শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
আওয়ার ইসলামের সিরাত প্রতিযোগিতার ফল প্রকাশ, পুরস্কার পাচ্ছেন ৭৫ জন ‘শিক্ষার্থীদের নিজস্ব প্রতিভা ও আগ্রহ চিহ্নিত করে সামনে এগোতে হবে’ বিহারে আলেমদের সেমিনার, ফিকহি ঐতিহ্য সংরক্ষণে ১০ প্রস্তাব আল্লাহর ওলিদের অসম্মানের পরিণতি কত ভয়াবহ! হাম উপসর্গে আরও ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৩১৪ দক্ষিণ কোরিয়ার মুসলিম নেতার সঙ্গে মাওলানা অলিউল্লাহ এমপির সৌজন্য সাক্ষাৎ বায়তুল মোকাররমে কোরআন খতম ও বিশেষ দোয়া মাহফিল ৭ নভেম্বর  আলিগড়ে ১০৫ বছরের ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি, নাশরা নাইমের জয় আ.লীগের গায়ে আলেম-ওলামার রক্তের দাগ, রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ১০ মাসে সিহাহ সিত্তাহ হিফজ করলেন আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ

‘নামাজের কোনো প্রধান অতিথি হয় না’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সাব্বির জাদিদ

ছবিটি ১৯৭২ সালের। ধানমন্ডি ক্লাব মাঠে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গিয়েছিলেন ঈদের নামাজ আদায় করতে। নামাজের ইমাম ছিলেন হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ যাকারিয়া র.।

জামাতের সময় হয়ে গেলে ইমাম সাহেব নামাজ পড়াতে দাঁড়িয়ে যান। বঙ্গবন্ধু তখনো উপস্থিত হননি। সরকারের প্রভাবশালী এক কর্মকর্তা বলেন, বঙ্গবন্ধু আজকের জামাতের প্রধান অতিথি। তাঁর জন্য অপেক্ষা করুন।

যাকারিয়া সাহেব বললেন, নামাজের কোনো প্রধান অতিথি হয় না। ততক্ষণে বঙ্গবন্ধু মাঠে প্রবেশ করছেন। ইমামের ঘোষণা তাঁর কানে গেছে।

নির্ধারিত স্থানে নামাজ পড়ে বঙ্গবন্ধু ইমাম সাহেবকে বলেন, আপনি ঠিকই বলেছেন। নামাজের কোনো প্রধান অতিথি নাই। এরপর বঙ্গবন্ধু ইমাম সাহেবকে তার বাসায় দাওয়াত দেন।

ক'দিন পর ইমাম যাকারিয়া সাহেব বঙ্গবন্ধুর বাসায় যান বেড়াতে। আপ্যায়ন শেষে ইমাম সাহেবকে শেখ রাসেলের কোরআন শেখানোর দায়িত্ব দেন বঙ্গবন্ধু।

ছবিতে বঙ্গবন্ধু, শেখ রাসেল, জিল্লুর রহমান ও ইমাম যাকারিয়া সাহেব।

পুনশ্চ: সেদিনের ইমাম মাওলানা যাকারিয়া র.-এর কাছে আমি আরবি ব্যাকরণ পড়েছি। সেই অর্থে শেখ রাসেল এবং আমার শিক্ষক একইজন।

তথ্য ও ছবিঋণ: প্রিয় শিক্ষক Nurun Nabi সাহেব।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