Tag Archives: নির্বাচন

নির্বাচনে অনিয়ম হবে না সে নিশ্চয়তা দেয়া যায় না: সিইসি

আওয়ার ইসলাম: পাবলিক নির্বাচনগুলোতে অনিয়ম হবে না সে নিশ্চয়তা দেয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা।

তিনি বলেছেন, বড় বড় পাবলিক নির্বাচনে কিছু কিছু অনিয়ম হয়ে থাকে আমরা সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিয়ে থাকি। বরিশালে বেশি অনিয়ম হয়েছে সেখানে আমরা বাড়তি ব্যবস্থা নিয়েছি।

বুধবার (০৭ আগস্ট) নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলের তিনি।

সিইসি বলেন, এখন পর্যন্ত দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ বিদ্যমান রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের প্রতি জাতির আস্থা নেই ড. কামাল হোসেনের এমন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, কোন জাতি তাকে কি বলেছে আমি জানি না। একটা কথা বললে তো তার একটা পরিসংখ্যান দরকার। জাতি কি তাকে বলেছে নির্বাচন কমিশনের ওপর আমাদের আস্থা নেই? এ সম্পর্কে আমি তো কিছু জানি না। বিএনপিসহ স্টকহোল্ডারদের সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন অস্বস্তিতে নেই বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, গত পাঁচটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যেখানে যত বেশি অনিয়ম হয়েছে আমরা সেখানে তত বেশি অ্যাকশন নিয়েছি। এ ধরনের পাবলিক নির্বাচনে কিছু অনিয়ম হয়। জাতীয় নির্বাচনেও এমন অনিয়ম হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা মনে করি না যে, জাতীয় নির্বাচনে এমন কোনো অসুবিধা হবে। কোনো অনিয়ম হবে না এরকম নিশ্চয়তা দেওয়ার সুযোগ আমাদের নেই। তবে যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার সেভাবে আমরা নিয়ন্ত্রণ করবো।  নির্বাচনের পরিবেশের সুব্যবস্থা আছে। আমরা কোনো অসুবিধা দেখি না।

তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচন ডিসেম্বরের শেষে অথবা জানুয়ারির প্রথমে অনুষ্ঠিত হবে। আমরা অক্টোবরের শেষে তফসিল ঘোষণা করবো। সংবিধান অনুযায়ী ২২ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রযেছে। এ আয়োজনে যৌথভাবে অংশ নিচ্ছে আন্তর্জাতিক সংস্থা আইএফইএস। প্রতিবন্ধীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে গেলে কী কী সমস্যার সম্মুখীন হন, যারা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী তাদের জন্য আলাদা ব্যালট পেপার ছাপানো যায় কি না? এসব বিষয়ে ২০/২৫ জন প্রতিবন্ধীকে নিয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।

স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া, তিন সন্তানকে ব্রিজ থেকে ফেলে দিলেন বাবা

আরএম/

‘ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখাই নতুন সরকারের লক্ষ্য’

আওয়ার ইসলাম: ভারত এক কদম এগোলে, আমরা দু’কদম এগিয়ে যাব। আমাকে বলিউডের হিন্দি ফিল্মের ভিলেনের মতো বানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এবার সেটার অবসান ঘটাতে চাই। আমরা বন্ধুত্ব চাই। আলোচনার মাধ্যমেই কাশ্মীর সমস্যার সমাধান করতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন পিটিআই প্রধান ইমরান খান।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় দেওয়া এক ভাষণে তিনি নির্বাচনে জয়ী দাবি করে এসব কথা বলেন।

ইমরান বলেন, ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখাই নতুন সরকারের লক্ষ্য হবে। পাকিস্তান নিয়ে তিনি বলেন, নতুন সরকার হবে সাধারণ মানুষের সরকার। শ্রমজীবী মানুষের সরকার।

তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানে এ সরকারই হবে কোনো রকম রাজনৈতিক দমনপীড়ন না চালানো প্রথম সরকার।’

বিবিসি’র দেওয়া শেষ খবর অনুযায়ী, ৪৯ শতাংশ ভোট গণনায় দেখা যাচ্ছে, পার্লামেন্টের ২৭২টি আসনের মধ্যে ইমরান খানের পিটিআই ১১৯ আসনে এগিয়ে আছে। অর্থাৎ ১৩৭-এর ম্যাজিক ফিগার থেকে খুব বেশি দূরে নেই দলটি। যেখানে নওয়াজ শরিফের দল পিএমএল-এন ৬১ আসন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর ছেলে বিলাওয়ালের নেতৃত্বাধীন পিপিপি ৪০ আসন নিয়ে অনেকটাই দূরে অবস্থান করছে।

নির্বাচনের পুরো ফল পেতে এখনো ঢের সময় বাকি। কিন্তু এখন পর্যন্ত গণনা হওয়া অর্ধেক ভোটের পরিসংখ্যানে ইমরান খান যে রাজনীতির মাঠেও ‘সেঞ্চুরি’ করে ফেলেছেন তা এক রকম নিশ্চিত।

এদিকে ইমরানের জয়ের ব্যাপারটি কোনোভাবেই মানছে না প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলো। তারা ভোট গণনা এবং ভোট প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং ভোটের ফলকে গণতন্ত্রের ওপর আঘাত বলে বর্ণনা করছে।

আরও পড়ুন: কেমন প্রধানমন্ত্রী হবেন ইমরান খান?

আরএম/

 

নির্বাচনে ডিসিদের সঠিক দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

আওয়ার ইসলাম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল আগামী একাদশ জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন।

আজ বৃহস্পতিবার (২৬ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে ডিসি সম্মেলনের তৃতীয় ও শেষ দিনের শেষ কার্য-অধিবেশনে তিনি এ নির্দেশ দেন। শেষ সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ ও সুরক্ষা সেবা বিভাগের সঙ্গে ডিসিদের এ কার্য-অধিবেশন হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এতে সভাপতিত্ব করেন।

ডিসিদের উদেশ্যে করে তিনি বলেন,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তিনি বলেন, আগামীতে নির্বাচন আসছে, নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণার পর শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরাপত্তা বাহিনী যথেষ্ট প্রস্তুত রয়েছে। তাদের সক্ষমতাও যথেষ্ট বৃদ্ধি হয়েছে। ইলেকশন কন্ডাক্টে তাদের প্রয়োজনীয় জনবল, লজিস্টিক সাপোর্ট দেয়া হচ্ছে। যেগুলো বাকি আছে তা দেয়া হবে।

তিনি বলেন, তাদেরকে (ডিসি) আহ্বান করেছি একটা সুষ্ঠু নির্বাচন জাতিকে উপহার দিতে দায়িত্বটা যেন তারা সঠিক সময়ে সঠিকভাবে পালন করেন। ডিসি-এসপিদের সমন্বয় নিয়ে কোনো কথা এসেছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, না, না, এই ধরনের কোনো কথা আসেনি। আমি যে কথাগুলো বললাম, এর বাইরে তারা কোনো কথা জিজ্ঞেস করেনি।

আরও পড়ুন: সড়ক সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের রাস্তা ঠিক করার নির্দেশ কাদেরের

আরএম/

পাকিস্তানে নির্বাচনি প্রার্থীর ওপর আত্মঘাতি হামলা: নিহত ২

আওয়ার ইসলাম: পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখা প্রদেশে ডিআইখান এলাকায় তেহরিকে ইনসাফের প্রার্থী ও সাবেক প্রাদেশিক মন্ত্রী ইকরামুল্লাহ খান গান্দাপুরের ওপর আত্মঘাতি হামলায় দু’জন নিহত হয়েছে। খবর জি নিউজ-এর।

হামলায় ওই প্রার্থীর ড্রাইভার ও দেহরক্ষী নিহত হয়েছেন। প্রার্থীসহ আহত হয়েছে আরও এক। হামলায় আহত ওই প্রার্থী ইমরান খানের দল তেহরিকে ইনসাফের টিকিটে তাহসিল কলাচি থেকে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলেন।

জিও নিউজের খবরে বলা হয়, কালাচি বিস্ফোরণের পর নিরাপত্তা বাহিনী এলাকাজুড়ে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিয়েছে। ইকরামুল্লাহ খান বাসা থেকে বের হয়ে গাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। কিছু দূর এগুলেই গাড়ির কাছে বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের জায়গায় একজন ব্যক্তির মাথা পড়ে থাকতে দেখা যায়।

এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তেহরিকে ইনসাফের চেয়ারম্যান এ হামলাকে কাপুরুষোচিত হামলা বলে আখ্যায়িত করেছে। টুইটারে এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, আল্লাহ তায়ালা ইকরামুল্লাহ খান ও আহতদের দ্রুত আরোগ্য দান করুন।

উল্লেখ্য, আগামী ২৫ জুলাই দেশটিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ওই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন হামলার ঘটনা ঘটছে। গত কিছুদিন আগেও নির্বাচনী প্রচারণায় হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সূত্র:  জিও নিউজ উর্দু।

আরও পড়ুন- সৌদিতে মসজিদে নববীর সাবেক খতিব গ্রেফতার!
রাসুল সা.-এর ২৪ ঘন্টার সংক্ষিপ্ত রুটিন
২০১৮ সালের বিশ্বসেরা ১০ মুসলিম ব্যক্তিত্ব
বিয়ের পর হানিমুন: ইসলাম কী বলে?
সমাজে প্রচলিত ৩টি ভুল মাসআলা
লোকমুখে প্রচলিত ৩টি জাল হাদিস

আরএম-

ভোট ডাকাতি রুখে দিতে যুব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হতে বললেন চরমোনাই পীর

আওয়ার ইসলাম: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেছেন, ৩০ জুলাই সিটি নির্বাচনে কারচুপি করার চেষ্ট করলে জনগণ তার দাঁতভাঙ্গা জবাব দেবে। প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে খুলনা গাজীপুর সহ প্রায় সকল নির্বাচনে সরকার দলীয় ক্যাডারদের মাধ্যমে জনগণের রায় প্রয়োগ করতে দেয়নি। এভাবে কোন সভ্য রাষ্ট্র চলতে পারে না।

আজ ২১ জুলাই (শনিবার) বিকাল ৩.০০ টায় পুরানা পল্টনস্থ হাউজ বিল্ডিং চত্বরে ইসলামী যুব আন্দোলন এর কেন্দ্রীয় সভাপতি কে এম আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সমাবেশ-এর প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে ভোট ডাকাতদের রুখে দিয়ে বাংলার জনগণের কাছে তাদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে যুব সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার একের পর এক প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষের মধ্যে শংকা তৈরি করে রেখেছে, দেশের সাধারণ মানুষ এখন ভোট কেন্দ্রে যেতে ভয় পায়।

তাই ৩০ জুলাই একটি স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের সাধারণ জনগণের নির্বাচন নিয়ে আতংক কাটাতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোন প্রকার ব্যত্যয় হলে জনগণের কাঠগড়ায় সকল নির্বাচন কমিশনারকে দাঁড়াতে হবে।

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী বলেন, মাদকের কালো থাবায় দেশের যুবসমাজ আজ ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে পৌঁছেছে, তাই যুবসমাজকে মাদকের কালো গ্রাস থেকে বাঁচতে ইসলামী যুব আন্দোলনে সুশীতল ছায়াতলে আসা ছাড়া কোন বিকল্প পথ নেই।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, যুবসমাজই দেশের প্রাণশক্তি তাই যুবসমাজকে নৈতিকতা অর্জনের মাধ্যমে দূর্নীতি ও দুঃশাসন মুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার নিতে হবে।

Image may contain: 51 people, including KM Soriatullah, শরীফ মজুমদার and ইমতিয়াজ বিন হাফেজ, crowd and outdoor

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব অধ্যাপক হাফেজ মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন, যুগ্ম-মহাসচিব অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আহমাদ আব্দুল কাইয়ুম।

আরো বক্তব্য রাখেন, ইসলামী যুব আন্দোলন এর সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ ইশা ছাত্র আন্দোলন এর সেক্রেটারী জেনারেল মুহাম্মাদ হাসিবুল ইসলাম প্রমুখ।

সিটি নির্বাচনে ঘরের মাঠে কেমন করবে ইসলামী আন্দোলন?

-আরআর

দোয়া নিয়ে সমর্থনের প্রচার; অস্বস্তিতে শীর্ষ আলেমরা

রোকন রাইয়ান
আওয়ার ইসলাম

রাজনীতিতে যেহেতু শেষ বলে কোনো কথা নেই, নির্বাচনে থাকবে এ কেমন আন্দাজ। সুতরাং- নির্বাচনে জিততে ‘মন যা চায় করো’ নীতি অবলম্বন করছেন প্রার্থীরা। আর এতে সমালোচিত হচ্ছেন ব্যক্তি বা দল।

চলমান সিটি নির্বাচনগুলোতে যাচ্ছেতাই নীতির অনেক ফেক্ট সামনে এসেছে। সবচেয়ে আলোচিত ফেক্ট হলো হেফজত ও আল্লামা আহমদ শফীর সমর্থন। শুরু হয়েছিল গাসিক নির্বাচন দিয়ে। এখনো চলছে এই সমর্থন অসমর্থনের ঝালমরিচীয় কামড়।

ব্যাপারটা শুরু হয়েছিল গাসিকের আ’লীগ প্রার্থী এ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর আলম। গাজীপুর সিটির নির্বাচনী প্রচারণা চলছে তখন। ১১ মার্চ হেলিকপ্টারে হাটহাজারী উড়ে গেলেন জাহাঙ্গীর আলম। আল্লামা আহমদ শফীর পায়ের কাছে বসলেন। একজন আল্লাহর বান্দা দোয়া চাইতে এসেছে। তিনি মাথায় হাত দিয়ে দোয়া করে দিলেন।

সেই ঘটনা নিউজ হলো। প্রকাশ পেলো কয়েকটি ছবি। এতটুকু থাকলে কোনো কথা ছিল না। কিন্তু গাজীপুরের সেই নেতার ভক্তরা হয়তো ভাবলেন, এত টাকা ব্যয় করে হাটহাজারী গেলেন তা উসুল না করলে কী করে হয়। তাই প্রচারণা দিলেন হেফাজত গাসিক নির্বাচনে মো. জাহাঙ্গীরকে সমর্থন দিয়েছে।

সেই স্ক্রিনশট ছড়িয়ে পড়লো ফেসবুকে। আর সেটা বিবেচনা না করেই কেউ কেউ মন্তব্য করতে শুরু করলো, ‘হ এরা এখন ওদেরই সমর্থন দেবে’, চেনা আছে তাদের’ ইত্যাদি। কুৎসা রচনা করতে শুরু করলো হাজারও মানুষ।

