শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ।। ৫ আশ্বিন ১৪৩১ ।। ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৬

শিরোনাম :
বাংলাদেশের গণতন্ত্র এখনো বিপদমুক্ত নয় : তারেক রহমান দেশের বিভিন্ন সেক্টরে অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে পরাজিত শক্তি: চরমোনাই পীর ‘শিক্ষা কমিশনে দেশের সর্বমহলে শ্রদ্ধেয় আলেমদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে’ আলমডাঙ্গায় রাসূল (সা.)-কে নিবেদিত কবিতা পাঠ ছাত্র-জনতার ওপর গুলি বর্ষণকারী শাহবাগ থানা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গ্রেফতার পার্বত্য জেলায় চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে যা জানাল আইএসপিআর ঢাবিতে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক : ইসলামী ছাত্র আন্দোলন স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে না: সৌদি যুবরাজ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হারলে দায় বর্তাবে ইহুদিদের ওপর: ট্রাম্প পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সরকার, সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

বান্দরবানে নওমুসলিম ইমাম হত্যা: খুনিদের বিচারসহ ৪ দফা দাবি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবানে নওমুসলিম ও মসজিদের ইমাম শহীদ ওমর ফারুক ত্রিপুরার হত্যাকাণ্ডের বিচার ও পাহাড়ি অঞ্চলের নিরীহ মুসলিম পাহাড়ি‌ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ থেকে সরকারের প্রতি ৪ দফা দাবি পেশ করা হয়।

আজ শুক্রবার (২৫ জুন) বাদ জুমা চকবাজার শাহী মসজিদ চত্বরে ইমামদের অরাজনৈতিক সংগঠন জাতীয় ইমাম সমাজ বাংলাদেশের উদ্যোগে এ প্রতিবাদ সমাবেশ পালিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের মহাসচিব ও চকবাজার শাহী মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মিনহাজ উদ্দিন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, শহীদ ওমর ফারুক ত্রিপুরা হত্যার মাধ্যমে প্রতীয়মান হচ্ছে যে, আজ দেশের পাহাড়ি অঞ্চলসমূহ বাঙালি, মুসলমান ও নিরীহ পাহাড়িদের জন্য মৃত্যুপুরীতে পরিণত হতে চলেছে।

বক্তারা বলেন, আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, নওমুসলিম মসজিদের ইমাম ওমর ফারুক ত্রিপুরাকে প্রকাশ্যে হত্যার মাধ্যমে পাহাড়ি অঞ্চল থেকে ইসলাম ও মুসলমানদের নির্মূলের ওপেন চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করছে।

সংগঠনের মহাসচিব মুফতী মিনহাজ উদ্দিন বলেন, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে সমস্ত রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি-নিরাপত্তা, নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সকলকে একযোগে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

প্রতিবাদ সমাবেশ হতে সরকারের প্রতি কয়েকটি দাবি পেশ করা হয়েছে।

১. অনতিবিলম্বে পার্বত্য চট্টগ্রামে গহীন পাহাড়ি অঞ্চলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ক্যাম্প বৃদ্ধি করে পুরো অঞ্চলে নিরাপত্তা ও নজরদারি শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে।

২. শহীদ ওমর ফারুক ত্রিপুরার পরিবারকে সার্বিক নিরাপত্তা ও ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।

৩. পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি চুক্তির পর সেখানে গঠিত হত্যা, গুম ও চাঁদাবাজির বিচার অনতিবিলম্বে শুরু করতে হবে।

৪. যার যার ধর্ম পালনে স্বাধীনতার সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং ধর্মীয় উগ্রতা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা বেলায়েত হোসেন আল ফিরোজী, মুফতি তাসলিম আহমদ, মাওলানা আনোয়ারুল হক, মাওলানা জুবায়ের আহমদ কাসেমী, মাওলানা শামসুল হক, মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ গাজী, মুফতি সাইফুল ইসলাম, মুফতি রহমতউল্লাহ, মুফতি সুলাইমানসহ প্রমুখ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর


সর্বশেষ সংবাদ