All posts by ourislam2

শুধু পরীক্ষা নয়, সার্বিক প্রস্তুতিই জামিয়াতুস সুন্নাহ’র সাফল্যের রহস্য

আতাউর রহমান খসরু : বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে গত ২০ জুন মঙ্গলবার। বরাবরের মতো এবার ঈর্ষণীয় ফলাফল করেছে মাদারীপুর জেলার শিবপুরে অবস্থিত জামিয়াতুস সুন্নাহ। এবার বেফাকের কিতাব বিভাগের চারটি মারহালায় মোট ২২৭টি বোর্ড স্ট্যান্ড পেয়েছে জামিয়াতুস সুন্নাহ। ফযীলত বা মেশকাতে ১ জন, সানাবিয়া উলয়া বা শরহে বেকায়ায় ৪ জন, মুতাওয়াসসিতা বা নাহবেমিরে ৯৩ জন, ইবতিদায়্যাহ বা তাইসিরে ১২৭ জন শিক্ষার্থী বোর্ড স্ট্যান্ড করেছে।

১৯৯০ সালে মাদরাসার প্রতিষ্ঠাকালীন নাম ছিলো জামিয়া মোহাম্মাদিয়া ফয়জুল উলুম। ২০০০ সালে আল্লামা মাহমুদুল হাসানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বৃহৎ পরিসরে জামিয়ার বর্তমান ঠিকানায় স্থানান্তরিত হয়। এরপর আল্লামা মাহমুদুল হাসানের তত্ত্বাবধান ও শিল্পপতি আলহাজ্জ বাদশাহ মিয়ার উদার সহযোগিতায় জামিয়ার আজকের মহীরূহ অবকাঠামো গড়ে উঠেছে।

প্রতিষ্ঠাকাল থেকে জামিয়া বেফাকে ভালো ফলাফলের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে আসছে। আর তা কিভাবে সম্ভব হলো জানতে জামিয়ার প্রিন্সিপাল মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ ফরিদীর কাছে। তিনি পাঁচ বছর যাবৎ জামিয়ার পরিচালনায় রয়েছেন। তিনি বলেন, মাদরাসার শিক্ষকগণ শতভাগ আবাসিক। তারা ছাত্রদের সার্বক্ষণিক নেগরানি করেন। শিক্ষকদের নিবিড় পরিচর্যা ও তত্ত্বাবধানই ভালো ফলাফলের মূল রহস্য।

‘সাথে সাথে আমাদের মাদরাসায় ঠিক মতো ক্লাস হয় এবং ক্লাসে সবক বুঝে নেয়া হয়। ছাত্ররাও শিক্ষকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী পরিশ্রম করে।’ যোগ করেন মাওলানা ফরিদী।

ভালো ফলাফলের জন্য ভালো ছাত্র নির্বাচন করা কতোটা গুরুত্বপূর্ণ? উত্তরে তিনি বলেন, ভালো ফলাফল তো ভালো শিক্ষার্থীদের মাধ্যমেই হয়। ছাত্র নির্বাচন যেকোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমরা প্রত্যেক জামাতে ছাত্র ভর্তির সময় সবচেয়ে যোগ্য ছাত্রদের নির্বাচনের চেষ্টা করি। তবে শুধু পরীক্ষা ভালো করবে এমন ছাত্র খুঁজি না। বরং ভালো কিতাব বোঝে, আমল আখলাক ভালো এমন ছাত্রকেই আমরা প্রাধান দেই।

মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ ফরিদী জানান জামিয়াতুস সুন্নাহ কিভাবে ছাত্রদের প্রস্তুত করে; বিশেষত পরীক্ষার জন্য। ‘ভর্তির জন্য যে ন্যূনতম মার্কস পাওয়া আবশ্যক, তা পেলেই আমরা ছাত্রদের ভর্তি করিয়ে নেই। তা কিন্তু একশো তে আশি নয়। এরপর ছাত্রদের পেছনে আমরা সর্বোচ্চ শ্রম ব্যয় করি। শিক্ষকদের শ্রম ও ছাত্রদের আন্তরিক চেষ্টায় একজন ছাত্র ধীরে ধীরে যোগ্য হয়ে ওঠে। একটি ছেলে যে মাকবুল (পাশ মার্কস পাওয়া) পর্যায়ের যোগ্যতা নিয়ে ভর্তি হওয়ার ছয় মাস পর তার যোগ্যতা জায়্যিদ জিদ্দান পর্যায়ে পৌঁছে যায়। আলহামদুলিল্লাহ!’

