All posts by ourislam

জেরুসালেমের পর কি মক্কা?

সা’দাত ওরুক: জেরুজালেমে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেয়া অত্যন্ত উত্তেজক সিদ্ধান্তের পর বিশ্বব্যাপী বিশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে ইসরাইলের দখলীকৃত অঞ্চলকে প্রসারিত করার প্রচেষ্টা এখন আগের তুলনায় আরো প্রবলভাবে দৃশ্যমান হয়ে ওঠেছে।

ইসরাইলের ইংরেজি দৈনিক হা’র্টজ এ প্রকাশিত একটি সাম্প্রতিক নিবন্ধ ছিল এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকতা বা বুদ্ধিবৃত্তিক রচনার চাইতেও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ কিছু। নিবন্ধ অনুযায়ী সৌদি আরবের দক্ষিণ অঞ্চলে ২০১৪ সালে সৌদি ও ফরাসি দলের যৌথভাবে পরিচালিত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা প্রতিবেদনের সারাংশে উল্লেখ করা হয়েছে, এর লক্ষ্য হলো সৌদি আরবে ইহুদি শিকড়কে “নিশ্চিত করা”।

ট্রাম্প জেরুসালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসাবে বিবেচনা করে তেলআবিব থেকে মার্কিন দূতাবাস সেখানে স্থানান্তর করার ঘোষণা দিয়েছেন। এটি হবে পূর্ববর্তী আন্তর্জাতিক চুক্তির পাশাপাশি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতার একটি স্পষ্ট লঙ্ঘন। আর এটি নেয়া হয়েছে বৈশ্বিক জনমতকে প্রভাবিত করার জন্য সরকারি কূটনৈতিক কাঠামোর মধ্যে।

হা’র্টজের নিবন্ধটিতে বাদশাহ হবার জন্য অপেক্ষমান সৌদী যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সৌদি আরব এবং ইহুদি রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য প্রবল আগ্রহকে বিবেচনা করা হচ্ছে, ইসলামের পবিত্র ভূখণ্ডের হৃদয়জুড়ে ইহুদিদের তথাকথিত শেকড় আবিষ্কারের চেষ্টা হিসাবে।

হা’র্টজের প্রত্নতাত্বিক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, “ইসলামের আগে: সৌদি আরব ছিল একটি ইহুদি রা্জ্য”। এ ব্যাপারে বিশ্বকে প্রভাবিত করার জন্য সৌদি আরবের ৪৭০ খৃস্টাব্ধের ইসলাম পূর্ব সময়ের প্রাচীনতম এক আরবি লেখা আবিষ্কার করার কথা বলা হয়,যার মধ্যে স্পষ্টতই খ্রিস্টীয় ও ইহুদি প্রেক্ষাপটে কিছু আতঙ্কসৃষ্টিকারী বিষয় রয়েছে।

রিপোর্টটিতে মুসলিম সংবেদনশীলতা এবং এমনকি ইসলামী ইতিহাসের নির্ভুলতাও বদলাতে সুস্পষ্ট পদক্ষেপ দেখা যায়। এতে বলা হয়, “প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণার দ্বারা এমন একটি কাঠামো আঁকা হয় যা ছিল বেশ একটি বিব্রতকর বিষয় কিন্তু ফরাসি-সৌদি যৌথ কাজটি শান্তভাবে সম্পন্ন করা হয়েছিল”।

সুতরাং, এই প্রশ্ন ওঠতে পারে যে, ইসরাইল কি মুসলিম বিশ্বের উপরে ইহুদিদের শ্রেষ্ঠত্ব দেখিয়ে ইসলামী বিশ্বের উপর অধিপত্য বিস্তার করতে চায়? এমনকি এটি শুরু করতে চায় মক্কা বা মদিনা থেকে? চলমান জেরুসালেম নিয়ে অস্থির অবস্থার মধ্যে এই প্রশ্নটি আরো অর্থবহ হয়ে ওঠছে। তাই এখনই মুসলিম বিশ্বের একমাত্র বিকল্প হল ইহুদি রাষ্ট্রের বাস্তব অভিপ্রায় সম্পর্কে সচেতন হওয়া।

জেরুসালেম থেকে মক্কা এবং মদিনা পথযাত্রা শুরু করা হয়ে থাকতে পারে।

আর মধ্যপ্রাচ্যের আমেরিকান নীতির মূল প্রণেতা হোয়াইট হাউসের সিনিয়র অ্যাডভাইজার ও ট্রাম্পের ইহুদি জামাতা জারড কুশনারের পরিকল্পনায় ইসরাইলের কার্যক্রমের পাশাপাশি সৌদি বাদশাহ হবার উত্তরাধিকারী মনোনীত যুবরাজের নেয়া সাম্প্রতিক পদক্ষেপের আলোকে মুসলিম বিশ্বের মক্কা এবং মদিনা পবিত্র শহরগুলির ব্যাপারে দায়িত্ব গ্রহণ করা উচিত।

এখন জেরুসালেম রক্ষার প্রচেষ্টা হলো একই সাথে মক্কা এবং ইসলামের নীতি ও মূল্যবোধ রক্ষারও প্রচেষ্টা।

তুর্কি দৈনিক সাবাহ থেকে অনুবাদ মাসুমুর রহমান খলিলী

ইসলামি দলে ভাঙ্গন: মুসা আল হাফিজ যা বললেন

ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে প্রাচীন ইসলামি দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম। রাজনৈতিক দলে ভাঙ্গন ও গ্রুপিং নতুন কিছু নয়। কিন্তু কেন হয় এসব ভাঙন ও গ্রুপিং। নানা জনে নানারকম কারণ দাঁড়া করাচ্ছেন। কবি ও গবেষক মুসা আল হাফিজ এ নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন। আসুন দেখে নেই তার অভিমত কি এসব ভাঙনের পেছনে।

একজন জানতে চেয়েছেন, অমুক আর অমুকের কারণে অমুক দল ভেঙ্গে যাচ্ছে। এ সম্পর্কে আপনি কী মনে করেন?

আমি কী মনে করি, তা পুরোপুরি বলার জায়গা এটি নয়। তবে মোটা দাগে যে কথাটা বলার, তা হলো, কোনো একজন বা দু’চারজনের কারণে কোনো গতিশীল রাজনৈতিক দল ভেঙ্গে যেতে পারে না। দল কেবল ভেঙ্গে যেতে পারে দলের বৃহৎ অংশের বিভক্তির কারণে।

কিন্তু বিভক্তির কারণেও দল দু’ টুকরো হতে পারে না। যে কোন বিভক্তির নিরসন সম্ভব যৌক্তিক আলোচনা ও পারস্পরিক ছাড় দেয়ার মাধ্যমে, সংবিধানের দিকে ফিরে যাওয়ার মাধ্যমে।

দল ভাঙতে পারে তখন, যখন বিভক্ত দুটি অংশ ইতিবাচক মন নিয়ে যৌক্তিক আলোচনায় প্রস্তুত নয়, ছাড় দিতে রাজি নয় এবং সংবিধানের দিকে ফিরে যেতে প্রস্তুত নয়।

তারা যে কোন মূল্যে নিজেদের প্রাপ্তিকে নিশ্চিত করতে চান। কিন্তু এ প্রাপ্তি দলকেন্দ্রিক। ফলত দলকে বাদ দিয়ে তা সম্ভব নয়। কিন্তু অন্যকে ছাড় দিয়ে বা আইনানুগ হয়েও সম্ভব নয়। অতএব দলকে ভেঙ্গে দেয়া ছাড়া তাদের আর বিকল্প থাকে না। কাজটি তারা করবেনই, আজ কিংবা কাল।

অতএব যে দলের ভেতরে ভাঙ্গনের সুর গুমরে গুমরে উচ্চারিত হবে, সে দল ভাঙবেই। বিবিধ প্রক্রিয়ায় হয়তো তাকে বিলম্বিত করা যায়, কিন্তু তার ভেতরকার শক্তি তাকে সেই জায়গায় নিয়ে যাবে বার বার।

এ জন্য দায়ী কোনো ব্যক্তি নয়, স্বয়ং দলের সিস্টেম। যার কারণে তার ভেতরটা বিভক্ত কিংবা বিভক্তির আয়োজকদের জন্য এতো উন্মুক্ত যে, তারা তাদের ইচ্ছাকে সব শৃঙ্খলা, সংবিধান ও ঐতিহ্যের ওপর জয়ী করতে পারছে।

কোনো দলে যখন দু’টি গ্রুপ হতে পারে, তখন প্রমাণিত হয় সে দলে সিস্টেম গতিশীল নয়, সংবিধান ক্রিয়াশীল নয় কিংবা আদৌ সে দল কোনো সিস্টেমকেই ধারণ করছে না। নতুবা সমস্যা মিটে যেতো অথবা এর অনমনীয় বাহকরা কাঁটা পড়তো।

কোনোটাই যখন হয় না, তখন বুঝতে হবে, এর দায় কোনো ব্যক্তির নয় বা কয়েকজন মাত্রের নয়। বরং দলের ভেতরগত গোটা বাস্তবতা ও চলমান সিস্টেমই এ জন্য দায়ী। এ সিস্টেমে সমস্যা আসতোই, অমুকের মাধ্যমে, না হয় তমুকের মাধ্যমে।

দুই
কোনো দল কাগজে- কলমে ভেঙ্গে না গিয়েও ভেঙ্গে যেতে পারে। একই দল। কিন্তু দু’টি পক্ষ রশি টানছে দু’দিকে। কেউ কাউকে মেনে নিচ্ছে না। দলের এক অঙ্গ আরেক অঙ্গকে অনবরত আঘাত করছে এ রকম পরিস্থিতি সরাসরি ভেঙ্গে যাওয়ার চেয়ে আরো বিপজ্জনক।

তিন
ভাঙ্গনাবস্থা দেখা দিয়েছে একটি দলে, এর সমাধান সাময়িক মিটমাট হয়ে যাওয়াই নয়। একটি অাদর্শিক দলে কোন গুরুতর অনুষঙ্গ বিভক্তি নিয়ে এলো, ভাঙ্গনের প্রান্তদেশে নিয়ে গেলো, সে অনুষঙ্গগুলো কী?

তা কী অাদর্শিক? সাংবিধানিক? শৃঙ্খলাসংশ্লিষ্ট? না ব্যক্তিকেন্দ্রিক? বলয়ভিত্তিক? পদ-পদবি সংশ্লিষ্ট? না আরো অধিক কোনো পাওয়া না পাওয়া বিষয়ক?

প্রশ্নটির সমাধান না হলে এবং তার যথাযত দাওয়াই যথাস্থানে প্রয়োগ না করলে এবং এ ধরনের অনুষঙ্গ সৃষ্টি হওয়ার দরোজা বন্ধ না করলে দলটি আদর্শিক, সাংবিধানিক ও নৈতিক ক্ষমতা হারাতে থাকবে। প্রাণশক্তি বলতে তার কিছুই থাকবে না। পারস্পরিক বুঝাপড়াভিত্তিক এক সমিতিতে পরিণত হবে।

মজলিস থেকে জমিয়ত : হৃদয় ভাঙার দায় কার?

কেনো জমিয়তের ভাঙ্গন রোধ করা গেলো না?

চলমান সংকট নিয়ে বৈঠকে বসছেন সিলেট জমিয়তের নেতৃবৃন্দ

ইমদাদ ফয়েজী
সিলেট

জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের চলমান সংকট নিরসনে সিলেট বিভাগীয় নেতৃবৃন্দ আজ (১২ডিসেম্বর) বাদ জোহর সিলেট ধোপাদিঘীরপার দলীয় কার্যালয়ে জরুরি বৈঠকে বসছেন।

এতে সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের ৫ জন করে জেলা দায়িত্বশীল এবং সিলেট জেলা ও মহানগরের সম্পাদকমণ্ডলীর সব সদস্য উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাসময়ে বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য আহবান জানিয়েছেন হবিগঞ্জ জেলা সভাপতি আল্লামা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জী, সিলেট জেলা সভাপতি মাওলানা শায়খ জিয়া উদ্দিন, সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি মাওলানা আবদুল বছির ও মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি শায়খুল হাদীস মাওলানা আব্দুল মালিক।

উল্লেখ্য, গত ৯ ডিসেম্বর জমিয়তের নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে দলের সহসভাপতি মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাসের নির্বাহ সদস্য পদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত হয়। এর প্রেক্ষিতে মুফতি ওয়াক্কাসের পক্ষ থেকেও পাল্টা বিবৃতি দিয়ে তিনজনকে অব্যাহতি দেয়া হয়। এ নিয়ে দলে অস্থিরতা বিরাজ করছে।

তবে গতকাল দলের মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী এক বিবৃতিতে মুফতি ওয়াক্কাসের ওই বিবৃতিকে মিথ্যা অ অবৈধ বলে মত দেন। একই সঙ্গে তার এমন সিদ্ধান্ত ও বৈঠক করার অধিকার নেই বলেও জানান। এ জন্য তিনি মিথ্য সংবাদে বিভ্রান্তি না হওয়ার আহ্বান জানান দলের কর্মীদের।

কুরআন-হাদিসে পাওয়া পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ফল ও সবজি

মুনাফিকের কথা সুন্দর, ব্যবহার সুন্দর, হয়ত চেহারাও, কিন্তু চরিত্র?

আলী আবদুল মুনতাকিম
অতিথি লেখক

শিরোনামটি খুব সাদামাটা। সাদাসিদা শিরোনাম হলেও এর অর্থ, ব্যাখ্যা, ক্ষেত্র, কর্ম ও দর্শন ব্যাপক। স্বল্প পরিসরে সবকথা বলার অবকাশ নেই। অন্তত আমি আমার ক্ষুদ্রজ্ঞানে যতটুকু জানি। ছোট ছোট দুটো উদাহরণ দিয়ে লেখাটি শুরু করতে চাই।

তেতুলিয়া থেকে অত্যন্ত ভদ্র বিনয়ী কমল কাজী চাকরি নিয়ে কক্সবাজার মৎস অফিসে সাধাারণ কর্মচারী হিসেবে যোগদান করলেন। কর্মচঞ্চল সুন্দর চেহারার কমল একটি মেসে থেকে চাকরি করে যাচ্ছিলেন। শহরের সাগরপাড়ের বিখ্যাত ফাইভ স্টার হোটেল সি প্যালেসে সিনিয়র কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি করেন চাকমা মংথা উষা।

দুজন দুজনকে খুব ভালবাসেন। কমল উষাকে বলেছেন তেতুলিয়ার বড় জমিদার বাড়ির নাতি সে। তাদের রয়েছে শত শত বিঘা সম্পত্তি। বিয়ের পর সে তার দাদার জমিদার বাড়িতে নিয়ে যাবে। সুন্দর ব্যবহারের কমলকে পছন্দ হয় উষার বাবার। উষা মুসলমান হয়, বিয়ে হয়।

উষার বাবার চাকরির রিটায়ারম্যান্ট এর ৩০ লাখ টাকাও জমিদার জামাইর দেখানো এক মাল্টিপারপাস সমিতিতে ব্যবসায় খাটান। নও মুসলিম নব বধু উষার সংসার বেশিদিন এগুয় না। ৬ মাস পেরিয়ে গেলেও কমল অার তার বউকে তেতুলিয়ার জমিদার বাড়িতে নিয়ে যান না।

উষার সপ্ন খানখান হয়ে গেল। ওয়াদা দিয়েও কমল উষাকে তার বাড়ি নিলেন না। দেখলেন তার স্বামীর বাড়ি আসলে ভোলা। সে বলেছিল মৎস অফিসের কর্মকর্তা, আসলে সাধারণ কর্মচারী। তার বাবার দেয়া ৩০ লাখ টাকারও হিসেব নেই।আমানতের খেয়ানত শুধু নয়, রীতিমত ডাকাতি। আকাশ ভেঙ্গে পরে উষার মাথায়।

হোটেল কলিগের দেয়া একটি হাদিসের বই পড়ছিলেন মংথা উষা। এক জায়গায় চোখ আটকে যায়। রাসুল সা. এর হাদিস, ‘মুনাফিকের আলামত তিনটি, যখন কথা বলে, মিথ্যা বলে, ওয়াদা দিলে তা খেলাফ করে, আমানতের খেয়ানত করে’।

চোখ সরায় না উষা, ইসলামের নবির এত সুন্দর হাদিস। অথচ তার স্বামী কমল হাদিসের ঠিক উল্টো। এই বুঝি মুসলিম? কমলের সুন্দর ব্যবহার মিথ্যা ওয়াদা মিথ্যা কথা আমানতর খেয়ানত তার জীবনকে দূর্বিসহ করে তুলল।

দু্ংখ শেয়ার করলে একদিন কলিগ বলল, ইসলাম মহান ধর্ম, কমলরা মুনাফিক এগুলো তাদের ব্যক্তিগত দোষ, ইসলামের নয়।

