বানিয়ে এমপি হবেন সরোয়ার!’ শিরোনামে গত ২৬ জুলাই প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয় বরিশালে সিটি নির্বাচনে আপোষ হয়েছে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাদিক আবদুল্লাহ ও মজিবর রহমান সরোয়ারের মাঝে।

সমঝোতা অনুযায়ী মেয়র হবেন সাদিক এবং পরবর্তী এমপি করা হবে সরোয়ারকে। ভোরের কাগজে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হওয়ার পর স্থানীয় কয়েকটি অনলাইন পোর্টালেও এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, বিএনপির প্রার্থী আগের মতো প্রচারণায় নেই। নিজের ইচ্ছাতে সারোয়ার প্রার্থী হননি বলেও প্রতিবেদনগুলোতে উঠে আসে।

তবে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় পক্ষই সমঝোতার দাবি নাকচ করে দিয়েছেন।

বরিশাল বিএম কলেজের সাবেক ছাত্র নেতা এবং মজিবর রহমান সরোয়ারের একজন প্রচারকর্মী হাসিবুর রহমান শান্ত মনে করেন, মনোময়ন বঞ্চিত একজন বিএনপি নেতা শহরে এ কথা ছড়াচ্ছেন তাদের নেতার (সরোয়ার) সুনাম নষ্ট করার জন্য।

তাদের নেতা বিজয়ী হয়ে এসব প্রশ্নের উপযুক্ত জবাব দেবেন বলেও মন্তব্য করেন এ নেতা।

সরোয়ার বিরোধীদের অভিযোগ হলো তার প্রচার-প্রচারণাসহ সার্বিক নির্বাচনী কার্যক্রমে এক ধরনের শিথিলতা দেখা যাচ্ছে যা অতীতের নির্বাচনগুলোতে দেখা যায় নি।

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের কোথাও এ সমঝোতা ইসলামী আন্দোলনকে ঠেকানোর জন্য হয়েছে এমন আভাস দেয়া হয় নি। তাহলে, ইসলামী আন্দোলন ও হাতপাখার নামটি এর সাথে যুক্ত হলো কিভাবে?

আসলেই ইসলামী আন্দোলন দেশের প্রধান দুটি দলের জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠতে পেরেছে?

বরিশালের বাসিন্দা মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান মনে করেন, না। ইসলামী আন্দোলন এখনও আওয়ামী লীগ ও বিএনপির জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠতে পারে নি। কারণ জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে দলটির বড় সাফল্য নেই।

তাহলে, সমঝোতার পেছনে ইসলামী আন্দোলনকে ঠেকানোর কথা উঠছে কেনো?

মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি শিউর করে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে হতে পারে এটি প্রচার করে দলীয় নেতা-কর্মীদের আরও উজ্জীবিত করতে চাচ্ছেন। তারা হয়তো এ ম্যাসেজ দিতে চাচ্ছেন, ইসলামী আন্দোলনের বিপক্ষে যেহেতু আওয়ামী লীগ-বিএনপি ঐক্যবদ্ধ হয়েছে সুতরাং হাতপাখার সম্ভবনা ৯০ ভাগ আর তা রক্ষা করতে যেকোনো ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ বিএনপি ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এ কথা প্রমাণ করতে পারলে ইসলামপন্থীদের হাতপাখার ব্যানারে ঐক্যবদ্ধ করা সহজ হবে।

বরিশাল বিএম কলেজে পড়েন ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের তরুণ কর্মী আনিসুর রহমান।

তিনি মনে করেন, জাতীয় পর্যায়ে ইসলামী আন্দোলন উল্লেখযোগ্য সাফল্য না পেলেও স্থানীয় রাজনীতিতে হাতপাখা আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। কারণ স্থানীয় রাজনীতির হিসেব জাতীয় রাজনীতি থেকে ভিন্ন হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

তরুণ এ রাজনৈতিক কর্মীর কাছে প্রশ্ন করেছিলাম, স্থানীয় কোন স্বার্থ রক্ষার জন্য আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমঝোতা করবে?

উত্তরে তিনি বলেন, ‘বরিশালের সচেতন মানুষ মাত্র জানেন এখনকার ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রশাসন ও রাজনীতি কয়েকটি পরিবার নিয়ন্ত্রণ করে এবং তারা তা করে পারস্পারিক সমঝোতার মাধ্যমে। এজন্য দেশের যে কোনো রাজনৈতিক সংকটে বরিশালে ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। এখনকার শান্ত ও স্থির। কায়েমি এ স্বার্থ রক্ষার জন্যই এ সমঝোতা হতে পারে।

বরিশাল সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমঝোতা এবং তা ইসলামী আন্দোলনকে ঠেকানোর জন্য হওয়া- বিষয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করেছিলাম দলের যুগ্ম মহাসচিব ও নির্বাচনা পরিচালনা বিষয়ক সেলের অন্যতম সদস্য মাওলানা গাজী আতাউর রহমানের সঙ্গে।

তিনি বিষয়টিকে সরাসরি নাকচও করেন নি আবার স্বীকারও করেন নি। তিনি বলেন, ‘সমঝোতা হয়েছে কিনা তা আমরা শতভাগ নিশ্চিত না। তবে বিষয়টি যেভাবে জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায় না।

তবে এটা তো নিশ্চিত বরিশালে হাতপাখার পক্ষে যে গণজোয়ার তৈরি হয়েছে তা ঠেকাতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমঝোতার বিকল্প নেই।’

অবশ্য আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমঝোতা নিয়ে মাথাব্যথা নেই সাধারণ মানুষের। তাদের প্রত্যাশা সমঝোতা হোক আর নাই হোক। ভোটাররা স্বাধীনভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ চান।

সুষ্ঠ নির্বাচন নিয়ে বরিশাল ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর আশঙ্কা

বরিশাল নৌকার পক্ষে ঠেলাগাড়ি, ধানের শীষে কেউ নেই!

-আরআর