শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ফজর থেকে মধ্যরাত, যেভাবে কাটে মুফতি তাকী উসমানীর কর্মমুখর দিন যেভাবে বাঁচবেন শয়তানের ধোঁকা থেকে জুমার খুতবা চলাকালে নামাজ ও কথাবার্তার বিধান ইসলামি লেখক ফোরামের অভিভাবক পরিষদ পুনর্গঠন, আসছে নতুন কর্মসূচি সনদে ভুল এড়াতে মাদরাসাগুলোকে বেফাকের জরুরি নির্দেশনা বাবুনগর মাদ্রাসায় যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, জুমার শেষে যোগ দেবেন সম্মেলনে সিসেস্তার মাউন্ট বারবারো: ইতিহাসের সাক্ষী প্রাচীন মসজিদ শৈশবের বিশ্বাসের সঙ্গে ইসলামের মিল, মুসলিম হলেন মার্কিন তরুণী ফেনীতে ‘খেলাফতের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মাদরাসার বৃত্তি পরীক্ষা: কেন্দ্রসচিবদের জন্য বোর্ডের ১৪ নির্দেশনা

ধর্ম কখনো ভাগ হয় না: আল্লামা আনোয়ার শাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাহমুদুল হাসান, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের সহসভাপতি ও কিশোরগঞ্জের জামিয়া ইমদাদিয়ার মুহতামিম আল্লামা আযহার আলী আনোয়ার শাহ বলেছেন, বর্তমান তাবলীগ জামাতে যে বিভেদ চলছে, উলামায়ে কেরাম আর এতাআতি, মসজিদে মসজিদে মারামারি, আলাদা আলাদা মারকায, এখন এই বিষয়টা নিয়ে প্রশাসনের একটাই বক্তব্য ধর্মের নামে এতো বিভেদ কেন? এরাও ধর্ম করবে আপনারাও ধর্ম করবেন এতো বিভেদ কেন?

তাদের এই জ্ঞান ততোটা নেই, যে জ্ঞানটা হলে পরে এদের বুঝানো যায়। বুঝার জন্যও একটা জ্ঞান লাগবে, বিরোধটা কেন হচ্ছে! এখানে কুরআনের বিরুদ্ধে কথা বলা হচ্ছে। কুরআন বলছে, হেদায়েতে আল্লাহর হাতে, মৌলভী সাদ বলছেন হেদায়েত নবীর হাতে, কুরআন বলছে আসহাবে কাহাফের সাথে কুকুর ছিল আর তিনি বলছেন, বাঘ ছিল। এটা কি ধর্ম হয়! ধর্ম কখনো ভাগ হয় না।

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শহীদী মসজিদে ১৬ নভেম্বর (শুক্রবার) আল্লামা আজহার আলী আনোয়ার শাহ জুমার বয়ানে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, হক আর বাতিল এক সাথে থাকতে পারে না, সামনে নির্বাচন প্রশাসন কোন ঝুঁকি নিতে চায় না, আমরা চাইলে যে কোন কিছু করতে পারি। কিন্তু আমরা যদি সুলহে হুদাইবিয়ার দিকে তাকিয়ে আপাতত সুলেহ (সন্ধি) করে নেই, যেভাবে রাসুল সা. মক্কার কাফেরদের সাথে করেছিলেন, হিজরি ষষ্ট সনে রাসুল সা. স্বপ্নে দেখলেন, তিনি সাহাবায়ে কেরামদের নিয়ে কাবা ঘর তওয়াফ করছেন।

আর নবীদের স্বপ্ন সাধারণত সত্যি হয়ে থাকে। তিনি সাহাবায়ে কেরামদের সামনে এ স্বপ্ন ব্যক্ত করলেন, সাহাবায়ে কেরাম স্বপ্ন শুনে আনন্দিত হয়ে গেলেন, সবাই প্রস্তুতি নিতে লাগলেন।

হিজরী ৬ষ্ট সনে রাসুল সা সাহাবায়ে কেরামদের সাথে নিয়ে কাবা ঘর তওয়াফ করার জন্য রওনা দিলেন। মক্কা থেকে ২০ মাইল দূরে যে জায়গার নাম হুদাইবিয়া সেখানে আসলেন। অপর দিকে মক্কার কাফেররা অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে বেরিয়ে পড়লো সাহাবায়ে কেরামদের মুকাবিলা করার জন্য, ঐ সময় সাহাবায়ে কেরামগণ হুদাইবিয়া নামক স্থানে অবস্থান করছিলেন।

রাসুল সা. হযরত উসমান রা. কে দূত হিসেবে পাঠিয়ে দিলেন কাফেরদের সাথে আলোচনা করার জন্য, এদিকে শয়তান এক কথা রটিয়ে দিলো উসমান রা কে কাফেররা শহীদ করে দিয়েছে।

এই খবর রটানোর পর রাসুল সা. সাহাবাদের ডেকে বললেন, এখন আর বসে থাকার সময় নেই আসো জিহাদের জন্য বায়াত হও এখন আর বসে থাকার সময় নেই অতপর সাহাবায়ে কেরাম রাসুল সা. এর হাতে বায়াত হলেন।

এর প্রেক্ষিতে আল্লাহ তাআলা আয়াত নাজিল করলেন এই বায়াত করার কারণে আল্লাহ তাআলা তোমাদের ওপর সন্তুষ্ট হয়ে গেছেন।

জিহাদ করতে আল্লাহ ত