রবিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৮

এ কেমন আচরণ! কাতারবিহীন আমিরাতের বিশ্বমানচিত্র!

OURISLAM24.COM
জানুয়ারি ২০, ২০১৮
news-image

আওয়ার ইসলাম: সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে একটি জাদুঘরের উদ্বোধন করা হয়। জাদুঘরটিতে বিশ্বের একটি মানচিত্র জায়গা পেয়েছে। কিন্তু সেই মানচিত্র থেকে কাতারকে মুছে ফেলা হয়েছে।

আর এরপরই এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে।
উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রবীণ এক পর্যবেক্ষকের বরাত দিয়ে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু নিউজ অ্যাজেন্সি শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

বুধবার ওয়াশিংটন ইন্সটিটিউটের সাইমন হ্যান্ডারসন ‘দ্য ইউএই/কাতার রাইভালরি ইজ এস্কেলেটিং’ শিরোনামে একটি বিশ্লেষণী প্রতিবেদন লিখেন। সেখানে তিনি বলেন, জাদুঘরে স্থান পাওয়া বিশাল আকারের বিশ্ব মানচিত্র থেকে কাতারকে পুরোপুরি মুছে ফেলেছে আমিরাত।

হ্যান্ডারসন বলছেন, আবুধাবিতে চালু হওয়া ল্যুভর মিউজিয়ামের শিশুদের বিভাগে মানচিত্রে আরব উপসাগরীয় অঞ্চলের দক্ষিণের উপদ্বীপ কাতারকে সম্পূর্ণরূপে বাদ দেয়া হয়েছে। এটি এক ধরনের ভৌগোলিক বিলোপ। যা সম্ভবত ফ্রান্সের চুক্তির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, যাতে আবুধাবি ল্যুভর নাম ব্যবহার করতে পারে।

ফ্রান্সের বিখ্যাত ল্যুভর মিউজিয়ামের নামে ল্যুভর আবুধাবি মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠার জন্য গত বছর ফ্রান্সকে ৫২০ মিলিয়ন ডলার দেয় সংযুক্ত আরব আমিরাত। পাঁচ বছর আগে এ জাদুঘরটি আবুধাবিতে চালু হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা আলোর মুখ দেখে গেলো নভেম্বরে।

উপসাগরীয় অঞ্চলের তেলসমৃদ্ধ বৈরী দুই দেশের মধ্যে যখন কূটনৈতিক চরম উত্তেজনা চলছে, ঠিক তখনই ভৌগোলিক বিলোপের বিষয়টি তুলে আনলেন হ্যান্ডারসন। গেলো সপ্তাহে কাতার আনুষ্ঠানিকভাবে আমিরাতের বিরুদ্ধে আকাশসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে।

দেশটি বলছে, গত মাসে আবুধাবির সামরিক বিমান কাতারের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করেছে। এর ফলে আমিরাত কাতারের আকাশসীমার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে বলে দোহা দাবি করলেও আবুধাবি তা প্রত্যাখ্যান করেছে।

তবে চলতি সপ্তাহে কাতারের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ এনেছে আমিরাত। দেশটির কর্মকর্তারা বলছেন, বাহরাইনগামী আমিরাতের দুটি যাত্রীবাহী বেসামরিক বিমানে বাধা দিয়েছে কাতারের যুদ্ধবিমান।

আরব উপসাগরীয় অঞ্চলের এ উত্তেজনার শুরুর মূলত গেলো বছরের ৬ জুন থেকে। সন্ত্রাসবাদের অর্থায়ন ও ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ এনে ওইদিন কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি নেতৃত্বাধীন চারটি দেশ।

এইচজে