All posts by our islam

About our islam

আওয়ার ইসলামে আপনার যে কোনো লেখা ও সংবাদ পাঠান এই মেইলে [email protected]

বৃহৎ উপকারের জন্য একমুখী প্রান্তিক চিন্তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে: আব্দুল মান্নান মিয়াজী

miazi copyমুহাম্মদ আব্দুল মান্নান মিয়াজী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের প্রভাষকপড়াশোনায় ছিলেন অদম্য মেধাবী ফলাফলও ঈর্ষণীয় ২০০০ সালের দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে মেধাতালিকায় ৭ম স্থান অর্জন করেন ২০০২ সালে আলিম পরীক্ষায় বোর্ড বৃত্তি লাভ করেন তারপর তুমুল প্রতিযোগিতার পর্ব পেরিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের ঠিকানা গড়ে নেন২০১০ সালে অনার্সে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন এবং কলা অনুষদেও প্রথম হয়ে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদকের জন্য মনোনীত হন ২০১১ সালে এম এ তে  তিন গ্রুপে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে সৈয়দ আবেদ আলী স্মারক স্বর্ণ পদক অর্জন করেন এছাড়াও কিং সউদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা করেন ২০১৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ঢাবির আরবী বিভাগের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত আছেন অবসরে লেখালেখিও করেন প্রকাশিত গবেষণামূলক প্রবন্ধ ৪ ও গ্রন্থ দুটি দেশে আরবী ভাষার বিস্তারে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষদের নিয়ে গড়ে তুলেছেন মুআসসাতুল আরাবিয়্যাহ বাংলাদেশ লিল বুহুস ওয়াল মাআরিফ ব্যক্তি জীবনেও তিনি সুখী, এক সন্তানের জনকসরলতা আকীর্ণ এই বিদ্বান মানুষটির সাথে কথা হয় ঢাবির ক্যাম্পাসে সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রোকন রাইয়ান ও আবু সাঈদ জোবায়ের

বাংলাদেশে ইসলাম এখন কোন অবস্থায় আছে?

বিষয়টি একটু ব্যাখ্যা সাপেক্ষ ব্যাক্তি পর্যায়ে দৃষ্টি দিলে দেখা যায় ভালই কিন্তু সামাজিক বা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ইসলাম খুব ভাল নেই এক কথায় বলা যায় ইসলাম বাংলাদেশে মাঝারি অবস্থানে আছে

এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য কি করণীয়?

আব্দুল মান্নান মিয়াজী: আসলে ইসলামের গোড়াপত্তন হয়েছে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি, মানুষ থেকে মানুষ, এভাবেই সাহাবীরা মহানবী (সা:) কে দেখে ইসলাম শিখেছেন এখন ঠিক এমন একজন সর্বোতভাবে অনুকরণীয় ব্যক্তির খুব অভাব একজন সংস্কারক হয়ত আমাদের এ অবস্থা থেকে উত্তরণ করতে পারেন

এমন যোগ্য ব্যক্তি তৈরি না হওয়ার কারণ কি?

যুগের অবক্ষয় এর একটি কারণ। সময়ের চাহিদার পরিবর্তনও একটি বড় কারণ। এখন প্রয়োজন কালোত্তীর্ণ যোগ্যতার একদল আলিম। যারা সমাজে বহুমুখী অবদান রাখতে পারবেন। তবে আদর্শের জায়গায় আগের মত ব্যক্তি তৈরি না হলেও, এখন বহুমুখী প্রতিভা ও কাজের কিছু মানুষ দেখা যাচ্ছে। অনেকে মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেও আবার সাধারণ শিক্ষায়ও পড়াশোনা করে যাচ্ছেন। এমনটা আগে কম হত।   

ধর্মীয় কাজের বিভিন্ন শাখার মাঝে সমন্বয়হীনতার কারন কি?

আসলে আমাদের মাঝে মাঝে দ্বীনের যে শাখায় যিনি কাজ করছেন, সে শাখাকেই তিনি দ্বীনি কাজের একমাত্র মাধ্যম মনে করছেন। যিনি মাদরাসায় পড়াচ্ছেন, তিনি একেই একমাত্র মাধ্যম মনে করছেন। যিনি তাবলীগ করছেন তিনি একেই একমাত্র মাধ্যম মনে করছেন। আসলে এই একমুখী প্রান্তিক চিন্তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আমি নিজে যাই করি অন্যের কাজের স্বীকৃতি দিতে হবে।

আমাদের জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থায় যতুটুকু ইসলাম আছে, তা কি যথেষ্ট?

ইসলাম শিক্ষার একটি বড় উদ্দেশ্য হল বাস্তব জীবনে তার প্রতিফলন। আমাদের শিক্ষার্থীরা ইসলাম শিখছে আর দশটি বিষয়ের মতই। তাই এ বিষয়ে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য।বাস্তব জীবনে তার প্রতিফলন নিয়ে তারা খুব বেশী সচেতন নয়।

শিক্ষাব্যবস্থায় এধরনের জীবনমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা কি সম্ভব?

আসলে এবিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টিই হল মূল।বিভিন্ন উপায়ে শিক্ষকদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।নৈতিকতা তো শুধু বইয়ের বিষয় নয়,জীবনে বাস্তবায়নের বিষয়। অনেক ধর্ম শিক্ষকের ব্যক্তি জীবনও দেখা যায় প্রশ্নবিদ্ধ। তাই শিক্ষদের মাধ্যমেই প্রথম সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।

আচ্ছা আপনি তো ঢাবির আরবী বিভাগের শিক্ষক। আপনার বিভাগের শিক্ষার্থীরা দেশের আরবী বিষয়ক কাজের সাথে কতুটুকু সম্পৃক্ত?

আপনারা জানেন যে, আমাদের দেশে একাডেমিক শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রের মাঝে অনেক সময় সমন্বয় থাকে না। যিনি একাডেমিক পড়াশোনা করেছেন একটি বিষয়ে, দেখা যায় কর্মক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভিন্ন কাজ তিনি করে যাচ্ছেন। তাই আরবীতে পড়েও আমাদের শিক্ষার্থীরা ভিন্ন ক্ষেত্রেই বেশী কাজ করেন

আরবী ভাষা সাধারণ মানুষের আরো কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য আপনাদের কোন পদক্ষেপ আছে কি?

হ্যাঁ, এক্ষেত্রে বেশ কিছু পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি। যেমন, ঢাবির শিক্ষক ইউসুফ স্যার দীর্ঘদিন এ বিষয়ে একটি টেলিভিশন প্রোগ্রাম করেছেন।এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের নিয়ে আমরা আরবী ভাষার প্রসারে একটি সংগঠন করেছি। নাম ‘মুআসসাতুল আরাবিয়া লিল বহুস ওয়াল মাআরিফ’।

সাধারণ মানুষের মাঝে দাওয়াত সংক্রান্ত কাজের সবচেয়ে কার্যকরী পন্থা কী?

মানুষের কাছে গিয়ে দাওয়াত দেয়াই সম্ভবত সবচেয়ে কার্যকরী। ইদানিং মিডিয়াও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তবে প্রাইমারি লেভেলে মানুষের কাছে গিয়ে দাওয়াতি কার্যক্রম চালানোই ভাল এবং অধিক ফলপ্রসূ।   

সময় দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

আপনাদের ও ধন্যবাদ।

আরএফ

শীতে ঠান্ডা পানিতে গোসল করবেন কেন?

gosolআওয়ার ইসলাম: শীতে ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করতে ভয়? ভরসা গরম পানি? সাহস করে রোজ সকালে ঠাণ্ডা পানিতেই গোসল করুন। বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। সুস্থ ও সতেজ থাকবে হার্ট। ব্লাড প্রেশার থাকবে স্বাভাবিক। দিনভর থাকবেন এনার্জিতে ভরপুর।

চিকিৎসকদের পরামর্শ, শীতে ঠাণ্ডা লাগলেও গোসল করতে হবে ঠাণ্ডা পানিতে। পাল্টাতেই হবে গরম পানিতে  গোসল করার অভ্যাস। শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বেড়ে যাবে। সকালে শরীর বেয়ে যখন ঠাণ্ডা পানির ধারা নেমে আসে, শিউরে ওঠে শরীর। ঠিক তখনই গভীর শ্বাস টেনে নেয় শরীর। শরীরে ঢোকে অনেক বেশি অক্সিজেন।

এই অক্সিজেন শরীরকে গরম রাখে। হার্ট রেট বেড়ে যায়। গোটা শরীর দিয়ে রক্ত ছোটাছুটি করে দ্রুত। ফলে সারাদিনের এনার্জি সঞ্চয় করে নেয় শরীর। নিয়মিত ঠাণ্ডা পানিতে গোসল  করলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ক্রিয়া স্বাভাবিক থাকে।

চিকিৎসকরা বলছেন, শরীর ঠাণ্ডা পানিতে সংস্পর্শে এলে শরীরের সব অঙ্গে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়। ফলে, হার্টের স্বাস্থ্য থাকে অটুট। রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকায় ব্লাড প্রেশারও স্বাভাবিক থাকে। ধমনিতে রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না। ফলে, শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। শুধু হার্টের স্বাস্থ্যই নয়, সকালে নিয়মিত ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করলে শরীর থাকে নিরোগ।

শরীরে দুপ্রকার ফ্যাট রয়েছে। হোয়াইট ফ্যাট ও ব্রাউন ফ্যাট। শরীরে বেশি ক্যালরি ঢুকলে হোয়াইট ফ্যাট বাড়তে থাকে। ক্যালরি না ঝরালে কোমর, পিঠের নিচের দিক, গলা এবং উরুতে ফ্যাট জমতে থাকে। শুরু হয় নানা সমস্যা। ঠাণ্ডা পানি শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে। ত্বককে রাখে মসৃণ। চুল থাকে সতেজ। পেশির সমস্যা দ্রুত সমাধান করে। স্ট্রেস কমায়। ডিপ্রেশন দূর করে। মন খুশিতে ভরে ওঠে। তাই গরম পানিতে গোসল করার বদভ্যাস ছাড়ুন।  (ইন্টারনেট থেকে)

ডিএস

হেদায়াতি বয়ান চলছে: মোনাজাত ১১টার মধ্যে

vola-ijtemaআওয়ার ইসলাম:৫২তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের আখেরী মোনাজাত আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।

সকালে ইজতেমার মুরব্বী মোঃ গিয়াস উদ্দিন এ তথ্য জানান। আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করবেন দিল্লীর মাওলানা মোহাম্মদ সাদ। সকাল ৮টা ২০ মিনিটে হেদায়েতী বয়ান শুরু হয়েছে। দিল্লীর মাওলানা মোহাম্মদ সাদ এ হেদায়েতী বয়ান করছেন। বাদ ফজর বয়ান করেন বাংলাদেশের মাওলানা ইউনুস সিকদার।

আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে মুসল্লিদের স্রোত: 
আখেরী মোনাজাতে অংশ নিতে রবিবার ভোর রাত থেকেই মুসল্লিদের ঢল ছুটেছে টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে। আখেরী মোনাজাতকে কেন্দ্র করে নেয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকা থেকে বিভিন্ন যানবাহনে করে মুসল্লিরা ইজতেমা ময়দানের দিকে যাচ্ছেন। শনিবার রাত ১২টা থেকে যানবাহন চালাচল বন্ধ থাকায় রবিবার ভোর থেকে মুসল্লিরা ইজতেমার আখেরী মোনাজাতে অংশ নিতে ইজতেমা ময়দানের দিকে ছুটে যাচ্ছেন। অনেক মুসল্লি পায়ে হেঁটে ইজতেমা ময়দানে গিয়ে ফজরের নামাজ আদায় করেছেন।

আখেরী মোনাজাতে নিরাপত্তা : 
গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন আর রশীদ জানান, আখেরী মোনাজাতের পর মুসল্লিদের বাড়ি ফেরা পর্যন্ত ইজতেমা ময়দানসহ আশপাশের এলাকায় ৬ হাজারের বেশি পুলিশ নিয়োজিত থাকবে। এছাড়া সাদা পোশাকে মুসল্লিদের বেশে খিত্তায় খিত্তায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

ডিএস

 

রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগের অভিযোগে আসাদের নাম জাতিসংঘের তদন্তে

asadআওয়ার ইসলাম: শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশেই সিরিয়ার সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের দমন করতে গিয়ে ২০১৪-১৫ সালে কমপক্ষে তিনবার রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগ করেছে ।

এ ঘটনায় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ও তাঁর ভাই এতে জড়িত—জাতিসংঘ ও রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংগঠনের (ওপিসিডাব্লিউ) যৌথ প্রতিবেদনে এমন তথ্য রয়েছে বলে দাবি করেছে রয়টার্স।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স তাদের গত শুক্রবারের প্রতিবেদনে দাবি করেছে, জাতিসংঘ ও ওপিসিডাব্লিউ পরিচালিত ‘জয়েন্ট ইনভেস্টিগেশন মেকানিজম’ (জেআইএম) যৌথভাবে সিরিয়ায় সরকারি বাহিনীর রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগের অভিযোগ তদন্ত করছে।

