মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৮

রায়হানা হত্যাচেষ্টা; খুনীকে গ্রেফতারে মানববন্ধনে কয়েকশ মাদরাসা ছাত্রী

OURISLAM24.COM
মার্চ ১৮, ২০১৮
news-image

আওয়ার ইসলাম: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানার শাহবাজপুর মহিলা মাদরাসার ছাত্রী রায়হানা সুলতানা নুসরাতের উপর মাদকসেবী কামরুলের বর্বর হামলা ও হত্যাচেষ্ঠার প্রতিবাদে শাহবাজপুরে বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রোববার সকালে এলাকার মহিলা মাদরাসার শিক্ষার্থীরা ওই মানববন্ধনের আয়োজন করে। এতে বর্বর হামলাকারী কামরুলকে দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আবেদন জানানো হয়।

মানববন্ধনে বিভিন্ন মহিলা মাদরাসার ছাত্রীসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তি ও আলেম উলামাগণ উপস্থিত ছিলেন।

রায়হানা ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল থানার শাহবাজপুর গ্রামের হাবলি পাড়া মহিলা মাদরাসার সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী। লালমিয়া পাড়ার টবু ডাক্তারের বাড়ির মুহাম্মদ ইসলাম মিয়ার মেয়ে।

রায়হানাকে প্রকাশ্যে দিবালোকে কুপিয়ে পালিয়ে যায় কামরুল উরফে ইয়াবা কামরুল নামের এক বখাটে যুবক ৷ সে একই পাড়ার মহব্বত আলীর ছেলে।

গত ১৩ মার্চ মসকাল ৯ টায় রায়হানা মাদরাসায় যাওয়ার পথে শাহবাজপুর গ্রামের হাবলি পাড়া মসজিদের পাশ থেকে হঠাৎ ইয়াবা কামরুল লম্বা দা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে রায়হানার উপর এবং দু-পায়ের রগসহ হাতের বাহু কেটে মারাত্মকভাবে জখম করে।

উপর্যপুরী কুপিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থান রক্তাক্ত এবং ক্ষতবিক্ষত করে দেয়। চিৎকার শুনে হাবলি পাড়ার স্থানীয় লোকজন রায়হানাকে কামরুলের হাত থেকে উদ্ধার করে। লোকজনের আওয়াজ শুনে কামরুল হাতের ধারালো অস্ত্র ফেলে পালিয়ে যায়।

জানা যায়, খুনি কামরুলের উদ্দেশ্য ছিল রায়হানাকে খুন করে বিদেশে পালিয়ে যাওয়া।

গুরুতর আহত রায়হানাকে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডা. ঢাকা সোহরাওয়ার্দি হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেন। বর্তমানে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতিলে ICU বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছে রায়হানা৷

এদিকে ৫ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও খুনি কামরুলকে গ্রেফতার করতে না পারায় এলাকার মানুষের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

তবে রায়হানার বাবা ইসলাম মিয়া আজ সন্ধ্যায় মোবাইলে আওয়ার ইসলামকে বলেন, প্রশাসন আমাদের সহায়তা করছে এবং খুনীকে গ্রেফতার করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে।

মাদরাসার একজন ছাত্রীকে এভাবে দিনের বেলা প্রকাশ্যে বখাটে কর্তৃক খুনের চেষ্টায় দেশবাসী বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। দ্রুত খুনী গ্রেফতার না হলে জনমনে নিরাপত্তা নিয়ে দেখা দিতে পারে বড় অসন্তোষ।

মুসলিমমুক্ত রাখাইন গড়ার ষড়যন্ত্র যেন নস্যাৎ হয়