চুপ হয়ে যায় কলিগ হাসান। চোখ বন্ধ হয়ে আসে। সামনে ভেসে উঠে মধ্যপ্রাচ্চের বাদশাহ ও যুবরাজদের কাজ কারবার। মুসলমানদের আমানত ভেঙ্গে তারা লক্ষ-কোটি ডলারের সম্পদ বিদেশে পাচার ও লগ্নি করছে, হালের তরুণ ক্রেজ কাজে লাগিয়ে ডিজিটাল স্বপ্ন দেখিয়ে এক যুবরাজ তলে তলে ইসরাইল সফর করে আসেন, হুথি বিদ্রোহ দমনের নামে ইয়েমেনের মত ইসলামের ঐতিহ্যবাহী দেশ ধ্বংস করেন, কাতারকে দমনের চেষ্টা করেন, সুন্দর কথা বলে সুন্দর চেহারা নিয়ে মিল্লাতে মুসলিমকে ধ্বংস করে দিচ্ছেন।

এত বড় বুনিয়াদি রাজ মুনাফিকদের জন্য আজ মুসলিম বিশ্ব বিপদের কবলে পতিত। তারা ওয়াদা খেলাফকারী, তারা অনেকেই মিথ্যাবাদী, তারা আমানতের খেয়ানতকারী। তারা অনেকেই ভণ্ড। থাইলেন্ড-সিংগাপুরের ক্যাসিনোগুলোতে তাদের লোকজনকে কেন দেখা যাবে? তাদের চরিত্র কেন এত অসুন্দর!

উষার ডাকে হাসানের অন্যমনষ্কতা থামে। ফিরে আাসে পুরনো কথায়। কী এমন ভাবছেন বলুনতো? না, কি বলব আর, কক্সবাজারের তোমার কমল, মধ্যপ্রাচ্চের রাজপুত কাকে ভরসা করব আমরা?

মুনাফিকে ছেয়ে গেছে মুসলিম বিশ্ব। নাফরমান হয়ে গেছে তারা, তারা কি ক্ষমা পাবে আল্লাহর কাছে? কুরান কি ববলছে দেখুন, সবাইকে অনুরোধ করব কুরানের সুরা মুনাফিকুন পড়তে।

‘(আসলে) তুমি এদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করো কিংবা না করো এ দুটোই তাদের জন্য সমান, কারণ আল্লাহ তায়ালা কখনই তাদের ক্ষমা করবেন না। আল্লাহ তায়লা কখনও কোন নাফরমান জাতিকে হেদায়াত দান করেন না। সুরা মুনাফিকুন, আয়াত নং ৬।

লেখকের আরও লেখা

চা দোকানের আড্ডায় ‘গীবত’ চিনির চেয়েও মিষ্টি

ঘুষের মধ্যে ভিটামিন আছে; ঘুষখোরের মাইরও আছে

দুর্নীতি চলছেই বাধাহীন গতিতে

জিততে পারেন পুরস্কার! লিখতে পারেন বইমেলার বইয়ে!

আওয়ার ইসলাম: ইসলামি দলগুলো ভাঙে কেনো! কারণ কী! এ ভাঙন রুখতে হলে, সিয়াসি ময়দানে টিকতে হলে কী করা উচিত আর কী করা উচিত নয়; এ নিয়ে আপনার কাছে থাকতে পারে চমৎকার কোনো আইডিয়া।

আপনিও দিতে পারেন মানানসই কোনো পরামর্শ। হতে পারে সেটা ইসলামি রাজনীতিবিদদের জন্য টিকে থাকার টনিক। লিখে ফেলুন ঝটপট। পাঠিয়ে দিন আমাদের কাছে, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৭’র আগেই। সেরা তিন লেখক পাবেন নগদ অর্থ পুরস্কার।

১ম পুরস্কার নগদ ১০, ০০০টাকা!
২য় পুরস্কার নগদ ৬, ০০০ টাকা!
৩য় পুরস্কার নগদ ৪,০০০ টাকা!

এছাড়া, সেরা দশটি লেখা প্রকাশিত হবে ফেব্রুয়ারি বইমেলায়, বই’র মোড়কে। তার মানে আপনার সামনে সুযোগ আছে, আপনিও হয়ে উঠতে পারেন বইমেলায় প্রকাশিত একটি বইয়ের গর্বিত লেখক।

নিয়মাবলি

-লেখার সাথে নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য সূত্র উল্লেখ থাকতে হবে।
– বিষোদগারমূলক লেখা গ্রহণ করা হবে না।

– লেখাটিকে ৩০০০-৫০০০ শব্দের ভেতর রাখবার চেষ্টা করতে হবে।
– ভূমিকা ব্যাখ্যা বিস্তারিত বর্ণনা দলিল ও সার সংক্ষেপসহ সম্ভাবনা ও সমাধান লিখতে হবে।
– লেখার টাইম লাইন হতে পারে ১৯৭১-২০১৭ , ইসলামি আন্দোলনের উত্থান পতনের ইতিহাস।

