শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৪ রবিউস সানি ১৪৪৮


মাদরাসায় শিশুদের উপর অমানবিক শাস্তি; প্রতিকারে কী ভাবছেন আলেমরা?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আতাউর রহমান খসরু
চিফ রিপোর্টার

শিশুর জীবন ও সময় শিক্ষকের কাছে পবিত্র আমানত। শিক্ষক তার স্নেহ মমতা, আদর ও শাসন দিয়ে শিশুকে তৈরি করবে আগামী দিনের জন্য। শিক্ষকের আদর ও শাসনের ভারসাম্য নষ্ট হলে হুমকিতে পরে শিশুর জীবন ও ভবিষ্যত জীবন।

এজন্য শিক্ষককে হতে হয় উচ্চতর মানবিক মূল্যবোধ, পর্যাপ্ত জ্ঞান ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ সম্পন্ন। জ্ঞান, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের অভাবে দেশের অধিকাংশ শিক্ষকই অ-শিক্ষকদের কাতারভূক্ত।

বিশেষত কওমি মাদরাসার মক্তব ও হিফজ বিভাগের শিক্ষকদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ অভাব অত্যন্ত প্রকট বলে মনে করা হয়। ফলে তাদের শিক্ষা ও শাসনে ভারসাম্য থাকে না অনেক সময়।

সম্প্রতি ময়মনসিংহের একজন হিফজ শিক্ষকের প্রহারে প্রাণ হারিয়েছে বিভাগের এক শিশু শিক্ষার্থী।

ঠিক মতো সবক (পড়া) না দেয়ায় মোটা কাঠের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে শিক্ষার্থীর পা ও পাজরের হাড় ভেঙ্গে ফেলেন পাষণ্ড শিক্ষক। এছাড়াও সারা শরীরে মারাত্মকভাবে জখম হয় শিশুটির।

শিশুটির মায়ের দাবি, ‘বাড়িতে মাঝে মাঝে ঘুমের মধ্যে সে চিৎকার করে উঠতো হুজুর আমারে আর মাইরেন না, আমি মইরা যাবো।’

অভিযোগ উঠেছে, আহত শিশুকে যথাসময়ে চিকিৎসা না দিয়ে মাদরাসায় রেখে দিয়ে তা গোপনের চেষ্টা করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেন ওই শিক্ষক এবং অভিভাবককে বলা হয় আপনার ছেলে খেলতে যেয়ে পা ভেঙ্গে ফেলেছে।

চিকিৎসায় এ বিলম্ব না হলেও হয়তো শিশুটির প্রাণ রক্ষা করা যেতো বলে জানিয়েছেন মহাখালী বক্ষ্মব্যাধি হাসপাতালের চিকিৎসকগণ। এ হাসপাতালেই শিশুটির মৃত্যু হয়।

শিক্ষকের হাতে শিক্ষার্থীর প্রাণ যাওয়ার ঘটনা বিরল হলেও তাদের নির্দয় প্রহারে আহত ও পঙ্গুত্ববরণ করার ঘটনা প্রায় শোনা যায়। কোনো সন্দেহ নেই কঠোর সরকারি আইন, অভিভাবক ও মাদরাসা পরিচালকদের সচেতনতা ও গণমাধ্যমের জোরালো ভূমিকার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিশু নির্যাতনের ঘটনা অনেক কমে এসেছে।

কিন্তু এখনো তা পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে না কেনো? শিশুর প্রতি এমন অমানবিক আচরণ কি ইসলাম অনুমোদন করে? এমন ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়ই বা কি? এসব জানতে কথা বলেছিলাম দেশের শীর্ষ ৩ ইসলামি ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে।

তাদের মতে শিশুর সঙ্গে এমন অমানবিক আচরণ কখনোই গ্রহণà