রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৬ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
দক্ষিণ সুদান ও আবেই সফরে গেলেন সেনাপ্রধান জ্বালানি খাত বেসরকারিকরণে কর্পোরেট দখলের আশঙ্কা ‘হলগুলোতে ছাত্রদের মারামারি ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার পথ সুগম করছে’  আওয়ামী নৃশংসতার বৈশ্বিক প্রচারণা জোড়দারের আহ্বান ইসলামী আন্দোলনের একজন শিক্ষকই বদলে দিতে পারেন একটি প্রজন্ম : এমপি এনামুল কওমি শিক্ষার্থীরা দেশের অনেক বড় সম্পদ: ড. আহমদ আবদুল কাদের হাসিনার আমলে একটি অমানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর বোয়ালমারীতে ট্রেনের ধাক্কায় মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধার মৃত্যু রাত ১টার মধ্যে দেশের ৬ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেট বিভাগে ৩১ জনের মৃত্যু

চালকের জন্য ১২ পয়েন্ট, শূন্যে নামলে লাইসেন্স বাতিল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (৬ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইনটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

এ আইনের ১১ ধারায় চালকদের জন্য ১২ পয়েন্ট রাখা হয়েছে। অপরাধের বিবেচনায় এক এক করে পয়েন্ট কাটা যাবে। পয়েন্ট শূন্যে নেমে এলে বাতিল হবে চালকের লাইসেন্স।

সচিবালয়ে সোমবার (৬ আগস্ট) নতুন আইনের বিস্তারিত জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

তিনি বলেন, ‘আগের আইনে ১৭৭টি ধারা ছিল। অনুমোদন পাওয়া নতুন আইনে ১২৪টি ধারা ও ১৩টি অধ্যায় রাখা হয়েছে। এতে চালকদের জন্য পয়েন্ট রাখা হয়েছে।’

উন্নত বিশ্বে চালকদের জন্য পয়েন্ট রাখার বিধান রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, চালকদের জন্য পয়েন্ট রাখার বিষয়টি আমরা নতুন আইনে সেটি যোগ করেছি।’

আইনের ধারা ৬ এ বলা হয়েছে, ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য বয়স হতে হবে ১৮ বছর। পেশাদার চালক হতে হলে বয়স হতে হবে ২১ বছর। এছাড়া লাইসেন্সধারী হতে চাইলে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণী বা সমমানের যোগ্যতাসম্পন্ন হতে হবে।

১২ ধারায় বলা আছে, লাইসেন্সধারী কোনও ব্যক্তি শারীরিকভাবে অক্ষম, অপ্রকৃতিস্থ, মদ্যপ হলে তার লাইসেন্স প্রত্যাহার-স্থগিত করা যাবে।

নতুন আইনে যানবাহনের চালক, হেলপারসহ পরিবহন সংশ্লিষ্ট শ্রমিকদের কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করা হবে। এটি গেজেট বা প্রজ্ঞাপনে নেই। শ্রম আইন ২০০৬ এর সঙ্গে মিল করে কর্মঘণ্টা সরকার ঠিক করবে।

আইনের নতুন ধারায় মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন সংখ্যা, সীমানা নির্ধারণ, মোটরযানের ইকোনোমিক লাইফ, গতিসীমা, শব্দমাত্রা নিয়ন্ত্রণের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া দুর্ঘটনার কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আর্থিক সহায়তা তহবিলের বিষয়টি আইনে যোগ করা হয়েছে। লাইসেন্সবিহীন গাড়ি চালানোসহ নানা অপরাধে এই আইনে শাস্তির বিধান থাকলেও দুর্ঘটনার কারণে মৃত্যু বা ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ থাকলে তার বিচার ফৌজদারি আইনেই হবে।

১৯৮৩ সালের মোটরযান অধ্যাদেশ সংশোধন, পরিমার্জন ও সংশোধন করে একটি আইন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় ২০১৩ সালে। এরপর গত বছরের ২৭ মার্চ মন্ত্রিসভার বৈঠকে কিছু পর্যবেক্ষণসহ আইনটি নীতিগত অনুমোদন পায়।

প্রায় ১৪ মাস পর আইনটির খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হলো।

সড়কে দুর্ঘটনা কমাতে নতুন আইনের প্রয়োজন নেই!

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