বুধবার, ২৩ মে ২০১৮

‘আলোর কথা বলবো কিছু, গতির কথা কিছু’

OURISLAM24.COM
এপ্রিল ২৬, ২০১৮
news-image

চৌধুরী মনজুর লিয়াকত রুমি

পৃথিবীর ইতিহাসে ব্যাপক আলোড়ন তোলা একটি ঘটনা ‘মিরাজ‘। যার স্মরণে আমরা সুযোগ গ্রহণ করতে পারি ধ্যানে মগ্ন হওয়ার আর পূণ্য অর্জনের। এরই ফলশ্রুতিতে মানব কল্যাণের।

কেন মানব কল্যাণ, পুরো লেখাটি পড়লে যা বুঝতে পারি। প্রথমেই এর সাথে পবিত্র কুরআনে উল্লেখিত আয়াতটি উপস্থাপন করি। সেটি হচ্ছে-

‘পবিত্র ও মহিমাময় তিনি, যিনি তাঁর বান্দাকে রজনীযোগে ভ্রমণ করিয়েছিলেন মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসায়, যার পরিবেশ আমি বরকতময় করেছিলাম, তাঁকে আমার নিদর্শন দেখানোর জন্য, নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা। (সূরা বনিসরাইল বা সূরা আল ইসরা আয়াত নং ১)।

বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের নাম আমরা কেইবা না জানি। তাঁর চতুর্মাত্রিক ধারণা (Fourth Dimension Theory), E=MC2, তরঙ্গ দৈর্ঘ্য, ইত্যাদির পাশে একটি তত্ব হলো আপেক্ষিকতার তত্ব (Theory of Relativity)।

বিজ্ঞানীদের নানান চেষ্টার পর মাত্র গত শতাব্দীতে এসে তিনি প্রমাণ করলেন একটি বিষয় এই তত্ত্বের ভিত্তিতে। আর তা হলো কেউ যদি শুধুমাত্র আলোর (বিদ্যুৎ) গতিতে পৃথিবী থেকে অন্যত্র পরিভ্রমণ করেন, তবে তিনি মহাশূন্যে যেটুকু সময় অতিবাহিত করে আসতে পারবেন তার তুলনায় পৃথিবীতে সময় অতিবাহিত হবে অনেক কম।

আমাদের প্রিয় নবীর সা. এর সময় পরিভ্রমণ বিষয়ক একটি ঘটনা ছিল শবে মেরাজ। ওই ঘটনায় ঠিক এ ব্যাপারটিই ঘটেছিল বহু শতাব্দী আগে। এক্ষেত্রে আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহম্মদ সা. যে বাহনের মাধ্যমে ভ্রমণ করে এসেছিলেন তার নাম ছিল ‘বোরাক’ যার অর্থ সেই ‘বিদ্যুৎ’।

আইনস্টাইন যখন বৈজ্ঞানিক নিক্তিতে প্রমাণ করলেন ঠিক তখনই অবাক বিস্ময়ে পৃথিবী উপলব্ধি করলো একটি অলৌকিক ঘটনার কথা, যা বাস্তবেই ঘটা সম্ভব। এটি আসলে ঘটেছিলো প্রায় প্রায় পনেরশত বছর আগে এক মহাপুরুষের একটি অলৌকিক ভ্রমণ নিয়ে। আর প্রমাণ পাওয়া গেলো বিজ্ঞানের এই উন্নতির যুগে এসে, অতিসম্প্রতি।

আমার খুব পরিচিত এক মানুষ জনাব ফজলে সেলিম। শহীদ বুদ্ধিজীবী ডাক্তার ফজলে রাব্বি’র ছোট ভাই। তাঁর ছিল বিখ্যাত ব্যক্তিদের সাথে সাক্ষাতের সখ (Hobby)। পৃথিবীর বহু প্রথিতযশা ব্যক্তিত্বের সাথে তিনি দেখা করেছেন।

তার সাথে একদিন আমার আলাপের মাঝে ‘সময় পরিভ্রমণ’ (Time Travel) বিষয়টিও চলে এলো। তখন তিনি তার শখের তালিকার একজনের কথা আমাকে বললেন।

যার কথা বললেন, তিনি আর কেউ নন তিনি হলেন নিউটন এবং আইনস্টাইনের পরে স্থান পাওয়া বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী স্বয়ং স্টিফেন হকিং। সেই সাক্ষাতে তিনি তার মনের কৌতূহল মেটানোর জন্যে কয়েকটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করার সুযোগ পেয়েছিলেন।

