২০১৭-০১-০৮

রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

এখন থেকে নারী ও হিন্দুরাও নিয়োগ পাবেন ইসলামী ব্যাংকে

OURISLAM24.COM
news-image

press-breifing_08-012017আওয়ার ইসলাম: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লি. এর নতুন চেয়ারম্যান আরাস্তু খান জানিয়েছেন এখন থেকে নারী ও হিন্দুরাও ইসলামী ব্যাংকে নিয়োগ পাবেন। মেধার ভিত্তিতে সবাই চাকরি করতে পারবে এখানে। খবর বাংলা ট্রিবিউন

রবিবার ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান আরাস্তু খান এসব জানান।

তিনি বলেন, ‘আগে শুধু একটা ধর্মীয় দিক বিবেচনায় নিয়ে এখানে চাকরি দেওয়া হতো, সেটা আর থাকছে না। এখন থেকে মেধার ভিত্তিতে সবাই এখানে চাকরি করতে পারবে। এখন নারী, হিন্দু বা খ্রিস্টান সবাইকে নিয়োগ দেওয়া হবে। বিশেষ করে মেধাবী মেয়েদের এই ব্যাংকের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে তুলে আনা হবে।

আরাস্তু খান বলেন, ‘এত দিন একটি বিশেষ দলের লোকদের কেবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করা হবে। দেশের সব শ্রেণির মেধাবীরা যেন এই ব্যাংকে নিয়োগ পেতে পারেন সে ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হবে। এখন থেকে নারী ও হিন্দুরাও ইসলামী ব্যাংকে নিয়োগ পাবেন। এছাড়া সিএসআরের অর্থ-অপব্যবহার রোধে কঠোর নীতি গ্রহণ করা হবে। অনুমোদন ছাড়া কোনও অর্থই ছাড় করা হবে না।’ তিনি বলেন, ‘তবে ব্যাংকের দর্শন বা মৌলিকনীতির কোনও পরিবর্তন হবে না।  আগের মতোই শরিয়াহ অনুযায়ী এই ব্যাংক পরিচালিত হবে।

নতুন নেতৃত্ব আসায় ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন হলেও ব্যাংক আগের নিয়মেই পরিচালিত হবে জানিয়ে আরাস্তু খান বলেন,  ‘এই ব্যাংকে যারা নিচের পদে কর্মরত রয়েছেন তাদের কারও চাকরি যাবে না। এ কারণে এই ব্যাংকের প্রতি দেশের জনগণের আস্থাও অটুট থাকবে।’

আরস্ত খান বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকের আমানত গ্রহণ, অর্থায়ন সেবা, বিনিয়োগসহ সব কার্যক্রম শরিয়াহ মোতাবেক সুদবিহীন ও লাভ ক্ষতির ভিত্তিতেই পরিচালিত হবে।’ এক্ষেত্রে শরিয়াহ আইন আগের চেয়েও কঠোরভাবে মেনে চলা হবে বলে জানান তিনি।

 

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সৈয়দ আহসানুল আলম বলেন, ‘আগে পরিচালনা পর্ষদ ভালো ছিল, তবে তাদের দিকে তীর্যক প্রশ্ন ছিল সবার। তারা ছিলেন প্রশ্নবিদ্ধ।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘কোনও অবস্থাতেই এই ব্যাংকের নাম পরিবর্তন করা হবে না। ইসলামী ব্যাংক পরিচালনার ক্ষেত্রে দর্শন বা মৌলিকনীতির কোনও পরিবর্তন করা হবে না।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ব্যাংকটি মেজর জেনারেল (অব.) ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন, অধ্যাপক অধ্যাপক ডা. কাজী শহিদুল আলম প্রমুখ।

আরআর