গাজীপুর নির্বাচন শেষ হয়েছে। গত ২৬ জুন বিপুল ভোটে পাশ করেছেন এডভোকেট জাহাঙ্গীর। কিন্তু আল্লামা আহমদ শফীর দোয়ার সেই ছবি নিয়ে সমালোচনা এখনো শেষ হয়নি। অশ্বস্তি কাটেনি আলেমদেরও।

আগামী ৩০ জুলাই বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেটে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সিটি নির্বাচন। এ নির্বাচনেও সেই দোয়া ও সমর্থন ফেক্ট চাউর হয়ে উঠেছে। এসব নিয়ে আড়ালে বিদ্রুপের শিকার হচ্ছেন মুরব্বি আলেমরা। এটি একে তো অনুচিত দ্বিতীয়ত অন্যায়।

গাজীপুর শেষ হয়ে এখন চলছে তিন সিটি নির্বাচনের প্রচারণা। এখানেও সেই দোয়া সমর্থনের নাটকীয় উপস্থানা শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, সিলেট নির্বাচনেও দোয়া ও সমর্থন নিয়ে অপ্রচারের শিকার হচ্ছেন জেলার প্রবীন ও খ্যাতিমান আলেম প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবিবুর রহমান। প্রার্থীরা তার সঙ্গে দেখা করে প্রচার করছেন তিনি তাকে সমর্থন দিয়েছেন।

সম্প্রতি সিলেটে নাগরিক ফোরাম থেকে নির্বাচন করা জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এহসানুল মাহবুব যোবায়ের দেখা করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির ও কাজিরবাজার মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা হাবিবুর রহমানের সঙ্গে। তার থেকে তিনি দোয়া নিয়ে এলে গাসিকস্টাইলে প্রচার করা হচ্ছে তিনি যোবায়েরকে সমর্থন জানিয়েছেন।

 

Image may contain: 2 people, text

এদিকে এহসানুল মাহবুবের সমর্থকরা আরও প্রচার করছেন, নির্বাচনে ঘড়ি মার্কাকে সমর্থন জানিয়েছে হেফাজতও। ভক্তদের দাবি হেফাজতে ইসলামের সিলেট জেলার সমন্বয়ক ও সিলেট মহানগরীর সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আসলাম রহমানী নির্বাচনী প্রোগ্রামে এসে জামায়াতে ইসলামের মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরকে সমর্থনের কথা জানান!

লেখাটির সঙ্গে কয়েকটি স্ক্রিনশটও ঘুরে বেড়াচ্ছে ফেসবুকজুড়ে। তবে হেফাজত কর্মীদের দাবি, এটা স্রেফ অপপ্রচার। কেননা হেফাজত কোনো রাজনৈতিক দল নয় এবং নির্বাচনে কারও সমর্থনও দেবে না।

মূলত হেফাজতে ইসলাম একটি অরাজনৈতিক প্লাটফরম, একে রাজনীতিমুক্ত রাখতে সবসময় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এর নেতাকর্মীরা। কারণ হেফাজত ঈমান ও আকিদাবিরোধী কাজের প্রতিবাদেই মূলত গড়ে উঠেছে।

এ ব্যাপারে হেফাজতের আমির আল্লামা আহমদ শফী সম্প্রতি একটি জনসভায় স্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন।

তিনি বলেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক লক্ষ্য নেই। কারও সঙ্গে আমাদের রাজনৈতিক স্বার্থভিত্তিক বন্ধুত্ব বা শত্রুতাও নেই। কোনো নির্বাচনে হেফাজত কাউকে মনোনয়ন বা সমর্থন দেবে না। কেউ যদি সমর্থনের প্রচার করে তা তা মিথ্যা।

Image may contain: one or more people and text

এদিকে বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও ছাপিয়ে উঠেছে দোয়া ও সমর্থন বিতর্ক। সিটির ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে লড়ছেন এ অঞ্চলের প্রবীন আলেম মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুব।

তিনি বরিশালের জামিয়া মাহমুদিয়ার প্রিন্সিপাল ও হেফাজত ইসলামের জেলা আমির।

গত ১ জুলাই সোশ্যাল মিডিয়ায় তার ভক্তরা প্রচার করেন ‘বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে হাফেজ মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুবকে আল্লামা শাহ আহমদ শফি সাহেব নির্বাচন করার অনুমতি বা সর্মথন দিয়েছেন’।

এসব নিয়ে আলোচনা সমালোচনা অব্যাহত থাকলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম একটি বক্তব্যে এ বিষয়ে আলোচনাও করেন।

পরে হেফাজতের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতির মাধ্যমে জানানো হয় হেফাজত আমির তাকে অনুমতি বা সমর্থন কিছুই জানাননি। বরং মাদরাসা ও দীনি খেদমতে আরও সময় দেয়ার পরামর্শ দেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, হেফাজতে ইসলাম ২০১৩ সালে জাগরণমূলক যে গণজোয়ার তৈরি করেছিল সে প্রভাব রাজনীতিতে এখনো বিদ্যমান। হেফাজতের প্রতি মানুষের আস্থা, ভালোবাসা ও ইমোশন কাজে লাগাতে কেউ কেউ দোয়াকে সমর্থন বলে চালিয়ে দিচ্ছেন।

এ ব্যাপারে হেফাজতের মহাসচিব হাটহাজারী মাদরাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, ‘হেফাজতে ইসলাম নির্বাচনমুখী সংগঠন নয়। এটা সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক আক্বিদাভিত্তিক ধর্মীয় সংগঠন। তাই হেফাজতে ইসলামের ব্যানারে কোনো রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না।

তবে হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেকেই ইসলামী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তারা যদি নিজস্ব দলীয় ব্যানারে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন, সেটা তাদের দলীয় ব্যাপার। এটার সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের কোনো সম্পর্ক থাকবে না।’

তাই হেফাজত অমুককে সমর্থন দিয়েছে, অমুক প্রার্থীর সফলতা কামনা করেছে এসব নিউজে, লেখায় বা প্রচারণায় না আনা উচিত।

রাজনীতিতে হেফাজতের প্রভাব নিয়ে পড়ুন সাংবাদিক ও কলামিস্ট শরীফ মুহাম্মদের সাক্ষাৎকার: ‘জাগরণমূলক যে কোনো আন্দোলনের প্রভাব জাতীয় রাজনীতিতে পড়েই’

-এআর

তিন সিটিতে অনিয়মমুক্ত নির্বাচন দেখতে চাই: বার্নিকোট

আওয়ার ইসলাম : আসন্ন তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে যতটা সম্ভব অনিয়মমুক্ত রাখার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া স্টিফেন ব্লুম বার্নিকাট।

শনিবার (১৪ জুলাই) রাজধানীর বনানীতে সেতুভবনে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বার্নিকাট এ আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎ শেষে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়ে আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আসন্ন তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সরকারের অবস্থান জানতে চেয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত বার্নিকাট। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের কথাও তারা বলেছেন। তারা বলেছেন, এই তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচন ভালোভাবে হোক।

ওবায়দুল কাদের জানান, গাজীপুরের নির্বাচনে কিছু অনিয়ম হয়েছে বলে তারা বলেছেন। এছাড়া খুলনা সম্পর্কেও মন্তব্য করেছেন। সামনের নির্বাচনগুলো যতটা সম্ভব অনিয়মমুক্ত করার জন্য তারা সরকারের অবস্থান জানতে চেয়েছেন।

