All posts by ourislam

দেওবন্দ পড়ার জন্য রাজপথে আন্দোলন : কিছু প্রশ্নের উত্তর

মাওলানা এহসানুল হক

সিয়াম সাধনার মাস রমজানেই রাজপথে নেমেছিল তরুণ প্রজন্মের উলামায়ে কেরাম। ২১ মে সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মাববন্ধনে ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে দলে দলে সমবেত হয় দেওবন্দপ্রেমী ছাত্র-শিক্ষকরা। ব্যানার, প্লাকার্ডে লেখা ছিল ‘আমরা দেওবন্দ পড়তে চাই’। ‘একাডেমিক ভিসা চাই’ ‘শিক্ষার দুয়ার হোক উন্মুক্ত’।

ছোট একটি মানববন্ধন বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে। আপন মহলের মধ্যেই নানা ধরনের আপত্তি সৃষ্টি হয়েছে। উঠে এসেছে বিভিন্ন রকম প্রশ্ন। শুরু থেকেই আমি আন্দোলনের সাথে যুক্ত আছি। কাছ থেকে আমি যা উপলব্ধি করেছি সেই আলোকে কিছু কথা বলতে চাই।

এক. হটাৎ করে এই আন্দোলন কেন?

কোনো কারণ ছাড়াই হটাৎ আন্দোলনের চিন্তা করা হয়নি। একটি বিশেষ পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার কারণেই হয়েছে। আমরা জানি, আমাদের কিছু ছাত্র ভাই দেওবন্দ থেকে ফেরার পথে আইনি জটিলতার মধ্যে পড়েছেন। এ ধরনের জটিলতা সব সময়ই থাকে। কিন্তু এবার বিপদের মাত্রাটা অন্য সময়ের চেয়ে বেশি। এখন আমাদের কী করণীয়? প্রথমত তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা, আইনি সহায়তা করা। দ্বিতীয়ত এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করা।

আমরা সেই কাজটা করতে চাই। ভেতরগতভাবে আলোচনার মাধ্যমে তাদের আইনি সহায়তার চেষ্টা চলছে। আর ব্যাপারটার স্থায়ী সমাধানের জন্য রাজপথে মৃদু আওয়াজ তোলা হয়েছে।

দুই. দাবির সাথে একমত, পদ্ধতির সাথে নয়, আলোচনায় না গিয়ে রাজপথে কেন?

অনেকেই বলছেন, আমরা দাবির সাথে একমত, পদ্ধতির সাথে নয়। রাজপথে কেন নামা হলো। আমরাও জানি এই সমস্যার সমাধান রাজপথে হবে না। তবুও রাজপথে নামতে হয়েছে। আমরা রাজপথে নেমেছি উপর মহলের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য। ব্যাপারটা আলোচনায় নিয়ে আসার জন্য। আর সেটা রাজপথে না নামলে কখনোই হতো না।

বেঁচে আছেন যুবরাজ মুহাম্মদ, অংশ নিলেন পরিষদ সভায়

আলোচনা বাদ দিয়ে রাজপথে আমরা থাকতে চাই না। আলোচনা ও রাজপথ দুইটা এক সাথেই করতে চাই। শুধু আলোচনা করে কোন দাবি আদায় করা যায় না। ঠিক তেমনই শুধু আন্দোলন করেও হয় না। তাছাড়া কোনো মিছিল বা সমাবেশ করা হয়নি, মানববন্ধন করা হয়েছে।

মানববন্ধন হচ্ছে সবচেয়ে নিরীহ ও ভদ্র কর্মসূচি। নিজেদের দাবির জানান দেয়ার জন্য এর চেয়ে উত্তম কোন কর্মসূচি এখনও নেই।

তিন. এরা কারা? কারা এর নেতৃত্ব দিচ্ছে?

আমাদের দেশের কাওমি ধারার প্রায় সবগুলো দল বা হালকার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধি এখানে আছেন। খেলাফত মজলিস থেকে মাওলানা মামুনুল হক। ইসলামি ঐক্যজোট থেকে মাওলানা সাখাওয়াত ও গাজী ইয়াকুব। ইসলামি আন্দোলন থেকে গাজী আতাউর রহমান। জমিয়ত থেকে ওয়ালী উল্লাহ আরমান, ইমরানুল বারী সিরাজী, জাবের কাসেমী। খেলাফত আন্দোলন থেকে ফখরুল ইসলাম। নেজামে ইসলাম থেকে শেখ লোকমান আহমদ। অনলাইন এক্টিভিস্টদের মধ্যে সাইমুম সাদী। লেখক সমাজ থেকে মুফতি এনায়েতুল্লাহ, এহসানুল হক। বক্তা ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের মধ্যে মাওলানা হাসান জামিল, রেজওয়ান রফিকী, শামছুদ্দোহা আশরাফী। প্রায় সবাই পরিচিত মুখ।

চার. আলেম সমাজের প্রতিনিধিত্বশীল ছাত্র সংগঠনকে কেন পাশ কাটানো হলো?

