রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৬ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
দক্ষিণ সুদান ও আবেই সফরে গেলেন সেনাপ্রধান জ্বালানি খাত বেসরকারিকরণে কর্পোরেট দখলের আশঙ্কা ‘হলগুলোতে ছাত্রদের মারামারি ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার পথ সুগম করছে’  আওয়ামী নৃশংসতার বৈশ্বিক প্রচারণা জোড়দারের আহ্বান ইসলামী আন্দোলনের একজন শিক্ষকই বদলে দিতে পারেন একটি প্রজন্ম : এমপি এনামুল কওমি শিক্ষার্থীরা দেশের অনেক বড় সম্পদ: ড. আহমদ আবদুল কাদের হাসিনার আমলে একটি অমানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর বোয়ালমারীতে ট্রেনের ধাক্কায় মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধার মৃত্যু রাত ১টার মধ্যে দেশের ৬ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেট বিভাগে ৩১ জনের মৃত্যু

মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে হজ্জ ও ওমরা করা কি জায়েয?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে হজ্জ বা ওমরা আদায় করা জায়েয। অনুরূপভাবে তওয়াফ এবং যাবতীয় নেক আমল তার পক্ষ থেকে আদায় করা জায়েয। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল রহ. বলেন, যে কোন নেক কাজ সম্পাদন করে যদি তার ছওয়াব জীবিত বা মৃতের জন্য দান করে দেয়, তবে সে উপকৃত হবে।

কিন্তু ছওয়াব দান করার চাইতে মৃতের জন্য দু’আ করা বেশী উত্তম। দলীল হচ্ছে রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর বাণীঃ তিনি বলেন, “মানুষ মৃত্যু বরণ করলে তিনটি আমল ছাড়া তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায়।

১) সাদকায়ে জারিয়া
২) উপকারী ইসলামী বিদ্যা
৩) সৎ সন্তান, যে তার জন্য দু’আ করবে।”

এই হাদিসে নবীজি সা. এরূপ বলেন নি যে সৎ সন্তান, যে তার জন্য ইবাদত করবে বা কুরআন পড়বে বা নামায পড়বে বা ওমরা করবে বা রোযা রাখবে ইত্যাদি। অথচ হাদীছটিতে প্রথমে দু’টি আমলের কথাই উল্লেখ করা হয়েছে।

যদি মৃতের জন্য আমল করা উদ্দেশ্য হত, তবে নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অবশ্যই বলতেন, “এবং নেক সন্তান, যে তার জন্য আমল করবে।”

কিন্তু মানুষ যদি কোন নেক আমল করে তার সওয়াব কারো জন্য দান করে দেয়, তবে তা জায়েয।

আরও পড়ুন : কেরসিন তেল কি নাপাক?


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