তিনি রাষ্ট্রদূতকে বলেছেন, সরকার বরাবর একই অবস্থানে আছে। অনিয়ম যেখানে, সেখানেই নির্বাচন কমিশন তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছে। তারা (নির্বাচন কমিশন) যদি আরও অন্য অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত করতে চায়, সেটাও করবে। সামনের নির্বাচনগুলো যেন আরও ভালো হয়, সে ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনই নজর দিতে পারে। সরকার এ ব্যাপারে সব রকমের সহযোগিতা করবে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান হবে। রাষ্ট্রদূতকে বলেছি, এ ব্যাপারে তাদের দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। তাদের পর্যবেক্ষকদেরও স্বাগত জানানো হবে। তারা যত পর্যবেক্ষক পাঠাতে চান কিংবা অন্য দেশ থেকে যত পর্যবেক্ষক আসুক- কোনো বাধা নেই।

ওবায়দুল কাদের জানান, সাক্ষাতে বার্নিকাট তাকে বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান করবে বলে যুক্তরাষ্ট্র আশা করে।

অারও পড়ুন : তিন সিটিতে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী যারা

নীল নকশার নির্বাচন আর হবে না: কাদের

আওয়ার ইসলাম : সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি যতই রঙিন খোয়াব দেখুক না কেন আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে ২০০১ সালের মতো নীল নকশার নির্বাচন বাংলাদেশে আর হবে না। নির্বাচন নির্বাচনের মতোই হবে।

বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রামের পটিয়ায় বাইপাস সড়কের কাজ পরিদর্শন করতে গিয়ে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে ভারতীয় কারো সঙ্গেই আমার কথা হয়নি। কথা হয়েছে রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে। এছাড়া তিস্তার পানি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। কিন্তু সেখানে আমাদের নির্বাচন নিয়ে কোনো কথা হয়নি। কোনো রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করতে ভারতে যাইনি।

তিনি আরও বলেন, ভারতে গিয়ে আমরা আমাদের নিজেদের আগ্রহের বিষয় নিয়ে কথা বলেছি, আমরা নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও কথা বলেছি। এছাড়া ভারতের অনেক গুণী ব্যক্তি, মন্ত্রীদের সঙ্গে দেখা হয়েছে।

আরও পড়ুন : ইসলামের নামে সন্ত্রাসবাদের প্রচার করিনি: জাকির নায়েক

‘২ মাসের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচনের তফসিলের প্রক্রিয়া’

আওয়ার ইসলাম: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) নুরুল হুদা বলেছেন, তিন সিটির (রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল) নির্বাচনকে ইসি গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে। কারণ আগামী ২ মাসের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচনের তফসিলের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সম্মেলনকক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

সিইসি বলেন, তিন সিটি নির্বাচনে সহায়তাকারী কর্মকর্তাসহ সবার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটা জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতিও বলা যায়।

সিইসির সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১১টায় বৈঠকটি শুরু হয়। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী ও কবিতা খানম উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া পুলিশ ও র‌্যাবের মহাপরিদর্শক, তিন বিভাগীয় কমিশনার, রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।

তিন সিটিতে ৪৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়ন

-আরআর

৩০০ আসনে বিএনপির খসড়া তালিকায় আছেন যারা

নানা প্রতিকূল পরিবেশেও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছে বিএনপি। যে কোনো পরিস্থিতিতেই দলটি নির্বাচনে যেতে চায়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতে ৩০০ আসনে দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা পৌঁছেছে।

কয়েক দফা জরিপ চালিয়ে দলের সম্ভাব্য প্রার্থীও চূড়ান্ত করা হয়। সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠপর্যায়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণাও শুরু করেছেন। দলটি আশা করছে, ভোটের আগেই বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারামুক্তি লাভ করবেন। কোনো কারণে তিনি মুক্তি না পেলেও সম্ভাব্য সব প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে দলটি।

হাইকমান্ডের সবুজ সংকেত পাওয়ার পরপরই মাঠে ঝাপিয়ে পড়বেন প্রার্থীরা। এরই মধ্যে তারেক রহমানের নির্দেশনায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিনিয়র নেতাদের নিয়ে একাদশ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। তারেক রহমানের টেবিলে যাওয়া দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা বাংলাদেশ প্রতিদিনের হাতে এসেছে।

তালিকা অনুযায়ী— পঞ্চগড়-১ ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার কিংবা তার ছেলে ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, পঞ্চগড়-২ বিএনপি নেতা ফরহাদ হোসেন আজাদ। ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ঠাকুরগাঁও-২ জোটের পক্ষে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ছিলেন। বিএনপি থেকে মির্জা ফখরুলের ছোট ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন দলীয় মনোনয়ন প্রার্থী। ঠাকুরগাঁও-৩ জাহিদুর রহমান, ওবায়দুল্লাহ মাসুদ ও কামাল আনোয়ার আহম্মেদ। দিনাজপুর-১ জামায়াতের প্রার্থী ছিল। এবার সেখানে শফিউল আলম প্রধানের মেয়ে ব্যারিস্টার তাসনিয়া প্রধানও প্রার্থী হতে চান।

দিনাজপুর-২ লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান বা মঞ্জুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-৩ (সদর) বেগম খালেদা জিয়া বা শাহরিয়ার আক্তার হক ডন। দিনাজপুর-৪ আখতারুজ্জামান বা হাফিজুর রহমান সরকার, দিনাজপুর-৫ এম রেজওয়ানুল হক, দিনাজপুর-৬-এ জামায়াত ছিল। এবার বিএনপির অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনও নির্বাচন করতে পারেন।

নীলফামারী-১-এ খালেদা জিয়ার ভাগ্নে শাহরিন ইসলাম তুহিন বা জোটের শরিক বাংলাদেশ ন্যাপের জেবেল রাহমান গানি, নীলফামারী-২-এ জামায়াতের প্রার্থী ছিল। সেখানে বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শামছুজ্জামান সম্ভাব্য প্রার্থী। নীলফামারী-৩-এ জামায়াত ছিল। বিএনপির ফাহমিদ ফয়সল চৌধুরী কমেটও দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থী। নীলফামারী-৪ আমজাদ হোসেন সরকার, কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন বা কেন্দ্রীয় নেত্রী বিলকিস ইসলামও দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন।

লালমনিরহাট-১-এ জামায়াত ছিল। সেখানে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী ব্যারিস্টার হাসান রাজীব। লালমনিরহাট-২ সালেহউদ্দিন আহমেদ হেলাল ও লালমনিরহাট-৩ আসাদুল হাবিব দুলু।

রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া) জামায়াত ছিল। আসনটি ফাঁকা রাখা হয়েছে। রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) জামায়াত ছিল। বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী অধ্যক্ষ পরিতোষ চক্রবর্তী। রংপুর-৩ মোজাফ্ফর হোসেন, রইচ আহমেদ, মরহুম মশিউর রহমান যাদুমিয়ার মেয়ে রিটা রহমান বা আবদুল কাইয়ুম মন্ডল বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী। রংপুর-৪ রহিমউদ্দিন ভরসার ছেলে এমদাদুল হক ভরসা। রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) জামায়াত ছিল, রংপুর-৬ নূর মো. মন্ডল।

কুড়িগ্রাম-১ সাইফুর রহমান রানা, কুড়িগ্রাম-২ অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, কুড়িগ্রাম-৩ তানভিরুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-৪-এ জামায়াত ছিল।