তিনি মনে করেন, শ্রেণি কক্ষই একজন ছাত্রের যোগ্য হওয়ার মূল কারখানা। শ্রেণি কক্ষে দুর্বলতা থাকলে অন্য প্রচেষ্টায় ছাত্রদের যোগ্য হওয়া কঠিন। তাই তিনি শ্রেণি কক্ষের উপরই সবচেয়ে গুরুত্ব দেন। সময় মতো ক্লাস হওয়া, ছাত্র-শিক্ষকের উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং পাঠদান ও গ্রহণ সন্তোষজনক হচ্ছে কিনা তিনি নিয়মিত খোঁজ নেন। মাদরাসার সার্বিক লেখাপড়া ও তরবিয়্যাত পর্যালোচনার জন্য প্রতি সপ্তাহে উস্তাদদের মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।

বেফাকভূক্ত জামাতের জন্য আলাদা কোনো প্রস্তুতি ও প্রচেষ্টা আছে কিনা জানতে চাইলে জামিয়াতুস সুন্নাহ-এর প্রিন্সিপাল বলেন, ‘আমি যাওয়ার পূর্বে জামিয়ার একটি বদনাম ছিলো যে, বেফাকের জামাতে ভালো লেখাপড়া হয় এবং অন্য জামাতে তেমন হয় না। আমি এসে সব জামাতে যেনো সমান গুরুত্বে লেখা পড়া হয় তার উপর গুরুত্ব দেই। আলহামদুলিল্লাহ! সব জামাতে সমমানের লেখাপড়া হয়।’

তবে হ্যা, কোনো প্রস্তুতিই যে আলাদা করে নেয়া হয় না, তাও নয়। ‘সাধারণভাবে সব জামাতেই সাপ্তাহিক পরীক্ষা আছে। এর বাইরে বেফাকভূক্ত জামাতে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার পর একটি মডেল টেস্ট হয়। এ টেস্টের পূর্বে ছাত্ররা ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করে।’

তাহলে যেসব মাদরাসায় বেফাকের প্রশ্ন সামনে রেখে পড়ানো হয়, দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার ভেতর কিতাব শেষ করে প্রশ্নের অনুশীলন করা হয় তাদের ব্যাপারে কি বলবেন? মাওলানা ফরিদী বললেন, ‘নিঃসন্দেহে এটা নিন্দনীয়। কওমি মাদরাসার মূল লক্ষ্য যোগ্য আলেম তৈরি করার পথে এমন মানসিকতা বড় বাঁধা। প্রথমে পুরো কিতাব বুঝবে এবং ভালোভাবে আত্মস্থ করবে। তারপর অনুশীলন করবে।’ তিনি মনে করেন, অনুশীলনের জন্য তিন সপ্তাহ থেকে এক মাস সময়ই যথেষ্ট।

এ সময় বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন গাইড বইয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘মূল ইবারত থেকে কিতাব বোঝা ও আত্মস্থ করা মূল বিষয়। এটা হয়ে গেলো পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য বাড়তি সহায়তা ছাত্ররা অন্য কোথাও থেকে নিতে পারে। কিন্তু পড়ালেখার মূল ভিত্তিই যদি হয় বাংলা গাইড তবে তা অবশ্যই পরিহারযোগ্য। শিক্ষকদের উচিৎ ছাত্রদের গাইড বিমুখ করা।’ শিক্ষক নির্দেশ দিলে ছাত্ররা তা মানবে এটাই বিশ্বাস করেন জামিয়াতুস সুন্নাহ-এর প্রিন্সিপাল মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ ফরিদী।

-এআরকে

পাকুন্দিয়া প্রতিদিনের দু’বছর পূর্তি : আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল সম্পন্ন

