All posts by our islam

About our islam

আওয়ার ইসলামে আপনার যে কোনো লেখা ও সংবাদ পাঠান এই মেইলে [email protected]

ইসরাইলি বাহিনীর গান পয়েন্টে দাঁড়ানো এক নারীর গল্প

ওমর ফাইয়ায : একদিকে শত শত ইসরাইলি সৈন্য রাইফেল তাক করে বসে আছে। অন্য দিকে এক তরুণী টিয়্যার গ্যাস থেকে বাঁচার জন্য অর্ধেক মুখ মাস্ক দিয়ে ঢেকে বিক্ষোভ মিছিলের একেবারে সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি দাঁড়িয়ে আছেন মিছিলে অংশ নেওয়া তরুণদেরও সামনে, তাদেরকে নিরাপত্তা দিচ্ছেন।

‘কারণ নারীদের দিকে কম গুলি ছোঁড়া হয়’ বলছিলেন ২৬ বছর বয়সী তাগহরীদ আল বারাওয়ীভ

তার সাথে কথা হয় গত ১৩ এপ্রিল যখন তিনি গাজায় ইসরাইলের সীমানার কাছে লাগাতার চলতে থাকা তৃতীয় জুমার বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন। তার সাথে ছিলেন তার ছোট বোন এবং কিছু বন্ধু।

তিনি বলছিলেন, আমরা একটি পুরুষ শাসিত সমাজে বাস করি এবং বিক্ষোভে নারীদের অংশগ্রহণ গাজায় কিছু মানুষের কাছে অস্বাভাবিক মনে হতে পারে। তবে এখন পুরুষরা এটা গ্রহণ করছে এবং আমাদের বিক্ষোভে অংশ নিতে সাহস যোগাচ্ছে। তারা হয়তো উপলব্ধি করতে পারছে আমরা সবাই এই লড়াইয়ের অংশীদার এবং নারীদেরও বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করা উচিত।

কিন্তু নারী হওয়াও নিরাপদ থাকার জন্য যথেষ্ঠ নয়।

সাম্প্রতিক বিক্ষোভে ১৬০ জন নারী সহ ১৬০০ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছে এবং ৩০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে শহিদ হয়েছে।

আল জাজিরা ইংলিশ থেকে ওমর ফাইয়াযের অনুবাদ

এফএফ

মদের সাথে সম্পর্কিত ১০ ব্যক্তি অভিশপ্ত

ওমর ফাইয়ায: যে ব্যক্তি মদের সাথে কোনো ধরনের সম্পর্ক রাখবে, সে আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত হবে।

হজরত আনাস রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল. মদের সাথে সম্পর্কিত দশ শ্রেণির মানুষকে অভিশাপ দিয়েছেন।

(১) মদ বানানোর জন্য যারা আঙ্গুর নিংড়ে রস বের করে। (২) যাদের নির্দেশে মদ বানানো হয়।(৩) যারা পান করে।

(৪) যারা পরিবেশন করে। (৫) যাদের জন্য পরিবেশন করা হয়। (৬) মদ যারা পান করায়। (৭) মদ যারা বিক্রি করে। (৮) মদের মূল্য যারা খায়।

(৯) মদ যারা ক্রয় করে। (১০) যার জন্য মদ ক্রয় করা হয়।

সূত্র: সুনানে আবু দাউদ

ধর্ষিতা আফিফার পক্ষে দাঁড়ানোয় মেহবুবা মুফতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র!

ওমর ফাইয়ায
আওয়ার ইসলাম

বিজেপি তার সব মন্ত্রীকে জম্মু কাশ্মীরের মাহবুবা মুফতির সরকার থেকে পদত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছে। বিজেপির কোর কমিটি গ্রুপের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কিছু দিন আগে আট বছর বয়সী শিশু আফিফা ধর্ষণ হত্যার ঘটনায় দোষীদের পক্ষে মিছিল বের করায় জম্মু কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী মাহবুবা মুফতির চাপে বিজেপির দু’জন মন্ত্রী পদত্যাগে বাধ্য হন। সেই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বিজেপি এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্রগুলো জানাচ্ছে, বিজেপির সব মন্ত্রী কাশ্মীর বিজেপির প্রধানকে পদত্যাগপত্র দিয়ে দিয়েছেন। এখন বিজেপির পক্ষ থেকে পদত্যাগপত্রগুলো মুখ্যমন্ত্রী মাহবুবা মুফতির হাতে তুলে দেওয়া হবে।

কাঠুয়া ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দোষীদের পক্ষে র‌্যালি বের করা মাহবুবা মুফতি বিজেপির দুই মন্ত্রীকে পদত্যাগ করানোর জন্য বিজেপিকে চাপ দিয়েছিলেন। এরপর সেই দু’জন মন্ত্রী পদত্যাগ করেন। আর এখন বিজেপি সব মন্ত্রীদের পদত্যাগ করিয়ে উল্টো মেহবুবা মুফতির সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ করতে চাচ্ছে।

কাঠুয়ার ঘটনায় সারা দেশে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে। কারণ দোষীদের পক্ষে যারা কথা বলছেন তাদের মধ্যে বিজেপির নেতা এবং মন্ত্রীরা অন্তর্ভুক্ত থাকার বিষয়টি সামনে আসছে।

জম্মু কাশ্মীরের সরকারে বিজেপির মোট আট জন মন্ত্রী ছিলো। দু’জন পদত্যাগের পর এখন ছয় জন মন্ত্রী আছে।

রোজনামা খবরেঁ থেকে ওমর ফাইয়ায এর অনুবাদ

ধর্ষণের পূর্বে মন্দিরে পূজা দেয় শিশু আসিফার ধর্ষকরা!

বিল গেটস কি ইসলাম গ্রহণ করেছেন? (ভিডিও)

ওমর ফাইয়ায: এটা কি সত্যি যে মাইক্রোসফটের প্রধান প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস ইসলাম গ্রহণ করেছেন?

কিছুদিন ধরে এমন একটি গুজব স্যোশাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ভেসে বেড়াচ্ছে। এই গুজব ছড়িয়েছে একটি ভিডিওর কারণে।

ভিডিওটিতে দেখা যায় একজন পশ্চিমা বৃদ্ধ কালিমা পড়ে ইসলাম গ্রহণ করছেন। ওই বৃদ্ধ ব্যক্তিটির চেহারার সাথে বিল গেটসের চেহারার কিছুটা সাদৃশ্য আছে।

তবে বিল গেটসের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, তিনি বিল গেটস নন এবং বিল গেটস ইসলাম গ্রহণ করেন নি।

নিচের এ ভিডিওতেই মূলত বিভ্রান্তি, ইউটিউবে যা হাজার হাজার লোক দেখছেন…

২০০৫ সনেও বিল গেটস সম্পর্কে এরকম একটি গুজব ছড়িয়ে পড়েছিলো। পরে প্রমাণিত হয় সেটি নিছকই একটি গুজব ছাড়া আর কিছুই নয়।

তখন অনেকেই খবরটি বিশ্বাস করে ফেলেছিলেন কারণ বিল গেটসের মেয়ে জেনিফার ক্যাথরিন নায়েল নাসসার নামের একজন মিশরীয় মুসলিম ব্যক্তির সাথে ডেট করছিলেন এবং তিনি তাকে বিয়ে করবেন বলেও শোনা যাচ্ছিলো।

ইনডিয়া ডটকম থেকে ওমর ফাইয়ায এর অনুবাদ

আরআর

ছয় কাজে জান্নাতের ওয়াদা

ওমর ফাইয়ায

হযরত উবাদা ইবনে সামেত রা.  থেকে বর্ণি ত নবী সা. বলেছেন, তোমরা আমাকে ছয়টি কাজের ওয়াদা করো, আমি তোমাদের জান্নাতে নেওয়ার দায়িত্ব নেবো।
(১) সব সময় সত্য কথা বলো
(২) ওয়াদা করলে পুরো করো।
(৩) তোমাদের কাছে কোনো কিছু আমানত রাখা হলে তা আদায় করো।
(৪) নিজেদের লজ্জাস্থানের হিফাযত করো।
(৫) দৃষ্টি নীচে রাখো
(৬) নিজের হাতকে জুলুম ও বাড়াবাড়ি থেকে বিরত রাখো।

