শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

মাটি খুঁড়ে পাওয়া গেল নবীর নামের সীলমোহর!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম:  পবিত্র নগরী জেরুজালেমে ২ হাজার ৭০০ বছরের পুরনো একটি পোড়ামাটির সীলমোহর পাওয়া গেছে। মোহরটিতে বাইবেলের নবী ইসাইয়াহর নামটি হিব্রু ভাষায় খচিত করা হয়েছে।

ওফল নামক একটি প্রাচীন শহরে খননকালে প্রত্নতত্ত্ববিদরা ক্ষতিগ্রস্ত পোড়ামাটির এই সীলমোহরটি আবিষ্কার করেন। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিব্রু ভাষায় খচিত মোহরটি বাইবেলের নবী ইসাইয়াহর। যদি তাই হয়, তবে নবী ইসাইয়াহ অস্তিত্বের এটিই প্রথম প্রমাণ। নবী ইসাইয়াহ ইহুদীদের রাজা হেযেকিয়াহর পরামর্শদাতা ছিলেন।

পোড়ামাটির সীলমোহরটি প্রায় ১০ ফুট (৩ মিটার) লম্বা। তবে এর ব্যাখ্যায় প্রত্নতত্ত্ববিদরা ভিন্ন ভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ বলছেন, মোহরটিতে লেখা নামটি বাইবেলের নবী ইসাইয়াহর। আবার অনেকেই বলছেন, হয়তো নামটি সে সময়কার কোনো সাধারণ ব্যক্তিরও হতে পারে।

কে নবী ইসাইয়াহ?
ইহুদীদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ তাওরাত মোতাবেক, খ্রিস্টপূর্ব ৭০০ বছর আগে নবী ইসাইয়াহর জন্ম। খ্রিষ্টানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ নাজিল হয় নবী ইসা (আ .) এর ওপর। নবী ঈসা (আ.) এরও আগে জন্ম ইসাইয়াহর। তাওরাতে বলা হয়েছে, ভবিষৎবাণীতে তিনি আরও বলেন, আসিরিয়ান সাম্রাজ্য ঈশ্বরের কাছ থেকে অহংকারী লোকেদের কাছে একটি সতর্কবাণী ছিল।

খ্রিস্টপূর্ব ৭০১-এ আসিরিয়ান বাহিনীর জেরুসালেমে প্রবেশ করাকে কেন্দ্র করে ভবিষৎবাণী করেন ইসাইয়াহ। বাণীতে তিনি নবী ইসাইয়াহ সাম্রাজ্যের সম্প্রসারণের জন্য ইহুদীদের রাজা হেযেকিয়াহকে আসিরিয়ান বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে যাওয়ার পরামর্শ দেন। এ ছাড়াও তাওরাতের ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে তার জীবন কাহিনীর বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

যদিও কোরআন ও হাদীসে নবী ইসাইয়াহর নাম কোথাও উল্লেখ নেই। তবে মুসলিম স্কলার, ইবনে কাসির ও আলী ইবনে হামযাহ আল-আসাদিসহ অনেক লেখকই ইসাইয়াহকে ইহুদীদের নবী হিসেবে মানেন।

আামাদের সময়/এইচজে


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