তদন্তসাপেক্ষে জেআইএম ১৫ জনের একটি তালিকা তৈরি করেছে, যারা ক্লোরিন গ্যাস হামলার সঙ্গে জড়িত বলে তদন্তকারীদের দাবি। এ তালিকায় রয়েছেন প্রেসিডেন্ট আসাদ, তাঁর ভাই মাহের, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সামরিক গোয়েন্দা বাহিনীর প্রধানের নাম। তবে রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগের ক্ষেত্রে তাঁদের ঠিক কী ভূমিকা ছিল, এ ব্যাপারে প্রতিবেদনে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। ওই তালিকা রয়টার্সের গোচরে এলেও এখনো তা জনসমক্ষে প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

সাবেক ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তা ও ন্যাটোর একসময়ের রাসায়নিক ও জীবাণু অস্ত্র প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রধান হ্যামিশ ডি ব্রেটন-গর্ডন জেআইএমের ওই তালিকার সমর্থনে বলেন, ‘প্রথমে শীর্ষ নেতারাই (রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগের) সিদ্ধান্তটা নিয়েছে। তারপর নির্দেশটা নিচের দিকে গেছে। ’ বর্তমানে তিনি স্বাধীনভাবে সিরিয়ায় জীবাণু অস্ত্র ও রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগের বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন।

জেআইএমের তালিকার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট আসাদের মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স। তবে সরকারের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দাবি করেছেন, রাসায়নিক অস্ত্র হামলার সঙ্গে আসাদের জড়িত থাকার অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। জেআইএম প্রধান ভারজিনিয়া গ্যাম্বা সন্দেহভাজনদের কোনো তালিকা তৈরির কথা অস্বীকার করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, ‘এখন পর্যন্ত কাউকে সন্দেহভাজন হিসেবে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। ’ যেহেতু তদন্ত সংস্থাটির হাতে কোনো বিচারিক ক্ষমতা দেওয়া হয়নি, তাই সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্র প্রয়োগের পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের তালিকা জেআইএম তৈরি করলেও অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনা সহজ হবে না বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

কেননা সিরিয়া আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সদস্য নয়। রাশিয়ার সমর্থনপুষ্ট আসাদসহ দোষীদের আইসিসির কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে চাইলে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অনুমোদন লাগবে। পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাশিয়া ভেটো দিলে সেটা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

রাজধানী দামেস্কের বাইরের দিকে ঘুতা এলাকায় ২০১৩ সালের আগস্টে সারিন গ্যাস হামলায় হতাহতের পর সরকার আন্তর্জাতিক রাসায়নিক অস্ত্র সমঝোতায় স্বাক্ষর করে। ঘুতায় রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের দায় অস্বীকার করলেও সরকার তাদের হাতে থাকা রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস করার ঘোষণা দেয়।

সূত্র : রয়টার্স।

ডিএস

ভূমধ্যসাগরে নৌডুবি: নিহত ৮, নিখোঁজ ১০০

nou dubiআওয়ার ইসলাম:লিবিয়ার উপকূলের কাছে ভূমধ্যসাগরে অভিবাসীবোঝাই একটি নৌযানডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে  নিহত হয়েছেন আটজন। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ১০০ জনের মতো অভিবাসী।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ইতালির উপকূলরক্ষী বাহিনী জানিয়েছে, সাগর থেকে আটজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে চারজনকে। অন্ধকার নেমে আসার কারণে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অনেকেই এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। ফ্রান্সের নৌবাহিনীর একটি জাহাজসহ বেশ কয়েকটি নৌযান উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

লিবিয়া থেকে অভিবাসী নিয়ে ইতালি যাচ্ছিল নৌকাটি। লিবিয়া উপকূল থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে ডুবে যায় সেটি। তবে নৌকার অভিবাসীরা কোন দেশের নাগরিক, তা নিশ্চিত করা যায়নি।

এর আগে শুক্রবার ইতালির উপকূলরক্ষী বাহিনী ভূমধ্যসাগর থেকে ৫৫০ অভিবাসীকে উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে উদ্ধারকাজে নিয়োজিত একজন চিকিৎসক জানান, একদিন এমনও দেখা গেছে একটি ছোট ডিঙি নৌকায় গাদাগাদি করে ১২৩ জনকে পাচারের চেষ্টা করা হয়েছে।

