রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬ ।। ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২০ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দলে গতি আনতে পরিকল্পনা জানালেন ইসলামী আন্দোলনের নতুন মহাসচিব ‘এ দেশে এক পীরের যত মুরীদ আছে পুরো জামায়াত মিলেও এত লোক নেই’ জমিয়তের ঢাকা মহানগর উত্তর কাউন্সিল সফল করতে মতবিনিময় সভা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কওমি শিক্ষার্থীদের ভূমিকার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দাবি অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি নেজামে ইসলাম পার্টির ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির কে কোন দায়িত্ব পেলেন জুলাইয়ের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়া সেই যুবক মুয়াজ্জিন নন! আমিরে মজলিসের সঙ্গে বগুড়া জেলা নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন পীর সাহেব চরমোনাই

উপযুক্ত শাস্তি পাবেন কি ধর্ষক ধর্মগুরু আসারাম বাপু?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সুলাইমান সাদী : ভারতের মন্দির আর পশ্চিমের গির্জায় ধর্মীয় গুরুদের যৌন নিপীড়নসহ ভিশপ্ত ধর্ষণের ঘটনাও বিরল নয়। হামেশাই ঘটছে এসব ঘটনা। ধর্মীয় গুরুদের এহেন আচরণে মানুষ এখন অতীষ্ঠ। রাষ্ট্র ও আদালতও কিছু কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে।

আট মাস আগে জোড়া ধর্ষণ মামলায় শাস্তি হয়েছে ভারতের স্বঘোষিত ধর্মগুরু গুরমিত রাম রহিমের। এ রায়কেন্দ্র করে ভারত জুড়ে চলেছে দাঙ্গা-হাঙ্গামা আর সহিংসতা। এতে ৩৬ জনের প্রাণনাশসহ ক্ষতি হয়েছে ২০০ কোটি টাকার সম্পদ।

এবার আরেক স্বঘোষিত ধর্মগুরু বুড়ো ধর্ষক আসারাম বাপুর বিরুদ্ধে রায় হতে চলেছে। ধর্ষকের পক্ষ নেয়া সহিংস জঙ্গীদের আতঙ্ক ইতোমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে ভারত জুড়ে।জঙ্গীদের ঠেকাতে সরকার নিয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ভাবে মনে হচ্ছে, সরকার রায় দেয়া নিয়ে ভীতিতে ভুগছে।

২০১৩ সালে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলেই রয়েছে আসারাম।  ১২ বার জামিনের আবেদন করেছে সে। খারিজ হয়েছে প্রতি বারই। অভিযোগ, ২০১৩-য় উত্তরপ্রদেশের শাহজহানপুরের ১৬ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণ করে সে। মানাই গ্রামে নিজের আশ্রমে নিয়ে গিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে আসারাম। গুজরাতের সুরাতেও আসারাম ও তার ছেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন দুই বোন। আসারামের বিচার শুরু হওয়ার পর থেকে গত চার বছরে এই দুই মামলার ৯ জন সাক্ষীর উপর হামলা হয়েছে। মারা গিয়েছেন ৩ জন।

দোষী সাব্যস্ত হলে ১০ বছর জেল হতে পারে ৭৭ বছরের আসারামের। অশান্তির আশঙ্কায় উত্তরপ্রদেশে ওই নিগৃহীতার বাড়ির বাইরেও মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ।

রাজস্থান, গুজরাত ও হরিয়ানাকে সতর্ক করে কেন্দ্র সরকার নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দিয়েছে। ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত জোধপুর জুড়ে জারি করে রেখেছে ১৪৪ ধারা। পুরো জোধপুরে এখন যুদ্ধংদেহি অবস্থা। সহিংসতার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে আসারামের ভক্তবাহিনী। ধর্ষগুরুর বিরুদ্ধে রায় গেলেই নেমে পড়বেন তারা। আবারো দেখতে হবে দাঙ্গা-হাঙ্গামা।

দেশটির সরকার বা আদালত শেষ পর্যন্ত কি এ সহিংসতার সম্মুখীন হতে রাজি হবেন? প্রকৃত শাস্তি পাবেন স্বঘোষিত ধর্মগুরু আসারাম বাপু?

টিএ

আরো পড়ুন : পদ্মাসেতু রেলসংযোগ : পেছাচ্ছে সময়, বাড়ছে ব্যয়


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