সূত্র: মুসনাদে আহমদ, শুআবুল ঈমান

এফএফ

গ্রামে কবর দিতে দেয়নি হিন্দুরা; রাশানা থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে আফিফার কবর

ওমর ফাইয়ায

কাঠুয়ার রাশানা গ্রাম থেকে পাহাড়ি পথ ধরে প্রায় ৮ কিলোমিটার হেঁটে একটি বিশাল ফসলের মাঠ। সেই মাঠের এক কোণে ছোট্ট একটি কবর। কবরটি আফিফার; জানুয়ারি মাসে ধর্ষিত ও নিহত আট বছর বয়সী মেয়েটির।

মেয়েটির পাঁচ ফুট দৈর্ঘের কবরটির কাছেই তার কয়েকজন দূর সম্পর্কীয় আত্মীয়ের কবর। আফিফার কবরটি এখনও পাকা করা হয় নি। কবরের দুই পাশে দু’টি বড় বৃত্তাকার পাথর। এই পাথর দু’টিই এখন শিশু আফিফার শেষ পার্থিব চিহ্ন।

জমির মালিক আফিফার দূর সম্পর্কের এক আত্মীয় বললেন, ‘আমাদের ঐতিহ্য অনুযায়ী আমরা কবরটিকে এখনই পাকা করতে পারি না। শিশুটির বাবা মা যখন বার্ষিক ভ্রমণ শেষে গুবাদি পশু নিয়ে পাহাড়ে ফিরে আসবেন, তখন কবর পাকা করা হবে।

গত ১৭ই জানুয়ারী যখন আফিফার ক্ষতবিক্ষত দেহ পাওয়া যায়, তখন আফিফার পালক বাবা -যিনি শিশুকালে তাকে দত্তক নিয়েছিলেন- চেয়েছিলেন আফিফাকে রাশান গ্রামেরই একটি স্থানে সমাহিত করবেন; যেখানে এক দশক আগে একটি সড়ক দুর্ঘটনার প্রাণ হারানো তার তিন সন্তান ও তাদের মায়ের কবর।

কিন্তু রাশান গ্রামবাসীরা আফিফাকে কবর দিতে দেয় নি। তারা বলেছিলো, সেই জমিটি বাকরাওয়াল মুসলিম উপজাতিদের নয়, তাই একটি বাকরাওয়াল মেয়েকে সেই জমিতে কবর দেওয়া যাবে না।

আফিফার নানী বলেন, সন্ধ্যা ৬ টার দিকে আমরা কবর প্রায় অর্ধেক খুড়ে ফেলেছিলাম। কিন্তু গ্রামের হিন্দুরা ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে আমাদের কবর খুড়তে বাধা দিলো। তারা বললো, এই জমি আমাদের নয়। তাই আমরা আমাদের মেয়েকে এই জমিতে কবর দিতে পারবো না।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

এফএফ

নিজেকে হিন্দু বললেন শিয়া মন্ত্রী, নিন্দা আলেমদের

ওমর ফাইয়ায: ভারতের ওলামায়ে কেরাম বলেছেন, ভারতীয় মুসলমানরা হিন্দুস্তানি হতে পারে, কিন্তু তারা কখনোই হিন্দু হতে পারে না।

সম্প্রতি যোগী সরকারের একমাত্র মুসলিম মন্ত্রী মুহসিন রেজা বলেছেন, তিনি হিন্দুস্তানে বাস করেন তাই তিনিও একজন হিন্দু।

ওলামায়ে কেরাম বলেন, মুহসিন রেজাই জানেন তিনি মুসলিম না হিন্দু। কিন্তু ভারতে বসবাসকারী মুসলমানরা হিন্দু নয়, তারা বড়জোর হিন্দুস্তানি হতে পারে ।