২০১৫ সাল থেকেই স্থলপথে অভিবাসীদের ইউরোপে প্রবেশের হার বেশ কমে আসে। তার পর থেকেই বাড়তে থাকে বিপজ্জনকভাবে সমুদ্রপথে ইউরোপে ঢোকার চেষ্টা।
জাতিসংঘের শরণার্থী-সংক্রান্ত সংস্থা ইউএনএইচসিআরের জরিপ মতে, নতুন বছরের প্রথম দুই সপ্তাহেই এক হাজারের বেশি অভিবাসী সমুদ্রপথে ইউরোপে প্রবেশ করেছে।  এর আগে ২০১৬ সালে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে ঢুকতে গিয়ে নিহত হন পাঁচ হাজার অভিবাসী।

ডিএস 

রোহিঙ্গা বিষয়ে মিয়ানমারের ওপর আরও চাপ লাগবে

rohinga17আওয়ার ইসলাম: মিয়ানমারের গণতন্ত্রে উত্তরণকালীন সরকারের বিশেষ দূত চাও টিনের সফরের পর দেশটি রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকটের প্রতি মনোভাব পরিবর্তন করে কি না, সেটা দেখার জন্য আমরা অপেক্ষা করব।

যদিও বিশেষ দূত সমস্যার শিকড়ে গিয়ে এর একটি স্থায়ী সমাধান খোঁজার ব্যাপারে দেশটির অনাগ্রহী মনোভাবের যে ইঙ্গিত রেখে গেছেন, তাতে আশাবাদী হওয়ার সুযোগ ক্ষীণ।

তবে এটা সব সময়ই আমাদের মনে রাখতে হবে যে, তাঁরা আমাদের এক নিকটতম প্রতিবেশী। এ কারণে সাম্প্রতিককালে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার যে কথিত প্রস্তাব মি. টিন দিয়েছেন, তার উদ্দেশ্যগত দিকটি গভীরভাবে বিচার-বিবেচনার দাবি রাখে। এর মূল লক্ষ্য যদি হয় আরও আগে থেকেই বাংলাদেশে অবস্থান করা কয়েক লাখ রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নেওয়ার পথ বন্ধ করে দেওয়া, তাহলে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না।

 রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক নেত্রী অং সান সু চি বাংলাদেশে একজন বিশেষ দূত পাঠিয়ে শুভবুদ্ধির পরিচয় দিয়েছেন। তবে রোহিঙ্গাদের বিষয়ে তাঁর প্রকাশ্য বক্তৃতা-বিবৃতি, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রতি সংকল্পবদ্ধ থাকার অঙ্গীকারের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। বরং অতীতের নিরঙ্কুশ সামরিক শাসনামলে রোহিঙ্গা সংকটের প্রতি আমাদের এই প্রতিবেশী বন্ধুদেশটির যে মনোভাব ছিল, এখন সেটা আরও বেশি জটিল হয়ে পড়েছে।

বাংলাদেশ সরকার মিয়ানমারের এই বিশেষ দূতের সফরকালে তাদের অবস্থান আগের তুলনায় বেশ জোরালোভাবেই তুলে ধরেছে। পরিস্থিতি এখন যেখানে গিয়ে দাঁড়িয়েছে, তাতে মনে হয় শুধু দ্বিপক্ষীয় ভিত্তিতে এই সমস্যার সুরাহা সম্ভবত হবে না। বাংলাদেশকে সম্ভাব্য সব বহুপক্ষীয় ফোরামে তুলে ধরার বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে।

মালয়েশিয়ার মতো আসিয়ানের কয়েকটি দেশ লক্ষণীয়ভাবে মিয়ানমার সরকারের রোহিঙ্গাবিরোধী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সোচ্চার রয়েছে। সামনে ওআইসির বৈঠক বসছে। আমরা মনে করি, পরিস্থিতির যে ব্যাপকতা ও তা যে জটিল রূপ নিয়েছে, তাতে বিষয়টি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অ্যাজেন্ডাভুক্ত হওয়ারও দাবি রাখে।

রোহিঙ্গা ইস্যুর যেহেতু আঞ্চলিক দিক রয়েছে, তাই আঞ্চলিক দেশগুলোকেও এ বিষয়ে যুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে। বিলম্বে হলেও ভারতের মিডিয়া ও সুশীল সমাজকে এ ব্যাপারে কিছুটা হলেও সরব দেখা যাচ্ছে। তবে বিস্ময়করভাবে চীন এ ব্যাপারে একেবারেই নীরব রয়েছে। বাংলাদেশকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সমর্থন আদায়ে জোরেশোরে নামতে হবে।প্রথম আলো

ডিএস

চূড়ান্ত হবে শিক্ষা খসড়া আইন; যাচ্ছে বিশিষ্টজনদের টেবিলে

sikkha-mআওয়ার ইসলাম:বহুল আলোচিত শিক্ষা আইনের খসড়া ফের শিক্ষাবিদসহ বিশিষ্টজনের কাছে উত্থাপন করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মতামত ও পরামর্শ নিয়ে চূড়ান্ত হবে খসড়া আইন।

এর পর যাবে মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য। কোচিং-টিউশনি, সহায়ক বইয়ের বিষয়ে স্পষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরবে মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র  এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনে কোচিং-টিউশনি, সহায়ক বইয়ের বৈধতা দেওয়ার খবরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় উঠে বিভিন্ন মহলে।

এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ আমাদের সময়কে জানান, শিক্ষার সামগ্রিক বিষয়ে একটি নির্ভুল আইন করার চেষ্টা চলছে। আইনের খসড়া নিয়ে ইতোমধ্যে বহুবার দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, শিক্ষানুরাগীদের মতামত নেওয়া হয়েছে। এর পরও অনেকে বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন-ভিন্ন মত দিয়েছেন। আলোচনা-সমালোচনা করেছেন। এ জন্য আবারও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সবাইকে নিয়ে বসবে। সবার মতামতের ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য শিক্ষা আইন করা হবে।

খসড়া আইনে জেল-জরিমানার বিধান তুলে দিয়ে সহায়ক বা অনুশীলন বই প্রকাশের ক্ষেত্রে অনুমোদন নেওয়ার বিষয়টিও বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অথচ শিক্ষা আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া শুরুর পর এ বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। আন্দোলনও হয়েছে। আইনে কোচিং ও প্রাইভেট টিউশনির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান থেকে সরে ছায়াশিা হিসেবে কৌশলে এর বৈধতা দেওয়ার অভিযোগ তুলে সমালোচনা করেছেন বিশিষ্টজনরা।

অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেন, শিক্ষায় অগ্রগতির বিষয়ে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন ইতিবাচক উদ্যোগের পরেও যদি শিক্ষা আইনে এসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয়, তা হবে শিক্ষাব্যবস্থার  জন্য বিপর্যয়কর এবং শিানীতির মূল ল্য ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আমরা উদ্বেগের সঙ্গে দেখলাম যে, সাধারণ জনগণের চূড়ান্ত মতামত প্রদানের জন্য ওয়েবসাইটে প্রকাশিত অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রণীত চূড়ান্ত খসড়াটিতেও (এপ্রিল ২০১৬) এ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল না। এখন জনমতকে পাশ কাটিয়ে নতুন ধারাগুলো কী কারণে অন্তর্ভুক্ত করা হলো, তা আমাদের বোধগম্য নয়।

গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, এতে শিার মান উন্নয়নের জন্য সরকারের সদিচ্ছা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। পারিবারিক পর্যায়ে শিার সামগ্রিক ব্যয় বৃদ্ধি পাবে। সর্বোপরি মূলধারার শিাব্যবস্থা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হবে।

অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীসহ দেশের ৩৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির বিবৃতিতে প্রস্তাবিত শিা আইন অর্থহীন, বৈষম্যমূলক ও শিশু অধিকার পরিপন্থী বলে অভিহিত করা হয়। তারা বলছেন, কোচিং ও প্রাইভেট টিউশনিকে বৈধতা দেওয়া হলে শিার সবকিছুই অর্থহীন হয়ে পড়বে। বিবৃতিতে তারা স্বাধীনতার চার দশক পরে শিা আইন চূড়ান্তকরণের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে সাধুবাদ জানান।

একটি সূত্রে জানা গেছে, সহায়ক বই প্রকাশ এবং কোচিং পরিচালনার বিষয়ে শিক্ষা আইনে কঠোর শাস্তির বিধান সংযুক্ত করতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, আইনের খসড়ায় থাকা ‘ছায়াশিক্ষা’র নামে কোচিং ও প্রাইভেট টিউশনির বৈধতা দেওয়া এবং বিনা অনুমতিতে সহায়ক বই প্রকাশের বিষয়টি পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষামন্ত্রণালয়। কীভাবে এই দুই বিষয়ে আরও কঠোর হওয়া যায়, তার চিন্তাভাবনাও চলছে। এ বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে মন্ত্রণালয়ের শাখাপ্রধানদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী।

