168979

৪৫৬৯ কোটি টাকার ই-পাসপোর্ট প্রকল্প থেমে আছে

আওয়ার ইসলাম: থেমে আছে ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্ট প্রকল্পের কার্যক্রম। কয়েক দফা ঘোষণা দিয়েও নাগরিকদের হাতে ই-পাসপোর্ট তুলে দিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। বার বার সময় দিলেও ই-পাসপোর্ট না পাওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন পাসপোর্ট প্রত্যাশীরা। আর প্রকল্পের অগ্রগতির বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে কথা বলতে রাজি হননি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

দেশে বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের চাহিদা রয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে ২০১৭ সালে চার হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা খরচে ই-পাসপোর্ট প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। এ লক্ষ্যে গত বছরের জুলাইয়ে জার্মান কোম্পানী ভেরিডোসের সঙ্গে চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ই-পাসপোর্ট পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর কথা থাকলেও এরই মধ্যে কয়েক দফা সময় বাড়িয়েও তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। আর এতে ক্ষোভ জানিয়েছে পাসপোর্ট প্রত্যাশীরা। একজন বলেন, ‘জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে ১০ বছরের জন্য পাসপোর্ট দেয়ার কথা ছিলো। অপেক্ষা করে আবার সেই ৫ বছরের টায় পেলাম।’

আরো কয়েকজন জানা পাসপোর্ট অফিসের লোকজনও বলতে পারছে না কবে নাগাদ ই-পাসপোর্ট চালু হবে। আর প্রকল্প বাস্তবায়ন না হওয়ায় এমআরপি বই কিনতে অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে সরকারের।

অধিদপ্তরে প্রায় ২ মাস ঘুরেও পাওয়া যায়নি ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের অগ্রগতির কোন তথ্য। ই পাসপোর্ট প্রকল্পের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান খান বলেন, ‘ই পাসপোর্টের কোনো ফাইনাল ডেট দিতে পারবো না। মন্ত্রণালয় থেকে জানানোর পর বিষয়টি জানাতে পারবো।’

অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ই-গেট স্থাপনের ধীরগতিসহ নানা কারণে থমকে গেছে এ প্রকল্প। এছাড়া, ৮টি প্রিন্টিং মেশিনের মাত্র একটি ও ৫০টি ই গেটের মধ্যে মাত্র দুটি স্থাপনের চিত্র বলে দেয় ই-পাসপোর্ট পেতে আরও লম্বা সময় অপেক্ষা করতে হবে গ্রাহকদের।

-টি

ad

পাঠকের মতামত

Comments are closed.