শুক্রবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ।। ২৪ মাঘ ১৪৩১ ।। ৮ শাবান ১৪৪৬

শিরোনাম :
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আলেম সমাজের ভূমিকা অবিস্মরণীয়: মুফতি ফয়জুল করীম ওমরাহ পালনে মেনিনজাইটিস টিকা নেওয়ার বাধ্যবাধকতা বাতিল শেখ হাসিনা দিল্লি থেকে সন্ত্রাসীদের সক্রিয় করার চেষ্টা করছেন: প্রধান উপদেষ্টা বাকৃবির বঙ্গবন্ধু হলের নাম ‘মাওলানা ভাসানী’ রাখলেন শিক্ষার্থীরা ‘পরাধীনতার কারণেই বাংলাদেশের মানুষ দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জন করেছে’ ‘ফ্যাসিবাদের পাতানো ফাঁদে পা দেয়া যাবে না’ হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ মানিকগঞ্জ জেলা কমিটি গঠন নারায়ণগঞ্জ জেলায় এডুকেশন গাইডলাইন মজলিস অনুষ্ঠিত  সৌদি আরবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন করা যেতে পারে: নেতানিয়াহু ‘কাশ্মীরের জন্য ১০টি যুদ্ধের প্রয়োজন হলেও করতে প্রস্তুত পাকিস্তান’

রোজাবস্থায় স্বপ্নদোষ হলে রোজা ভাঙবে কি?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি মোস্তফা ওয়াদুদ কাসেমী: ভার্সিটির ছাত্র মুরাদ। বয়স ১৮ । সুঠামদেহের লম্বা বালক। ওকে দেখলে কেউ বলবে না ওর বয়স ১৮। বরং ২৫ বছরের টগবগে যুবকের মতো দেখা যায়।

এখন রমজান চলছে। মুরাদ সবগুলো রোজা রাখছে। কিন্তু ওর বন্ধুদের কাছে ওর স্বপ্নদোষের কথা বললে ওরা বলে যে, মুরাদ তোর রোজা হবে না।মুরাদ চিন্তায় পড়ে যায়। তাহলে কি এতদিনের রোজা বিফলে গেলো? এদিকে ওর স্বপ্নদোষও বন্ধ হচ্ছে না। তাই সঠিক মাসআলা জানতে মুরাদ স্মরণাপন্ন হয়েছে মুফতি সাহেবের কাছে।

পূর্ণ ঘটনা বর্ণনা করে প্রশ্ন করেছে মুরাদ। রমজানে দিনের বেলা স্বপ্নদোষ হলে রোজা ভাঙবে কি? আমার এতদিনের রোজা কি সঠিক হয়েছে? দলিলসহ জানালে উপকৃত হবো।

উক্ত মাসআলার উত্তর হলো, না। স্বপ্নদোষের কারণে রোজা ভাঙবে না। সুতরাং আপনার রোজা সঠিক হয়েছে। আপনার বন্ধুদের কথা সঠিক হয়নি। মোটকথা রমজান মাসে দিনের বেলা ঘুমানোর পর যে স্বপ্নদোষ হয়। তাতে রোজা ভাঙবে না।

কেননা হাদিসে আছে, আবু সাঈদ খুদরী রা. বলেন, নবি করিম সা. বলেছেন, তিনটি জিনিস রোজা ভঙ্গের কারণ নয় । যথা- বমি, শিঙ্গা লাগানো ও স্বপ্নদোষ। (সুনানে নাসাঈ, বাইহাকী ৪/২৬৪; আদ্দুররুল মুখতার ২/৩৯৬)

তবে এ স্বপ্নদোষ স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে না হতে হবে। এমনিভাবে যদি কোনো ব্যক্তির চিন্তায় আচমকা কোনো যৌন ভাবনা এসে উদয় হয় বা কোনো যৌন উত্তেজক চিন্তা চলে আসে যা সে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে মাথায় আনেনি। আর এতে তার বীর্যপাত ঘটে যায় তাহলেও তার রোজা ভাঙবে না। এক্ষেত্রে হুকুম হলো, স্বপ্নদোষ হয়েছে এমনটা বোঝা মাত্রই ফরয গোসল করে নিজেকে পবিত্র করে নিতে হবে।

আর বমির ব্যাপারে হাদিসে আছে, যে ব্যক্তি অনিচ্ছায় বমি করল তার রোজা ভাঙবে না। পরে তাকে রোজাটি কাযাও করতে হবেনা। কিন্তু যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় বমি করল তার রোজা অবশ্যই কাযা করতে হবে। (সুনানে আবূ দাউদ- ২৩৮০)

এ সংক্রান্ত আরেকটি মাসআলা হলো, হস্তমৈথুন। কেউ যদি হস্তমৈথুন বা অন্য কোনোভাবে স্বেচ্ছায় বীর্যপাত ঘটায় তাহলে তার রোজা ভেঙে যাবে। এবং তাকে রোজার কাযা কাফফারা উভয়টি আদায় করতে হবে।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর


সর্বশেষ সংবাদ