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০-এর সুপারিশের আলোকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘শিক্ষা আইন’ করার উদ্যোগ নেয়। ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত সভার পর সভা করেই চলছে মন্ত্রণালয়। খসড়া চূড়ান্ত করতে পেরিয়ে গেছে ছয় বছর। জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে শিক্ষা আইন ২০১৭ পাস করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

ডিএস

আজ ইজতেমার আখেরি মোনাজাত

vola-ijtemaআওয়ার ইসলাম: আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে শুরু হবে বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাত । এই মোনাজাত পরিচালনা করবেন ভারতের মাওলানা মোহাম্মদ সাদ। তাবলীগ জামায়াতের মুরুব্বিদের বরাত দিয়ে গাজীপুরের এসপি হারুন অর রশীদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গাজীপুর জেলা অফিসার এস.এম রাহাত হাসনাত জানান, বিশ্ব ইজতেমার এই আখেরি মোনাজাতে ভিভিআইপি, ভিআইপিসহ উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাগন দেশী-বিদেশী প্রায় ৪০ লাখ মুসল্লি অংশগ্রহণ করবেন।

দুই পর্বের আখেরি মোনাজাতে অংশগ্রহণের জন্য গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তা হতে হাজার হাজার মুসল্লি পায়ে হেটে ইজতেমা ময়দানে যাতায়াত করবে। যে কারণে সকাল ৬টা থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চান্দনা চৌরাস্তা হতে টঙ্গী ব্রিজ পর্যন্ত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

এছাড়াও কালীগঞ্জ-টঙ্গী মহাসড়কের মাজুখান ব্রিজ হতে স্টেশনরোড ওভার ব্রিজ পর্যন্ত এবং কামারপাড়া ব্রিজ হতে মুন্নু টেক্সটাইল মিল গেট পর্যন্ত সড়ক বন্ধ থাকবে বলে জানা গেছে।

ডিএস

 

মিডিয়ার মাধ্যমে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী

netaniahoআওয়ার ইসলাম: ইসরায়েলি দৈনিক ইয়েদিয়োত আহরোনোথ-কে কাছে টানতে পত্রিকাটির মালিক আরনন মোজেস-এর সঙ্গে একটি সমঝোতায় যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

 

সম্প্রতি ফাঁস হওয়া এক অডিও টেপে বিয়টি উঠে আসার পর এ ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ফাঁস হওয়া ওই অডিও টেপ অনুযায়ী, আরনন মোজেস-কে নেতানিয়াহু বারবার তার মিডিয়া’র নিয়তির কথা বলেন। এছাড়া বাড়তি টুইস্ট হিসেবে উঠে এসেছে, নিজের সবচেয়ে অনুকূল সংবাদমাধ্যম ‘ইসরায়েল হেওম’ বিতরণের বদলে পাঠকের কাছে বিক্রিতে নেতানিয়াহু’র আগ্রহের বিষয়টি। এ সময় আরনন মোজেস তাকে ক্ষমতা ধরে রাখতে সহযোগিতার অঙ্গীকার করেন।

ইয়েদিয়োত আহরোনোথ-এর প্রতিদ্বন্দ্বী দৈনিক ইসরায়েল হেওম-কে দেওয়া ফ্রি সুবিধাগুলো আরনন মোজেস-এর পত্রিকাকেও দেওয়ার প্রস্তাব দেন নেতানিয়াহু। এই আলোচনা অবশ্য শেষ পর্যন্ত ফলপ্রসূ হয়নি। তবে আলোচনার ফল যাই হোক না; যে কোনওভাবে এর অডিও টেপ ফাঁস হয়ে যায়। ফলে সামনে আসে দুজনের মধ্যকার ঘুষ সংক্রান্ত আলোচনার বিষয়টি। চাপের মুখে পড়েন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।

প্রস্তাবনা অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার বিনিময়ে নেতানিয়াহু সংক্রান্ত কাভারেজে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার কথা ছিল ইয়েদিয়োত আহরোনোথ-গ্রুপের সংবাদমাধ্যমগুলোর। এতে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তো ইসরায়েল হেওম।