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) জামায়াত ছিল। গাইবান্ধা-২ শফিকুর রহমান ও আনিসুজ্জামান খান বাবু। গাইবান্ধা-৩-এ জামায়াত ছিল। বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী ডা. মইনুল হাসান সাদিক। গাইবান্ধা-৪-এ জামায়াত ছিল। বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী আবদুল মোত্তালিব, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম ও কাজী জেসিন। গাইবান্ধা-৫ হাছান আলী ও মোহাম্মদ আলী।

জয়পুরহাট-১ মোজাহার আলী প্রধান, ফয়সাল আলীম ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান। জয়পুরহাট-২ ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা এবং এ এইচ এম ওবায়দুর রহমান চন্দন।

বগুড়া-১ মো. শোকরানা। বগুড়া-২ বৃহত্তর জোট হলে নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না। এ ছাড়া বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় এ কে এম হাফিজুর রহমান ও উপজেলা চেয়ারম্যান মীর শাহ আলম। বগুড়া-৩ আবদুল মোমিন তালুকদার খোকা ও আবদুল মুহিত তালুকদার, বগুড়া-৪ জেড আই এম মোস্তফা আলী ও ডা. জিয়াউল হক মোল্লা। বগুড়া-৫ জানে আলম খোকা ও জি এম সিরাজ। বগুড়া-৬ বেগম খালেদা জিয়া। বগুড়া-৭ বেগম খালেদা জিয়া বা তারেক রহমান।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ শাহীন শওকত ও মো. শাহজাহান মিয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আমিনুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ হারুনুর রশিদ, নওগাঁ-১ ডা. সালেক চৌধুরী, নওগাঁ-২ সামছুজ্জোহা খান ও খাজা নাজীমউল্লাহ চৌধুরী, নওগাঁ-৩ প্রয়াত আখতার হামিদ সিদ্দিকীর ছেলে পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী, নওগাঁ-৪ (মান্দা) শামছুল আলম প্রামাণিক বা আবদুল মতিন, নওগাঁ-৫ (সদর) কর্নেল (অব.) আবদুল লতিফ খান, নওগাঁ-৬ সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির, আনোয়ার হোসেন ও মামুন চৌধুরী স্টালিন।

রাজশাহী-১ ব্যারিস্টার আমিনুল হক, রাজশাহী-২ মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী-৩ কবির হোসেন ও মতিউর রহমান মন্টু, রাজশাহী-৪ সাবেক এমপি আবু হেনা এবং এম এ গফুর, রাজশাহী-৫ নাদিম মোস্তফা, সিরাজুল হক, নজরুল ইসলাম ও মাহমুদা হাবিবা, রাজশাহী-৬ আজিজুর রহমান, আবু সাঈদ চাঁদ ও দেবাশীষ রায় মধু।

নাটোর-১ প্রয়াত ফজলুর রহমান পটলের স্ত্রী কামরুন্নাহার শিরিন, তাইফুল ইসলাম টিপু ও অ্যাডভোকেট আসিয়া আশরাফি পাপিয়া, নাটোর-২ অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নাটোর-৩ কাজী গোলাম মোর্শেদ, নিহত উপজেলা চেয়ারম্যান বাবুর স্ত্রী মহুয়া নূর কচি ও জন গোমেজ, নাটোর-৪ অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মোজাম্মেল হক ও সাবেক সচিব আবদুর রশীদ সরকার।

সিরাজগঞ্জ-১ আবদুল মজিদ ও কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা, সিরাজগঞ্জ-২ ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বা রোমানা ইকবাল মাহমুদ, সিরাজগঞ্জ-৩ আবদুল মান্নান তালুকদার ও সাইফুল ইসলাম শিশির, সিরাজগঞ্জ-৪ আকবর আলী। জামায়াতের মাওলানা রফিকুল ইসলাম খানও এ আসনে প্রার্থী হতে পারেন। সিরাজগঞ্জ-৫ আমিরুল ইসলাম খান আলিম ও রফিকুল করিম খান পাপ্পু, সিরাজগঞ্জ-৬ প্রয়াত ডা. আবদুল মতিনের ছেলে ডা. এম এ মুহিত, গোলাম সারোয়ার ও কামরুদ্দিন ইয়াহিয়া খান মজলিস।

দাওরায়ে হাদিসের ফলাফল ঘোষণা; পাশের হার ৭৩.৩৪

পাবনা-১ জামায়াত ছিল। সেখানে মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে নির্বাচন করতে পারেন। এ ছাড়া বিএনপি থেকে ছাত্রদলের সাবেক নেত্রী ও মেজর (অব.) মঞ্জুর কাদেরও প্রার্থী। পাবনা-২ সেলিম রেজা হাবিব ও কৃষিবিদ হাসান জাফরি তুহিন বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী। এ ছাড়া জোটের শরিক দল এনডিপির গোলাম মর্তুজার নামও শোনা যাচ্ছে। পাবনা-৩ এ কে এম আনোয়ার ইসলাম, সাইফুল আজম সুজা ও বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান ফখরুল আজম বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী। পাবনা-৪ হাবিবুর রহমান হাবিব, আকরাম আলী খান সঞ্জু, পাবনা-৫ অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ও পৌরসভার মেয়র কামরুল হাসান মিন্টু। এখানে জামায়াতের প্রার্থীও ছিল।

মেহেরপুর-১ মাসুদ অরুণ, মেহেরপুর-২ আমজাদ হোসেন।

কুষ্টিয়া-১ রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা, আলতাফ হোসেন। কুষ্টিয়া-২ অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম। এ ছাড়া জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) আহসান হাবিব লিংকন বা ব্যারিস্টার রাগীব রব চৌধুরীও নির্বাচন করতে পারেন। কুষ্টিয়া-৩ অধ্যক্ষ সোহরাব হোসেন, কুষ্টিয়া-৪ মেহেদী আহমেদ রুমী।

চুয়াডাঙ্গা-১ শামছুজ্জামান দুদু। চুয়াডাঙ্গা-২ মাহমুদ হাসান বাবু, ঝিনাইদহ-১ আবদুল ওয়াহাব, অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান ও জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু।

ঝিনাইদহ-২ মশিউর রহমান, ঝিনাইদহ-৩ কণ্ঠশিল্পী মনির খান, আমিরুজ্জামান খান শিমুল ও মেহেদী হাসান রনি, ঝিনাইদহ-৪ শহিদুজ্জামান বেল্টু ও সাইফুল ইসলাম ফিরোজ।

যশোর-১ জামায়াত ছিল। এখানে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী মফিদুল হাসান তৃপ্তি ও মহসীন কবির। যশোর-২ জামায়াত ছিল। এখানে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী মিজানুর রহমান খান ও সাবিরা নাজমুল মুন্নী। যশোর-৩ তরিকুল ইসলাম বা তার ছেলে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। যশোর-৪ ইঞ্জিনিয়ার টি এস আইয়ুব, যশোর-৫ ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি মো. ওয়াক্কাস বা উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহীদ মো. ইকবাল। যশোর-৬ আবুল হোসেন আজাদ ও অমলেন্দু দাস অপু। মাগুরা-১ আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান। তিনি না করলে বিএনপির কবির মুরাদ, মনোয়ার হোসেন খান ও নেওয়াজ হালিমা আরলী।

মাগুরা-২ অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী ও কাজী সলিমুল হক কামাল। নড়াইল-১ বিশ্বাস জাহাঙ্গির আলম। নড়াইল-২ মনিরুল ইসলাম ও শরীফ খসরুজ্জামান। জোটের শরিক দল এনপিপির ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদও প্রার্থী।