– ইমেইলে লেখা পাঠাতে হবে। বিজয় কীবোর্ডে সুতন্নি এমজে ফন্টে লিখতে পারলে ভাল। সমপর্যায়ের ফন্টের লেখাও গৃহিত হবে।

– অন্যের লেখা কপি বা অনুলিপি গ্রহণযোগ্য হবে না।
– ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।
– কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই ফাইনাল বলে বিবেচিত হবে।

লেখা নিরীক্ষণে থাকবেন জনাব রশিদ জামিল এবং আবুল কালাম আজাদ। সার্বিক দিক নির্দেশনায় আহমাদ আবু সুফিয়ান। সার্বিক খেদমতে রয়েছেন বিশিষ্ট আলেম ও গবেষক খতিব তাজুল ইসলাম।

লেখা পাঠানোর ঠিকানা: bokharasyl@gmail.com

বিয়ের দিনেই চলে গেলেন মাওলানা জামিল হোসাইন

হামিম আরিফ: কথা ছিল নতুন জীবনে পা রাখার, কিন্তু অন্তিম গন্তব্যেই চলে যেতে হলো হাফেজ মাওলানা জামিল হোসাইনকে। সবাইকে কাদিয়ে ঠিক বিয়ের দিনই ইন্তেকাল হলো তার। থেমে গেল জীবন প্রদীপ।

কারী মাওলানা জামিল হোসাইন সিলেটের চতুল এলাকার বাসিন্দা। একজন সমাজ ও রাজনীতি সচেতন আলেম ছিলেন।

জানা যায়, গত সপ্তাহে মাওলানা জামিল হোসাইন বিয়ের জন্য কেনাকাটা করতে যাওয়ার সময় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন। কয়েকদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ইন্তেকাল করেন৷ ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন৷

কারী মাওলানা জামিল হোসাইন সিলেটের কানাইঘাট থানার হারাতৈল গ্রামের হোসাইন আহমদের ছেলে। সিলেটের জৈন্তাপুরের সরুখেল গ্রামের আলহাজ রহিম উদ্দিনের মেয়ে শাহিনা আকতার সাদিকার সঙ্গে আজ তার বিয়ে তারিখ ছিল।

মাওলানা জামিল হোসাইনের ব্যাপারে সৌদি প্রবাসী হারুন রশিদ নামের একজন ১০ ডিসেম্বর ফেসবুকে লেখেন, মাওলানা জামিল হোসাইন চতুলী একজন সম্ভাবনাময়ী তরুণ আলেমে দীন। যোগ্যতা, মেধা ও আচার-ব্যবহারে একজন অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব।

যে ভাইটি চতুল বাজার গেলে বড় করে ভাই সাহেব ডাকতো সেই ভাইটি অাজ অনেক দিন থেকে মটর সাইকেল এক্সিডেন্ট করে এখনো জ্ঞান ফিরেনি। ভাইটির কথা স্মরণ হলে চোখের পানি চলে অাসে। তার ব্যবহার অাচার অাচরণ সব সময় মনে পড়ে।

ভাইটি আজ মৃত্যর বিছানায় শুয়ে অাছে। ১১ ডিসেম্বর তার বিয়ের তারিখ। সেই দিন অনেক আনন্দ করার কথা ছিল ভাইটির। কিন্তু সে আনন্দ করা হবে কিনা মহান অাল্লাহ পাক জানেন।

৫নং বড়চতুল ইউনিয়নের সাবেক ছাত্র জমিয়তের সভাপতি ছিলেন তিনি। অামাদের এলাকার এক মাদরাসার উস্তাদ ও মসজিদের ইমামও ছিলেন। মহান অাল্লাহ পাক এই ভাইকে শিফায়ে অাজিলা দান করুন। অামিন।

মুহাম্মাদ নামের সংক্ষেপণ বা এব্রিবিয়েশন করা কি উচিত?