জিজ্ঞেস করেছিলেন মিরাজের বিষয়টি। এ সম্পর্কে সম্বন্ধে স্বয়ং হকিং অবগত কিনা, আর হকিং এর মতে এ ঘটনার ব্যখ্যা কি? অন্যান্য অনেক ব্যাপারে এ বিজ্ঞানীর যত সংশয়পূর্ণ মতামতই থাকুক না কেন, সময় পরিভ্রমণের মিরাজের বিষয়টি যে বাস্তবে ঘটা সম্ভব এবং শারীরিকভাবেই, তা কিন্তু হকিং অকপটেই বলেছিলেন তার সামনে রাখা যন্ত্রের সাহায্যে।

সেলিম সাহেবের ভাষায় ‘হকিং যেহেতু অসুস্থতার কারণে নড়া চড়া (Movement) করতে পারেন না, তাই সামনে রাখা ওই যন্ত্রের সাহায্যে একেবারে অংক কষেই তিনি দেখিয়েছিলেন এ বিষয়টির এক জটিল ইকুয়েশন’। তাঁর কৌতূহলের উত্তর পরিষ্কার হলেও ওই ম্যাথমেটিক্স বোঝা ছিল বেশ দুষ্কর।

বৈজ্ঞানিকভাবে শবে মিরাজের উপর আমার জানার পর্যায় ছিল আইনস্টাইনের উপরের মতবাদ পর্যন্তই। কিন্তু পরে এ বিষয়টি জেনে ‘পালক’ নামে এক পত্রিকায় ‘সময় পরিভ্রমণ’ নামকরণে লিখেছিলাম আজ থেকে প্রায় চার বছর আগে।

এ ঘটনাটি সেখানে বিবৃত হয়েছিল তখনই। যার কাছে হকিং এর মতটি জেনেছিলাম তিনিই গত বছর চলে গেলেন মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে। আমি তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ হয়ে রইলাম এ অজানা ব্যাপারটি অবগত হওয়ার কারনে।

আসলে বিজ্ঞান দিয়ে এগুলো বুঝানোর প্রয়োজন নেই। এ অসাধারণ চিরসত্যগুলোতো অনেক আগেই ঘটে আছে এ বিশ্বব্রহ্মান্ডের স্রষ্টার ইশারায়। উনি যে শুধু বলেন ‘কুন ফা ইয়া কুন’ অর্থাৎ ‘হও আর হয়ে যাও’। আর সব ঘটে যায় তৎক্ষণাৎ।

উপরে আলোর কথা বললাম, আর বললাম গতির কথা। সেই সত্যিকারে আলোর ছোঁয়ায় পবিত্র কুরআনের ‘সূরা ইব্রাহীমের’ প্রথম আয়াতটা একটু বলি না হয়। যেখানে রয়েছে আরেক আলোর কথা, একজন মানুষের কথা। যিনি এ পৃথিবীর জন্যে আলোকবর্তিকা।

আর তা আছে ঠিক এভাবে- ‘আলিফ লাম- রা, এই কিতাব, এটা আপনার প্রতি অবতির্ণ করেছি যাতে আপনি মানবজাতিকে তাদের প্রতিপালকের নির্দেশক্রমে বের করে আনতে পারেন অন্ধকার থেকে আলোকে, তাঁর পথে যিনি পরাক্রমশালী, প্রশংসার্হ’।

আর সূরা আম্বিয়ার ১০৭ নং আয়াতে এই মানুষটিকে চিহ্নিত করা হয়েছে ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন’ বলে অর্থাৎ ‘মানবজাতির কল্যাণের জন্য রহমতস্বরুপ আগত এক মানব বলে’।

সেই আলোকিত মানুষ নবিজী হজরত মুহম্মদ সা.-কে মক্কা থেকে মদীনায় হিজরতের তিন বছর আগে ২৬ রজব দিবাগত রাতে সমস্ত পবিত্রতার ছোঁয়ায় (সিনা চাক বা হৃদয় ধৌতকরণ) মহান আল্লাহতায়ালা কিছু সময়ের জন্য উঠিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন উর্ধ্বলোকে মহান প্রতিপালকের একান্ত সান্নিধ্যে (Closest Proximity তে)।

এই ঘটনা ইসলামের দৃষ্টিতে মিরাজুন্নবী সা. বা নবী সা. এর মিরাজ হিসেবে পরিচিত। মিরাজ একটি আরবি শব্দ এর অর্থ উপরে উঠার সিঁড়ি বা সোপান আর আরেক অর্থে উর্ধ্বগমন।

সৃষ্টিকর্তার মহান আরশ পরিদর্শন করাবেন বলেই উপরোল্লিখিত বনি ইসরাইল সূরা’র ওই আয়াতে নিদর্শন দেখানোর কথা বলা হয়েছে। সূরা নাজমের ৫৩ নং আয়াতটিও এখান প্রণিধানযোগ্য, আর তা হলো- ‘তিনি তো তাঁর প্রতিপালকের মহান নিদর্শনাবলী দেখেছিলেন।’