বাগেরহাট-১ শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দীপু, শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ রবিউল আলম। বাগেরহাট-২ মনিরুল ইসলাম খান ও এম এ সালাম। বাগেরহাট-৩ জামায়াত ছিল। এখানে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম ও শেখ ফরিদুল ইসলাম। বাগেরহাট-৪ জামায়াত ছিল। এখানে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী ড. এ বি এম ওবায়দুল হক।

খুলনা-১ আমির এজাজ খান, খুলনা-২ নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-৩ রকিবুল ইসলাম বকুল, কাজী শাহ সেকান্দার আলী, আরিফুর রহমান মিঠু, খুলনা-৪ আজিজুল বারী হেলাল ও শাহ শরীফ কামাল তাজ। খুলনা-৫ জামায়াত ছিল। এখানে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী ড. মামুন হোসেন। খুলনা-৬ জামায়াত ছিল। এখানে জেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম মনা ও রফিকুল ইসলাম রফিক।

সাতক্ষীরা-১ হাবিবুল ইসলাম হাবিব, সাতক্ষীরা-২ জামায়াত ছিল। সাতক্ষীরা-৩ জামায়াত ছিল। এখানে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী ডা. শহীদুল ইসলাম, সাতক্ষীরা-৪ জামায়াত ছিল। এখানে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিন ও জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) গোলাম রেজা।

বরগুনা-১ মতিউরর রহমান তালুকদার, ফিরোজ আহমেদ ও মাহবুবুল হক ফারুক মোল্লা, বরগুনা-২ অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন ও নূরুল ইসলাম মনি।

পটুয়াখালী-১ এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী। পটুয়াখালী-২ এ কে এম ফারুক আহমেদ তালুকদার, শহিদুল আলম তালুকদার, পটুয়াখালী-৩ মো. শাহজাহান খান, হাসান মামুন, পটুয়াখালী-৪ এ বি এম মোশাররফ হোসেন, আতিকুর রহমান আতিক।

ভোলা-১ বিজেপির আন্দালীব রহমান পার্থ, ভোলা-২ হাফিজ ইব্রাহিম, ভোলা-৩ মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ভোলা-৪ নাজিমউদ্দিন আলম ও নূরুল ইসলাম নয়ন।

বরিশাল-১ জহিরউদ্দিন স্বপন, আকন্দ কুদ্দুসুর রহমান, আবদুস সোবাহান ও অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম সজল, বরিশাল-২ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও সরদার শরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, ইলিয়াস খান ও রওনাকুল আলম টিপু, বরিশাল-৩ বেগম সেলিমা রহমান ও অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, বরিশাল-৪ রাজীব আহসান, মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ ও শাহ আবুল হোসাইন, বরিশাল-৫ মজিবুর রহমান সারোয়ার, বরিশাল-৬ আবুল হোসেন খান।

ঝালকাঠি-১ ব্যারিস্টার শাজাহান ওমর বীরোত্তম, ঝালকাঠি-২ ইসরাত জাহান ইলেন ভুট্টো, মাহবুবুল হক নান্নু, জেবা খান।

পিরোজপুর-১ জামায়াতের দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদী, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার ও লেবার পার্টির ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান।

পিরোজপুর-২ নূরুল ইসলাম মঞ্জুর ছেলে আহমেদ সোহেল মঞ্জুর সুমন, পিরোজপুর-৩ শাহজাহান মিয়া ও কর্নেল (অব.) শাহজাহান মিলন।

টাঙ্গাইল-১ ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী, টাঙ্গাইল-২ আবদুস সালাম পিন্টু ও শামছুল আলম তোফা, টাঙ্গাইল-৩ লুত্ফর রহমান খান আজাদ, টাঙ্গাইল-৪ লুত্ফর রহমান মতিন, প্রকৌশলী বাদলুর রহমান ও বেনজির আহমেদ টিটু, টাঙ্গাইল-৫ মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান ও সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, টাঙ্গাইল-৬ অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী ও নূর মোহাম্মদ খান, টাঙ্গাইল-৭ আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, সাঈদ সোহরাব, টাঙ্গাইল-৮ অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান ও ওবায়দুল হক নাসির। বৃহত্তর জোট হলে প্রার্থী পরিবর্তন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী জোটের প্রার্থী হতে পারেন।

জামালপুর-১ রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এম এ কাইয়ুম ও শাহিদা আক্তার রিতা, জামালপুর-২ সুলতান মাহমুদ বাবু, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আবদুল হালিম, জামালপুর-৩ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল ও গোলাম রব্বানী, জামালপুর-৪ ফরিদুল কবির তালুকদার (শামীম তালুকদার) ও বেলজিয়াম প্রবাসী ব্যবসায়ী রুহুল আমিন সেলিম, জামালপুর-৫ নিলুফার চৌধুরী মনি, ওয়ারেছ আলী মামুন ও সিরাজুল হক। এ ছাড়া জামালপুরের যে কোনো একটি আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান নির্বাচন করতে পারেন।

শেরপুর-১ জামায়াত ছিল। এখানে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হজরত আলী। শেরপুর-২ সাবেক হুইপ প্রয়াত জাহেদ আলী চৌধুরীর ছেলে ফাহিম চৌধুরী ও ব্যারিস্টার হায়দার আলী। শেরপুর-৩ মাহমুদুল হক রুবেল।

ময়মনসিংহ-১ সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ও আফজাল এইচ খান, ময়মনসিংহ-২ শাহ শহীদ সরোয়ার ও মোতাহার হোসেন, ময়মনসিংহ-৩ এম ইকবাল হোসাইন, তৈমুর রহমান হিরন, ফয়সাল আমিন খান পাঠান, ময়মনসিংহ-৪ অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, দেলোয়ার হোসেন খান দুলু ও ওয়াহাব আকন্দ, ময়মনসিংহ-৫ এ কে এম মোশাররফ হোসেন বা তার ভাই জাকির হোসেন বাবলু, ময়মনসিংহ-৬ শামছউদ্দিন আহমেদ ও আখতারুল আলম ফারুক, ময়মনসিংহ-৭ মাহবুবুর রহমান লিটন, ময়মনসিংহ-৮ শাহ নূরুল কবির শাহীন এবং জোটের শরিক ডেমোক্রেটিক লীগের সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, ময়মনসিংহ-৯ খুররম খান চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১০ প্রয়াত ফজলুর রহমান সুলতানের ছেলে মুশফিকুর রহমান, আখতারুজ্জামান বাচ্চু ও এবি সিদ্দিকুর রহমান, ময়মনসিংহ-১১ এ মো. ফখরউদ্দিন আহমেদ বাচ্চু ও মোর্শেদ আলম।

নেত্রকোনা-১ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও সাবেক হুইপ অ্যাডভোকেট আবদুল করিম আব্বাসী, নেত্রকোনা-২ আশরাফউদ্দিন, আবদুল বারী ড্যানী, ডা. আনোয়ার হোসেন, নেত্রকোনা-৩ রফিকুল ইসলাম হিলালী, দেলোয়ার হোসেন দুলাল, সৈয়দ আলমগীর, হাসান বিন সোহাগ। নেত্রকোনা-৪ সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী তাহমিনা জামান, চৌধুরী আবদুল্লাহ ফারুক ও কর্নেল (অব.) সৈয়দ আতাউল হক। নেত্রকোনা-৫ ভিপি আবু তাহের তালুকদার, ইমরান শহীদুল্লাহ ও প্রয়াত এমপি ডা. মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী রাবেয়া আলী।

