২০১৮-০৬-২২

সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

কাতার জমিয়তের ঈদ পুনর্মিলনী ও অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন

OURISLAM24.COM
news-image

আওয়ার ইসলাম: জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম কাতার শাখার আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী এবং অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

১৬ জুন বাদ মাগরিব মাওলানা আবদুশ শহীদের আজিযিয়ার বাস ভবনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।

কেন্দ্রীয় সভাপতি হাফেজ মাওলানা জসিম উদ্দীনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুশ শহীদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে পবিত্র কালামুল্লাহ হতে তেলাওয়াত করেন কেন্দ্রীয় কমিটির প্রবাসী ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক হাফেজ সালমান মাহমুদ।

কাতারে প্রত্যন্ত অঞ্চল হতে আগত কমিটির সিংহভাগ নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত এই অনুষ্ঠানের শুরুতে কাতার জমিয়তের অতীত ও বর্তমান কার্যক্রম সংক্রান্ত যৌথ কারগুজারী পেশ করেন কমিটির সহ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আবু আফিফা আতিকুর রাহমান এবং মাওলানা আবদুশ শহীদ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ’র সাবেক ছাত্রনেতা ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম কাতারের অন্যতম ব্যক্তিত্ব হাফেজ মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুব জমিয়ত বাংলাদেশ’র সহ সভাপতি মাওলানা শরিফ খালেদ সাইফুল্লাহ।

প্রধান অথিতি হাফেজ মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ তার দীর্ঘ বক্তব্যে কাতার জমিয়ত নিয়ে নিজের আবেগ, অনুভুতি, স্বপ্ন, সুদুর প্রসারী চিন্তা ভাবনা এবং সুপরিকল্পিত রুপরেখাকে পেশ করলে উপস্থিত নেতা-কর্মীরা অত্যন্ত পুলকিত হয়। তার বক্তব্যে সবাই কাতার জমিয়ত নিয়ে আশার আলো দেখতে পায়।

বিশেষ অথিতির বক্তব্য মালানা শরিফ খালেদ সাইফুল্লাহ জমিয়তের ইতিহাস ঐতিহ্য ও অবদানের কথা তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক বিপ্লবের মাধ্যমে আদর্শ সমাজ গঠনে জমিয়তের কোন বিকল্প নেই। ইসলামী মূল্যবোধ, সাহাবাদের আদর্শ এবং আকাবির-আসলাফের নমুনাকে মানব সমাজের তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত করার একমাত্র মাধ্যম হল জমিয়ত।

Image may contain: 7 people, including জুবায়ের আহমাদ, people eating, people sitting, table and food

সভাপতির বক্তব্যে হাফেজ মাওলানা জসিম উদ্দীন বলেন, উপমহাদেশে ইসলামি ভাবধারার যত রাজনৈতিক দল উপদল আছে সবের মূল কিন্তু জমিয়তই। জমিয়ত হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে বা জমিয়তিদের থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করে অন্যান্য দলের পথ চলা।

উক্ত বৈঠকে সম্মিলিত পরামর্শের মাধ্যমে নিন্ম লেখিত সিদ্ধান্তসমূহ গৃহীত হয়।

১. কমিটির সার্বিক মনিটরিং এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য দশ সদস্য বিশিষ্ট একটি খাস কমিটি গঠন করা হয়।

২. দলীয় এবং আর্ত মানবতার সেবার জন্য একটি তহবিল গঠনের লক্ষ্যে আগামী মাস হতে কমিটির স্থর বিন্যাস করে মাসিক চাঁদা ধার্য্য করে নিয়মিত তা উসুল করার সিদ্ধান্ত হয়।

৩. প্রতিটি এলাকায় দলীয় কর্মীদের সাথে সাথে আম প্রবাসীদের নিয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় ধর্মীয় বিষয়ে আলচনার্থে সাপ্তাহিক নিয়মিত বৈঠক করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

৪. চলিত বছরের মাঝে প্রত্যেক নেতা-কর্মীকে কম পক্ষে ৫ জন নতুন কর্মী সংগ্রহ করার প্রস্তাব পাশ করা হয়।

কাতারে জমিয়তের কমিটি গঠন

-আরআর