কোনো কোনো আলেম বলছেন, মুহসিন রেজা এই বক্তব্যের কারণে ইসলাম থেকে বের হয়ে গেছেন।

ওলমায়ে কেরাম বলছেন, ইউপিতে বিজেপি সরকারে আসার পর থেকেই শিয়া বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং মুহসিন রেজা বিজেপিকে খুশি করার জন্য একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতায় নেমে পড়েছেন। তাদের এ ধরনের বক্তব্যের উদ্দেশ্য নিজেদের পদ রক্ষা ছাড়া কিছুই নয়।

ফতোয়া অনলাইনের চেয়ারম্যান মুফতি রাশেদ ফারুকি বলেন, এটা হিন্দুস্তান, তাই এখানকার অধিবাসীরা যে ধর্মেরই হোক তাকে হিন্দু হতে হবে এমনটা ভাবা বোকামি।

রোজনামা খবরেঁ থেকে ওমর ফাইয়ায এর অনুবাদ

ছোট অঙ্গের বড় পাপ!

ছোট অঙ্গের বড় পাপ!

ওমর ফাইয়ায: জবানের অসতর্কতা থেকেই মানুষের অনেক বড় বড় ফিতনা ও ঝগড়া ফাসাদের সূচনা হয়। মানুষের বেশিরভাগ বড় বড় পাপের সম্পর্ক জবানের সাথে।

আরবিতে একটি প্রসিদ্ধ প্রবাদ আছে, اَللِّسَانُ جِرْمُهُ صَغِيْرٌ، وَجُرْمُه كَبِيْرٌ জবানের আকার খুবই ছোট, কিন্তু এর পাপ বড়।

হজরত সুফিয়ান ইবনে আবদুল্লাহ সাকাফি রা.-থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুল সা.-কে বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমার ব্যাপারে আপনার যত আশঙ্কা আছে, এর মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিকর ও ভয়াবহ কোনটি?

হজরত সুফিয়ান রা. বলেন, রাসুল সা. নিজের জবান ধরে বললেন, এটা (অর্থাৎ সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা জবান থেকে।)

আসিফা বানু ধর্ষণ-হত্যা; কাশ্মিরিরা কি এভাবেই পঁচে মরবে?

হজরত ওমর রা.-এর আজাদকৃত গোলাম হজরত আসলাম র. বর্ণনা করেন, একদিন হজরত ওমর হজরত আবু বকরের কাছে গিয়ে দেখলেন, আবু বকর রা. নিজের জিহ্বা ধরে টানছেন।

হজরত ওমর রা. বললেন, থামুন! আপনি কী করছেন! আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করেছেন। হজরত আবু বকর রা. বললেন, এটা আমাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।

সূত্র: সহিহ বুখারি, মুআত্তা মালিক

এফএফ

দিল্লিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনে আশ্রয়হীন ২৫০; আলেমরা বলছেন ষড়যন্ত্র

ওমর ফাইয়ায
আওয়ার ইসলাম

দিল্লিতে জামিয়া নগর শাহীবাগের পার্শবর্তী কালুন্দি কুঞ্জ এলাকায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন লেগে প্রায় ৪৬টি তাবু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

এ ঘটনায় ৫০ শিশুসহ প্রায় আড়াইশো মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। আবাসন সমস্যার পাশাপাশি নিজেদের পরিচয়পত্র নিয়েও তারা জটিল সমস্যায় পড়েছে। কারণ তাদের অনেকেরই আইডি কার্ড এবং অন্যান্য জরুরি কাগজপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

জামিয়তে ওলমায়ে হিন্দ বলছে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, এটা কোনো দুর্ঘটনার নয়, ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আগুন লাগানো হয়েছে।

এই আগুন লাগে ভোর পৌনে চারটার দিকে। ফায়ার ব্রিগেডের দশটি ইউনিট প্রায় চার ঘণ্টা চেষ্টা করে সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আগুন লাগার পর মানুষকে কান্নাকাটি ও ছুটোছুটি করতে দেখা যায়। নারীরা দুধের বাচ্চাদের নিয়ে ক্যাম্প থেকে বের হয়ে পালাচ্ছিলো।