কিশোরগঞ্জ-১ খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল ও ওয়ালিউল্লাহ রব্বানী, কিশোরগঞ্জ-২ মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন কিশোরগঞ্জ-৩ ড. এম ওসমান ফারুক বা তার স্ত্রী, কিশোরগঞ্জ-৪ অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৫ শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল ও ইশতিয়াক আহমেদ নাসির এবং কিশোরগঞ্জ-৬ শরিফুল আলম।

মানিকগঞ্জ-১ এস এম জিন্নাহ কবির বা প্রয়াত বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে খোন্দকার আখতার হামিদ ডাবলু ও আকবর হোসেন বাবলু, মানিকগঞ্জ-২ মঈনুল ইসলাম খান শান্ত ও সাইফুল হুদা চৌধুরী শাতিল, মানিকগঞ্জ-৩ আফরোজা খানম রিতা। মুন্সিগঞ্জ-১ শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন ও মীর শরাফত আলী সপু। বৃহত্তর জোট হলে মাহী বি চৌধুরীও প্রার্থী হতে পারেন।

মুন্সিগঞ্জ-২ মিজানুর রহমান সিনহা, মুন্সিগঞ্জ-৩ কামরুজ্জামান রতন ও সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত এম শামছুল ইসলামের ছেলে সাইফুল ইসলাম।

ঢাকা-১ আবদুল মান্নান, আবু আশফাক ও ফাহিমা হোসেইন জুবলী। বৃহত্তর জোট হলে পরিবর্তন হতে পারে। ঢাকা-২ আমানউল্লাহ আমান, ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৪ ড. আসাদুজ্জামান রিপন, আবদুল হাই, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, ঢাকা-৫ সালাহউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা-৬ সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, কাজী আবুল বাশার, হাজি লিটন, ঢাকা-৭ নাসিমা আক্তার কল্পনা, মীর নেওয়াজ আলী, ঢাকা-৮ হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, ঢাকা-৯ মির্জা আব্বাস, ঢাকা-১০ এম এ কাইয়ুম, ঢাকা-১১ সাইফুল আলম নিরব ও মো. শাহাবউদ্দিন, ঢাকা-১২ ব্যারিস্টার নাসিরউদ্দিন অসীম, শেখ রবিউল আলম ও ডা. আজিজুল হক, ঢাকা-১৩ আবদুস সালাম ও সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ঢাকা-১৪ এস এ খালেক বা তার ছেলে এ বি সিদ্দিকী সাজু, বজলুল বাসিত আঞ্জু, ঢাকা-১৫ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন ও মামুন হাসান, ঢাকা-১৬ ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া ও আমিনুল ইসলাম, ঢাকা-১৭ মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী ও ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, ঢাকা-১৮ মেজর (অব.) কামরুল ইসলাম, এস এম জাহাঙ্গীর ও বাহাউদ্দিন সাদী, ঢাকা-১৯ ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন ও মেজর (অব.) মিজানুর রহমান মিজান, ঢাকা-২০ ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান, সুলতানা আহমেদ ও ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ।

গাজীপুর-১ মজিবুর রহমান, হুমায়ুন কবির ও কাজী সাইদুল আলম বাবুল, গাজীপুর-২ হাসান উদ্দিন সরকার, অধ্যাপক এম এ মান্নান বা তার ছেলে মঞ্জুরুল করিম রনি, গাজীপুর-৩ অধ্যাপক এম এ মান্নান বা তার ছেলে মঞ্জুরুল করিম রনি ও ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, গাজীপুর-৪ সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আসম হান্নান শাহর ছেলে রিয়াজুল হান্নান, গাজীপুর-৫ এ কে এম ফজলুল হক মিলন।

নরসিংদী-১ খায়রুল কবির খোকন, নরসিংদী-২ ড. আবদুল মঈন খান, নরসিংদী-৩ অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, আকরামুল হাসান ও প্রয়াত সাবেক মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার ছেলে নন্দিত নাহিয়ান সজল, নরসিংদী-৪ সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল ও কর্নেল (অব.) জয়নুল আবেদীন, নরসিংদী-৫ জামাল আহমেদ চৌধুরী।

নারায়ণগঞ্জ-১ কাজী মনিরুজ্জামান, অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার ও মোস্তাফিজুর রহমান দীপু ভূঁইয়া, নারায়ণগঞ্জ-২ শিরিন সুলতানা, নজরুল ইসলাম আজাদ, আতাউর রহমান খান আঙ্গুর ও বদরুজ্জামান খসরু, নারায়ণগঞ্জ-৩ রেজাউল করিম ও আজহারুল ইসলাম মান্নান, নারায়ণগঞ্জ-৪ শাহ আলম, মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ-৫ আবুল কালাম, সাখাওয়াত হোসেন খান ও জোটের শরিক সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাঈদ আহমেদ।

রাজবাড়ী-১ আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম ও অ্যাডভোকেট আসলাম মিয়া, রাজবাড়ী-২ নাসিরুল হক সাবু, হারুন অন রশীদ।

ফরিদপুর-১ শাহ আবু জাফর ও নাসিরুল ইসলাম, ফরিদপুর-২ শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু, ফরিদপুর-৩ চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ও মাহবুব হাসান ভূঁইয়া পিংকু, ফরিদপুর-৪ শাহজাদা মিয়া।

গোপালগঞ্জ-১ সেলিমুজ্জামান সেলিম, গোপালগঞ্জ-২ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, এম এইচ খান মঞ্জু ও শেখ সাইফুর রহমান নান্টু, গোপালগঞ্জ-৩ এস এম জিলানী।

মাদারীপুর-১ ইয়াজ্জেম হোসেন রোমন, খলিলুর রহমান চৌধুরী, মাদারীপুর-২ হেলেন জেরিন খান, মাদারীপুর-৩ মাশুকুর রহমান মাশুক ও আনিসুজ্জামান তালুকদার খোকন।

শরীয়তপুর-১ শহিদুল হক শিকদার ও তাহমিনা আওরঙ্গ, শরীয়তপুর-২ সুলতান মাহমুদ, শফিকুর রহমান ও ডি এম গিয়াসউদ্দিন আহমদ, শরীয়তপুর-৩ তাহমিনা আওরঙ্গ, শফিকুর রহমান কিরণ।

সুনামগঞ্জ-১ নজির হোসেন, ডা. রফিক আহমেদ চৌধুরী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আনিসুল হক ও উমর ফারুক আল হাদী, সুনামগঞ্জ-২ মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৩ নুরুল ইসলাম সাজু, কয়সর আহমেদ, সুনামগঞ্জ-৪ ফজলুল হক আসপিয়া ও উপজেলা চেয়ারম্যান মো. জাকিরন, সুনামগঞ্জ-৫ কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন, ইঞ্জিনিয়ার মুন্সেফ আলী, উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী ও মাওলানা শফিউদ্দিন আহমেদ।