ইসরায়েলি নিরাপত্তারক্ষীকে ফিলিস্তিনি তরুণের ছুরি মারার ভিডিও ভাইরাল

মঈনুদ্দীন তাউহিদ: চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতে ফিলিস্তিনি এক তরুণের ছুরিকাঘাতের শিকার হয়েছে ইসরায়েলি নিরাপত্তারক্ষী। সেই ভিডিও গণমাধ্যমসহ সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে।

জেরুসালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী ঘোষণার পর থেকে দেশটিতে চলছে ব্যাপক সংঘর্ষ। ফিলিস্তিনি তরুণদের উপর হামলে পড়ছে ইসরায়েলি সেনা ও নিরাপত্তারক্ষীরা। ফিলিস্তিনিরাও চেষ্টা করছেন তাদের প্রতিহত করতে। এরই প্রেক্ষিতে ছুরি মারার ঘটনা ঘটল।

জানা যায়, জেরুসালেমের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে চেকিংয়ের সময় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। সিসি ক্যামেরায় ধারণকৃত ফুটেজে দেখা যায় ফিলিস্তিনি ওই যুবক তার জ্যাকেটের ভেতর লুকিয়ে রাখা ছুরিটি সুযোগমত বের করে ঢুকিয়ে দেয় নিরাপত্তায় নিয়োজিত ইসরায়িলির বুকে!

দ্রুত কাজ সমাপ্ত করে তরুণটি সেখান থেকে প্রস্থান করে। যদিও ভিডিওটিতে দেখা গেছে ওই তরুণকে ধরার জন্য তার পেছনে ছুটছেন একজন।

সূত্র: আরটি এ্যারাবিক

হাজীপাড়ার দস্তারবন্দী ও ইসলাহী মাহফিল ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর

আবদুল কাইয়ুম শেখ: আগামী ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর বুধ ও বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার কাশীপুর ইউনিয়নের দেওয়ানবাড়ী সংলগ্ন মারকাযুল উলূম আল ইসলামিয়া হাজীপাড়া মাদরাসায় এ যাবৎকালের ফারেগীন ছাত্রদের দরস্তারবন্দী উপলক্ষে মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

মাহফিলে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ঐতিহ্যবাহী দারুল উলুম দেওবন্দের মুহাদ্দিস মাওলানা আমীন পালনপুরী। বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সৌদি আরবের শায়খ নাসির বিল্লাহ ও ভারতের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন মাওলানা মুফতি সালমান মানসুরপুরী।

মাহফিলে বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন খতিবে আজম মাওলানা নূরুল ইসলাম ওলীপুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন নারায়ণগঞ্জের ডিআইটি প্লট জামে মসজিদের খতিব ও হাজীপাড়া মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম আলহাজ মাওলানা আবদুল আউয়াল।

মাহফিলের আমন্ত্রিত উলামায়ে কেরামের মধ্যে রয়েছেন, আল্লামা আশরাফ আলী, আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী, আল্লামা নূর হুসাইন কাসেমী, আল্লামা আব্দুল কুদ্দুস, আল্লামা উমর ফারুক সন্দ্বিপী, মুফতী মানুসূরুল হক, মাওলানা ড. মুশতাক আহমাদ, মুফতী মিজানুর রহমান সাঈদ, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, মফতী আবু সাঈদ,   মুফতি জাফর আহমাদ, মাওলানা ফয়জুল্লাহ ও শাইখুল কুররা হাফেয আবদুল হকসহ দেশবরেণ্য আরো অনেক ওলামা মাশায়েখ!

বুধবার বিকাল ৩টা থেকে শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের পর মুনাজাতের মাধ্যমে মাহফিলের কার্যক্রম সমাপ্ত হবে।

ইতোমধ্যেই মাহফিলের আনুষঙ্গিক প্রস্তুতির সিংহভাগ সম্পন্ন হয়েছে। মাহফিলে আসা মেহমানদের জন্য থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে বিছানাপত্র সঙ্গে নিয়ে আসার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ শহর কিংবা পঞ্চবটি থেকে রিকশাযোগে কাশীপুরের দেওয়ানবাড়ী সংলগ্ন হাজীপাড়া মাদরাসায় যেতে হবে। কোনো প্রয়োজনে ০১৭৪৩৮৩৮৯৫৯ যোগাযোগ করে সহযোগিতা নেওয়া যেতে পারে।

ইসরাইল কি তার শেষ পরিণতির দিকেই ধাবিত হচ্ছে?

