আওয়ার ইসলাম: আজ পবিত্র ঈদুল আজহা। মহান আল্লাহ তায়ালার হুকুম পালন ও তার নৈকট্য অর্জনের অভিপ্রায়ে সামর্থবান মুসলিমরা কুরবানি করছেন। কুরবানির পর পশুর চামড়া বিভিন্ন মাদরাসায় দান করছেন অনেকে। তবে এবারও পশুর চামড়ার ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।
বিগত কয়েবছর ধরেই কুরবানি পশুর লবণছাড়া কাঁচা চামড়ার বাজার নিম্নমুখী। এটা শুধু বাংলাদেশের চিত্র এমনটি নয়। আমাদের পাশ্বর্বর্তী দেশ ভারত ও পাকিস্তানেও চামড়ার বাজারে ধ্বস নেমেছে।
অনেকে এ সংকট থেকে উত্তরণের উপায় হিসেবে কুরবানি পশুর চামড়া নষ্ট করার পরিকল্পনা করছে। তাদের ধারণা এতে করে চামড়া ব্যবসায়ীরা একটা শিক্ষা পাবে। সোশ্যাল মিডিয়ায়ও এ দাবির পক্ষে যুক্তি তুলেছেন অনেকে।
সম্প্রতি এ উপায়টি সম্পর্কে ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি কী- তা জানতে ভারতের ঐতিহ্যবাহী দীনি মারকাজ দারুল উলুম দেওবন্দের কাছে জানতে চেয়েছেন জনৈক ব্যক্তি।
তার প্রশ্ন ছিল- ‘বর্তমানে মুম্বাই শহরে ছাগলের চামড়ার মূল্য খুবই কম। এর আগে ৩৫০ রুপি করে বিক্রি করলেও দাম কমে ছাগলের চামড়া বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৩০ টাকায়। ছাগল কুরবানি করে চামড়া দাফন করে অথবা পুড়িয়ে দিয়ে কোন দাতব্য প্রতিষ্ঠানে ২০০ টাকা দান করতে অনেকে পরামর্শ দিয়েছেন। এতে করে চামড়া ব্যবসায়ীরাও একটা শিক্ষা পাবে এবং দাতব্য প্রতিষ্ঠানটিও ন্যায্য মূল পাবে। দয়া করে আমাকে সঠিক পদ্ধতিটি জানাবেন।’
এই প্রশ্নের উত্তরে দারুল উলুম দেওবন্দের ইফতা বিভাগ থেকে জানানো হয়, ‘ছাগলের চামড়ার মূল্য কম হওয়াতে ব্যবসায়ীকে দায়ী করা ঠিক না। এটা উপর মহল থেকে নির্ধারণ করা হয়। সুতরাং, কুরবানির পর ছাগলের চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলা বা জ্বালিয়ে দেয়া বৈধ নয়। ’
সূত্র: ইফতা বিভাগ, দারুল উলুম দেওবন্দ, ভারত।
আরএম/