আওয়ার ইসলাম : কিশোগঞ্জের পাকুন্দিয়ার একমাত্র অনলাইন নিউজ পোর্টাল পাকুন্দিয়া প্রতিদিন ডটকম- এর দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল সম্পন্ন হয়েছে।

গতকাল ২৩ শে জুন শুক্রবার পাকুন্দিয়া বাজারস্থ আ: আহাদ বেপারী শপিং কমপ্লেক্সের ২য় তলায় নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল সম্পন্ন হয়েছে।

পাকুন্দিয়া প্রতিদিনের বার্তা সম্পাদক শাহরিয়া হৃদয়ের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট কবি ও ছড়াকার গোলাপ আমিন, তরুণ সাংবাদিক ও লেখক সুলতান আফজাল আইয়ূবী, শাহ আলম নাদিম, পাকুন্দিয়া প্রতিদিনের স্টাফ রিপোর্টার মো: নাজমুল হুদা, মো: আরমান হোসেন, মো: হুমায়ুন কবীর, মো: মোনায়েম, মো: স্বপন হোসেন, পৌর রিপোর্টার মীর সাইফুল হক শিপন, চরফরাদী ইউপি রিপোর্টার মো: সাখাওয়াত উল্লাহ, মো: রাকিবুল হাসান হিমেল, সুখিয়া ইউপি রিপোর্টার মো: রাকিব হাসান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পাকুন্দিয়া প্রতিদিনের শুভানুধ্যায়ী মো: এহসানুল হক সানু, মো: আলমগীল হোসেন, মো: সাদ্দাম হোসেনসহ আরো অনেকে।

অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিচালনা ও সঞ্চালনায় ছিলেন পাকুন্দিয়া প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক নূরুল জান্নাত মান্না।

আলোচনা সভায় বক্তারা তাদের বক্তব্যে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে জনসাধারণকে তথ্য সেবা প্রদানের জন্য পাকুন্দিয়া প্রতিদিন ও পত্রিকাটির সাথে জড়িত থাকা সংবাদকর্মীদের প্রশংসা করেন। একই সাথে পত্রিকাটির উত্তোরত্তর সাফল্য কামনা করেন।

আলোচনা সভা শেষে পাকুন্দিয়ার প্রয়াত সাংবাদিক মরহুম মানিক আহমেদের মাগফিরাত ও পাকুন্দিয়া প্রতিদিনের সম্পাদক ও প্রকাশক আবুল খায়ের মো: আল হাসানাতের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া করা হয়।

দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মাও: আবু সায়েম।

-এআরকে

আমেরিকার পতন অনিবার্য : আ.ক.ম মোজাম্মেল হক

আওয়ার ইসলাম :  আমেরিকার প্রত্যক্ষ মদদে মুসলিম বিশ্বকে ধ্বংস করার জন্য আইএস সৃষ্টি করা হয়েছে এবং আমেরিকা মুসলিম বিশ্বের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে মুসলমানদের একে অপরের মধ্যে দ্বন্দ্ব বাধিয়ে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক।

তিনি আরও বলেন, কতিপয় মুসলিম রাষ্ট্রের কাছে অস্ত্র বিক্রি করে সেই অস্ত্র মুসলমানদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে।

আজ শুক্রবার বিকেলে আল-কুদস কমিটি বাংলাদেশের উদ্যোগে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে আল কুদ্স দিবস উদযাপনের গুরুত্ব’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মসজিদুল হারামে হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ

মুক্তিযোদ্ধামন্ত্রী আরো বলেন, মুসলিম রাষ্ট্রের কাছে এটম বোমা থাকলে অবৈধ আর বিশ্বের মোড়লদের কাছে থাকলে সেটা বৈধ এই নীতি আমরা মানি না। আমেরিকার পতন অনিবার্য। তিনি আল কুদস মুক্তির লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ও আল-কুদ্স কমিটি বাংলাদেশের সভাপতি প্রফেসর ড. শাহ কাউছার মুস্তাফা আবুল উলায়ীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. আব্বাস ভায়েজী দেহনাভী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর নুরুল আলম ব্যাপারী।

