‘গোমতী নদীর তীরে’: আমাদের সুপ্ত কথামালা
প্রকাশ:
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১১:০৩ দুপুর
নিউজ ডেস্ক |
![]()
|| মুনীরুল ইসলাম লেখক, কবি ও সম্পাদক || সমাজ যখন অন্যায়ের ছায়ায় ঢেকে যায়, সত্যের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠেন কবি। এই কিশোর কাব্যগ্রন্থ সেই কণ্ঠস্বর, প্রতিবাদের বিভিন্ন আঙ্গিকে মোড়ানো এক অমোঘ প্রজ্বলন। প্রতিবাদী কবি কাজী বেলাল রাজী তার ‘গোমতী নদীর তীরে, কাব্যগ্রন্থে তুলে ধরেছেন অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী প্রতিরোধ। তাঁর চরণগুলো কেবল কবিতা নয়, এক একটি আহ্বান, যা জাগ্রত করে ঘুমন্ত চেতনা। ব্যক্তি থেকে সমাজ, সমাজ থেকে রাষ্ট্র ও ধর্ম সবখানেই তাঁর শব্দের ঝঙ্কার ছড়িয়ে দেয় বোধের আলো। এই গ্রন্থে পাঠক ছন্দে ছন্দে খুঁজে পাবেন মানুষের মুক্তির সংগ্রাম, নারী ও মজলুমের অধিকার, শ্রমজীবী মানুষের কণ্ঠস্বর এবং প্রকৃতি ও দেশ-ধর্মের প্রতি ভালোবাসার অঙ্গীকার, জালিম ও ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে ছড়ার তালে তালে হুংকার। কবির লেখা কেবল পড়ার জন্য নয়, অনুভব করার, আত্মস্থ করার এবং বদলে দেওয়ার অনুপ্রেরণা জোগায়। ‘গোমতী নদীর তীরে’ আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, কবিতা কেবল আবেগ কিংবা অপাত্রে প্রেম নিবেদন নয়, বরং ছড়া-কবিতাও একটি সমাজ বিনির্মাণের অস্ত্র। কবির ছন্দ ও মাত্রা বিষয়ে জানাশোনা থাকায় প্রায় প্রতিটি কবিতায় সুন্দর ও জুতসই ছন্দ-অন্ত্যমিল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, বিশেষ করে তাঁর শিক্ষণীয় ছড়াগুলো চমৎকার, তাই এটি আপনার সন্তানের জন্য অনন্য উপহার হতে পারে। তিনি নিয়মিত চর্চা চালিয়ে গেলে তাঁর কাব্য ও অন্ত্যমিল আরও বৈচিত্র্য হবে এবং বাংলা সাহিত্যে একটি জায়গা দখল করতে পারবে ইনশাআল্লাহ। আমি তাঁর উত্তরোত্তর সাফল্য এবং ইহ-পরকালের সফলতা কামনা করছি। এক নজরে বই- গোমতী নদীর তীরে ধরন : কাব্যগ্রন্থ। এমএইচ/ |