শনিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৮

তাবলীগ ইস্যুতে হাটহাজারীতে আলেমদের ৪ সিদ্ধান্ত

OURISLAM24.COM
মার্চ ২১, ২০১৮
news-image

মুহাম্মাদ ইশতিয়াক সিদ্দিকী, হাটহাজারী প্রতিনিধি

তাবলীগ জামাতের দিল্লির মারকাজের জিম্মাদার মাওলানা সা’দের কিছু ভ্রান্তিপূর্ণ বয়ান ও আলোচনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট জটিলতা ও সংকট নিরসনের উদ্দেশে আমীরে হেফাজত, দারুল উলূম হাটহাজারী মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফীর আহ্বানে হাটহাজারী মাদরাসায় উলামা মাশায়েখ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ (বুধবার) সকাল ১০টায় হাটহাজারী মাদরাসার মিলনায়তনে বৃহত্তর চট্টগ্রামের উলামা-মাশায়েখগণের গুরুত্বপূর্ণ র সম্মেলন শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে নিম্নলিখিত সিদ্ধান্তসমূহ গৃহিত হয় :

১. তাবলীগী জামাতের প্রতিষ্ঠাতা হযরতজী মাওলানা ইলিয়াস রহ. এর গুরুত্বপূর্ণ উসূল ছিলো, এই মোবারক মেহনত উলামা হযরতগণে নেগরাণীতে পরিচালিত হলে ফিতনামুক্ত থাকবে।

অন্যথায় সমূহ ফিতনা দেখা দেবে। তাই এই মেহনতকে সহীহ নাহাজের উপর পরিচালিত করা এবং সর্বপ্রকার ফেতনা থেকে মুক্ত রাখার জন্য চট্টগ্রামস্থ লাভলেইন মারকাযের মজরিসে শূরার বর্তমান সদস্যবৃন্দের সাথে নিম্নলিখিত উলামা হযরতগণকে সংযুক্ত করা হোক!

১. মাওলানা মুফতী শামসুদ্দীন জিয়া, পটিয়া মাদরাসা। ২. মাওলানা মুফতী কেফায়েতুল্লাহ, হাটহাজারী মাদরাসা। ৩. মাওলানা ফুরকান আহমদ, হাটহাজারী মাদরাসা। ৪. মাওলানা আবু তাহের নদভী, পটিয়া মাদরাসা।

৫. মাওলানা লোকমান, শুলকবহর মাদরাসা। ৬. মাওলানা মুফতি শাহেদ, দারুর আরকাম মাদারাসা, কসমোপলিটন। ৭. মাওলানা কবীর আহমদ, শুলকবহর মাদরাসা। ৮. মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মেখল মাদরাসা।

২. বাংলাদেশের কোন মসজিদে দেশি-বিদেশি চিল্লা ও ৩ চিল্লার জামাত কাকরাইলের মজলিসে শুরার উলামা সদস্য (মাওলানা হাফেয যুবাইর, মাওলানা রবিউল হক ও মাওলানা ফারুক) এর ফায়সালা ব্যতীত ইস্তেকবাল করা যাবে না।

৩. যতদিন পর্যন্ত দারুল উলূম দেওবন্দ মাওলানা সা’দ ছাহেবের ব্যাপারে লিখিত আস্থা প্রকাশ করবে না এবং নিজামুদ্দিন মারকাযের বিভক্ত দুই পক্ষ আপোষে কলহ মিটিয়ে এক হবে না ততদিন পর্যন্ত মাওলানা সা’দ ছাহেব ও নিজামুদ্দিন মারকাযের ব্যাপারে কোন আলোচনা করা যাবে না এবং নিজামুদ্দিনে কাউকে পাঠানো যাবে না।

৪. আগামীকাল ২২/০৩/২০১৮ খ্রিস্টাব্দ বা’দ আছর থেকে লাভলেইন মারকাযে উলামা-মাশায়েখ এবং তাবলীগী সাথীদের জোড় অনুষ্ঠিত হবে।

দুপুর ২টা ৩০মিনিটের দিকে শায়খুল ইসলাম আল্লামা আহমদ শফীর বয়ান ও মুনাজাতের মাধ্যমে উলামা মাশায়েখ সম্মেলন শেষ হয়।

‘মাওলানা সাদ চাইলে মিনিটেই এ আগুন নেভাতে পারেন