সিলেট-১ তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান বা সাবেক এমপি খন্দকার আবদুল মালেকের ছেলে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মোক্তাদির, সিলেট-২ নিখোঁজ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহমিনা রুশদী লুনা, সিলেট-৩ শফি আহমেদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার এম এ সালাম, কাইয়ুম চৌধরী ও এম এ মালেক, সিলেট-৪ শামছুজ্জামান জামান ও দিলদার হোসেন সেলিম, সিলেট-৫ জামায়াত ছিল। এ ছাড়া বিএনপির আশিক আহমেদ চৌধুরী, মামুনুর রশিদ ও জাকির আহমেদ সম্ভাব্য প্রার্থী। সিলেট-৬ ইনাম আহমেদ চৌধুরী, ফয়সাল আহমেদ চৌধুরী ও জাসাসের হেলাল খান, মৌলভীবাজার-১ এবাদুর রহমান চৌধুরী, মৌলভীবাজার-২ নওয়াব আলী আব্বাস খান, অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা ও এম এম শাহীন। মৌলভীবাজার-৩ নাসের রহমান ও দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহীদুর রহমান। মৌলভীবাজার-৪ মজিবুর রহমান চৌধুরী।

হবিগঞ্জ-১ শেখ সুজাত মিয়া, শাম্মী আখতার, দেওয়ান মুকাদ্দিম চৌধুরী নিয়াজ ও শাহ মোজাম্মেল নান্টু, হবিগঞ্জ-২ ডা. এম সাখাওয়াত হোসেন জীবন, আহমদ আলী মুকিব, হবিগঞ্জ-৩ আবু লেইচ মো. মুবিন চৌধুরী ও পৌর মেয়র জি কে গউছ, হবিগঞ্জ-৪ সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়সাল ও অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম। এ ছাড়া খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমেদ আবদুল কাদেরও জোটের প্রার্থী হতে পারেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ এস এ কে একরামুজ্জামান সুখন ও নসরুল্লাহ খান জুনায়েদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ উকিল আবদুস সাত্তার, শেখ মোহাম্মদ শামীম ও তরুণ দে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ খালেদ মাহবুব শ্যামল, অ্যাডভোকেট হারুন আল রশিদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ এম মুশফিকুর রহমান ও নাসির উদ্দিন হাজারী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ প্রয়াত সাবেক এমপি কাজী আনোয়ার হোসেনের ছেলে কাজী তাপস ও তকদির হোসেন জসিম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ অ্যাডভোকেট রফিক শিকদার, মো. আবদুল খালেক ও কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ।

কুমিল্লা-১ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বা তার ছেলে ড. খন্দকার মারুফ হোসেন, কুমিল্লা-২ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বা দলের অন্য কেউ। কুমিল্লা-৩ ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বা গোলাম কিবরিয়া সরকার, কুমিল্লা-৪ ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সি ও আবদুল আউয়াল খান, কুমিল্লা-৫ শওকত মাহমুদ, কুমিল্লা-৬ মো. আমিনুর রশিদ ইয়াছিন ও কাউসার জামান বাপ্পী, কুমিল্লা-৭ এলডিপির ড. রেদওয়ান আহমেদ এলডিপি বা বিএনপির খোরশেদ আলম, কুমিল্লা-৮ জাকারিয়া তাহের সুমন, কুমিল্লা-৯ আবুল কালাম (চৈতি কালাম) ও কর্নেল (অব.) এম আনোয়ারুল আজিম, কুমিল্লা-১০ আবদুল গফুর ভূঁইয়া, মনিরুল হক চৌধুরী ও মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, কুমিল্লা-১১ জামায়াত ছিল। এ ছাড়া এই আসনে প্রয়াত কাজী জাফর আহমদের মেয়ে জয়া কাজী আহমদও জোটগতভাবে নির্বাচন করতে পারেন।

চাঁদপুর-১ সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এ আ ন ম এহছানুল হক মিলন বা তার স্ত্রী নাজমুন্নাহার বেবী। চাঁদপুর-২ সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত নূরুল হুদার ছেলে তানভির হুদা ও আতাউর রহমান ঢালী। চাঁদপুর-৩ শেখ ফরিদউদ্দিন আহমেদ মানিক, জি এম ফজলুল হক ও রাশেদা বেগম হীরা, চাঁদপুর-৪ হারুনুর রশিদ, আলমগীর হায়দার খান, চাঁদপুর-৫ লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক ও মাস্টার এম এ মতিন।

ফেনী-১ বেগম খালেদা জিয়া, ফেনী-২ জয়নাল আবেদীন (ভিপি জয়নাল) ও রেহেনা আক্তার রানু, ফেনী-৩ আবদুল আউয়াল মিন্টু ও আবদুল লতিফ জনি।

নোয়াখালী-১ ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন, নোয়াখালী-২ জয়নুল আবদিন ফারুক, নোয়াখালী-৩ বরকতউল্লাহ বুলু বা তার স্ত্রী শামীমা বরকত লাকী, নোয়াখালী-৪ মো. শাহজাহান, নোয়াখালী-৫ ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নোয়াখালী-৬ ফজলুল আজীম ও সাখাওয়াত হোসেন।

লক্ষ্মীপুর-১ নাজিম উদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক ড. মামুন হোসেন ও ইয়াছিন আলী। এ ছাড়া জোটের শরিক এলডিপির শাহাদাৎ হোসেন সেলিমও প্রার্থী। লক্ষ্মীপুর-২ আবুল খায়ের ভূঁইয়া ও লে. কর্নেল (অব.) আবদুল মজিদ, লক্ষ্মীপুর-৩ শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, লক্ষ্মীপুর-৪ এ বি এম আশরাফউদ্দিন নিজান ও শফিউল বারী বাবু। বৃহত্তর জোট হলে জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রবও প্রার্থী হতে পারেন।

চট্টগ্রাম-১ এম এ জিন্নাহ, এম ডি এম কামালউদ্দিন চৌধুরী, লায়ন মনিরুল ইসলাম চৌধুরী ও সাঈদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ কাদের গনি চৌধুরী, ফারহাত কাদের চৌধুরী ও ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৩ আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৪ মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, এ এস এম ফজলুল হক, প্রয়াত হুইপ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা ও জোটের শরিক মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, চট্টগ্রাম-৫ গিয়াস কাদের চৌধুরী ও গোলাম আকবর খন্দকার, চট্টগ্রাম-৬ হুম্মাম কাদের চৌধুরী বা ফারহাত কাদের চৌধুরী ও রোটারিয়ান জসিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ এম মোর্শেদ খান, চট্টগ্রাম-৮ ডা. শাহদাৎ হোসেন, চট্টগ্রাম-৯ আবদুল্লাহ আল নোমান, চট্টগ্রাম-১০ আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১১ এনামুল হক এনাম, গাজী মোহাম্মদ শাহজাহান জুয়েল ও ইদ্রিস মিয়া, চট্টগ্রাম-১২ সরওয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-১৩ এলডিপির কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, চট্টগ্রাম-১৪ জামায়াত ছিল। এ ছাড়া বিএনপির অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া ও নাজমুল মোস্তফা আমিন, চট্টগ্রাম-১৫ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী ও লিয়াকত আলী, চট্টগ্রাম-১৬ মোস্তফা কামাল পাশা, কক্সবাজার-১ সালাহউদ্দিন আহমেদ বা তার সহধর্মিণী হাসিনা আহমেদ, কক্সবাজার-২ জামায়াত ছিল। এ ছাড়া বিএনপির আলমগীর মাহফুজউল্লাহও প্রার্থী। কক্সবাজার-৩ লুত্ফর রহমান কাজল, কক্সবাজার-৪ শাহজাহান চৌধুরী, খাগড়াছড়িতে আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, রাঙামাটিতে দীপেন দেওয়ান ও কর্নেল (অব.) মনীষ দেওয়ান ও শাহ আলম এবং বান্দরবানে সাচিং প্রু জেরি ও ম্যামা চিং।

সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন