All posts by ourislam

সরকারি হচ্ছে দেশের ২৮৫টি কলেজ

সারা দেশের মোট ২৮৫টি বেসরকারি কলেজকে সরকারি করার জন্য চূড়ান্ত করেছে সরকার। এ জন্য ওই সব কলেজের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি সরকারের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। এর আগে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে এসব কলেজ সরকারি করতে সম্মতি দেওয়া হয়।

গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয় এক আদেশে জরুরি ভিত্তিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ সচিবের বরাবর রেজিস্ট্রি করা দানপত্র দলিল (ডিড অব গিফট) পাঠাতে নির্দেশ দেয়। সব কটি কলেজের অধ্যক্ষ, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরকে (মাউশি) এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র মতে, যেসব উপজেলায় সরকারি কলেজ নেই, সেগুলোতে একটি করে কলেজ সরকারি করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব কলেজের আত্তীকৃত হওয়া শিক্ষকরা আপাতত অন্য কলেজে বদলি হতে পারবেন না।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশি সূত্র জানায়, বর্তমানে সরকারি কলেজ ৩২৭টি। নতুনগুলো হওয়ার পর মোট সংখ্যা দাঁড়াবে ছয় শতাধিক।

কওমির মাস্টার্সের মান নিয়ে কী ভাবছেন ঢাবি’র শিক্ষার্থীরা?

ইসলামী লেখক ফোরামের তৃতীয় কাউন্সিল ২৮ এপ্রিল

ইসলামী ধারার তরুণ লেখকদের ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্ম বাংলাদেশ ইসলামী লেখক ফোরামের তৃতীয় কাউন্সিল ও সাধারণ সভা আগামী ২৮ এপ্রিল শুক্রবার রাজধানীর পুরানা পল্টনের ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে।

সারাদেশ থেকে ফোরামের দুই শতাধিক সদস্য এই কাউন্সিলে অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

কাউন্সিলে ইসলামী লেখক ফোরামের দুই বছরমেয়াদী কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হবে। গোপন ব্যালটে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক ও অর্থ সম্পাদক- এই চার পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বিশিষ্ট নজরুল গবেষক, কবি ও সাহিত্যিক মহিউদ্দিন আকবর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনার হিসেবে থাকবেন মাসিক কারেন্ট নিউজের সহকারী সম্পাদক মুহাম্মদ ফয়জুল্লাহ এবং আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক হুমায়ুন আইয়ুব।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে ফোরামের নতুন কমিটি গঠন ছাড়াও থাকবে মতবিনিময়, আড্ডা এবং ফোরামের কার্যক্রমের সার্বিক পর্যালোচনা। বিশিষ্ট লেখক, সাহিত্যিক ও সাংবাদিকরা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

ফোরামের কাউন্সিল ও সাধারণ সভা সফল করতে সভাপতি মুফতি এনায়েতুল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন বাবর সদস্যদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ইসলামী লেখক ফোরাম ইসলামী ধারার তরুণ লেখকদের জাতীয় সংগঠন। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় কর্মরত এবং সারাদেশে ছড়ানো লেখকদের নিয়ে ২০১৩ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি এই সংগঠনটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।

কওমির মাস্টার্সের মান নিয়ে কী ভাবছেন ঢাবি’র শিক্ষার্থীরা?

কওমি শিক্ষার্থীদের ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দিই কী করে?

আল্লামাআহমদ শফী’র সঙ্গে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

উবায়দুল্লাহ সাআদ: বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের চেয়ারম্যান ও হাটহাজারী মাদরাসার মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রামাদান সাক্ষাৎ করেছেন।

বোরবার সকাল ১১টায় সাক্ষাৎ করেন হাটহাজারীতে আল্লামা আহমদ শফীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, ইউসুফ এস ওয়াই রামাদান হেফাজত আমিরের হাতে ফিলিস্তিনের প্রধান বিচারপতির পক্ষ থেকে প্রেরিত পবিত্র মসজিদুল আকসা পরিদর্শনের জন্য একটি আমন্ত্রণপত্র ও কিছু উপহার সামগ্রী হস্তান্তর করেন।

এসময় হেফাজতের ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, হাটহাজারী মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা মুহাম্মদ আনাস ও আল্লামা আহমদ শফী’র প্রেস সচিব মাওলানা মুনীর আহমদ উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র জানায়, হেফাজত আমীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের জন্যই ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রামাদান হাটহাজারীতে গিয়েছিলেন। সাক্ষাতে দুই দেশের ধর্মীয় নানা বিষয়ে আলোচনা হয়। এস ওয়াই রামাদান আল্লামা আহমদ শফীকে ফিলিস্তিন সফরের আমন্ত্রণ জানালে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

কওমি আলেমদের হীনম্মন্যতায় ভোগার দিন শেষ: আল্লামা আহমদ শফী

কওমির মাস্টার্সের মান নিয়ে কী ভাবছেন ঢাবি’র শিক্ষার্থীরা?

ঢাকায় হবে আরেকটি ফ্লাইওভার!

রাজধানীতে আরেকটি ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হবে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

তিনি বলেন, কদমতলী থেকে কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া পর্যন্ত ওই ফ্লাইওভার নির্মাণ করবে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।

রাজধানীর নগর ভবনে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের পরিচালনা পরিষদের নবম সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কদমতলী ইন্টার সেকশন থেকে দক্ষিণে বাবুবাজার সেতু হয়ে চুনকুটিয়া ইন্টারসেকশন পর্যন্ত রাজউকের এই ফ্লাইওভার হবে। ৬৬৪ মিটারের ফ্লাইওভার নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘তবে উন্নয়নের যন্ত্রণা যেন না হয়, জনদুর্ভোগ সহনীয় পর্যায়ে রাখতে, এফিসিয়েন্ট ট্রাফিক ব্যবস্থা রাখতে হবে। এজন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

জনদুর্ভোগের বিষয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অভিজ্ঞতা ভালো নয়। অন্য ফ্লাইওভারের কারণে জনগণ সাফার করেছে, এখনো করছে।’

কওমির মাস্টার্সের মান নিয়ে কী ভাবছেন ঢাবি’র শিক্ষার্থীরা?

 

কওমির মাস্টার্সের মান নিয়ে কী ভাবছেন ঢাবি’র শিক্ষার্থীরা?

ওয়ালি খান রাজু
ঢাবি প্রতিবেদক

গত ১১ এপ্রিল গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কওমি ধারার আলেমগণের সাথে মতবিনিময় সভায় কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদিসের সনদকে সরকারিভাবে মাস্টার্স-এর মান প্রদানের ঘোষণা করেন, প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর দেশজুড়ে চলছে কওমি সনদের স্বীকৃতির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ। মিডিয়া জগত থেকে শুরু করে শিক্ষাঙ্গনে স্বীকৃতির পক্ষে বিপক্ষে নানা বিশ্লেষণ ফুটে আসছে। কওমি মাদরাসার সনদের স্বীকৃতির প্রসংগে দেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও বিভিন্ন মন্তব্য প্রদান করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউট এর মাস্টার্স শিক্ষার্থী মিনার রহমান কওমি সনদের স্বীকৃতি প্রসঙ্গে বলেন, কওমি মাদরাসার সনদের স্বীকৃতির ফলে দেশের স্বীকৃত শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন সংযোজন স্থাপিত হল। দাওরায়ে হাদিসের মাস্টার্সের স্বীকৃতি প্রদান কওমি শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি ছিল বলে তিনি দাবি করেন। তিনি কওমি মাদরাসার সনদের স্বীকৃতি বিরোধীদের ‘অন্যের ব্যপারে নাক গলানো’ স্বরুপ আখ্যায়িত করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করে ইসলামী ব্যাংকে কর্মরত মুহাম্মাদ মুরতাজা আওয়ার ইসলামকে বলেন, ‘কাওমি উলামাগণ কম সময়ে মাস্টার্স পাশ করলেও তারা যখন মাদরাসায় থাকে ২৪ ঘণ্টা মাদরাসায় অবস্থান করে এবং কিতাবের সমগ্র অংশ হিফজ করার চেষ্টা করে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে কিংবা অন্যান্য আলিয়া মাদরাসাতে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করতে হয় কোর্স, আবার অন্যান্য কোর্স থাকে। তাই বুখারি শরিফ হোক কিংবা অন্য কোন হাদিসের কিতাবের কয়েকটি নির্বাচিত অধ্যায় পড়ানো হয়। কিন্তু কাওমিতে হাদিসের কিতাবসমূহের প্রত্যেকটি অধ্যায় অধ্যয়ন করতে হয়। সুতরাং, তারা যে অল্প সময়ে কোর্স শেষ করে সেখানেও কিন্তু আমাদের অন্যান্যদের থেকে তাদের অনেক শ্রম দিতে হয়। তাই আমাদের সমমান হওয়াটা খুব একটা অস্বাভাবিক নয়’।

কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদিস সনদকে মাস্টার্স স্বীকৃতির ফলে তাদের স্বকীয়তা নষ্ট হবে কিনা এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মুনিরা তাশফী বলেন, ‘কওমি মাদরাসায় ইসলামি জ্ঞানের সঠিক চর্চা মুগ্ধকর, কিন্ত এই স্বীকৃতির ফলে সরকারের নিয়ন্ত্রণের ফলে কারিকুলামে পরিবর্তন আসতে পারে, আর পরিবর্তন হলে শুধুমাত্র ইসলামি জ্ঞানের সঠিক চর্চা আলিয়া মাদরাসাগুলোর মত পথ হারাবে।

সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের শিক্ষার্থী রিয়াজ উদ্দিন, বিজয় একাত্তর হলের শিক্ষার্থী তানভীর হুসাইন কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিস এর স্বীকৃতির সিদ্ধান্তকে সরকারের সঠিক পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন। তবে কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদিসের স্বীকৃতির প্রশ্নে কিছু ঢাবি শিক্ষার্থী একে অপরিণত সিদ্ধান্ত বলেও গন্য করেছেন।

ঢাবির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুহাম্মাদ রিয়াজ মনে করেন, এটি একটি অযাচিত সিদ্ধান্ত, যেখানে আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীরা ৪ টি পাবলিক পরীক্ষাসহ ফাযিল, কামিলে দীর্ঘদিন পড়াশুনা করে এম এ এর মান পান অথবা যেখানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এর ইসলামিক স্টাডিজের শিক্ষার্থীরা কুরআন, হাদিসের জ্ঞানের পাশাপাশি প্রতি সেমিস্টারে সমাজ বিজ্ঞান, নৃবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ইতিহাস, মনোবিজ্ঞান, দর্শন, তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব, আইন, অর্থনীতি, ফিন্যান্স, ব্যাংকিং বাংলা, ইংরেজি, তথ্য প্রযুক্তি, রিসার্চ মেথোডলজিসহ বিভিন্ন বিষয়ে পাশ করে মাস্টার্স এর সার্টিফিকেট সেখানে কওমি মাদরাসার একজন দাওরায়ে হাদিসের শিক্ষার্থী শুধুমাত্র ধর্মীয় বিষয়ে পড়াশোনা করে সমমর্যাদা পাবে তা হাস্যকর।

তবে কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের স্বীকৃতি প্রদানের সিদ্ধান্তে কওমি মাদরাসাগুলোর নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও স্বকীয়তা বজায় রাখার পরামর্শও ফুটে এসেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের স্নাতক তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান শরীফের বক্তব্যে।

তিনি বলেন, ‘দরসে নিজামী’ শিক্ষা ব্যবস্থার যেই পদাঙ্ক কওমি মাদরাসাগুলো অনুসরণ করছে তা যেন অক্ষুন্নভাবে বজায় থাকে। আলিয়া মাদরাসাগুলো যেভাবে দ্বীনি শিক্ষা থেকে দিকভ্রান্ত হয়েছে কওমি মাদরাসাগুলোও সেভাবে যাতে দিকভ্রান্ত না হয় সে ব্যপারে কওমি আলেম উলামাদের সজাগ দৃষ্টি রাখার পরামর্শও প্রদান করেছেন।

কওমি শিক্ষার্থীদের ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দিই কী করে?

স্বতন্ত্র কওমি ইউনিভার্সিটি হতে কোনো আইনি বাধা আছে বলে মনে করি না: অধ্যাপক ড. সলিমুল্লাহ খান

কওমি মাদরাসায় যেসব বিষয় পড়ানো হয়

ইসলামপন্থীদের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে সংস্কৃতিকর্মীরা

ইসলামপন্থীদের বিরুদ্ধে এবার মাঠে নামার চিন্তা করছে বামপন্থী সংস্কৃতিকর্মীরা। আগামী ২০ মে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত জাতীয় কনভেনশন থেকে রাজপথে নামার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে। খবর এনটিভির

জানা গেছে, সুপ্রিমকোর্টের সামনে থেকে গ্রিক দেবী থেমিসের ভাস্কর্য অপসারণের দাবিতে ইসলামপন্থীদের দাবির বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জোটের সভাপতি বলেন, ভাস্কর্য রক্ষাসহ সব ধরনের প্রগতিশীল চিন্তার বিকাশে অন্তরায় প্রতিরোধে দেশের  সংস্কৃতিকর্মীরা রাজপথে নামবে। জাতীয় কনভেনশনে সারা দেশের সংস্কৃতিকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে লাগাতার কর্মসূচিতে যাবে সংস্কৃতিকর্মীরা।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি ও নাট্যব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু বলেন, ‘আমরা শুধু সংস্কৃতিকর্মীদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি, বিষয়টা এমন নয়। এখানে শিশু, নারী ও সামাজিক সংগঠনকেও আমন্ত্রণ জানিয়েছি। আমরা মনে করি ইসলামি গোষ্ঠীর সঙ্গে কোনো প্রকার সমঝোতায় আসা ঠিক হবে না। তাদের সঙ্গে কোনো আপস নয়।’

‘সারা দেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মানুষদের নিয়ে এ কনভেনশন করছি। আশা করছি সফল হব।’

জোটের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ বলেন, ‘আমরা বাধ্য হয়ে এ কাজটি করতে যাচ্ছি। এভাবে একটি দেশ চলতে পারে না। এত মানুষের শ্রমে-ঘামে যখন একটি রাষ্ট্র এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে, কিছু প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী এটাকে পিছিয়ে দিতে পারে না।’

গ্রিক মূর্তি ইসলামি মূল্যবোধকে আঘাত করেছে: এরশাদ

গ্রিক দেবীর মূর্তি অপসারণ প্রশ্নে কি এক হচ্ছে ইসলামী দলগুলো?

নির্বাচনে জিতলে ব্রিটেনে বোরকা নিষিদ্ধ করবে ইউকিপ

ব্রিটেনে ৮ জুনের নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশটির অভিবাসন বিরোধী দল ইউকে ইন্ডিপেন্ডেন্স পার্টি তথা ইউকিপ আগামীকাল সোমবার তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবে। কিন্তু তার একদিন আগে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নিয়ে বিবিসির সঙ্গে কথা বলেছেন দলের নেতা পল নাটাল।

এসময় তিনি বলেন, তাদের ইশতেহারে মুসলিম নারীদের বোরকা বা নিকাব নিষিদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি থাকবে। কেউ না মানলে, জরিমানা করা হবে।

জনসমক্ষে বোরকা নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করছে দাবি করে বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ব্রিটেনে এখন নিরাপত্তা ঝুঁকি অনেকে বেড়েছে, কিন্তু মুখ ঢাকা থাকলে সিসিটিভিতে তো তাকে সনাক্ত করা যাবে না। আমি তো মুখোশ পরে বা মাথা-মুখ ঢাকা হেলমেট পরে ব্যাংকের ঢুকতে পারবো না.. আমি যদি না পারি, অন্যরা যদি না পারে, তাহলে কোনো একটি সম্প্রদায়ের জন্য ব্যতিক্রমী কেন হবে।

নাটালের দাবি, বোরকা মুসলিম নারীদের ব্রিটিশ সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত হওয়ার পথে বাঁধা তৈরি করছে। তিনি বলেন, ব্রিটেনে ৫৮ শতাংশ মুসলিম নারীরা যে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে, তার অন্যতম কারন বোরকা।

বোরকা নিষিদ্ধের পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, ব্রিটেনে এখন মূল আইনের সমান্তরালে মুসলিম শারিয়া আইনের প্রয়োগ হচ্ছে। তার দল জিতলে তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ব্রিটেনে এমন কোনো আদালত বা পরিষদ থাকতে পারেনা যেখানে নারীদের কথার দাম পুরুষের অর্ধেক। একটি উদার, গণতান্ত্রিক পশ্চিমা দেশে এটা চলতে পারে না।

এদিকে, শারিয়া আদালত নিষিদ্ধের কথা বললেও রক্ষণশীল ইহুদি সমাজে প্রচলিত ধর্মীয় আদালতের বিরুদ্ধে কথা বলতে অস্বীকার করেন ইউকিপ নেতা। তিনি বলেন, ইহুদিদের এসব ধর্মীয় আদালত শত শত বছর আগে তৈরি হয়েছে, এবং কট্টর রক্ষণশীল ইহুদির সংখ্যাও কমে যাচ্ছে।

দাড়ি আর বোরকা দেখলেই খারাপ আচরণ করেন অধ্যক্ষ

বোরকা নিষিদ্ধে অস্ট্রিয়ার পর্যটন খাতে বিরূপ প্রভাব

মালদ্বীপে এক ব্লগারকে কুপিয়ে হত্যা

মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে ইয়ামিন রশিদ নামের এক ব্লগারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

ইয়ামিনের পরিবার দাবি করেছে, ২৯ বছর বয়সী রশিদকে তারই অ্যাপার্টমেন্টের সিড়িতে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়।

জানা যায়, রোববার সকালের দিকে তাকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারীরা তার ঘাড়ে এবং বুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষনের মধ্যেই তিনি মারা যান।

নিহত রশিদ দ্য ডেইলি প্যানিক নামে একটি ব্লগ চালাতেন। সেখানে তিনি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস থেকে শুরু করে বিভিন্ন ইস্যু নিয় মানবাধিকারের পক্ষে লিখতেন। শুধু তাই নয়, সুন্নী মুসলিম অধ্যুষিত দেশে তিনি সুন্নীদের বিরুদ্ধেও লিখতেন।

এনিয়ে গত পাঁচ বছরে মালদ্বীপে মোট তিনজন ব্লগারকে হত্যা করা হলো। এর আগে ২০১২ সালে ব্লগার ইসমাইল রশিদকে প্রায় একই কায়দায় হত্যা করা হয়েছিল। এছাড়াও আহমেদ রিলাওয়ান নামের এক সাংবাদিককেও ২০১৪ সালে হত্যা করা হয়।

ব্লগার-জঙ্গিরা মানবতার ক্ষতি করছে

 

পবিত্র শবে মেরাজ: ঘটনা, বিশ্লেষণ ও করণীয়

আতিকুর রহমান নগরী

নবুওয়াতের একাদশ বছর ইসলামের ইতিহাসে বিশেষ মর্যাদার অধিকারী। যে বছর হযরত মুহাম্মদ সা. কে এক সম্মানজনক রাত উপহার দেয়া হয়। যা নবীদের মধ্যে শুধুমাত্র মহানবী সা.’র বিশেষ বৈশিষ্ট্য।

