বুধবার, ১৮ জুলাই ২০১৮

বিশ্বের সব নির্যাতিত জনপদে মুসলিম নারীরা পণ্য হয়ে উঠেছে

OURISLAM24.COM
মার্চ ২২, ২০১৮
news-image

আবদুস সাত্তার আইনী

সব শরণার্থী শিবিরের একই দশা। ইরাক, আফগানিস্তান, সিরিয়া, ইয়েমেন এসব যুদ্ধপীড়িত দেশের নারীরা যেখানে আশ্রয় নিচ্ছেন টাকার বিনিময়ে যৌনকর্মে লিপ্ত হতে বাধ্য হচ্ছেন। দালালি ও পাচারের সঙ্গে মুসলমানরাও যুক্ত আছে।

মুঈনুস সুলতানের ভ্রমণকাহিনিতে পড়েছিলাম, আফগানিস্তানে এক দালাল মাত্র ৩০০ ডলারের বিনিময় তার হাতে একটি কিশোরীকে তুলে দিতে চেয়েছিলো।

আরো বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, আশ্রয়হীন নারীদের অনেকে স্বেচ্ছায় বিক্রীত হতে চায়। ওই দালাল জানিয়েছিলো, অনেক কিশোরী ও তরুণী তাকে অনুরোধ জানিয়েছে তাদের যেনো আরব শেখদের কাছে বিক্রি করা হয়। যাতে নিরাপত্তার সঙ্গে সুখস্বাচ্ছন্দ্যে থাকতে পারে।

ইউরোপে যেসব শরণার্থী শিবির তৈরি হয়েছে ওখানেও মুসলিম নারীরা পাচার হচ্ছে, বিক্রীত হচ্ছে। ইজ্জত-আব্রুর বিনিময়ে তারা জীবনের অবলম্বন খুঁজে বেড়াচ্ছে।

রাফ হজসনের (Ralph Hodgson) একটি কবিতা পড়েছিলাম অনেক আগে; কবিতাটির নাম : Time, You Old Gypsy Man. কবিতাটির সারমর্ম এই, সময় সবসময় সবার পক্ষে থাকে না। সময় হলো বৃদ্ধ যাযাবরের মতো, কখন সে কোথায় থাকবে তা কেউ বলতে পারে না।

মুসলিম শাসনামলে, এমনকি তুর্কি সালতানাতের শেষ দিকেও প্রাচ্যের বাজারগুলোতে খ্রিস্টান বা বিধর্মী নারীরা পণ্য হিসেব বিক্রী হতো। ১৯ শতকেও ইস্তাম্বুলের বাজারে ৫০ লিরা থেকে ২০০ লিরার মধ্যে সব ধরনের নারী পাওয়া যেতো। জর্জিয়ান সর্বোচ্চ সুন্দরীদের দাম ছিলো ২০০-২৫০ লিরা।

ইতিহাস ঘুরে গেছে। সময় এখন মুসলমানদের অনুকূলে নয়। কবে তাদের অনুকূলে আসবে তা কেউ-ই জানে না।

বিদেশিদের যৌন কাজে ব্যবহার হচ্ছে অল্পবয়সী রোহিঙ্গা মেয়েরা

আরআর