২০১৮-১০-১০

রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় সেই জজ মিয়া যা বললেন

OURISLAM24.COM
news-image

আওয়ার ইসলাম: ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ের বহুল আলোচিত প্রতিক্রিয়ায় আপিলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মৃত্যুদণ্ড কামনা করেছেন এক সময়ের ‘আলোচিত’ আসামি জজ মিয়া।

এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে আসামি হয়েছিলেন এই জজ মিয়া। পরে মামলা থেকে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

বুধবার (১০ অক্টোবর) গ্রেনেড হামলার ঘটনায় মতিঝিল থানায় করা হত্যা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

এ ছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবনের আদেশ দেয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার পর রায়ের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, যদিও আশা করেছিলাম, তারেক রহমানের ফাঁসি হবে।

কিন্তু তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এখন রাষ্ট্রপক্ষ হয়তো হাইকোর্টে আপিল করবে।

উচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের রায়ে যেন তারেক রহমানের ফাঁসি হয়, এটাই আমার চাওয়া।

জজ মিয়া বলেন, এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট। ১৪ বছর পর রায় হয়েছে। আমি চাই রায় দ্রুত কার্যকর করা হোক।

পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে স্থাপিত ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল ১-এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন গ্রেনেড হামলা মামলার বুধবার রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের সময় ৩১ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর গুলিস্তানের বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলার প্রধান লক্ষ্য ছিলেন দলীয় প্রধান ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা।

কিন্তু হামলাটি সফল না হওয়ায় মামলাটি তদন্তের নামে মূল আসামিদের দৃশ্যপট থেকে সরিয়ে ফেলার চেষ্টা চালায় তদানীন্তন জোট সরকার। প্রধান আসামি করা হয় জজ মিয়াকে।

ঘটনার ১০ মাসের মাথায় ২০০৫ সালের ৯ জুন নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়নের বীরকোট গ্রামের কালী মন্দির সংলগ্ন রাজা মিয়ার চা দোকান থেকে জজ মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

এরপর আদালতে ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। কিন্তু সে জবানবন্দিতে প্রধান কুশীলবদের নাম না আসায় দেশজুড়ে শুরু হয় নিন্দার ঝড়।

গণমাধ্যম এটিকে ‘জজ মিয়া নাটক’ হিসেবে অভিহিত করে। ২০০৮ সালে তাকে আসামির তালিকা থেকে বাদ দিয়ে অভিযোগপত্র জমা দেয় সিআইডি। পরে আদালত এ মামলা থেকে তাকে অব্যাহতি দেন। ২০০৯ সালে মুক্তি পান জজ মিয়া।

বাবরসহ ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড, তারেকসহ ১৭ জনের যাবজ্জীবন
তারেককে দ্রুত ফিরিয়ে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত হয়েছেন যারা
তাহাজ্জুতের নামাজ পড়ে অাল্লাহর কাছে বিচার চেয়েছিলাম

[মালিবাগে চালু হয়েছে অত্যাধুনিক হিজামা সেন্টার। নবীজি সা. নির্দেশিত এ চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করে সুস্থ থাকুন। হার্টের রোগ, কিডনির, লিভারের ও স্ট্রোকসহ শরীরের বাত ব্যথার জন্য খুবই উপকারী হিজামা: যোগাযোগ ০১৮৫৮১৪১৮৪৬]