শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মহিলা ইউনিটের ৩৬ সদস্যের কমিটি ঘোষণা ‘বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতার বলয়ে ঢুকে সংস্কার থেকে সরে এসেছে’ নামাজ দীনের স্তম্ভ, অন্য সব আমল যাচাইয়ের মাপকাঠি: শায়খ জুহানি বিশ্বমানের একটি জামিয়ার গল্প যুক্তরাষ্ট্রে জুমার বয়ান ও ইমামতি করলেন পীর সাহেব চরমোনাই শোক জানাতে মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমির বাসভবনে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ঢাকার আবহাওয়া আজ কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর খেলাফত শ্রমিক মজলিসের ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ শাখা পুনর্গঠন, নেতৃত্বে যারা ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের ৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ গঠন শহীদ নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান খেলাফত মজলিস আমিরের

‘স্কুলের ধর্মশিক্ষা আরো উন্নত করতে হবে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সর্বত্রই এখন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হাওয়া। চায়ের দোকান থেকে যাত্রীবাহী বাস, ট্রেন, লঞ্চ, অফিস-আদালত সবখানে এখন মুখ্য আলোচনা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে।

এদিকে বড় রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থী ঘোষণা প্রায় চূড়ান্ত। চলছে নির্বাচনী ইশতেহারের প্রস্তুতি। উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার নানা আশা-আকাঙ্ক্ষাসহ থাকবে তরুণ ভোটারদের কাছে টানার মন্ত্র।

তবে এবারের নির্বাচনী ইশতেহার কেমন চান আলেমরা? ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর মত ও মতাদর্শ কতটা গুরুত্ব পাবে ইশতেহারে, এ নিয়ে দেশের শীর্ষ আলেম ও শিক্ষাবিদ মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভীর সঙ্গে কথা বলেন আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমক সম্পাদক হুমায়ুন আইয়ুব।

আমরা সব দলের কাছে জোর দাবি করি, দেশের নব্বইভাগ মুসলিমের সাংবিধানিক সকল অধিকার তারা ইশতেহারে ঘোষণা করবে। যাতে মানুষজন ধর্ম পালনের পূর্ণ অধিকার পাবে। দেশের আলেম-উলামা ও  তৌহিদি জনতার সব ইসলামি দাবিও এর অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।

কেউ বলতে পারেন, যারা ইসলামি দল না তাদের থেকে এসব আশা করা যায় না। আমি বলব, আশা করা যায়। কারণ যেকোনো লোকের কাছ থেকেই আপনার নাগরিক অধিকার আদায় করতে পারেন।

যারা বলে, কেবল ইসলামি দল বা আমরা ক্ষমতায় গেলেই এটা সম্ভব তাদের বক্তব্যের যৌক্তিকতা তখনই পাওয়া যাবে যখন সব ইসলামি রীতি-নীতি কেউ পালন  করবে। আজ যারা ক্ষমতায় আছে বা কাল যারা আসবে তারাই আমাদের শাসক। এক্ষেত্রে আমরা যারা নাগরিক তারা ধর্মীয় অধিকার চাই।

আওয়ামী লীগ আগে তাদের ইশতেহারে বলেছিল, কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোনো আইন করবে না। এদেশের আলেম-উলামা বুঝে নিন, তারা সে দাবির যথার্থতা পেয়েছেন কিনা? আমাদের দাবি ছিল, ইসলাম বিরোধীদের আস্ফালন নির্মূল করা। তারা হিসাব মিলিয়ে নিক, তারা যে দাবি করেছে তা পেয়েছে কিনা?

বর্তমান ইশতেহারে আরো নতুন কিছু চাই। এদেশের সংবিধানে এক সময় ‘আল্লাহর ওপর আস্থাও পূর্ণ বিশ্বাস’ লেখা ছিল। আল্লাহর ওপর আস্থা ও পূর্ণ  বিশ্বাস আমাদের ঈমানি বাক্য। তার পূনর্বহাল চাই।

যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন তাদের কাছে এটা আমার চাওয়া। ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে কেউ এ ওয়াদা করেনি যে, তা রাখা যাবে না।  যদি কেউ করেও তাহলেও বদলাতে হবে।

কেউ বলতে পারেন, এ সংবিধান একটা সেক্যুলার সংবিধান। সেক্যুলার সংবিধানে কিন্তু ধর্ম রাখা হয়েছে। এটি একটি বাস্তববাদী ও ইনক্লুসিভ সংবিধান। সবার অংশগ্রহণমূলক সংবিধান। এ সংবিধানে কিছু বৈপরিত্যপূর্ণ নিয়ম আছে। যেমন- গণতন্ত্র একটি মূলনীতি, সেখানে সমাজতন্ত্র কিভাবে থাকে?

তার মা