২০১৮-১০-১১

বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮

তিতলি পরিণত প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে

OURISLAM24.COM
news-image

আওয়ার ইসলাম: ঘূর্ণিঝড় তিতলি ধেয়ে আসছে। এ জন্য বাংলাদেশের নৌ চলাচল ও ভারতের দক্ষিণগামী বেশকিছু ট্রেন-যাত্রা বাতিল করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে দেখা গিয়েছিল, ঘূর্ণিঝড় উত্তর-পশ্চিম অভিমুখে রয়েছে। উত্তর-পশ্চিম অভিমুখে অগ্রসর হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’ অন্ধ্র-ওড়িশা উপকূলে আছড়ে পড়তে চলেছে বলে জানিয়েছিলেন আবহাওয়াবিদরা। কিন্তু গত কয়েক ঘণ্টায় উত্তর দিকে অগ্রসর হয়েছে তিতলি। যার ফলে আবহাওয়াবিদদের আশংকা আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

সর্বশেষ আবহাওয়া অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তার নিকটবর্তি এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় তিতলি আরও ঘণীভূত হয়ে হ্যারিক্যানের তীব্রতা সম্পন্ন প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। সমুদ্র বন্দরসমুহকে চার নম্বর স্থানীয় হঁশিয়ারী সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা জানায়, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তার নিকটবর্তি এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় তিতলি উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, এটি বুধবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৯০০ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮১৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮১৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘণিভূত হয়ে উত্তর/উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘন্টায় ৯০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুশিয়ারী সংকেতের পরিবর্তে ৪ নম্বর স্থানীয় হুশিয়ারী সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার সকল নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় তিতলি সকল সমুদ্রবন্দরে ৪নং সতর্ক সঙ্কেত

-আর