২০১৮-১০-১৭

মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮

সম্পাদক পরিষদকে আইনি সহায়তা আইনজীবী সমিতির

OURISLAM24.COM
news-image

আওয়ার ইসলাম: সম্পাদক পরিষদের সাত দফা দাবির সমর্থন জানিয়ে জাতীয় সংসদের শেষ অধিবেশনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আলোচিত ৯টি ধারার সংশোধন ও বাতিল চেয়েছে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৯টি ধারা সংশোধন চেয়ে সরকারকে আইনি নোটিশ দিয়েছেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী এসএম জুলফিকার আলী জুনু। আইনটির ৮, ২১, ২৫, ২৮, ২৯, ৩১, ৩২, ৪৩ ও ৫৩ ধারা সংশোধনের উদ্যোগ না নিলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে নোটিশে বলা হয়েছে।

এক সংবাদ সম্মেলনে জয়নুল আবেদীন বলেন, সদ্য পাস হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটি সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি বাস্তব হুমকি বলে আমরা মনে করি।

বিভিন্ন মহলের ব্যাপক আপত্তি ও মতামত উপেক্ষা করে পাস হওয়া আইন নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। এ আইন নিয়ে জনমনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৮, ২১, ২৫, ২৮, ২৯, ৩১, ৩২, ৪৩ ও ৫৩ ধারাগুলো নিবর্তনমূলক।

এ আইনটি চ্যালেঞ্জ করে সম্পাদক পরিষদ উচ্চ আদালতে রিট করলে তাদেরকে বিনা ফি’তে আইনি সহায়তা দেয়ার কথাও জানিয়েছে আইনজীবী সমিতি।

সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন এ কথা জানান।

ওই ধারাগুলো স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মুক্ত গণমাধ্যমের পরিপন্থী দাবি করে আপত্তি জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদসহ সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন। তাদের আপত্তির সুরাহা না করেই গত ১৯ সেপ্টেম্বর সংসদে ওই আইন পাস করা হয়।

বার সভাপতি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার চেয়েও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৯টি ধারা বেশি উদ্বেগজনক। শুধু সাংবাদিক সমাজই নয়, আইনজীবীসহ অন্য শ্রেণী-পেশার মানুষও এ আইনের ব্যাপারে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

তাই আমরা দেশ, গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা এবং মানুষের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার লক্ষ্যে এ আইনের নিবর্তনমূলক ধারা অনতিবিলম্বে বাতিলের জোর দাবি করছি।

সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সম্পাদক মাহবুব উদ্দিন খোকন, সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা ও গোলাম রহমান ভূঁইয়া, সহ-সম্পাদক কাজী মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, একেএম এহসানুর রহমানসহ সমিতির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আইনজীবী জুলফিকার বলেন, রেজিস্ট্রি ডাকযোগে মঙ্গলবার তথ্যমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তথ্য সচিব, আইন সচিব বরাবর নোটিশটি পাঠানো হয়েছে। তারা ৩০ দিনের মধ্যে এ ৯টি ধারা সংশোধনের উদ্যোগ না নিলে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জনস্বার্থে রিট মামলা করা হবে।

সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও হস্তক্ষেপমুক্ত কওমি স্বীকৃতি বিরল ঘটনা: মুফতি ওয়াক্কাস

আরএম