২০১৮-১০-১১

বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮

পাক-ভারতের চেয়ে মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশ এগিয়ে

OURISLAM24.COM
news-image

আওয়ার ইসলাম: বিশ্বব্যাংকের মানবসম্পদ সূচক অনুযায়ী, এ মুহূর্তে মানবসম্পদ উন্নয়নে ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় এগিয়ে আছে বাংলাদেশ।

তবে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে ভালো আছে শ্রীলংকা। এ সূচকে সবচেয়ে বাজে অবস্থানে রয়েছে আফ্রিকার দরিদ্র দেশগুলো। বিশ্বব্যাংকের সদস্য ১৫৭ দেশের মধ্যে সবার পেছনে রয়েছে শাদ ও দক্ষিণ সুদান।

মানবসম্পদ উন্নয়নে কোন দেশ কতটা সাফল্য পাওয়ার সম্ভাবনা রাখে, তার বিচার করে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ নতুন একটি সূচক প্রকাশ করেছে, যার লক্ষ্য হল- সরকারগুলোকে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে আরও কার্যকর বিনিয়োগে উৎসাহিত করা।

বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম বলেন, এ সূচকে উন্নতির জন্য দেশগুলো স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে মনোযোগী হবে বলে তিনি আশা করছেন।

শিশুদের আরও সম্ভাবনাময় করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এগিয়ে আছে এশিয়ার দেশগুলো। সূচকের শীর্ষে রয়েছে সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও হংকং।

সূচকের শীর্ষে থাকা দেশগুলোর মধ্যে সিঙ্গাপুরে এই হার ৮৮ শতাংশ, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় ৮৪ শতাংশ।কানাডায় এ হার ৮০ শতাংশ, জার্মানিতে ৭৯, যুক্তরাজ্যে ৭৮, যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সে ৭৬, রাশিয়ায় ৭৩, চীনে ৬৭, তুরস্কে ৬৩ ও ব্রাজিলে ৫৬ শতাংশ।

আর সূচকের তলানিতে থাকা শাদে এ হার ২৯ ও সাউথ সুদানে ৩০ শতাংশ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে বাংলাদেশে পাঁচ বছরের বেশি বয়স পর্যন্ত টিকে যাওয়া শিশুর হার ৯৭ শতাংশ। ভারতে এ হার ৯৬, পাকিস্তানে ৯৩ ও শ্রীলংকায় ৯৯ শতাংশ।

বাংলাদেশে একটি শিশু ১৮ বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত গড়ে ১১ বছর স্কুলে কাটায়। ভারতের ক্ষেত্রে এই সময় গড়ে ১০.২ বছর, পাকিস্তানে ৮.৮ বছর ও শ্রীলংকায় ১৩ বছর।

এ শিক্ষার মান বুঝতে বিশ্বব্যাংক হরমোনাইজড টেস্ট স্কোর পদ্ধতি ব্যবহার করেছে, সেখানে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের স্কোর ৩৬৮। এই মানদণ্ডে শ্রীলংকার শিশুদের স্কোর ৪০০, যা দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি। নেপালে ৩৬৯, ভারতে ৩৫৫ ও পাকিস্তানে ৩৩৯।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, বাংলাদেশে এখন যাদের বয়স ১৫ বছর, তাদের মধ্যে ৮৭ শতাংশের প্রত্যাশিত আয়ু হবে ৬০ বছরের বেশি। এদিক দিয়ে বাংলাদেশ ও শ্রীলংকা রয়েছে একই কাতারে। ভারতে এ হার ৮৩ শতাংশ, পাকিস্তানে ৮৪ ও নেপালে ৮৫ শতাংশ।

বাংলাদেশে প্রতি ১০০ শিশুর মধ্যে ৬৪ জন কোনো ধরনের শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই বেড়ে ওঠে। ভারতে এ সংখ্যা ৬২, পাকিস্তানে ৫৫ ও শ্রীলংকায় ৮৩ জন। ইন্দোনেশিয়ার বালিতে চলমান বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ বার্ষিক সম্মেলনে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

লজিং যুগের নীরব অবসান
আরবীসহ বিভিন্ন ভাষায় বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’

কওমি মাদরাসা ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার – বিস্তারিত জানুন