একরাতে মহানবী সা. হাতিমে কাবায় শুয়েছিলেন। বুখারী শরীফের এক বর্ণনানুযায়ী তিনি নিজ ঘরে শুয়েছিলেন। হযরত জিবরাঈল ও মিকাঈল আ. এসে বললেন- আমাদের সাথে চলুন। বুরাক নামীয় স্পেশাল সওয়ারীর উপর আরোহণের মাধ্যমে পবিত্র এ শোভাযাত্রার সূচনা হয়। এই বুরাকের দ্রুতগামীতার অবস্থা এই ছিল যে, যেখানে তার দৃষ্টিশক্তি পড়ছিল, সেখানেই সে পা ফেলছিল। এভাবে বিরতিহীন যাত্রার পর প্রথমে তাকে  মসজিদে আক্বসা পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়। এখানে আল্লাহ তালা আগে থেকেই পূর্বেকার সকল আম্বিয়ায়ে কেরামকে সমবেত করে রাখেন তাকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেয়ার জন্য। এটা শুধুমাত্র বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সা.’র একক বৈশিষ্ট্য।

মসজিদে আক্বসায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি এভাবে সাজানো ছিল। প্রথমে হযরত জিবরাঈল আ. আযান দিলেন এবং নামায আদায়ের জন্য সকল নবী-রাসূল কাতারবন্ধী হয়ে অপেক্ষমাণ ছিলেন যে কে নামাযের ইমামতি করবেন। হযরত জিবরাঈল আ. বিশ্বনবীর হাত ধরে ইমামতির জন্য এগিয়ে দিলেন। তিনি ইমাম হয়ে সকল নবী-রাসূল ও ফেরেস্তাদের নামায পড়ালেন। তিনি হলেন ইমামুল মুরসালিন। এ ছিল পৃথিবী জগতের ভ্রমণ যা রফরফ বুরাকের দ্বারা সম্পন্ন হয়। অতঃপর তাকে আল্লাহর নির্দেশে পর্যায়ক্রমে আসমানসমূহে ভ্রমণ করানো হয়।

প্রথম আসমানে: হযরত আদম আ.’র সাথে, দ্বিতীয় আসমানে: হযরত ঈসা আ.’র সাথে, তৃতীয় আসমানে: হযরত ইউসুফ আ.’র সাথে, চতুর্থ আসমানে: হযরত ইদ্রিস আ.’র সাথে, পঞ্চম আসমানে: হযরত হারুন আ.’র সাথে, ষষ্ঠ আসমানে: হযরত মুসা আ.’র সাথে, সপ্তম আসমানে: হযরত ইব্রাহিম আ.’র সাথে সাক্ষাত হয়। (বুখারী শরীফ, ফাতহুল বারী: পারা ১৫/পৃ.৪৮৫)

অতঃপর তিনি ‘‘সিদরাতুল মুনতাহার’’ দিকে সফর শুরু করেন। পথিমধ্যে হাউজে কাউসার অতিক্রম করেন। পরে তিনি জান্নাতে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি খোদায়ি সব নিয়ামতের দর্শন লাভে সক্ষম হন। জান্নাতে থাকা স্পেশাল সব নেয়ামত দেখার সৌভাগ্য অর্জন করেন। যা কোনো চোখ আজ পর্যন্ত দেখেনি, কোনো কান শুনেনি, এবং কোনো মানুষের কল্পনা শক্তিও সে পর্যন্ত পৌঁছেনি। এরপর তাঁর সামনে হাযির করা হয় জাহান্নাম। যা ছিল সর্বপ্রকার আযাব-গযবে ভরপুর। তাতে তিনি একদল লোককে দেখলেন যারা মৃত জন্তুর গোশত খাচ্ছে। প্রশ্ন করলেন এরা কারা। উত্তরে জিবরাঈল আ. বললেন, এরা আপনার উম্মতের সেসব লোক যারা দুনিয়াতে নিজ ভাইদের গোশত খেত অর্থাৎ গীবত করত। এরপর দোযখের দরজা বন্ধ কওে দেয়া হয়।

সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত হযরত জিবরাঈল আ. ছিলেন তাঁর সফরসঙ্গী। এরপর হযরত নবীয়ে করীম সা. এহান প্রভুও সাথে একান্ত আলাপচারিতায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন। মাহবুবে খোদা, সরদারে দুআলম আল্লাহ তালার দর্শনে মনোনিবেশ করেন। এ দর্শন শুধু আন্তরিক ছিল না বরং চক্ষু দর্শনই ছিল। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. এবং সকল সাহাবায়ে কেরাম ও ইমামগণের এ অনুসন্ধান। সেখানে মহানবী সা. এহান সৃষ্টিকর্তার কুদরতি পায়ে সেজদায় পড়ে যান। মেরাজ রজনীর এ রাতে আল্লাহ তালা উম্মতে মুহাম্মদিকে স্পেশাল গিফট হিসেবে নামায দিয়েছেন। তাই নামাযকে বলা হয় মুমিনের মেরাজ। প্রভাতের আগেই কল্যাণময় এ সফরের সমাপ্তি ঘটে।

শবে মেরাজে বিশেষ আয়োজন করা বিদআত :
রজবের ২৭ তারিখ রজনীতে বিশেষ কোনো আয়োজন করা বিদআত। তবে সাধারণত: প্রত্যেক রাতে যেসব ইবাদত করা হয়, শবে মেরাজের রাতে সেসব ইবাদত করাতে কোনো বাধা নেই। অর্থাৎ গতরাতে যেভাবে জেগে ইবাদত করেছিলেন আজ শবে মেরাজের রাতেও সেভাবে করুন। এতে কোনো প্রকার পার্থক্য বুঝা যায়না।

২৭ রজবে রোযা রাখার কোনো দলিল নেই :
এ দিনটিতে রোযা রাখাকে কেউ কেউ আশুরা ও আরাফার দিনের রোযার ন্যায় ফযিলত সম্পন্ন মনে করে থাকেন। মূলত: এ তারিখে রোযার স্বপক্ষে দুয়েকটি দুর্বল রেওয়ায়ত ব্যতিত কোনো বিশুদ্ধ সনদের সাথে এর পক্ষে কোনো দলিল নেই।

হযরত ফারুক্বে আযম চিরতরে বন্ধ করলেন বিদআতের এ পন্থা :
২য় খলিফা হযরত ওমর রা. এর খেলাফতকালে কেউ কেউ এ তারিখে রোযা রাখা শুরু করল। রোযা রাখার সংবাদ যখনই খলিফা জানতে পারলেন ঠিক তখনই তিনি বের হয়ে তাদেরকে বললেন, ‘তোমরা সবাই আমার সামনে খানা খাও এবং প্রমাণ করে দাও যে তোমাদের রোযা নাই’। তিনি সামনে থেকে তাদেরকে খানা পরিবেশন করালেন এজন্য যে, তাদের অন্তরে এ বিশ্বাস জন্মে যে, আজকের রোযা ও নফল রোযার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। এ দিনটিতে রোযা রাখার আলাদা ফযিলত মনে করে রাখলে তা হবে বিদআতের পর্যায়ভুক্ত। হযরত ওমর রা. এ পদক্ষেপটি এ জন্য নেন যাতে বিদআতের এ পথটি চিরদিনের জন্য বন্ধ হয়ে যায় এবং নিজের পক্ষ থেকে কোনো প্রকারের সীমাতিরিক্ত কাজ না হয়।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, হাল যামানার মুসলমানরা ফরয রোযার মতই এ দিনটির রোযাকে গুরুত্ব সহকারে রাখে। আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে সহিহ সমুঝ দান করুন।

উক্ত রাতে জেগে থেকে কি পাপ করেছি:
আমাদের সমাজে ইসলামপ্রিয় অনেক লোক এমনও আছেন যারা উপরোক্ত বিষয় উপলব্ধি করার পরও বলেন যে, আমরা শবে মেরাজে ইবাদত করে ও রোযা রেখে কি পাপ করেছি? আমরা মদ পান করেছি নাকি ডাকাতি করেছি? আমরা তো এ রাতে ইবাদতই করেছি। হযরত ফারুক্বে আযমের কাজ দ্বারা এ সকল ব্যক্তিদের এ শিক্ষা দিয়েছেন যে, ‘‘মেরাজের রাতে বিশেষভাবে ইবাদত করা ও দিনে রোযা রাখায় এ পাপ হয়েছে যে, আল্লাহ পাক সেদিন কোনো বিশেষ রোযা রাখার নির্দেশ দেননি। আর শবে মেরাজ উদযাপন করতেও বলেননি। (আর-রশিদ)

আল্লাহর হুকুম পালনই পুরো দ্বীনের সারাংশ:
পুরো দ্বীনের সারাংশ মহান আল্লাহ তাআলার পবিত্র এ বাণী-‘তোমরা আল্লাহর হুকুম মানো’। অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা যখন যে ইবাদতের হুকুম করেছেন, তখন তা আদায় করাই হল আল্লাহর হুকুম পালন করা। আল্লাহ তাআলা যদি দয়া ও অনুগ্রহ করে এ বাস্তবতাকে আমাদের অন্তরে ঢেলে দেন তখনই এসকল বিদআতের মূলোৎপাটন হওয়া সম্ভব।

মাহে রজব রমজানের ভূমিকা, তাই রমজান আসার আগেই প্রত্যেকে সিয়াম-সাধনার প্রস্তুতি নেয়া প্রয়োজন। এ জন্যই মহানবী সা. রজব মাস শুরু হওয়ার সাথে সাথেই এই দুআ করতেন-‘‘আল্লাহুম্মা বারিকলানা ফি রাজাবা ওয়া শা’বান, ওয়া বাল্লিগনা রামাযান’’ অর্থাৎ হে আমার প্রভু! আপনি আমাকে রজব-শা’বানে বরকত দান করুন। এবং এ বরকত সাথে নিয়ে রমযান পর্যন্ত পৌঁছে দিন।

পরিশেষে, আমি মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের সবাইকে যাবতীয় বিদআত থেকে দূরে রাখেন এবং কুরআন-সুন্নাহর আলোকে সঠিকভাবে ইবাদত করার তৌফিক দান করেন। আমিন।

লেখক: প্রাবন্ধিক

মৎস্যমন্ত্রীকে উত্তেজিত জনতার জুতা প্রদর্শন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ হাসপাতাল উদ্বোধন করতে বিজয়নগরে ঢোকার সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী অ্যাডভোকেট ছায়েদুল হককে জুতা প্রদর্শন করেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।

বিজয়নগরে প্রবেশের সময় উপজেলার চান্দুরা এলাকায় রোববার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় বিক্ষুব্ধ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ছোঁড়া ইটের আঘাতে এ সময় নবীনগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতেয়াজ আহামেদের মাথা ফেটে যায়। তাকে চিকিৎসা দেয়ার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরে নেয়া হয়েছে।

এর আগে, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী অ্যাড. ছায়েদুল হকের অনুষ্ঠন নিয়ে প্রতিপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়ায় বিজয়নগরসহ জেলার চার উপজেলায় ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন।

শনিবার মধ্যরাতে বিজয়নগর, সদর, আশুগঞ্জ ও সরাইল উপজেলায় ১৪৪ ধারা জারি করেন স্ব-স্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা।

শনিবার সন্ধ্যায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আশঙ্কায় বিজয়নগরে দুই প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েনেরও সিদ্ধান্ত হয়।

প্রসঙ্গত, রোববার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে নবনির্মিত উপজেলা প্রাণিসম্পদ হাসপাতালের উদ্বোধন ও সুধি সমাবেশ উপলক্ষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী অ্যাড. ছায়েদুল হককে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীকে আমন্ত্রণ না জানানোয় গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে বিজয়নগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. তানভীর ভূঁইয়া ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া মন্ত্রী ছায়েদুল হকের অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন রোববার বিজয়নগরে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ঘোষণা দেয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পানি সম্পদ মন্ত্রীকে ঠেকাতে হরতাল; ৪ উপজেলায় ১৪৪ ধারা