আলেম সমাজের প্রতিনিধিত্বশীল ছাত্র সংগঠনকে রাখা হয়নি। পাশ কাটানো হয়েছে। এটা ভুল কথা। তাদের বাদ দিয়ে এমন সংগঠনকে কি রাখা হয়েছে যারা প্রতিনিধিত্ব করার মত না? রাখা হয়নি। এখানে কোনো ছাত্র সংগঠনের বিবেচনা করা হয়নি। উদ্যোগটা হয়েছে সবদলের মাঝারি ধরনের নেতাদের মাধ্যমে।

পরিকল্পনা হলো, বড়দের সহযোগিতায় ছাত্রদের সাথে নিয়ে আন্দোলন করার। সবাইকে সাথে নিয়ে আন্দোলন করতে হবে। কাউকে পাশ কাটিয়ে নয়।

পাঁচ. দেশ বিরোধী অখণ্ড ভারত প্রতিষ্ঠায় তৎপর গোষ্ঠির হাতে যৌক্তিকতার সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছি না তো?

এটা কেমন কথা? স্টুডেন্ট ভিসা চাওয়ার সাথে অখণ্ড ভারত প্রতিষ্ঠার মিল কোথায়। দেশবিরোধী কাজের কথা বলে এখানে একটি বিশেষ মহলকে উস্কানি দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। আর কিছু না।

ছয়. সরলমনা আলেমরা ষড়যন্ত্রে পা দিচ্ছে?

এই আন্দোলনের সাথে যারা যুক্ত তারা কেউই প্রাচীন আমলের না। তাদের সরল সহজমনা নিরিহ উলামায়ে কেরাম বলার সুযোগ অনেক কম। আবার তারা নবীন কিশোরও না। দীর্ঘকাল মাঠে ময়দানে রাজনীতির অভিজ্ঞতা আছে। বতমার্ন যুগের ভাষা সম্পর্কে যাদের দক্ষতা আছে তারাই এখানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তারা না বুঝে ষড়যন্ত্রে পা দিচ্ছে এমনটা ভাববার সুযোগ অনেক কম।

সাত. এখন নাজুক সময়, এখন দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা দরকার?

এখন নাজুক সময় বলে কি অধিকার আদায়ের কথা বলা যাবে না? তাছাড়া দেশে এখন কোনো উত্যপ্ত পরিস্থিতিও বিরাজ করছে না। হয়তো আইনের শাসন নেই। গণতন্ত্র নেই। বিরোধীদলের বাক স্বাধীনতা নেই। আরও অনেক সমস্যা আছে আমি সেটা অস্বীকার করছি না।

কিন্তু পরিস্থিতি এখন ঠাণ্ডা। বিরোধী দলের আন্দোলন নাই। জামাত শিবিরের আন্দোলন নাই। নিবার্চন সামনে থাকলেও নিবার্চন নিয়ে কোন তৎপরতা নেই। তাহলে কেন এখন দাবি তোলা যাবে না? সময় ভালো ছিল কবে?

তাহলে বলেন কওমি সনদের স্বীকৃতি চাওয়া যাবে না। কোনো দাবি করা যাবে না। নাজুক সময় তখন কই যায়, দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কথা তখনও মনে রাখা দরকার।

আট. যারা ভারতে আছে তাদের সংকট আরও বৃদ্ধি হবে কি না এর কারণে?

