শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৪ রবিউস সানি ১৪৪৮


স্টিফেন হকিংয়ের মৃত্য: পাল্টাবে কি নাস্তিকদের বিশ্বাস?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কাজী হামদুল্লাহ

সর্বপ্রথম শোক প্রকাশ করছি পৃথিবীসেরা পদার্থ বিজ্ঞানী স্টিফেন উইলিয়াম হকিংয়ের মৃত্যুতে। তার মৃত্যুতে পৃথিবী হারালো একজন প্রতিভাবান মেধাবী বিজ্ঞানী। বলা হয়ে থাকে আইনেস্টাইনের পরে প্রথিতযশা বিজ্ঞানী ছিলেন স্টিফেন হকিং। আর তাই তার অসংখ্য সিদ্ধান্ত বিশ্বজুড়ে বেশ সমাদৃত।

বিজ্ঞানের একটা বিশাল জায়গাজুড়ে রয়েছে তার শক্ত অবস্থান। তার মেধার প্রখরতা দেখে পৃথিবীর জ্ঞানীসমাজে তার প্রতি বেশ অনুরাগও দেখা যায়। পাশাপাশি আরেকটা ভ্রষ্ট বলয়ও গড়ে উঠেছে মি. স্টিফেন হকিংকে ঘিরে।

স্রষ্টা এবং পরকাল বিষয়ে তার অবস্থান নিয়েও পৃথকভাবে আলোচিত হয়েছেন তিনি। এ ক্ষেত্রে নাস্তিকসমাজের কাছে তার মূল্য বেড়ে গেছে অনেক গুণ। তারা তাকে আইডল হিসেবেও গ্রহণ করে থাকে বোধ হয়।

তার সেই মতবাদ বা মন্তব্যকে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করে অনেক জায়গায়। যদিও বাংলাদেশী পদার্থ বিজ্ঞানী ড. জামাল নজরুল ইসলামের কথায় 'তিনি অতোটা নাস্তিক ছিলেন না'।

স্টিফেন হকিংয়ের ব্যক্তিগত মতামত হলো- স্রষ্টা এবং পরকাল বলতে কিছু নেই। বিগব্যাং বা মহাবিষ্ফোরণের ফলে সবকিছু সৃষ্টি হয়েছে। পরকাল একটি কাল্পনিক রূপকথা। অন্ধকারে ভয় পাওয়া মানুষের মতো চিন্তা।

কয়েক বছর আগে বিবিসি এবং লন্ডনের গার্ডিয়ান পত্রিকায় পৃথক সাক্ষাৎকারেও বিষয় দু'টি তিনি ম্যানশন করেছিলেন। তার এসব কথাকে লুফে নিয়ে বিশ্বজুড়ে একটা তোলপাড় সৃষ্টি করেছিলো নাস্তিকসমাজ।

আজ সেই মহান ব্যক্তি আর নেই। গতকাল তিনি মারা গেছেন। স্তব্ধ হয়ে গেছে তার সামনে চলা। তবে তার মৃত্যু চিন্তাশীল যে কাউকেই ভাবানোর কথা। বিশেষ করে নাস্তিকদের এ বিষয়টি নিয়ে প্রচুর ভাবা উচিত।

কারণ ক'বছর আগে এই বিজ্ঞানীই দাবি করেছিলেন পরকাল বলতে কিছু নেই। সব কল্পনামাত্র। অলীক চিন্তাধারা। কিন্তু তিনি আজ কোথায় গেলেন?

স্রষ্টা বলতে কেউ নেই বলে তিনি মত ব্যক্ত করেছিলেন। এই পৃথিবী শূন্য থেকে সৃষ্টি হয়েছে। আবার শূন্যেই বিলীন হবে। মানুষকে চালানোর জন্যও কোনো স্রষ্টা লাগে না।

এক্সাম্পল হিসেবে কম্পিউটারকে সামনে আনেন তিনি। নাস্তিকসমাজ এখানে বিভিন্ন যুক্তি দিয়ে কথাটি প্রমাণ করতে চেয়েছে। তারা দেখাতে চেয়েছে কম্পিউটার আর মানুষ প্রায় একটি রকম। নির্দিষ্ট প্রোগ্রামিংই এগুলোর চালিকাশক্তি।

আমি বিজ্ঞানী নই। বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনাও আমার নেই বললে চলে। তাই বলে কেউ মানুষকে কম্পিউটারের সাথে ত