২০১৮-০৬-১৬

সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮

স্বজনদের নিয়ে কারাগারে ঘরের খাবার খেলেন খালেদা জিয়া

OURISLAM24.COM
news-image

আওয়ার ইসলাম : ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে আজ ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাক্ষাৎ করেছেন তার স্বজনরা। ঈদের দিন দুপুরে কারাগারে আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে বাসায় রান্না করা খাবার খেয়েছেন তিনি।

বিএনপি চেয়ারপারসন সাধারণত বেলা দেড়টার মধ্যে দুপুরের খাবার সেরে ফেলেন। কিন্তু কারা কর্তৃপক্ষ স্বজনদের সাক্ষাতের সময় শনিবার বেলা ২টায় ঠিক করায় অপেক্ষা করতে হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে।

বেলা ঠিক সোয়া ২টায় খালেদা জিয়ার প্রয়াত ভাই সাঈদ এস্কান্দরের স্ত্রী নাসরিন এস্কান্দার ও তার ছেলে শামস এস্কান্দার, শাফিন এস্কান্দার, ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার, তার স্ত্রী কানিজ ফাতেমা, ছেলে অভিক এস্কান্দার, এরিক এস্কান্দার, ভাগ্নি অরনি এস্কান্দার, অনন্যা এস্কান্দার, শাফিয়া ইসলাম, ভাগিনা সাজিদ ইসলাম, মো. মেহরাব ও মো. আল মামুন কারাগারে ঢুকেন।

তাদের সঙ্গে ছিলেন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের বড় বোন শাহিনা খান জামান বিন্দু, তার স্বামী শফিউজ্জামান।

বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’র গৃহকর্মী ও গাড়ি চালকসহ সর্বমোট ২০ জন সাক্ষাতের সুযোগ পান।

তারা সবাই বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটে কারাফটক দিয়ে বেরিয়ে আসেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, খালেদা জিয়া ঈদের দিনে যেসব খাবার পছন্দ করেন, সেগুলো তারা রান্না করে এনেছেন। ওইসব খাবার ভেতরে নিয়ে কারা কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা করে।

বিএনপি ঈদের আগেই তাদের নেত্রীর কারামুক্তি আশা করেছিল। কিন্তু খালেদা জিয়ার ঈদ কাটছে কারাগারেই।

দীর্ঘ ৩৬ বছরের রাজনৈতিক জীবনে খালেদা জিয়া কারা অন্তরীন অবস্থায় তিন বার ঈদ উদযাপন করেছে। তবে রাজনৈতিক সরকারের সময়ে কারাগারে তার এটি প্রথম ঈদ।

এর আগে ১/১১ সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৭ সালে ৩ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়া গ্রেপ্তারের পর সংসদ ভবনে স্থাপিত সাব জেলে বন্দি রাখা হয়েছিলো। ওই সময়ে দুটি ঈদ সেই সাবজেলে তিনি উদযাপন করেছেন। ওই সাবজেলে আরেকটি বাসায় অন্তরীন ছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও।

আমাদের বিশ্বাস ও চেতনাকে কেন্দ্র করে বাংলা ভাষায় একটি শক্তিমান স্বাতন্ত্র্য তৈরি হওয়া দরকার

এসএস