Tag Archives: আওয়ামী লীগ

জেলা পরিষদ নির্বাচনে আগ্রহীদের আবেদনপত্র আহ্বান আওয়ামী লীগের

al__flag
আওয়ার ইসলাম :  পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণে আগ্রহীদের আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে জীবন-বৃত্তান্তসহ আবেদনপত্র পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। আজ শনিবার সংগঠনের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ জীবন বৃত্তান্ত পাঠাতে হবে। আবেদনপত্রের সাথে প্রার্থীর সদ্য তোলা দু’কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সংযোজন করতে হবে।

আগামী ২৮ ডিসেম্বর বুধবার দেশের ৬১টি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

আআ

৮ নভেম্বর টুঙ্গিপাড়ায় আ. লীগের নতুন কমিটির প্রথম যৌথ সভা

awami ligআওয়ার ইসলাম: আগামী ৮ নভেম্বর দুপুর ২টায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম যৌথসভা অনুষ্ঠিত হবে। সভাপতিত্ব করবেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রো্বার দুপুরে দলটির দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার আওয়ামী লীগ নব-নির্বাচিত কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা টুঙ্গিপাড়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। কেন্দ্রীয় নেতারা বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশগ্রহণ করার পর দুপুর দুইটায় সেখানে প্রথম যৌথসভা অনুষ্ঠিত হবে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের উল্লিখিত কর্মসূচিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদের সব সদস্যকে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

এফএফ

মৃত ব্যক্তির কাছে ১০ টাকা কেজির চাল বিক্রি!

10-taka-kgআওয়ার ইসলাম: প্রায় ১ বছর আগে মৃত্যুবরণ করেছেন গৃহবধূ সরসা বানু । কিন্তু সরকারের খাদ্যাবান্ধব কর্মসূচির তালিকায় সুবিধাভোগী হিসেবে তার নাম তালিকাভূক্ত ও তার কাছে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের চাল বিক্রি দেখানো হয়েছে।

চাল বিক্রির মাষ্টার রোলে মৃত সরসা ভানুর টিপসইও দেখিয়েছেন ডিলার। এমনকি তার দুই ছেলে, ছেলেদের বউ, নাতি ও তাদের বউসহ একই পরিবারের ৯ জনের নামে তালিকা করে কার্ড ইস্যু করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার রাউতি ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা তৈরি ও চাল বিক্রির ক্ষেত্রে এমন নজিরবিহীন অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনাটি ঘটেছে।

এ ছাড়া ওই ইউনিয়নে ১০ টাকা কেজির চাল বিক্রিতে একই ব্যক্তির নামে একাধিক কার্ড ইস্যু করাসহ তালিকায় নাম থাকার পরও সুবিধাভোগীদের চাল না দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এফএফ

আরও পড়ুন

আমি জীবনে কাউকে ‘মালাউন’ বলিনি: ছায়েদুল হক

আমাদের নীতি দেশকে উন্নত করা

hasina3আওয়ার ইসলাম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সমবায় দর্শনকে কাজে লাগিয়ে আমরা ধনী-গরিবের বৈষম্য কমাতে সক্ষম হয়েছি। আমরা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি। তারপরও বহুদূর যেতে হবে। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।

শনিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ৪৫তম সমবায় দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন করতে হলে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। আমাদের  নীতি দেশকে উন্নত করা। সমবায়কে বহুমুখী হিসেবে গড়ে তোলা। সমবায়কে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবো।

তিনি বলেন, দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে ক্ষুদ্রঋণের বদলে ক্ষুদ্র সঞ্চয় ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। ক্ষুদ্র সঞ্চয় ব্যবস্থার আওতায় কেউ ২০০ টাকা জমা দিলে তাকে আরও ২০০ টাকা করে দুই বছর পর্যন্ত দেয়া হবে। এর মধ্য দিয়ে প্রত্যেকে স্বাবলম্বী হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, সমবায় দর্শনকে বঙ্গবন্ধু সত্যিকারের দর্শন হিসেবে দেখেছিলেন। এটাকে কাজে লাগিয়ে বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন সমাজের ধনী-গরিবের বৈষম্য দূর করতে। এ দর্শন কাজে লাগিয়ে আমরা ধনী-গরিবের বৈষম্য কমাতে সক্ষম হয়েছি।

আরআর

জনগণের কাছে যান, ক্ষমা চান

obaidul-kaderআওয়ার ইসলাম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মঙ্গলবার এক কনফারেন্সে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, জনগণের কাছে যান, তাদের মন জয় করুন। যারা খারাপ আচরণ করেছেন, ভুল করেছেন, তারা জনগণের কাছে ক্ষমা চান।
তিনি বলেন, ‘নিজেদের সংশোধন করুন। জনগণের মন জয় করাই আমাদের পরবর্তী এজেন্ডা।’

রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে জনগণের ভালোবাসা অর্জন এবং মন জয় করতে হবে। নিজেদের সংশোধন করতে হবে। অন্যথায় অস্ত্রধারীর বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, সেই অ্যাকশন শুরু হয়ে যাবে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ প্রমুখ।

এবিআর

আওয়ামী লীগের নতুন ২২ সম্পাদকের নাম ঘোষণা

ashraf_kaderআওয়ার ইসলাম: আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার ধানমণ্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। নতুন কমিটিতে প্রেসিডিয়াম সদস্য ১৭ জন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ৪ জন।

সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন এনামুল হক শামীম ও ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, অর্থ সম্পাদক টিপু মুনশি, আইন সম্পাদক আবদুল মতিন খসরু, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে পুরানোদের মধ্যে বহাল আছেন আহমেদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, মেজবাহ উদ্দিন সিরাজ, আ.ফ.ম. বাহাউদ্দিন নাসিম, আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এই পদ থেকে বাদ পড়েছেন বীর বাহাদুর।

এছাড়া শিশু ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফজিলাতুন্নেছা বাপ্পি, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাপা, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, ত্রাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন ডা. রোকেয়া।

এছাড়া পুরানোদের মধ্যে যারা বহাল আছেন তারা হলেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক আবদুল মতিন খসরু, দপ্তর সম্পাদক পদে আব্দুস সোবহান গোলাপই বহাল, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেখ আবদুল্লাহ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফজিলাতুন্নেসা ইন্দিরা, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সাত্তার, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন।

তবে বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক,  কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, উপ-প্রচার ও উপ-দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক পদ ঘোষণা হয়নি। পরে এসব নাম ঘোষণা করা হবে।

বাকিদের নাম জানা যাবে বিকাল চারটার পর।

ourislam_boxad

মানুষের মৌলিক অধিকারের অন্যতম হলো ভোটাধিকার; এটি নিশ্চিত করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান

gaji-ataur-rahmanক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ২০ তমে জাতীয় সম্মেলন শুরু হয়েছে আজ। Continue reading মানুষের মৌলিক অধিকারের অন্যতম হলো ভোটাধিকার; এটি নিশ্চিত করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান

ফেসবুকে লাইভ দেখুন সম্মেলন

20_alig10

আওয়ার ইসলাম: আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সরাসরি সম্প্রচার (লাইভ) করছে দলটি।আওয়ামী লীগের অফিশিয়াল ফেসবুক পেইজে (https://www.facebook.com/awamileague.1949) থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে। ফেসবুক ব্যবহারকারীরা সহজেই এই ঠিকানায় গিয়ে সরাসরি সম্মেলন উপভোগ করতে পারবে।

সম্মেলন উদ্বোধনের আগে সিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালক সাব্বির বিন শামস মিডিয়াকে জানান, অনলাইন সম্প্রচারের কারণে লাখো সমর্থক-নেতা-কর্মী অনলাইনে যুক্ত হবেন। ২২ অক্টোবর সম্মেলন শুরুর দিন সকাল ১০টা থেকে সরাসরি অনুষ্ঠানটি ফেসবুকে সম্প্রচার করা হবে।

২২ ও ২৩ অক্টোবর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

মওলানা ভাসানী থেকে শেখ হাসিনা

আরআর

মওলানা ভাসানী থেকে শেখ হাসিনা

vashani_hasinaআওয়ার ইসলাম: বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ তার প্রতিষ্ঠার পর ৬৭ বছরে এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের ১৯টি জাতীয় সম্মেলন হয়েছে। ২০তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে শনিবার ও রবিবার (২২ ও ২৩ অক্টোবর)। আওয়ামী লীগের অতীতের সম্মেলনগুলোতে দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে কার্যনির্বাহী কমিটি পর্যন্ত নির্বাচিত হয়েছেন শত শত নেতা।

১৯৪৯ সালের ২৩ ও ২৪ জুন পুরান ঢাকার রোজ গার্ডেনে গণতান্ত্রিক কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে জন্ম নেয় পূর্ব পাকিন্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ। পরে ১৯৫৫ সালের তৃতীয় জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে সব ধর্ম, বর্ণের প্রতিনিধি হিসেবে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেয় আওয়ামী লীগ।

ঐতিহ্যবাহী এ দলটির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এপর্যন্ত ১৯টি সম্মেলনে সভাপতি হয়েছেন সাতজন এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন নয়জন। এর মধ্যে বর্তমান সভাপতি শেখ হাসিনা সর্বোচ্চ সাতবার, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী তিনবার করে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ দুইবার এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামান ও আবদুল মালেক উকিল একবার করে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দিন একবারদলের আহ্বায়ক।

আওয়ামী লীগের সম্মেলনে খালেদাই ‘প্রধান অতিথি’!

এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন নয় জন। সবচেয়ে বেশি চারবার করে হয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জিল্লুর রহমান। এছাড়া তাজউদ্দিন আহমেদ তিনবার, আবদুর রাজ্জাক, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী দুইবার করে, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক এবং আবদুল জলিল একবার করে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই একমাত্র ব্যক্তি যিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি (তিনবার) ও সাধারণ সম্পাদক (চারবার) উভয় দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগের ১৯টি সম্মেলনের মধ্যে স্বাধীনতার আগে আটটি ও স্বাধীনতার পরে ১১টি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া, জাতীয় প্রয়োজনে দলের আরও সাতটি বিশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

একনজরে আওয়ামী লীগের আগের ১৯ সম্মেলন

প্রথম (প্রতিষ্ঠা) সম্মেলন: ২৩ ও ২৪ জুন, ১৯৪৯; ঢাকা, রোজ গার্ডেন। সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক। প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান। পরবর্তীতে তিনি হন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক।

দ্বিতীয় সম্মেলন: ১৪-১৬ নভেম্বর, ১৯৫৩; ঢাকা, মুকুল সিনেমা হল। সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান। ওই বছর ঢাকার আগে ময়মনসিংহেও আরেকটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

তৃতীয় সম্মেলন: ২১-২৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৫; ঢাকা, রূপমহল সিনেমা হল। সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান।

চতুর্থ সম্মেলন: ৭-৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৭; কাগমারি, টাঙ্গাইল। সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান।

পঞ্চম সম্মেলন : ৬-৮ মার্চ, ১৯৬৪; ঢাকা, ইডেন হোটেল। সভাপতি মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ ও সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান।

ষষ্ঠ সম্মেলন : ১৮-২০ মার্চ, ১৯৬৬। ঢাকা, হোটেল ইডেন। সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন আহমদ।

সপ্তম সম্মেলন : ১৯ আগস্ট, ১৯৬৭; ঢাকা, পুরানা পল্টন, আওয়ামী লীগ অফিস। সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন আহমদ।

অষ্টম সম্মেলন : ৪ জুন, ১৯৭০; ঢাকা, ইডেন হোটেল । সভাপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দিন আহমদ।

নবম সম্মেলন : ৭-৮ এপ্রিল, ১৯৭২; ঢাকা, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। সভাপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান।

দশম সম্মেলন : ১৮-২০ জানুয়ারি, ১৯৭৪; ঢাকা। সভাপতি এএইচএম কামারুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান।

১১ তম সম্মেলন : ৩-৪ এপ্রিল, ১৯৭৭; ঢাকা, ইডেন হোটেল। আহ্বায়ক সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দিন। তবে, এর অগে ১৯৭৬ সালে দল পুনরুজ্জীবনের পর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে মহিউদ্দিন আহমেদ ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী দায়িত্ব পালন করেন।

১২ তম সম্মেলন : ৩-৫ মার্চ, ১৯৭৮; ঢাকা, সভাপতি আবদুল মালেক উকিল ও সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক।

১৩ তম সম্মেলন : ১৩-১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮১; ঢাকা, হোটেল ইডেন। সভাপতি শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক। সাধারণ সম্পাদক অন্য দল গঠন করে বহিষ্কৃত হলে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হন।

১৪ তম সম্মেলন : ১-৩ জানুয়ারি, ১৯৮৭; ঢাকা, সভাপতি শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী।

১৫তম সম্মেলন : ১৯, ২০ ও ২১ সেপ্টেম্বর, ১৯৯২; ঢাকা, সভাপতি শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান।

১৬তম সম্মেলন : ৬-৭ মে, ১৯৯৭; ঢাকা, সভাপতি শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান।

১৭ তম সম্মেলন : ২৬ ডিসেম্বর, ২০০২; ঢাকা। সভাপতি শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল জলিল।

১৮ তম সম্মেলন : ২৪ জুলাই ২০০৯; ঢাকা, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার। সভাপতি শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

১৯ তম সম্মেলন : ২৯ ডিসেম্বর, ২০১২; ঢাকা, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। সভাপতি শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

আরআর

রাজধানীতে ঈদের আমেজ

আওয়ার ইসলাম: আওয়ামী লীগের ২০ সম্মেলন উপলক্ষে বর্ণিল সাজে সেজেছে রাজধানী। সম্মেলনের আগেই উৎসবের শহরে পরিণত হয়েছে পুরো শহর; চারিদিকে সাজ সাজ রব। আলোকসজ্জা দেখা গেছে নগরীর প্রতিটি সড়কদ্বীপ, ফোয়ারাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে।

 শনি ও রবিবার (২২ ও ২৩ অক্টোবর) ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের ২০তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অতীতে কখনও আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে বহুমাত্রিকতা কিংবা নান্দনিকতার এমন সমাহার ঘটেনি। ক্ষমতাসীন এ দলটি এবারের সম্মেলন জাঁকজমক করতে আগেভাগেই ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গোটা রাজধানী রঙিন সাজে সাজানো হয়েছে। নগরীর প্রবেশ পথগুলোতে বানানো হয়েছে তোরণ। সড়কের মোড়ে-মোড়ে টাঙানো রয়েছে জাতীয় পতাকা। পোস্টার, ব্যানার আর বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে নগরীর বিভিন্ন জায়গা।

২০ তম সম্মেলন উপলক্ষে বর্ণিল সাজে সেজেছে রাজধানী

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের ছবি স্থান পেয়েছে এসব বিলবোর্ড, ব্যানারে। এতে তুলে ধরা হয়েছে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন অর্জন। আলোকসজ্জা দেখা গেছে নগরীর প্রতিটি সড়কদ্বীপ, ফোয়ারা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায়। এদিকে দৃষ্টিনন্দন করে সাজানো হয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয় ও বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়।

মঞ্চ ও সাজসজ্জা উপ-কমিটির সদস্য সচিব এবং বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম বলেন, ‘আগে থেকেই আমাদের পরিকল্পনা ছিল, এবারের সম্মেলন জাঁকজমক করবো। সেই অনুযায়ী আমরা চেষ্টা করেছি। আমরা মনে করি, ঢাকাকে আমরা উৎসবের শহরে পরিণত করতে পেরেছি।’

মঞ্চ ও সাজসজ্জা উপ-কমিটির আহ্বায়ক ও দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ‘সম্মেলন ঘিরে সাজসজ্জাসহ ব্যাপক আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করেছি। রাজধানীসহ জেলা-উপজেলায় তোরণ ও বিলবোর্ডের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম তুলে ধরেছি।’ দলের সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমরা বলেছিলাম বঙ্গবন্ধু পরিবারের বাইরে ব্যানার ও বিলবোর্ডে কারও ছবি থাকবে না। আমরা তা বাস্তবায়ন করতে পেরেছি।’

আরআর