আলোচনায় অংশ নেন দৈনিক আজকের ভোলার সম্পাদক অধ্যক্ষ মুহাম্মদ শওকাত হোসেন ও বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মওলানা সাইয়্যেদ হাবীব রেজা।

-এআরকে

ঈদগাহে জায়নামাজ ছাড়া আর কিছু নয়

আওয়ার ইসলাম : নিরাপত্তার স্বার্থে ঈদ জামাতে জায়নামাজ ছাড়া অন্য কিছু না আনার অনুরোধ জানিয়েছেন র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ। তিনি নারী-পুরুষ সব মুসল্লিকেই এ অনুরোধ জানান।

শুক্রবার (২৩ জুন) জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘নগরবাসীকে ঈদ জামাতে জায়নামাজ ছাড়া কিছু না আনার অনুরোধ জানাচ্ছি। প্রয়োজন না হলে, খাবার পানিও নিয়ে আসবেন না।’

জাতীয় ঈদগাহে নামাজ পড়তে পারবে ৮৪ হাজার পুরুষ ও ৫ হাজার নারী মুসল্লি

জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত হবে সকাল সাড়ে ৮টায়

ঈদের জামাতের নিরাপত্তা বিষয়ক অগ্রতি তুলে ধরে তিনি বলেন, এবার রাজধানীর ৪১০টি স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি র‌্যাবও নিরাপত্তা জোরদারে তৎপর রয়েছে।

বেনজীর আহমেদ জানান, রাজধানীর পাশাপাশি শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

ঈদে কোন প্রকার হুমকি না থাকলেও র‌্যাব সদস্যরা সার্বিক অবস্থা সামনে রেখে সারাদেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজিয়েছে।

-এআরকে

সৌদি আরবের দেয়া শর্ত অযৌক্তিক : কাতার

আওয়ার ইসলাম : সৌদি আরব ও তার জোটের দেয়া শর্তগুলো মানতে অস্বীকার করেছে কাতার। তারা বলেছে, শর্তগুলো অযৌক্তিক ও অকার্যকর।

শুক্রবার (২৩ জুন) এক বিবৃতিতে কাতার সরকারের যোগাযোগ কার্যালয়ের পরিচালক শেখ সাইফ বিন আহমেদ আল থানি বলেন, ‘শুরু থেকে কাতার যে কথা বলে আসছে এ শর্তগুলো তারই প্রমাণ। সন্ত্রাসবাদ ঠেকানোর কথা বলে এ অবরোধ আরোপ করা হলেও আসলে তা নয়, বরং এটি কাতারের সার্বভৌমত্ব সীমাবদ্ধ রাখা এবং আমাদের পররাষ্ট্র নীতিমালার আউটসোর্সি এর প্রশ্ন।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্প্রতি কাতার বয়কটকারী দেশগুলোকে আহবান জানিয়েছে যেন তারা অভিযোগের পক্ষে ‘যুক্তিসঙ্গ’ ও ‘কার্যকরী’ কারণ তুলে ধরে।

কাতারের অবরোধ তুলতে আল জাজিরা বন্ধসহ ১৩ শর্ত

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, বয়কটকারী দেশগুলোর দাবি ‘পরিমিত’ ও ‘বাস্তবসম্মত’ হতে হবে। অথচ এ তালিকাটির মধ্যে সন্তোষজনক কিছু পাওয়া যায়নি।”

কাতার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চার আরব দেশের শর্তগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে জবাব প্রস্তুত করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ১০ দিনের মধ্যে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বন্ধ করে দেওয়াসহ শুক্রবার কাতারের কাছে ১৩ দফা শর্তবিশিষ্ট একটি তালিকা পাঠায় সৌদি আরব, মিসর, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইন।  সেইসঙ্গে বলে দেওয়া হয়,কাতার যদি আরব দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞার প্রত্যাহার চায় তবে অবশ্যই এ ১৩টি শর্ত পূরণ করতে হবে।