এ দাবি নিয়ে যখনই কথা বলা হবে তখনই দেখা যাবে আমাদের কিছু ছেলে সেখানে পড়ছে। আর আমাদের মানবন্ধন তাদের মুক্তির দাবিতে হয়নি। তারা কোন সমস্যায় পরতে পারে এই কথা মাথায় রেখেই মূল নেতারা তাদের বিষয়ে কোনো বক্তব্য রাখেনি।

কিন্তু যদি তাদের বিপদে ফালানোর চেষ্টা করা হয়। বা তারা কোনো বেকায়দায় পরে তখন চাপ সৃষ্টি করার জন্য কাজে দিবে এই আন্দোলন।

আর আন্দোলন করলেই ভারত সরকার তাদের দিকে নজর দিবো এটা ভাবাও বোকামি। আপনি কি ভেবেছেন ‘র’ জানে না যে বাংলাদেশ থেকে ছাত্ররা পড়তে যায়? এটা হতে পারে না। তাদের কাছে সব খবরই আছে। একদিকে আমরা আমাদের দেশের যে কোনো কিছুর পিছনে ‘র’ আছে মনে করি, অপর দিকে তাদের দেশের আমাদের এত ছেলে আছে সেটা তারা জানে না বলতে চাই এটা স্ববিরোধিতা ছাড়া আর কিছু না।

নয়. সীমান্তের বাধা উঠিয়ে দেয়ার দাবি করা হয়েছে। এটা কেমন কথা?

এখানে মূলত আইনি বাধা উঠিয়ে দেয়ার কথা বলা হয়েছে। ভিসা প্রদানের কথা বলা হয়েছে। এটা যে কেউ বঝুবে। বক্তা একজন লেখক মানুষ হওয়ায় ভাষাগত সৌন্দর্যের জন্য এভাবে তিনি বলেছেন। তবুও আমি স্বীকার করি এভাবে বলার কারণে আপত্তির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই সুযোগটা দেয়াও ঠিক হয়নি।

শেষ কথা
দেওবন্দ প্রতিটি কওমি সন্তানেরই প্রাণকেন্দ্র। আমরা সবাই চাই দেওবন্দ পড়াশুনার দ্বার উন্মুক্ত হোক। সেটা কিভাবে হবে। আমরা বিষয়টা আলোচনার টেবিলে নিয়ে আসলাম। কোনো আপত্তি থাকলে বলুন। অনলাইনে বির্তক সৃষ্টি না করে আলোচনা করুন। বেটার ফর্মূলা দিন। আমরা সেটাই অনুসরণ করবো ইনশাআল্লাহ।

লেখক: সহকারী সম্পাদক, মাসিক রাহমানী পয়গাম

‘রাষ্ট্রীয় সীমানা প্রাচীর উঠিয়ে কওমি শিক্ষার্থীদের দেওবন্দে পড়ার সুযোগ দিন’

-আরআর

‘ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ফাইনালের দিনেও রোজা রাখবো’

আওয়ার ইসলাম: ইংল্যান্ডের লিভারপুল ক্লাবের মিশরীয় প্লেয়ার মুহাম্মাদ সালাহ বলেছেন, আমি ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ফাইলান খেলার দিনেও রোজা রাখব।

সম্প্রতি এক সাংবাদিক মিশরীর খ্যাতনামা তারকা মুহাম্মাদ সালাহ’র কাছে প্রশ্ন করেন, আপনি কি ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ফাইলান খেলায়ও রোজা রাখবেন?

উত্তরে মুহাম্মাদ সালাহ বলেন, হ্যাঁ! আমি মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য অবশ্যই রোজা রাখবো। তিনি (মহান আল্লাহ) আমাকে এই সাফল্য দান করেছেন- পবিত্র রমজান মাসে সব রোজা রাখবো।

এই মৌসুমে ৩২ গোল দিয়ে মুহাম্মাদ সালাহ প্রিমিয়ার লিগের সেরা খেলোয়াড় পুরস্কার অর্জন ছাড়াও সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন।

উল্লেখ্য, ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ফাইলান খেলা ২৬ মে (৯ম রমজান) ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভায় লিভারপুলের সাথে স্পেনের রিয়াল মাদ্রিদের খেলা হবে।

সূত্র: ইকনা

সালাহ বর্ষসেরা ফুটবলার ভূষিত হলেন

-আরআর

৬ দফা দাবিতে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীকে মাদরাসা শিক্ষকদের স্মারকলিপি

আওয়ার ইসলাম: ইবতেদায়ি মাদরাসা জাতীয়করণসহ ছয় দফা দাবিতে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে মাদরাসা শিক্ষকগণ।

মঙ্গলার (২২ মে) সংগঠনের নেতারা প্রতিমন্ত্রীর কাছে এ স্মারকলিপি দেন। প্রতিমন্ত্রী তাদের দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।