সূত্র বলছে, ইসরায়েলের বিচার মন্ত্রণালয়, পুলিশের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা এবং প্রসিকিউটররা এ বিষয়ে একমত যে, নেতানিয়াহু’কে দেওয়া আরনন মোজেস-এর প্রস্তাব ছিল পরিষ্কারভাবেই ঘুষ।

আরনন মোজেস প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, নেতানিয়াহু যতদিন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী থাকতে চান; ততদিন তাকে ক্ষমতায় রাখার জন্য তিনি সবকিছুই করবেন।

আরনন মোজেস নেতানিয়াহুকে কিছু সাংবাদিককে বাছাই করতে বলেন; যাদের তিনি শিগগিরই তার সংবাদমাধ্যমগুলোর জন্য কাজে লাগাবেন।

প্রকৃতপক্ষে আরনন মোজেস তার সংবাদমাধ্যমগুলোকে ব্যবহার করে নেতানিয়াহু’র একটি ইতিবাচক ইমেজ তৈরি করতে চেয়েছিল। বিনিময়ে তিনি চেয়েছিলেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরায়েল হেওম যেন পাঠকের কাছে বিতরণের পরিবর্তে বিক্রি করা হয়। কারণ সেটা করা হলে তার পক্ষে সহজেই ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্দ্বীকে চাপে ফেলা সহজ হবে। ইসরায়েল হেওম নামের ওই পত্রিকাটির মালিক নেতানিয়াহু’র ঘনিষ্ঠ যুক্তরাষ্ট্রের ধনাঢ্য ইহুদি ক্যাসিনো ব্যবসায়ী শেলডন অ্যাডেলসন।

আরনন মোজেস-এর প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দেন নেতানিয়াহু। বিষয়টি নিয়ে সামনে এগোনোরও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

আল জাজিরা’র সাপ্তাহিক আয়োজন ‘দ্য লিসেনিং পোস্ট’ অনুষ্ঠানে এ বিষয়টিসহ সমসাময়িক নানা বিষয়ে কথা বলেছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা। এদের মধ্যে রয়েছেন সেভেন্থ আই-এর লেখক আনাত বালিন্ত, অ্যারিয়েল ইউনিভার্সিটি’র স্কুল অব কমিউনিকেশন-এর সহযোগী অধ্যাপক রাফি মান, ইসরায়েলি দৈনিক হারেৎজ-এর লেখক অ্যানসেল ফেফার এবং লিবারেল ম্যাগাজিনের এডিটর ইন চিফ রোটেম ডানোন। অনুষ্ঠানটি দেখতে পারেন নিচের লিংক থেকে।

ডিএস

৮৪ বছর বয়সে বিয়ে করলেন আ.লীগ নেতা মন্টু

montuআওয়ার ইসলাম: অবশেষে বিয়ে করলেন ৮৪ বছর বয়সী আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মজিদ মন্টু ওরফে মন্টু দাদা। তিনি পাবনার সুজানগর উপজেলার ভবানীপুরে বাসিন্দা।

শুক্রবার নিজ বাড়ি সুজানগর পৌরসভার ভবানীপুর থেকে ২৫ জন বরযাত্রী নিয়ে কনের বাড়ি ঈশ্বরদী উপজেলার শাহাপুর গ্রামে যান তিনি।
কনে ৪৮ বছর বয়সী রুশনা খাতুনের সঙ্গে ৭৫ হাজার ১ টাকা দেনমোহরে বিয়ে সম্পন্ন করেন বর মন্টু দাদা।

সুজানগর পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওহাব জানান, সুজানগরে সর্বপ্রথম যে দুই-তিনজন ব্যক্তি আওয়ামী লীগকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তার মধ্যে আবদুল মজিদ মন্টু অন্যতম।

বর্তমানে আবদুল মজিদ মন্টু সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সদস্য। এর আগে তিনি সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ছিলেন।

এদিকে মন্টু দাদার বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়লে দলমত নির্বিশেষে সব মানুষের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইতে থাকে। সুজানগর বাজারের ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ছেড়ে রাস্তার পাশে দাড়িয়ে বর ও কনেকে স্বাগত জানান।

এর আগে সুজানগর উপজেলা ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ বিশাল মোটরসাইকেলের বহর ও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে তারাবাড়িয়া বাজার এলাকা থেকে এগিয়ে নিয়ে আসেন নবদম্পতিকে।

মন্টু দাদা এক প্রতিক্রিয়ায় তাদের বিবাহিত জীবন যেন সুখময় হয় এজন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

ডিএস