হাদিস মতে কাবাঘরের হাতিম অংশে ফেরশতা জিবরাইল আ. এসে তাঁর বক্ষবিদারণ বা সিনা চাক করেন। কথিত যে এর পর নবিজীর সা. কলব ধৌত করেন। সত্যিই তো, যিনি এ পৃথিবী থেকে যাবেন মহান সৃষ্টিকর্তার সান্নিধ্যে সেই পবিত্র মানুষটিকে তো এভাবেই হতে হয়েছিল আরো পবিত্র।

জমজমের পানি দিয়ে ধৌত হয়ে বোরাক নামের সেই ত্বরিত-যানে আরোহন করানো হয় বিশ্ব মানবতার মুক্তিদ্যুতকে। এভাবে মসজিদুল আকসা হয়ে তারপর সেই চরম পবিত্র গন্তব্য।

সেখানে পালাক্রমে তাঁর দেখা হয়েছিল হজরত আদম আ., ঈসা আ., ইয়াহিয়া আ., ইউসুফ আ., ইদ্রিস আ., হারুন আ., মুসা আ. এরপর দেখা হলো ইবরাহীমআ. এর সাথে।

সব পবিত্র মানুষগুলোই এই নেককার নবীকে অভিনন্দন আর স্বাগত জানিয়েছিলেন প্রাণখুলে। এ পর্যন্ত ভ্রমণের সীমানাকে চিহ্নিত করা হয় সাত আসমান বলে।

এরপর নবীজিকে সা. নেয়া হয় সিদরাতুল মুনতাহায়। এর উপরে রয়েছে বায়তুল মামুর (পৃথিবীতে এর প্রতিচ্ছবি বায়তুল মুকাদ্দাস)। নবীজী সা. ফেরশতাদের দেখলেন আর দেখলেন জান্নাত-জাহান্নাম। এ পর্যন্তই যেতে পারেন জিবরাইল আ.।

এর পরে নবিজী সা. একা রফরফ যানে আল্লাহর দরবারে যান, একেবারে নিকট সান্নিধ্যে উপস্থিত হন। আশেক আর মাশুকের এ কাছাকাছি একান্ত আলাপে সৃষ্টি জগতের সব রহস্যই আল্লাহতালা তাঁকে বুঝিয়ে দেন।

মেরাজের রজনীতে হাবিব ও মাহবুবের একান্ত সাক্ষাতে ১৪ টি বিষয় ঘোষণা হয়েছে বলে জানা যায়। যা ইসরা- বনি ইসরাইল সূরার ২২-৪৪ আয়াতে প্রস্ফুটিত হয়েছে। যার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি হলো-

(১) আল্লাহকে ছাড়া কারও ইবাদত করবে না; (২) পিতা-মাতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করবে; (৩) নিকট স্বজনদের তাদের অধিকার দাও; (৪) মিসকিনদের ও পথসন্তানদের (তাদের অধিকার দাও); (৫)অপচয় কোরো না; (৬)কৃপণতা কোরো না; (৭) সন্তানদের হত্যা করবে না (একসময় খাদ্যের অভাবে এ ঘৃণিত কাজ করা হতো); (৮) ব্যভিচারের নিকটেও যেওনা; (৯)মানব হত্যা কোরো না;(১০)এতিমের সম্পদের কাছেও যেওনা;(১১)প্রতিশ্রুতি পূর্ণ কোরো; (১২)মাপে পূর্ণ দাও;(১৩)অবস্থান কোরো না যাতে তোমার জ্ঞান নেই;(১৪)পৃথিবীতে গর্বভরে চলো না। এ সবই মন্দ তোমার রবের কাছে অপছন্দ।

এসময়েই উপহার দেয়া হয় নামায। যাঁকে পরবর্তিতে নবিজী (সা:) ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম স্তম্ভ ঘোষনা দিয়ে সর্বজনীন মিরাজ বলেছিলেন। বলেছিলেন-‘ নামায মুমিনদের জন্য মিরাজস্বরুপ’।

শবে মিরাজের রাতে অর্জিত সেই অসাধারন ব্যাবস্থা নামাযকে ঘিরে একটু বলেই এ লেখার শেষ করবো। আমরা জানি আজানের সুরেলা ধ্বনিতে ভেসে আসে ইবাদতের সাথে ‘হাইয়্যা আলাল ফালাহ’ আহ্বান। যার অর্থই হচ্ছে ‘এসো কল্যাণের জন্য’।