স্মারকলিপির প্রথম দফায় বলা হয়, সব সংযুক্ত ইবতেদায়ি মাদরাসাকে ২০১৮ খ্রিস্টাব্দের জুলাই থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ন্যায় জাতীয়করণের করতে হবে।

দ্বিতীয় দফা দাবিতে সংযুক্ত ইবতেদায়ি শিক্ষকদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষকদের সমান বেতন স্কেলের দিতে হবে। তৃতীয় দফাতে সংযুক্ত ইবতেদায়ি শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মত উপবৃত্তি দিতে হবে।

চতুর্থ দফাতে সব সংযুক্ত ইবতেদায়ি মাদরাসাকে আলাদা করে পৃথক ভবন নির্মাণ করতে হবে। পঞ্চম দফাতে সংযুক্ত ইবতেদায়ি শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ এবং ষষ্ঠ দফাতে পদোন্নতির দাবি করা হয়।

দাবির বিষয়ে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী শিক্ষক নেতাদের বলেন, সংযুক্ত ইবতেদায়ি শিক্ষক ও প্রাথমিক শিক্ষকদের মধ্যে বিরাজমান বেতন স্কেলের বৈষম্য দূরীকরণ এবং সংযুক্ত ইবতেদায়ি শিক্ষার্থীদের জন্য উপ-বৃত্তি চালুর ব্যাপারে শিক্ষক নেতৃবৃন্দকে আশ্বস্ত করেন।

সারাদেশে ১ হাজার ১০ টি ইবতেদায়ি মাদরাসা করবে ইসলামিক ফাউন্ডেশন

-আরআর

‘আমি ইসলাম গ্রহণ করেছি, তোমরা আমাকে নিয়ে চিন্তা করো না’

আওয়ার ইসলাম: গফরগাঁও নিখোঁজ হওয়া হিন্দু কিশোরী মিতু রানী দাস (১৫) ইসলাম গ্রহণ করেছেন। আর নিজের বাড়িতে ফোন করে সান্ত্বনা দিয়ে জানিয়েছেন, ‘আমি ইসলাম গ্রহণ করেছি। ময়মনসিংহের একটি মাদরাসায় ইসলাম শিখতে এসেছি। আমি ভালো আছি, তোমরা চিন্তা করো ন।

মিতু গফরগাঁও উপজেলার যশরা গ্রামের বাসিন্দা রাখাল চন্দ্র দাসের মেয়ে। এবার সে শিবগঞ্জ বিদাস উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেছে।

জানা যায়, গত ১৪ মে সকালে শিবগঞ্জ হুরমত উল্লাহ কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর তার পরিবার আর তার সন্ধান পায়নি।

এর পর দুদিনেও মেয়েকে না পেয়ে তার মা বীণা রানী দাস ১৬ মে গফরগাঁও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

এর পর ওই রাতেই মিতু তার মোবাইল ফোন থেকে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সান্ত্বনা জানিয়ে বলে সে ভালো আছে।

আপনার মোবাইলে এখনই ইনস্টল করুন ইসলামী যিন্দেগী

মিতু বাড়িতে ফোন করার পর ময়মনসিংহের বিভিন্ন মাদরাসায় খোঁজ নেয় তার পরিবার এমনকি যে নাম্বারে কল এসেছিল তা পুলিশকে জানায়। তবে মিতু কোথায় আছে তা বের করতে পারেনি তারা।

নিখোঁজ কিশোরী মিতু রানী দাসের সন্ধানে পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগ-ডিবি কাজ করছে বলে জানান গফরগাঁও থানার ওসি আবদুল আহাদ।

থাইল্যান্ডে ইসলাম ও ইসলামি শিক্ষা

-আরআর

দস্যু বাহিনীর ৫৭ সদস্যের আত্মসমর্পণ

আওয়ার ইসলাম: সুন্দরবনের দস্যু বাহিনীর ৫৭ সদস্য র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। এসময় তারা বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলা-বারুদও জমা দেয় র‌্যাবের কাছে।

বুধবার (২৩ মে) দুপুরে র‌্যাব-৬ খুলনার সদরদপ্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের কাছে অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন তারা।

এ সময় আত্মসমর্পণকারী দস্যুদের আর্থিক অনুদান দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ।

জানা যায়, দাদা ভাই বাহিনীর ১৫ জন, হান্নান বাহিনীর ৯ জন, আমির আলী বাহিনীর ৭ জন, সুর্য্য বাহিনীর ১০ জন, ছোট শামসু বাহিনীর ৯ জন এবং মুন্না বাহিনীর ৭ জন দস্যু আত্মসমর্পণ করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগেই আত্মসমর্পণকারী ৫৮ দস্যুর প্রত্যককে পুনর্বাসনে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া আর্থিক অনুদানের এক লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করেন।

মাদকবিরোধী অভিযানে ক্রসফায়ারে নিহত আরও ৯

-আরআর

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আইসিসিতে তদন্তের আবেদন ফিলিস্তিনের

আওয়ার ইসলাম: ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের অপরাধ তদন্তের জন্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে (আইসিসি) একটি আবেদন জমা দিয়েছে ফিলিস্তিন সরকার।

এবারই প্রথম বারের মতো ফিলিস্তিন সরকার আইসিসিতে এ ধরনের আবেদন করলো।

মঙ্গলবার ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ আল মালিকি নেদারল্যান্ডের হেগে অবস্থিত আদালতে গিয়ে প্রসিকিউটর ফাতু বেনসুদার সঙ্গে দেখা করে এই আবেদন জানান।

ওই বৈঠকের পর মালিকি এ আবেদনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন সাংবাদিকদের কাছে।

মালিকি বলেন, ওই আবেদনে ‘বসতি বিস্তার, ভূমি দখল, অবৈধভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ শোষণ ও বিভিন্ন জায়গায় বিশেষ করে গাজা উপত্যকায় নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের পরিকল্পনামাফিক হত্যা’ এবং আরও অনেক বিষয়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

অধিকৃত ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে গত মে ১৪ তারিখে ৬২ জন নিরস্ত্র ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীকে ইসরায়েলি বাহিনী হত্যা করার পর এই কূটনৈতিক উদ্যোগ নিলো ফিলিস্তিন।

১৪ মে মার্কিন দূতাবাস জেরুসালেমে স্থানান্তরের সময়ে ফিলিস্তিনিদের বিক্ষোভে নির্বিচারে গুলি ও বোমা হামলা চালায় ইসরায়েলি পুলিশ। এতে কমপক্ষে ৬০ জন নিরপরাধ ফিলিস্তিনি নিহত হয়। আহত হয় ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ।

কুদস ইস্যুতে গুয়েতেমালার সঙ্গে রাবাতের সহযোগিতা চুক্তি স্থগিত

-আরআর

মাদকবিরোধী অভিযানে ক্রসফায়ারে নিহত আরও ৯

আওয়ার ইসলাম: মাদকবিরোধী চলমান অভিযানে আট জেলায় পুলিশ ও র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আরও ৯ মাদক বিক্রেতা নিহত হয়েছেন।

সোমবার (২১ মে) দিনগত থেকে মঙ্গলবার (২২ মে) ভোর পর্যন্ত অভিযানে তারা নিহত হন বলে জানা গেছে।

নিহতদের মধ্যে কুষ্টিয়ায় ২, কুমিল্লায় ১, গাইবান্ধায় ১ ও রংপুরে ১, ফেনীতে ১ ও ঠাকুরগাঁওয়ে ১, জামালপুর ১ ও লালমনিরহাটে একজন রয়েছেন।

নিহতরা হলেন, রংপুর সদর উপজেলার শাহিন মিয়া (৩০), কুমিল্লা সদর উপজেলার নুরুল ইসলাম ইসহাক ওরফে ইসা (৪০), কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ফটিক ওরফে গাফফার (৩৭), একই জেলার ভেড়ামারা উপজেলার লিটন শেখ (৪০), ফেনীর শহরতলী এলাকার মো. ফারুক (৩৫), গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার রাজু মিয়া, লালমনিরহাট সদর উপজেলার এশার আলী (৩৫), ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার আকতাবুল ওরফে আতাবুল ও জামালপুরের শহরতলী এলাকায় নিহত ব্যক্তির নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

সারাদেশে মাদকের বিস্তার বেড়ে যাওয়ায় কঠোর অভিযান শুরু করেছে র‌্যাব। র‌্যাব জানিয়েছে, মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান চলবে।

‘মাদকবিরোধী অভিযানে সাফল্য পেতে আগে চোরাপথগুলো বন্ধ করতে হবে’

-আরআর

‘কেউ কেউ আবার ফোন-ফ্যাক্সের দোকান খুলে না বসে’