-এআরকে

মহাসড়কে মৃত্যু : ট্রাক উল্টে প্রাণ গেলো ১৬ পোশাক শ্রমিকের

আওয়ার ইসলাম :  রংপুরের পীরগঞ্জে ট্রাক উল্টে ১৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১০ জন। এদের অধিকাংশ পোশাক শ্রমিক। কমখরচে বাড়ি ফিরতে তারা সিমেন্ট ভর্তি ট্রাকের ছাদে আরোহন করে।

শনিবার ভোর পাঁচটার দিকে এ দুর্ঘটনার শিকার হন তারা।

নিহত পোশাকশ্রমিকরা ঈদ উপলক্ষে গাজীপুর থেকে ট্রাকের ছাদে করে বাড়ি ফিরছিলেন। তাৎণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।

মসজিদুল হারামে হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ

পীরগঞ্জ থানার ওসি রেজাউল করিম বলেন, সিমেন্টবাহী ট্রাকটি ঢাকা থেকে রংপুরে যাচ্ছিল। কলবাগান এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার মাঝেই উল্টে যায়। এ সময় ছাদে থাকা যাত্রীরা রাস্তার উপর পড়ে যান। একই সাথে উপর থেকে তাদের উপর পড়ে সিমেন্টের বস্তা। এতে ঘটনাস্থলেই ১১ জন নিহত হন। এছাড়া পীরগঞ্জ থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান আরো পাঁচজন। সর্বমোট ১৬ জনের নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এদিকে আহতদের মধ্যে আটজনকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। উদ্ধার কাজে পুলিশকে সহায়তা করে ফায়ার ব্রিগেড।

-এআরকে

মসজিদুল হারামে হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ

আওয়ার ইসলাম : সৌদি সরকার দাবি করছে তারা মক্কায় অবস্থিত মসজিদুল হারামে এক ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ করতে সক্ষম হয়েছে।

সৌদি আরবের তিনটি পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে এ হামলা নস্যাৎ করা হয়। তিনটি স্থানের মধ্যে রয়েছে আসিলা, আইয়াদ আল মাসাফি ও জেদ্দা।

অভিযানকালে একজন এক সন্ত্রাসী আত্মঘাতী হামলায় নিজেকে উড়িয়ে দেয়।

সৌদি স্বরাষ্ট্র দপ্তর বলছে, এ সময় ওই ভবনটি বিধ্বস্ত হয়ে ১১জন ব্যক্তি আহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজন সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তবে কিভাবে বা কারা ওই হামলার পরিকল্পনা করছিল, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু এখনো জানায়নি সৌদি কর্মকর্তারা।

আগামী হজ্জ মৌসুমে মক্কা-মদিনায় ভয়াবহ নাশকতার পরিকল্পনা ফাঁস

সম্প্রতি সৌদি আরবে বেশ কয়েকটি রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনা ঘটেছে, তার বেশ কয়েকটি নিজেদের চালানো বলে দাবি করেছে তথাকথিত ইসলামিক স্টেট। যদিও এর বেশিরভাগ হামলাই চালানো হয়েছে দেশটির শিয়া সংখ্যালঘু আর নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্য করে।

সূত্র : আরব নিউজ ও বিবিসি

-এআরকে

শাহনূর শাহীন-এর তিনটি ঈদের কবিতা

ঘরে ফেরার আনন্দ
 
বাঁশির হুইসেলে সম্বিত এলো
লঞ্চগুলো সারি সারি
ছোটন টোটনরা দল বেঁধেছে
যাবে সে গ্রামের বাড়ি।
 
ভীর ঠেলে যায় শ্রান্ত শরীরে
ঘাম ঝড়ে গায় বেয়ে
ঘর্মে শরীর ভিজে একাকার
ক্লান্তি এসেছে নেয়ে।
 
অবসাদ ভুলে লঞ্চসিড়িতে
কোনো মতে রাখে পা
সময় গতিতে স্রোতের সাথে
নাড়ীর টানে মিছে তা।
 
পথে পথে গায় নির্মল হাওয়া
প্রকৃতির কাছে টানে
শহুরে যান্ত্রিক যন্ত্রণা ভুলে
হৃদয়ে প্রশান্তি আনে।
 
