শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ।। ৮ ফাল্গুন ১৪৩১ ।। ২৩ শাবান ১৪৪৬

শিরোনাম :
জাকির নায়েকের বক্তৃতার ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো মালয়েশিয়া আওয়ার ইসলাম ঘুরে গেলেন ইংল্যান্ডের শায়েখ জাকারিয়া ও ম্যাসেজ টিভির পরিচালক রাখাল রাহা, সোহেল ও ধর্ষক আলেপের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবিতে রংপুরে বিক্ষোভ ফরায়েজী আন্দোলনকে নিবন্ধন দিতে অনুরোধ করবেন ধর্ম উপদেষ্টা রাসুলুল্লাহ ﷺ- এর অবমাননার প্রতিবাদে বৈষম্যবিরোধী কওমী ছাত্র আন্দোলনের নিন্দা ও প্রতিবাদ খিলগাঁওয়ে ভয়াবহ আগুন ছড়িয়ে পড়েছে আশপাশে, নিয়ন্ত্রণে ১০ ইউনিট প্রধান উপদেষ্টার কাছে খোলা চিঠি দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ইংরেজি শিখলেই বাংলা ভুলে যেতে হবে, এমনটি নয়: ড. ইউনূস জামায়াতে ইসলামীর নতুন কর্মসূচি ঘোষণা মুসলমানরা এখনও পরাধীন; আরেকটা বিপ্লব হবে: আব্বাসী

চরমোনাই মাহফিলে ইবনে শাইখুল হাদিস

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নাঈমুর রহমান নাঈম 

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে উলামায়ে কেরামের সামনে এক ঐতিহাসিক সুযোগ এসেছে। আর এর কারণে তাদের কাঁধে দায়িত্ব ও জিম্মাদারী এসেছে। আকাবিরদের দায়িত্বের বোঝা আমাদের উপরে। আমরা আমাদের পূর্বসূরীদের রেখে যাওয়া একটি সুন্দর প্লাটফর্মের উপর দাঁড়িয়ে আল্লার দ্বীনের কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। সুতরাং আজকের জাতিকে যদি আমরা সঠিক নেতৃত্ব দিতে ব্যার্থ হই আমাদেরকে অনেক বড়ো মাশুল দিতে হবে দুনিয়াতে ও আখেরাতে।

আজ বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টায় চরমোনাই’ র মাহফিলে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন। 

মাওলানা মামুনুল হক বৃহত্তর ঐক্যের ডাক দিয়ে বলেন, বর্তমান বাংলাদেশে ইসলামী চারটি পক্ষ রয়েছে। যাদের সাথে আমাদের  ঈমান, তৌহিদ ও রিসালাত ছাড়া কিছু শাখাগত,  ফিকহি মাসালাগত ও আকিদাগত সামান্য মতপার্থক্য রয়েছে। তবে আমরা সবাই একটি কথায় একমত যে আমরা সবাই আল্লার জমিনে ইসলামী হুকুমত কায়েম করতে চাই। 

খেলাফত মজলিসের আমির বলেন,বাংলাদেশের অন্যান্য তিনটি ইসলামী ধারা- আহলে জামায়াত, সুন্নি, জামায়াত ইসলামী তারাও বাংলাদেশে ইসলামী হুকুমত চায় বলে আমি মনে করি। অতএব ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠিত করতে সকলে সীসা ঢালা প্রাচীরের মতো ঐক্য গড়ে তুলি।

এর আগে শাইখুল হাদিস মাওলানা মামুনুল হক, মুফতি সাখাওয়াত রাজি, মাওলানা আতাউল্লাহ আমিনসহ দেশ বরেণ্য অনেক আলেম চরমোনাই মাহফিলে যোগ দিয়েছেন।

এছাড়াও আজ বৃহস্পতিবার মাহফিলের ২য় দিনে দেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরাম, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা এবং তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের ইসলামি নেতা তাদের বক্তব্য রাখবেন। এদিন মুসল্লিরা বিশেষ দোয়া ও ইসলামিক বক্তৃতার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি লাভের জন্য প্রার্থনা করবেন।

মাহফিলের ৩য় দিনে ছাত্র গণজমায়েত অনুষ্ঠিত হবে। এখানে দেশের শীর্ষ বুদ্ধিজীবী এবং আরব বিশ্বের নেতারা বক্তব্য রাখবেন। এ জমায়েতে ইসলামের মৌলিক শিক্ষা, মূল্যবোধ এবং সমাজে ইসলামের প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হবে। চরমোনাই মাহফিল মূলত একটি আত্মশুদ্ধির আয়োজন, যেখানে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য এবং আধ্যাত্মিক শিক্ষার গুরুত্ব দেওয়া হয়। একইসঙ্গে, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে এ মাহফিলের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, উলামায়ে কেরাম এবং আন্তর্জাতিক ইসলামী নেতাদের উপস্থিতি মাহফিলের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

গতকাল বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে ৩ দিন ব্যাপী ঐতিহাসিক চরমোনাই মাহফিলের ফাল্গুন পর্ব। চলবে ২১ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার পর্যন্ত। 

এ বছর তিন দিনব্যাপী মাহফিলের শেষ দিনে, শনিবার সকাল ৮টায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে এ মাহফিলের সমাপ্তি হবে। এ মোনাজাতের মাধ্যমে মুসল্লিরা দেশ ও বিশ্বের শান্তি ও মঙ্গল কামনা করবেন।

এমএইচ/


সম্পর্কিত খবর


সর্বশেষ সংবাদ