হামিম আরিফ: বিশ্ব ইজতেমার মাঠে হামলাকারীদের বিচার ও ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন তাবলিগের শুরা সদস্য ও উলামায়ে কেরাম।
হামলার নির্দেশদাতা হিসেবে ওয়াসিফুল ইসলাম ও শাহাবুদ্দিন নাসিমগংসহ হামলার সাথে জড়িত সকলকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের দাবি জানান তারা।
আজ রবিবার দুপুর ২ টায় পল্টনের সাব্বির টাওয়ারে আয়োজিত তাবলীগের শুরা ও উলামায়ে কেরামের সংসাদ সম্মেলন থেকে এসব দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, কাকরাইল মসজিদের ইমাম ও শুরা সদস্য হাফেজ মাওলানা জুবায়ের আহমদ, জামিয়া বারিধারা মাদরাসার মুহতামিম আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী, ফরিদাবাদ মাদরাসার মুহতামিম আল্লামা আবদুল কুদ্দুস, জামিয়া রাহমানিয়ার প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহফুজুল হক, সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা নুরুল ইসলাম জিহাদী, মাওলানা রবিউল হক প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মুফতি আমানুল হক।
সংবাদ সম্মেলন থেকে উলামায়ে কেরাম ৬ দফা দাবি জানান। এগুলো হলো-
১. এ হামলার নির্দেশদাতা ওয়াসিফুল ইসলাম ও শাহাবুদ্দিন নাসিমগং সহ হামলার সাথে জড়িত সকলকে ২৪ ঘন্টা আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে।
২. আহত নিহতদের ক্ষতি পূরণ ও চিকিৎসা ব্যবস্থা করতে হবে।
৩. টঙ্গী ময়দান এতদিন যেভাবে শুরা ভিক্তিক পরিচালিত তাবলীগের সাথী ও ওলামায়ে কেরামের অধীনে ছিল তাদের কাছেই হস্তান্তর করতে হবে।
৪. অতিসত্তর কাকরাইলের সকল কার্যকলাপ হতে ওয়াসিফ ও নাসিমগংকে বহিস্কার করতে হবে।
৫. সারা দেশে ওলামায়ে কেরাম ও শুরা ভিত্তিক পরিচালিত তাবলীগের সাথীদের উপর হামলা মামলা বন্ধ করে পূর্ণ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে।
৬. টঙ্গীর আগামী এজস্তেমা যথাসময় পূর্ব ঘােষিত (১৮,১৯,২০) অনুষ্ঠানের কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
কর্মসূচী : ১. আগামীকাল সারা দেশে জেলা প্রশাসক বরাবর স্বারকলিপি প্রদান। ২. বাকী কর্মসূচী পরবর্তীতে জানানাে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য
প্রিয় সাংবাদিক ভায়েরা! আপনারা অবগত আছেন, গতকাল টঙ্গীতে ইজতেমা মাঠে তাবলীদের সাথী ও মাদরাসার ছাত্রদের উপর অত্যন্ত নির্মম ও বর্বরচিত ভাবে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে।
আপনারা জানেন আগামী ১৮, ১৯ ও ২০ জানুয়ারী'১৮ ইজতেমার ১ম পর্ব অনুষ্ঠানের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। ইজতেমাকে কামিয়াব করার