151286

দেরিতে বিয়ে হলে যে ৫ মানসিক সমস্যায় ভোগেন নারীরা

আওয়ার ইসলাম: ইসলাম বিয়ের ক্ষেত্রে কোন সময় সীমা বেধে দেয়নি। বরং ইসলাম প্রাপ্তবয়স হওয়ার উপরে গুরুত্ব দিয়েছে। আজকাল বেশিরভাগ নারী-পুরুষেরা দেরিতে বিয়ে করার পক্ষে। তবে জেনে রাখা ভালো, একটি নির্দিষ্ট বয়সের মাঝেই বিয়ে করে ফেলা ভালো। কেননা দেরিতে বিয়ে করলে বেশিরভাগ নারীই কিছু মানসিক সমস্যায় ভুগতে শুরু করেন।

কখনও কাজ করে ঈর্ষা, কখনও সামাজিক চাপ, কখনও একাকীত্ব। এর ফলে অনেকেই নিজের মাঝে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। এবার চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু সমস্যা সম্পর্কে, যেগুলো তৈরি হয় দেরিতে বিয়ে হলে।

১. বিষণ্ণ হয়ে যাওয়া: সমবয়সী সব বন্ধু-বান্ধবীদের বিয়ে হয়ে গেছে? স্বভাবতই বিয়ের পর সবাই নিজের পৃথিবী নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এ ক্ষেত্রে যার বিয়ে হয়নি, তিনি হয়ে পড়েন একা, বিষণ্ণ। আর সেই বিষণ্ণতা থেকেই মনের মাঝে জন্ম নেয় হতাশা।

২. আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলা: যে সমাজে সঠিক সময়ে বিয়ে না হলে একটি মেয়ে হয়ে ওঠে সবার চক্ষুশূল, সেই সমাজে বিয়েতে দেরি হলে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে যাওয়াই স্বাভাবিক। এমন পরিস্থিতিতে অনেক নারীই নিজের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেন আর ক্রমশ গুটিয়ে নিতে থাকেন জীবন থেকে।

৩. নিজেকে অযোগ্য মনে করা: পাত্রী দেখাবার প্রক্রিয়াটা খুব অপমানজনক অনেকের কাছে। কারণ প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর নিজেকে অনেকেই অযোগ্য মনে করতে শুরু করেন অনেকে।

৪. ঈর্ষা হওয়া: বিয়ে হয়ে যাওয়ায় খুব কাছের বান্ধবীটি হয়তো এখন আর আপনাকে সেভাবে সময় দিতে পারেন না। কারণ সে নিজের সংসার নিয়েই ব্যস্ত ও সুখী। এমন অবস্থায় ঈর্ষার একটা বোধ খোঁচা দিতেই পারে আপনাকে।

৫. ভুল মানুষকে বেছে নেওয়া : ক্রমাগত পারিবারিক ও সামাজিক চাপের কারণে অনেক নারীই ভুল মানুষটিকে বেছে নেন বিয়ের জন্য। ব্যাপারটা এমন হয়ে দাঁড়ায় যে, যাকে সামনে পেলাম, তাকেই বিয়ে করে ফেললাম। কিংবা যে রাজি হল, তাকে পছন্দ না হলেও বিবাহের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে যাওয়া।

আরএম/

ad

পাঠকের মতামত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *