২০১৮-১০-২৬

মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮

১ বছর চিকিৎসাধীন থাকার পর চলে গেলেন লেখক মুহাম্মদ রাশিদুল হক

OURISLAM24.COM
news-image

রোকন রাইয়ান: সড়ক দুর্ঘটনা মারাত্মক আহত হয়ে এক বছর চিকিৎসাধীন থাকার পর ইন্তেকাল করলেন তরুণ আলেম ও লেখক মাওলানা মুহাম্মদ রাশিদুল হক। ইন্নানিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

বৃহস্পতিবার রাত ১১ টা ৪৫ মিনিটে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল আনুমানিক ৩৫ বছর।

গত বছর ২৬ অক্টোবর ডেমরার স্টাফ কোয়ার্টারে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন মুহাম্মদ রাশিদুল হক। মাথায়, কানে, হাত, কোমর ও পায়ে মারাত্মক আঘাত পান তিনি। তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেয়া হয়।

ঢাকা মেডিকেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ২ নভেম্বর ঢাকা অর্থোপেডিক হাসপাতালে ডা. সালেক তালুকদারের তত্বাবধানে অপারেশন হয়। এরপর কিছুটা সুস্থ হলেও তিনি চলাফেরা করতে পারতেন না। সারাদিন শুয়েই থাকতো হতো।

মুহাম্মদ রাশিদুল হকের বন্ধু মাওলানা মাহমুদুল হাসান সিরাজী জানান, আজ শুক্রবার বাদ জুমা তার নামাজে জানাজা রাজধানী মিরপুরের মাদরাসা দারুর রাশাদের মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানিতে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন মাওলানা রাশিদুল হক। তিনি মিরপুর দারুর রাশাদ মাদরাসার শাইখুল হাদীস ও আল কাওসার প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী আল্লামা হাবীবুর রহমানের জামাতা।

মাওলানা রাশিদুল হক ২ ছেলে ও ১ মেয়েসহ স্ত্রী, আত্মীয়সজন এবং অনেক বন্ধুবান্ধব রেখে গেছেন।

মুহাম্মাদ রাশিদুল হক ছিলেন আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের একজন নিয়মিত লেখক। তিনি বিভিন্ন দৈনিক ও অনলাইনে নিয়মিত গবেষণাধর্মী আর্টিকেল লিখতেন। যাত্রাবাড়ীর সাইনবোর্ডের মারকাজুত তালীমের মুহাদ্দিস ছিলেন। এর আগে নড়াইবাগ মাদরাসায় শিক্ষকতার মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু হয়।

তরুণ এ লেখকের মৃত্যুতে ইসলামী লেখক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। লেখকগণ সমবেদনা জানিয়ে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন।

তার সমসাময়িক বন্ধুদের মতে, একজন সজ্জন, মুখলেস লেখক ও গবেষককে হারালো দেশ। মুহাম্মদ রাশিদুল হকের শূন্যতা যেন অপূরণীয় না থাকে তারা আল্লাহর কাছে সে তওফিকও চান।

মাওলানা রাশিদুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকম পরিবার।

মুহাম্মদ রাশিদুল হকের কয়েকটি কলাম

বিজ্ঞানের ফর্মূলা ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গীর সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে কী করণীয়?

আহলে বাইতের ভালোবাসার নামে সীমালঙ্ঘন নয়!

হিজরী সন নিছক বর্ষপঞ্জি নয়

‘আওয়ার ইসলাম’ হয়ে উঠুক গর্বের গণমাধ্যম

যেভাবে শহীদ হন হযরত উমর ইবনে খাত্তাব রা.