২০১৯-০১-০১

রবিবার, ২০ জানুয়ারি ২০১৯

নতুন বছর: হয়রানিমুক্ত কর্মক্ষেত্র চায় নারীরা

OURISLAM24.COM
news-image

আফিয়া আফরিন

বেশ হাঁপিয়ে হাঁপিয়ে চলছিল এক কর্মফেরত নারী। আসসালামু আলাইকুম, আপা কি কোথাও জব করেন? জ্বি। কোথায়? ওই (প্রতিষ্ঠানের  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) গার্মেন্টসে। কত ঘন্টা কাজ করেন? ঘন্টার হিসাব নাই। বেতন কমতো, তাই শরীর কুলানো পর্যন্ত গতর খাটি।

আচ্ছা আপা, কর্মক্ষেত্রে কোনো ডিস্টার্ব করে কেউ? আর বইলেন না। ডিস্টার্বতো গা সওয়াই হয়ে গেছে। কিন্তু হয়রানি যে করা হয়, তাতো অসহ্য।

কেমন হয়রানি? মেলা হয়রানি। কোনটা কমু। আপাতত বেতনেরটাই বলি। আমরা মেয়ে মানুষ বলে আমাদের বেতন দেয়া হয় কম, কিন্তু কাজ নেয়া হয় তার তুলনায় বেশি।

ইতোমধ্যে এই নারী কর্মীর নাম-পরিচয় জানা হয়ে গেলো।

আওয়ার ইসলাম: তো, আপা, এই যে এখন নতুন বছর (২০১৯) এলো। এ বছরে আপনার কর্মক্ষেত্র কেমন চান?

গার্মেন্টস কর্মী রাবেয়া: আমি চাই আমার কর্মক্ষেত্র হোক হয়রানিমুক্ত। আমাদের দিয়ে যতটুক শ্রম নিবে, ততটুক মূল্য যেন দেয়। মাসের বেতন যেন পরিশোধ করে। কাজ বেশি দিয়ে বেতন কম দেয়ার হয়রানি যেন আর না করা হয়।

বাসে করে ফিরছিল এক তরুণী। আস্সালামু আলাইকুম আপা, আপনি কোথাও কিছু করছেন, আ্যই মিন জব? জ্বি। কোথায়? উত্তরায়। কি করছেন? একটি (প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) কল সেন্টারে।

কোনো হয়রানির শিকার হয়েছেন কখনো? না, তবে..। কি তবে? বলুন। মাঝে মাঝে কিছু কল আসে বিরক্তি করতে। কেমন? আমাদের কল সেন্টার থেকেতো আমরা সরকারি যে কোনো তথ্য সেবা দিয়ে থাকি। তো, এসব বিষয়ে প্রশ্ন না করে গান শুনতে চায়। আবার এমনও হয়, খুব বাজে কথা বলে। এসবে বিরক্তিবোধ করি।

আওয়ার ইসলাম: তো, আপু! এই নতুন বছরে আপনার কর্মক্ষেত্র কেমন চান?

কল সেন্টার কর্মী তামান্না: আমি চাই কল করে কেউ যেন বিরক্তি না করে। আমরা যে সেবা দিয়ে থাকি সেসব বিষয়ে প্রশ্ন করতেই পারে। কিন্তু অযথা কথাবার্তা বলবে, খারাপ আবদার করবে এসব যেন এই নতুন বছর থেকে আর না হয়।

এইচএএম