শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘সরকার আসে সরকার যায়, কিন্তু মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয় না’ গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নারায়ণগঞ্জে গ্যাসের আগুনে দগ্ধ শিশুর মৃত্যু নেত্রকোনার বড়বাজারে অগ্নিকাণ্ড, ক্ষতিগ্রস্ত ৮ স্থাপনা যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় অটোরিকশা চালকসহ নিহত ২ সেবার মানসিকতা না থাকলে চিকিৎসার মান উন্নয়ন সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়-মাদরাসার ভূমিকা যথেষ্ট গুরুত্ব পায়নি: নাহিদ ইসলাম সরকারের কাজে কোনো গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী ‘পাকিস্তান-সৌদি-তুরস্কের প্রতিরক্ষা চুক্তি মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি’

‘নামাজের কোনো প্রধান অতিথি হয় না’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সাব্বির জাদিদ

ছবিটি ১৯৭২ সালের। ধানমন্ডি ক্লাব মাঠে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গিয়েছিলেন ঈদের নামাজ আদায় করতে। নামাজের ইমাম ছিলেন হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ যাকারিয়া র.।

জামাতের সময় হয়ে গেলে ইমাম সাহেব নামাজ পড়াতে দাঁড়িয়ে যান। বঙ্গবন্ধু তখনো উপস্থিত হননি। সরকারের প্রভাবশালী এক কর্মকর্তা বলেন, বঙ্গবন্ধু আজকের জামাতের প্রধান অতিথি। তাঁর জন্য অপেক্ষা করুন।

যাকারিয়া সাহেব বললেন, নামাজের কোনো প্রধান অতিথি হয় না। ততক্ষণে বঙ্গবন্ধু মাঠে প্রবেশ করছেন। ইমামের ঘোষণা তাঁর কানে গেছে।

নির্ধারিত স্থানে নামাজ পড়ে বঙ্গবন্ধু ইমাম সাহেবকে বলেন, আপনি ঠিকই বলেছেন। নামাজের কোনো প্রধান অতিথি নাই। এরপর বঙ্গবন্ধু ইমাম সাহেবকে তার বাসায় দাওয়াত দেন।

ক'দিন পর ইমাম যাকারিয়া সাহেব বঙ্গবন্ধুর বাসায় যান বেড়াতে। আপ্যায়ন শেষে ইমাম সাহেবকে শেখ রাসেলের কোরআন শেখানোর দায়িত্ব দেন বঙ্গবন্ধু।

ছবিতে বঙ্গবন্ধু, শেখ রাসেল, জিল্লুর রহমান ও ইমাম যাকারিয়া সাহেব।

পুনশ্চ: সেদিনের ইমাম মাওলানা যাকারিয়া র.-এর কাছে আমি আরবি ব্যাকরণ পড়েছি। সেই অর্থে শেখ রাসেল এবং আমার শিক্ষক একইজন।

তথ্য ও ছবিঋণ: প্রিয় শিক্ষক Nurun Nabi সাহেব।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