কওমি মাদরাসা সরকারি স্বীকৃতি অর্জনের পর একে কিভবে এগিয়ে নেয়া হবে তার আলোচনা এখন সর্বত্র। স্বীকৃতিকে কেন্দ্র করে মাদরাসাগুলো একিভূত হয়েছে একটি সূত্রে। জাতীয় অঙ্গনে স্বীকৃতি কেমন ফল দেবে তা নিয়ে পর্যালোচনা করছেন বোদ্ধাজনরা। এমন কিছু বিষয় নিয়ে আমরা মুখোমুখি হয়েছিলাম কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের সহসভাপতি মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাসের সঙ্গে।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ইসমাঈল আযহার।
আওয়ার ইসলাম: কওমি সনদের স্বীকৃতির পর এর কৃতিত্ব নিয়ে নানাজন নানা কথা বলছেন, আপনার বক্তব্য কী, কাদের দাবির পর স্বীকৃতির আলোচনা ব্যাপকতা পায়?
মুফতি ওয়াক্কাস: ২০০১ এর পর বেফাকের পক্ষ থেকে আমরা ওলামায়ে দেওবন্দ সবাই সম্মিলিতভাবে স্বীকৃতির দাবি উত্থাপন করি। যদিও এ দাবি আরো আগের থেকে তোলা হয়েছে বললে চলে। কিন্তু বর্তমান স্বীকৃতি আদায়ে আমরা সফল, তার শুরু ২০০১ সালে।
অন্যরা কেউ যদি দাবি করে থাকে, তাদের কারণে স্বীকৃতি হয়েছে বা এ দাবি সর্বপ্রথম তারা তুলেছে– এটা মিথ্যা। আমি শুনেছি বিভিন্নজন বলছে তারা প্রথম দাবি উত্থাপন করেছে, এরা সবাই মিথ্যাবাদী।
আওয়ার ইসলাম: স্বীকৃতির আন্দোলন সংগ্রামে কাদের ভূমিকা তাহলে সবচে বেশি?
মুফতি ওয়াক্কাস: এটা কোন আন্দোলন ছিল না। এটা ছিল বেফাকের পক্ষ থেকে একটা দাবি। মুক্তাঙ্গনে আল্লামা আজিজুল হক রহ. এর অবস্থান বেফাকের পরামর্শক্রমে ছিল না এবং এ অবস্থান বেফাকের সম্মিলিত কর্মসূচিও ছিল না। স্বীকৃতির দাবি আদায়ের লক্ষে ওটা ছিল ওনার দলের আলাদা একটা পদক্ষেপ।
এখানে নির্দিষ্ট করে কারো নাম বলা যায় না। সকলেই বড় বড় ব্যক্তি, আমি কাকে আগে দেব আর কাকে পরে দেব? স্বীকৃতির বিষয়ে বেফাকের সব কর্মকর্তাই সমানভাবে কাজ করেছেন।
তাদের নেতৃত্ব দিয়েছেন, মাওলানা আতহার আলী রহ., আল্লামা হারুন ইসলামাবাদী রহ., আল্লামা নুরুদ্দিন গহরপুরী রহ., খতিব ওবায়দুল হক রহ., মুফতি ফজলুল হক আমিনী রহ., মুফতি আব্দুর রহমান রহ., মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ., মাওলানা সৈয়দ ফজলুল করীম রহ., মাওলানা আব্দুল জব্বার জাহানাবাদী রহ., মাওলনা আবুল ফাতাহ মুহাম্মদ ইয়াহয়াহ রহ. প্রমুখ।
আর বর্তমার সময়ে এর নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং স্বীকৃতির আদায়ের লক্ষে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন আল্লামা শাহ আহমাদ শফী।
আওয়ার ইসলাম: আপনি তো একটা সময় সংসà