মিথ্যা সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জমিয়ত মহাসচিবের

আওয়ার ইসলাম: জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী বলেছেন, বিগত ১০ ডিসেম্বর রবিবার কয়েকটি গণমাধ্যমে জমিয়তের ৩ শীর্ষ নেতাকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে মর্মে একটি সংবাদ প্রচারিত হয়। যা ছিল, সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর।

আজ (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় দলের প্রচার সম্পাদক মাওলানা জায়নুল আবেদীন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন তিনি।

বিবৃতিতে আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী বলেন, উক্ত বিভ্রান্তিকর সংবাদটিতে বলা হয়ছে, ‘বিগত ৯ ডিসেম্বর বাদ মাগরিব পল্টনস্থ জমিয়তের দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।’ মূলত ওই দিন দলীয় কার্যালয়ে বাদ মাগরিব কেন্দ্রীয় আমেলার কোন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়নি।

তাছাড়া উক্ত সংবাদে বৈঠকে উপস্থিত সদস্য বলে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের কেউ দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আমেলার বৈঠক আহবানের অধিকার রাখেন না এবং তাদের কর্তৃক কাউকে অব্যাহতি দেওয়ার অধিকারের প্রশ্নই আসে না।

তিনি বলেন, দলীয় গঠনতন্ত্রের ১৬/৮ ও ১৮/২ ধারা মতে কেন্দ্রীয় আমেলা আহবানের অধিকার কেবল দলের সভাপতি ও মহাসচিবের রয়েছে। দলের সভাপতি ও মহাসচিব ছাড়া কেউ আমেলার সভা আহবান করতে পারেন না।

সুতরাং এই মিথ্যা সংবাদে কারো বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই উল্লেখ করে জমিয়ত মহাসচিব বলেন, জাতীয় নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসছে। এমন পরিস্থিতিতে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের দলীয় শৃঙ্খলাবোধ ও রাজনৈতিক দৃঢ় অবস্থানের বিরুদ্ধে কেউ যাতে ষড়যন্ত্র করতে না পারে, সে জন্য দলীয় সকল নেতাকর্মীকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি গণমাধ্যমের প্রতিও এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্টরা সিদ্ধান্ত নেওয়ার বৈধ অধিকার রাখেন কিনা, সেটি যাচাই করে সংবাদ প্রকাশ করতে উদাত্ত আহবান জানান।

তিনি বলেন, যে কেউ যে কারোর বিরুদ্ধে অনধিকারমূলক কিছু বলে দিলেই তো সেটা সংবাদের মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হতে পারে না। সংবাদ কর্মীদের দায়িত্ব রয়েছে, সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা যাছাই করার। কারণ, সংবাদ কর্মী ও সংবাদপত্রকে জাতির বিবেক ও কণ্ঠস্বর বলা হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য, গত ৯ ডিসেম্বর জমিয়তের কার্যনির্বাহী পরিষদের বৈঠকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং অসাংবিধানিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ করে দলটির সহসভাপতি মুফতী মুহাম্মদ ওয়াক্কাসের নির্বাহী সদস্যপদ স্থগিত করা হয়।

এর প্রেক্ষিতে সেদিনই মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাসের পক্ষ থেকে মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমী, মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক ও মাওলানা আবদুর রব ইউসুফীকে দলটি থেকে পাল্টা অব্যাহতি দিয়ে বিবৃতি পাঠানো হয় গণমাধ্যমে।

এবার মাওলানা কাসেমী, ওবায়দুল্লাহ ফারুক ও ইউসুফীকে জমিয়ত থেকে অব্যাহতি দিয়ে পাল্টা বিবৃতি

জমিয়ত থেকে মুফতী ওয়াক্কাসের নির্বাহী সদস্যপদ স্থগিত

ঢাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদরাসার মুহতামিম নিহত

আওয়ার ইসলাম: রাজধানীর কদমতলীর ধনীয় এলাকায় এক মাদরাসার মুহতামিম বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ইন্তেকাল করেছেন। তার নাম হাফেজ মাওলানা শফিকুল ইসলাম (২৭)।

হাফেজ শফিকুল ইসলাম কদমতলী থানাধীন ধনীয় ক্লাব সংলগ্ন আল-কারিম বালিকা মাদরাসার প্রিন্সিপাল ছিলেন। তিনি শরীয়তপুরের পালং উপজেলার আবদুস সালামের ছেলে।

সোমবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টার দিকে ওই মাদরাসায় অসাবধানতাবশত বিদ্যুতায়িত হয়ে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বিকেল ৩টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের ছোট ভাই হাবিবুর রহমান জানান, মাদরাসায় শিক্ষাদানের সময় হঠাৎ বিদ্যুতায়িত হন তিনি। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির উপ পরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া মিডিয়াকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ইসরাইল কি তার শেষ পরিণতির দিকেই ধাবিত হচ্ছে?