দুর্ঘটনায় কেউ নিহত হয় নি। এক ব্যক্তি আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

যুব মজলিসের রোহিঙ্গা শিবিরের সবচেয়ে বড় মসজিদ ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে

পুলিশ বলছে, আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যাচ্ছে, আগুন লেগেছে শর্ট সার্কিট থেকে।

ঘটনার পরপরেই মাওলানা সাইয়েদ মাহমুদ আসআদ মাদানির নির্দেশে জমিয়তে ওলামায়ে হিন্দের মাওলানা মুহাম্মাদ দাউদ ইয়েমেনি, মাওলানা জিয়াউল্লাহ কাসেমি, মাওলানা আহরারুল হক কাসেমি, মাওলানা সুলাইম, মাওলানা আরেফ কাসেমি জরুরি ত্রাণ সামগ্রি নিয়ে ক্যাম্প পরিদর্শনে যান।

জামিয়তের ওলামায়ে হিন্দ দিল্লির প্রধান মাওলানা আহেদ কাসেমি সকালে ঘটনাস্থলে যান। তার সাথে মাওলানা গায়ূল কাসেমি, কারি হারুন আসআদি, মুফতি হিসামুদ্দিন মুহাম্মাদ ইহসান এবং মাওলানা মুহাম্মাদ যায়েদও ছিলেন।

রোজনামা খবরেঁ থেকে ওমর ফাইয়ায এর অনুবাদ

এফএফ

মিরাস থেকে বঞ্চিত করা ভয়াবহ অপরাধ

ওমর ফাইয়ায: ইসলামে নারী বা অন্য কোনো ওয়ারিসকে মিরাস থেকে বঞ্চিত করা ভয়াবহ অপরাধ। বিভিন্ন হাদিসে নারী বা অন্য কোনো ওয়ারিসকে মিরাস থেকে বঞ্চিত করার ব্যাপারে কঠিন সতর্কবাণী এসেছে।

হযরত আবু হোরায়রা এবং হযরত আনাস রা. থেকে বর্ণিত রাসুল সা. বলেন,
مَنْ قَطَعَ مِيْرَاثَ وَارِثِه قَطَعَ اللهُ مِيْرَاثَه مِنَ الْجَنَّةِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ.
যে ব্যক্তি নিজের ওয়ারিসকে মিরাস থেকে বঞ্চিত করেছে, কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে জান্নাতের মিরাস থেকে বঞ্চিত করবেন।

অর্থাৎ যে ব্যক্তি তার কোনো ওয়ারিসকে চাই সে মেয়ে, মা বা বোন হোক, মিরাস থেকে বঞ্চিত করবে, সে জান্নাতের ওয়ারিস বা হকদার হবে না। সে যতই নেক ও পুণ্যবান হোক না কেন।

হযরত আবু হোরায়রা রা. থেকে বর্ণিত আরেকটি হাদিসে রাসুল সা. বলেন,
اِنَّ الرَّجُلَ لَيَعْمَلُ وَالْمَرْاَةُ بِطَاعَةِ اللهِ سِتِّيْنَ سَنَةً، ثُمَّ يَحْضُرُهُمَا الْمَوْتُ فَيُضَارَّانِ فِى الْوَصِيَّةِ فَتَجِبُ لَهُمَا النَّارُ.
যদি এক পুরুষ ও এক নারী আল্লাহর ইবাদতে ষাট বছর পর্যন্ত মগ্ন থাকে তারপর মৃত্যুর সময় তারা (অন্যায়ভাবে) ওসিয়ত করে ওয়ারিসদের ক্ষতি করে, জাহান্নাম তাদের জন্য ওয়াজিব হয়ে যায়।

সূত্র: সুনানে ইবনে মাজা, শুআবুল ঈমান/এফএফ

আরো পড়ৃন- ১০টি কবীরা গুনাহ সম্পর্কে জেনে নিন