আন্দালিব রহমান পার্থ
চেয়ারম্যান, বিজেপি

সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর পরেও দুর্নীতি কমে নাই বরং বেড়েছে…। এখন মন্ত্রী-সচিবদের ফোন ব্যবহারের কোনো নির্ধারিত সীমা রাখা হচ্ছে না। যত খরচ হবে, তত টাকা সরকার থেকে দেয়া হবে। আমার তো ভয় হয় যে বিল দিতে হবে না, তাই কেউ কেউ আবার ফোন-ফ্যাক্সের দোকান না খুলে বসে…।

সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয় ‘সরকারি টেলিফোন, সেলুলার, ফ্যাক্স ও ইন্টারনেট নীতিমালা-২০১৮’।

ওই নীতিমালা অনুযায়ী মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও সচিবরা সরকারি খরচে ৭৫ হাজার টাকা দামের মোবাইল ফোন কিনতে পারবেন। তাদের মোবাইল ফোনের আনলিমিটেড বিলও পরিশোধ করবে সরকার। এ ছাড়া যুগ্ম সচিবরা মোবাইল ফোন বিল বাবদ এক হাজার ৫০০ টাকা করে পাবেন।

বিষয়টি নিয়ে সচেতন মহলে সমালোচনা চলছে। কারণ বর্তমানে ২৫ হাজার টাকার মধ্যেই অনেক ভালো মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। আর মোবাইল বিলে কোনো নির্দিষ্ট অংক না থাকায় তা নিয়ে কথা হচ্ছে বেশি।

আন্দলিব রহমান পার্থ’র ফেসবুক পেইজ থেকে

-আরআর

বরিশালে মাদরাসা সুপারকে লাঞ্ছিতকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবিতে মানববন্ধন

আওয়ার ইসলাম: বরিশালের বাকেরগঞ্জে মাদরাসা সুপার ও স্থানীয় মসজিদের ইমাম মো. আবু হানিফাকে মাথায় মল ঢেলে লাঞ্ছিতকারীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির চেয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্বাধীনতা মাদরাসা শিক্ষক পরিষদ নামের ব্যানারে মঙ্গলবার (২২ মে) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ দাবি জানান শিক্ষক নেতারা।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. শাহজাহান আলম সাজু। স্বাধীনতা মাদরাসা শিক্ষক পরিষদের সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান নাঈমের সভাপতিত্বে অন্যরা এতে বক্তব্য দেন।

অধ্যক্ষ মো. শাহজাহান আলম সাজু বলেন, বরিশালে মাদরাসা সুপার আবু হানিফার ওপর এমন বর্বরতা মেনে নেওয়া যায় না। শিগগিরই অপরাধীকে গ্রেফতার করে উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে যাতে কেউ মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষকদের ওপর এমন কোন নিপীড়ন, নির্যাতনের সাহস না দেখায়।

বরিশালের মাদরাসা সুপারকে লাঞ্ছনার ঘটনায় আরও একজন গ্রেফতার

-আরআর

‘খুলনা সিটি নির্বাচনে ইসি ব্যর্থ হয়েছে’

আওয়ার ইসলাম: বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বলেছে, খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ব্যর্থ হয়েছে। খুলনা সিটিতে অস্বচ্ছ ও ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনের দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে।

মঙ্গলবার রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিজয়ীদের তথ্য উপস্থাপন ও সুজন’র দৃষ্টিতে নির্বাচন’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় সুজন।

সংবাদ সম্মেলনে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নারায়ণগঞ্জ, রংপুর, কুমিল্লায় ভালো নির্বাচন করলেও খুলনায় এসে ইসি ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি বলেন, ইসি প্রার্থীদের হলফনামা পর্যবেক্ষণ করেনি। রিটার্নিং কর্মকর্তাকে ক্ষমতাহীন করেছে। পুলিশ বাহিনী ইসির অধীন, এটাইতো তারা জানে না। এমন ধরপাকড় কেউ আগে কখনো দেখেনি।

সুজনের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সর্বশেষ তিনটি সিটি নির্বাচন অর্থাৎ নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সঙ্গে তুলনা করলেও বলা যায়, কয়েকটি ভালো নির্বাচনের পর খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মধ্য একটি অস্বচ্ছ ও ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনের দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো।

সংগঠনটি জানায়, কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনেক ভোটার ভোট দিতে পারেননি। কোনো কোনো কেন্দ্রে প্রতীকে সিল দেয়া কিন্তু উল্টা দিকে সিল-স্বাক্ষর বিহীন ব্যালটকে বৈধ ভোট হিসেবে গণনা করা হয়েছে।

-আরআর