ক্লান্ত ভ্রমণ পথ পাড়ি দিয়ে
ক্লান্তি থাকে নারে আর
ঘরে ফেরার এ সুখময় স্মৃতি
আসে ফিরে বারেবার।

ঈদের সানাই

ঈদের সানাই উঠলো বেজে
রমযানের ঐ রোযার শেষে
খুশির খবর যায় শুনিয়ে
চাঁদের বুড়ি মিষ্টি হেসে।

খোকা বলে আসবে বাবা
নতুন জামা জুতো নিয়ে
কোলাকুলি করবে সবে
নতুন জামা গায় জড়িয়ে।

খালেদ রুমি নকীব সবে
দল বেঁধে যায় ঈদগাহেতে
ঈদ এলো তাই ওরা সবে
আনন্দেতে উঠলো মেতে।

ত্যাগ বিয়োগের সিয়াম শেষে
খোদার রহম ঝড়ে পড়ে
ঈদ এলে তাই আনন্দ হয়
সব মুমিনের ঘরে ঘরে।

সমতার বন্ধন

ঈদ মানে একতা সমতার বন্ধন
ঈদ মানে উৎসব ভুলে ব্যথা ক্রন্দন।
ঘুরে ঘুরে দেখো সারা পৃথিবী জুড়ে
সোহার্দ বিরাজিত সবার অন্তপুরে।

বিভেদ ভুলে সবে ঈদগাহে এসেছে
চেয়ে দ্যাখো সবে এক কাতারেই নেমেছে।
ছোট কিবা বড় হোক কিবা গরীব ধনী
ডাকে এক প্রভুকেই গায় সবে সাম্যধ্বনি।

সবে এক সত্ত্বার গুনগান গেয়ে যায়
আল্লাহর রহমত বারিধারা নেমে যায়।
মহামিলনের এই দিন ঘুরে আসে বছরে
উৎসব হয় ঈদে মুমিনের ঘরে ঘরে।

এসএস/

ঈদের পোষাক না পেয়ে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় ঈদের পোশাক কিনে না দেওয়ায় অভিমান করে এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। নিহতের নাম সিনথিয়া খাতুন (১৪)।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামে নানার বাড়ি  আব্দুস সোবহানের ঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে সে।

সিনথিয়া শুকুরকান্দি গ্রামের তবিরুল ইসলামের মেয়ে ও মোহাম্মদপুর পশ্চিমপাড়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী।

মটমুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল আহমেদ ও স্থানীয়রা জানান, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে গত কয়েক বছর পূর্বে সিনথিয়ার মা-বাবার মধ্যে ছাড়াছাড়ির ঘটনা ঘটে। পরে সিনথিয়ার মা অন্যত্র বিয়ে করে। এরপর থেকে সিনথিয়া নানার বাড়িতে বসবাস করে আসছিল।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নানার কাছে একটি নতুন জামা চেয়েছিল। নতুন জামা না পেয়ে অভিমান করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

গাংনী থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনাটি দুঃখজনক। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

এসএস/

পাকিস্তানে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে ১১জন নিহত

আওয়ার ইসলাম: পাকিস্তানে ভয়াভহ আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে ৫জন বেসামরিক ব্যক্তিসহ অন্তত ১১জন নিহত হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে কোয়েটার আইজিপি অফিসের সামনে এই বিস্ফোরণণের ঘটনা ঘটে। খবর ডন।

পাকিস্তানের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বালুচিস্তানের কোয়েটা শহরটির পুলিশ প্রধানের কার্যালয়ের সামনে এই বিস্ফোরণে নিহতদের মধ্যে ছয়জনই পুলিশ সদস্য বলে জানা গেছে।

বিস্ফোরণের পর কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে এলাকাটি৷ ওই এলাকাজুড়ে পুলিশ চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে৷ বিস্ফোরণে নয় পুলিশ সদস্যসহ আহত হয়েছেন আরও ১৬ জন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুলিশের গাড়িকে লক্ষ্য করে চেকপোস্টের কাছে ওই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। আহতদের সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এখনো কেউ হামলার দায় স্বীকার করেনি।

এসএস/