আর নামাযের সমাপ্তিতে পাবো একটি দোয়া। যা এই মিরাজের রাতের ঘটনা। সৃষ্টিকর্তার দিদার লাভের সুবর্ণ সুযোগ অর্থাৎ মানুষের এই মিরাজকে ঘিরেই চলে এসেছে এ দোয়া। এই দোয়াটি হল ‘তাশাহুদ’ বা ‘আত্তাহিয়াতু’। দোয়াটা প্রতি নামাযে পাঠ করা হয়। আসলে এটি একটি কথোপকথন (Conversation) যা মহান সৃস্টিকর্তার সাথে তার প্রিয় হাবীব, সকল মানবপ্রেমী (রাহমাতাল্লিল আলামিন) হযরত মুহাম্মাদ(স:) এর। যা ঘটেছিল সেই মিরাজের রাত্রে। আর এর সাক্ষী হওয়ার গৌরব অর্জন করে চির ধন্য হলেন ফেরেস্তারা।

মেরাজের রাতে প্রাপ্ত এই দোয়াটির মূল মর্ম (Real Essence) আমরা একটু উপলব্ধি করার চেষ্টা করি এবারে। আল্লাহ হলেন সব শান্তির কেন্দ্র, সকল শান্তির উৎস, সব শান্তির ঝরনাধারাও তাঁর থেকেই প্রবাহিত। তাই নবীজী হযরত মুহম্মদ সা. সেই শান্তির মহান শক্তির সাক্ষাতে সম্মান প্রদর্শনের জন্য বললেন-

‘আত্তাহিয়াতু লিল্লাহি ওয়াসসালাওয়াতু ওয়াত্তাইয়্যাবাতু’ যার অর্থ হল- ‘সব মৌখিক, আন্তরিক, শারীরিক, আর্থিক যাবতীয় প্রশংসা ও ইবাদত কেবল আল্লাহতায়ালার জন্য।’

এর উত্তরে মহান রাব্বুল আলআমিন বললেন- ‘আসসালামু আলাইকা আইয়্যূহান্যাবিয়্যূ ওয়া রাহমাতুল্লাহে ওয়া বারাকাতুহু’- ‘হে নবী আপনার প্রতি সালাম, আপনার প্রতি আল্লাহর রহমত ও অনুগ্রহ বর্ষিত হোক’। এ কথা শুনেই নবীজী আবেদন জানালেন- ‘আসসালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস সালিহিন’ অর্থাৎ ‘আমাদের ও আল্লাহর নেক (সৎ) বান্দাদের উপর আল্লাহর রহমত ও অনুগ্রহ বর্ষিত হউক’।

তার মানে হল, অসাধারণ এই মহামানব আল্লাহর নূররে সম্মুখে দাঁড়িয়ে সব মানুষের কথা ভুলে জাননি। তিনি সকল শান্তির ঝর্নাধারা মহান আল্লাহতায়ালাকে অনুরোধ করলেন এই বলে যে, আল্লাহ আপনার শান্তি শুধুমাত্র আমার উপর নয়, আমার উম্মতসহ সৃস্টিকর্তার সমস্ত সৃস্ট সৎ দাস ভালোমানুষগুলোর উপর বর্ষিত হোক’।

একবার ভাবুন কি সুন্দর চাওয়া এটি। যেখানে আমাদের প্রিয় নবী করিম সা. শুধু নিজের কথা ভাবেন নাই, ভেবেছেন সব মানুষের কথা। আমরা সাধারণ মানুষেরা এখান থেকে স্বার্থপরতার উর্দ্ধে উঠার ও সহমর্মিতা শিক্ষা অর্জন করতে পারি। নিজেদের মানবজাতি ও সৃষ্টিকর্তার সমস্ত সৃষ্টির জন্য শান্তি কামনায় এভাবেই প্রস্তুত করতে পারি আমরা প্রতি নামাযে। আর তা করতে পারি ‘তাশাহুদ’ অর্থাৎ ‘আত্তাহিয়াতুর’ ওই শিক্ষার গুরুত্ব উপলব্ধিতে।

এবারে আসি এই দোয়ার শেষ অংশে। যেখানে মহান আল্লাহতাআলা ও তার পিয়ারা নবী হযরত মুহাম্মদ সা. এর কথোপকথন শুনার সৌভাগ্য অর্জন করে ফেরেস্তাআনন্দে বলে উঠেছিলেন-

‘আশহাদুআল্লাহ ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশাহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু’ অর্থাৎ ‘আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া আর কোন মাবুদ নেই, আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে হযরত মুহাম্মদ সা. আল্লাহর বান্দা ও রসূল’।

আহা কি অসাধারণ বিষয়গুলোতে পরিভ্রমণ করে এলাম সেই সময় পরিভ্রমণ জানতে জানতেই। সমগ্র মানবজাতির কল্যাণে এভাবেই ছড়িয়ে যাক সত্য ও সুন্দরের আলো আরো তীব্র গতিতে।

লেখক: কথাসাহিত্যিক